Safe Dental Care

Safe Dental Care I'm Rana Karmoker I've Completed Honors & Masters in Dental.Trying to provid better dental treatment.

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Biplob Hossain, Tania Islam Trisha, Dulal Datta, Milton S...
02/12/2023

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Biplob Hossain, Tania Islam Trisha, Dulal Datta, Milton Sarker, Md Maruf, Zannat Zannat, Ramakrishna Karmakar, Sakiba Sultana, Tanisha Nursing

আঁকাবাঁকা দাঁত সাজিয়ে নিতে চলে আসুন "সেফ্ ডেন্টাল কেয়ার" পাবলিক লাইব্রেরী মার্কেট( দ্বিতীয় তলা) ভিক্টোরিয়া রোড, টাঙ্...
21/11/2021

আঁকাবাঁকা দাঁত সাজিয়ে নিতে চলে আসুন "সেফ্ ডেন্টাল কেয়ার" পাবলিক লাইব্রেরী মার্কেট( দ্বিতীয় তলা) ভিক্টোরিয়া রোড, টাঙ্গাইল।

শিশুরা সব দাঁত মুখে নিয়েই জন্মায়, যদিও সেটা দৃশ্যমান নয়। কারণ তাদের দাঁতগুলো মাড়ির মধ্যে লুকিয়ে থাকে। মাড়ি ভেদ করে দাঁতগ...
06/08/2021

শিশুরা সব দাঁত মুখে নিয়েই জন্মায়, যদিও সেটা দৃশ্যমান নয়। কারণ তাদের দাঁতগুলো মাড়ির মধ্যে লুকিয়ে থাকে। মাড়ি ভেদ করে দাঁতগুলো ওঠা শুরু করে ছয় মাস বয়স থেকে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রথম দাঁত ওঠার আগ থেকেই নবজাতক শিশুদের মাড়ির যত্ন নিতে হবে। কারণ সুস্থ মাড়িই নিশ্চিত করবে সুস্থ দাঁত।

প্রতিবার খাওয়ার পর একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে শিশুর মাড়ি মুছে দিতে হবে। এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সহায়তা করবে, যা দাঁত ক্ষয়ের অন্যতম কারণ।দাঁত ওঠার শুরু থেকেই ফ্লোরাইড আছে এমন টুথপেস্ট খুব অল্প পরিমাণে নিয়ে সফট টুথব্রাশ দিয়ে দিনে দুইবার ব্রাশ করাতে হবে।

বোতল ফিডিং করে এমন শিশুদের খাবার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বোতল বের করে নিতে হবে। এতে নার্সিং বোতল কেরিজের মতো দাঁত ক্ষয় দূর হবে। নার্সিং বোতল কেরিজ তখনই হয়, যখন শিশুরা অনেকটা সময় নিয়ে দুধ বা জুসের মতো মিষ্টি পানীয় মুখে রেখে খায়। অনেকে সেটা মুখে নিয়ে ঘুমিয়েও পড়ে।

এক বছর বয়সের আগেই অথবা প্রথম দাঁত ওঠার পরপরই একজন ডেন্টিস্ট পরামর্শ নেওয়া উচিত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মুখের পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

তিন বছর বয়স পার হলে দাঁতের যত্নের ধরন পরিবর্তন করা প্রয়োজন।খুব সামান্য পরিমাণে ফ্লোরাইডসমৃদ্ধ টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে, শিশু যেন টুথপেস্ট গিলে না ফেলে। এ সময় কমপক্ষে দুই মিনিট করে দিনে দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা নিশ্চিত করতে হবে।

ফ্লসিংয়ের ব্যবহার খুবই জরুরি। এতে দাঁতের ফাঁকে কোনো খাবার আটকে থাকলে তা বের করা যায়।

প্রয়োজনে প্রতিবার ব্রাশ ও ফ্লসিংয়ের সময় তাকে সাহায্য করুন এবং দরকার হলে তাকে মনে করিয়ে দিন। যদি কিছুই করতে না চায়, তাহলে তুলা বা সুতি কাপড় দিয়ে দাঁতগুলো মুছে দিন।

পেছনের বা মাড়ির দাঁতগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। শিশুদের জন্য প্রতি ছয় মাস পরপর একজন ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নেওয়া দরকার।

...........নিয়মিত চেকআপ করান...........দাঁতের কিংবা মাড়ির ব্যাথায় আমরা খুব কমই ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু সামান্য ব্যাথা...
30/07/2021

...........নিয়মিত চেকআপ করান...........

দাঁতের কিংবা মাড়ির ব্যাথায় আমরা খুব কমই ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু সামান্য ব্যাথা অবহেলা করলে তা পরবর্তীতে অনেক মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। সুতরাং নিয়মিত চেকআপ করান, দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখুন।

.............দাঁত পোকা খাওয়া নিয়ে ভুল ধারণা............‘দাঁতের পোকা খসাই’ বলে বেদে নারীদের উচ্চৈঃস্বরে ডাকাডাকির কথা আমর...
28/07/2021

.............দাঁত পোকা খাওয়া নিয়ে ভুল ধারণা............

‘দাঁতের পোকা খসাই’ বলে বেদে নারীদের উচ্চৈঃস্বরে ডাকাডাকির কথা আমরা অনেকেই জানি। আগে গ্রাম-গঞ্জে এমন হাঁকডাক ছিল নিয়মিত। চিকিৎসা ব্যবস্থা দোরগোড়ায় পৌঁছানোয় এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই এ কথাটি কমই বিশ্বাস করেন। তবে ‘দাঁত পোকা খায়’ এমন ভ্রান্ত ধারণা এখনো অনেকে পোষণ করে থাকেন। এমন বিশ্বাস সত্যি ভুল। দাঁতে কখনই পোকা ধরে না বা পোকা খায় না।

এটি এমন এক সমস্যা, যে কারণে দাঁত ও মাড়িতে এক ধরনের প্রদাহ হয়। দেখা দেয় জ্বালাপোড়া। ক্রমে এ সমস্যা বাড়তে থাকে। এতে দাঁত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং মাড়ি ফুলে ওঠে। এ সময় দাঁত এমনভাবে ক্ষয় হতে থাকে, দেখলে মনে হয় পোকা খেয়েছে। মাড়ি ফুলে স্থানটি থেকে পুঁজও বের হয়। আর এ কারণেই আমাদের মধ্যে বদ্ধমূল ধারণা জন্মে যে, দাঁতটি নিশ্চয় পোকায় আক্রান্ত হয়েছে!

চিকিৎসা : এ অবস্থায় প্রথম কাজ হলো-দাঁত ও মাড়ির প্লাক দূর করা এবং এ কাজটি একমাত্র দন্ত চিকিৎসকের মাধ্যমেই সম্ভব। সাধারণত নিয়মিত দুবেলা ব্রাশ না করলে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। তাই নিয়মিত দুবার অন্তত ব্রাশ করে নিতে হবে। খাবার খাওয়ার পর কুলিও করে নিতে হবে। দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলে ময়লা জমে জমে এ সমস্যা তৈরি হয়।

সমস্যা অনেক বেড়ে গেলে সার্জারি করার প্রয়োজন দেখা দেয়। বিভিন্ন ধরনের ওষুধ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল মাউথওয়াস ব্যবহার করেও এ রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।

তবে আবারও বলি, দাঁত অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। ভালো এবং সুস্থ থাকতে চাইলে এটির যত্ন নিতে হবে এবং নিয়মিত দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।ধন্যবাদ

দাঁত তুললে কি চোখের সমস্যা হয়?বিভিন্ন কারণে দাঁত ফেলে দিতে হয়। তাই রোগীরা উদ্বিগ্ন থাকেন এবং সংগত কারণে প্রশ্ন করেন, দা...
26/07/2021

দাঁত তুললে কি চোখের সমস্যা হয়?

বিভিন্ন কারণে দাঁত ফেলে দিতে হয়। তাই রোগীরা উদ্বিগ্ন থাকেন এবং সংগত কারণে প্রশ্ন করেন, দাঁত তুললে কি চোখের কোনো সমস্যা হবে?

আমরা রোগীকে আশ্বস্ত করি যে বিষয়টি এমন নয়। যেসব কারণে দাঁত ফেলে দিতে হয়, তার মধ্যে প্রদাহ রোগটি অন্যতম। ওপরের মাড়ির দাঁতে যদি এই প্রদাহ হয়, তাহলে ব্যথাটি অতিদ্রুত চোখের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এটিই মূলত ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই ব্যথা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে পাশের দাঁতে ব্যথা, সে পাশে চোখের দিকে। এ জন্য অনেকেই মনে করেন, দাঁতের সঙ্গে চোখের সম্পর্ক আছে।

তা ছাড়া ওপরের মাড়ির দাঁতের গোড়াগুলো চোখের কাছাকাছি থাকার কারণে এটি রোগীদের ভাবায়। দাঁত ও চোখ দুটির আলাদা স্নায়ুতন্ত্র বিদ্যমান। এদের স্নায়ুপ্রবাহ ও রক্তপ্রবাহ দুটিই আলাদা। চোখের স্নায়ুপ্রবাহ হচ্ছে অপথালমিক ডিভিশন অব ট্রাইজেমিনাল নার্ভ এবং নিচের দিকে হচ্ছে ম্যাক্সিলারি ডিভিশন অব ট্রাইজেমিনাল নার্ভ। রক্ত প্রবাহিত হয় অপথালমিক ও ল্যাক্রিমাল আর্টারির মাধ্যমে।ওপরের পাটির দাঁতে স্নায়ুপ্রবাহ হলো অ্যান্টিরিয়র পোস্টিরিয়র, মিডল সুপিরিয়র নার্ভ। নিচের পাটিতে থাকে ইনফিরিয়র অ্যালভিওলার নার্ভ ব্রাঞ্চ অব ম্যান্ডিবুলার নার্ভ।

তাই চিকিৎসার প্রয়োজনে দাঁত তুললে চোখের সমস্যা হবে, এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই।

নিজের দাঁতগুলো সুন্দর চকচকে হবে এ আশা সবারই। কিন্তু তা কি আর সবার ক্ষেত্রে হয়? অতিরিক্ত মিষ্টি, আইসক্রিম, কেক, পেস্ট্রি,...
24/07/2021

নিজের দাঁতগুলো সুন্দর চকচকে হবে এ আশা সবারই। কিন্তু তা কি আর সবার ক্ষেত্রে হয়? অতিরিক্ত মিষ্টি, আইসক্রিম, কেক, পেস্ট্রি, চকোলেট খেয়ে ছোটরা যেমন নষ্ট করে তেমনি বড়রা ফাস্ট ও জাঙ্ক ফুড এবং ধূমপানে নষ্ট করে ফেলে নিজের অতি প্রয়োজনীয় দাঁতকে।

দাঁতের ফাঁকে খাদ্যের কণা ঢুকে থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু খাবারের এই কণাগুলো দাঁতের ফাঁকে একটি আঠালো স্তর তৈরি করে যা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দাঁত। ঠিকঠাক যত্ন না নিলে এই ক্ষতি ক্রমেই বাড়তে থাকে।

মুখে দুর্গন্ধ, দাঁতে ব্যথা, মাড়ি থেকে রক্তপাত, মাঝে মাঝেই দাঁত নড়ে যাওয়া, দাঁতের ফাঁকে পাথর জমে যাওয়া এসব লক্ষণে বোঝা যায় দাঁতের আয়ু কমতে শুরু করেছে। দৈনন্দিন জীবনে কিছু খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আর যত্ন নিলেই এই সমস্যা আয়ত্তে আনা সম্ভব।

দাঁতের ক্ষতি কিছুটা বেশি হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন দ্রুত। অনেক সময় দাঁতের ছোটখাট সমস্যা আমরা অবহেলা করি, আর এর থেকেই দাঁতের সমস্যা মারাত্মক রূপ ধারণ করে।

এবার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন অভ্যাস সুস্থ দাঁতের বন্ধু-

* নিয়মিত দু’বার ব্রাশ করলে একটি ব্রাশ তিন সপ্তাহের পর ভালো কাজ দেয় না। তাই তিন সপ্তাহ অন্তর অন্তর বদলে ফেলুন আপনার টুথ ব্রাশটি।

* ব্রাশ করার সময় খুব বেশি চাপ দিয়ে যেমন নয়, তেমনি খুব আলগা ভাবেও নয়। নরম অথচ দাঁতের ফাঁকে পৌঁছতে পারে এমন ব্রাশ ব্যবহার করুন।

* খাবার গ্রহণের পর অবশ্যই ভাল করে মুখের ভেতরের অংশ ধুয়ে নিতে হবে। এমনকি মিষ্টি, ঠাণ্ডা পানীয় ও চকোলেট খাওয়ার পরও ভাল করে মুখ ধোয়ার অভ্যাস করান শিশুদেরকেও।

* অতিরিক্ত চা-কফি ও ধূমপান বন্ধ করুন। এসব থেকে দাগ পড়ে দাঁতের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে। আর তামাকের দাগ সহজে ওঠেও না। তাই দূরে থাকুন ধূমপান থেকে।

* বাজারচলতি পেস্ট নয়, দাঁতের অবস্থা বুঝে পেস্ট ব্যবহার করুন। এর জন্য পরামর্শ নিন চিকিৎসকের।

* দাঁতের গঠনগত কোন ত্রুটি বা সমস্যা থাকলে প্রথম থেকে সতর্ক হউন। শিশুদের দাঁতে কম বয়সেই কোন সমস্যা ধরা পড়লে তার জন্যও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

I got it three times in my practice life (lower 1st molar 3 root)
11/05/2019

I got it three times in my practice life (lower 1st molar 3 root)

Address

নিরালা মোর
Tangail
1900

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Friday 10:00 - 14:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 21:00

Telephone

+8801714939880

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safe Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Safe Dental Care:

Share