24/09/2023
# আক্কেল দাঁত নিয়ে যতো ভুল ধারনা!
আক্কেল দাঁতের নাম শুনতেই ভয়ে আঁতকে উঠে অনেকে। আক্কেল দাঁতের সমস্যা হলো মাঁড়ির ব্যাথা, গালে ব্যাথা, ইনফেকশনের ব্যাথা। মাঁড়ি ফুলে ক্ষত সৃষ্টি হয়, গাল ফুলে যায়। এসময়ে রোগী কথা বলতে পারেন না। অনেক সময় রোগী হা করতেও চান না খেতেও পারেন না ব্যাথার কারনে।
জীবনের কোনো না কোনো সময় আক্কেল দাঁত নিয়ে সমস্যায় পরতে হয়, ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আক্কেল দাঁত সাধারনত সতেরো বছর বয়সকালের পরে উঠে, ঐ সময় মাঁড়িতে পর্যাপ্ত জায়গা থাকেনা। মাঁড়ির চারপ্রান্তের চারটি দাঁতকে আক্কেল দাঁত বলে। সব দাঁতের শেষে উঠে বলে পর্যাপ্ত জায়গা না পেয়ে, কখনো আকাবাকা হয়ে উঠে, কখনো গালের দিকে মুখ করে উঠে, কখনো অর্ধেক উঠে আর উঠতে পারেনা। শেষপ্রান্তে থাকার কারনে অনেকে ঠিক করে পরিষ্কার ও করতে পারেনা, যার ফলে খাবার জমে, জীবাণু হয়ে একসময় ইনফেকশন হয়ে যায়। পরবর্তীতে দ্বিগুন ব্যাথা হয়। তখন অনেকের খবর হয় যে আক্কেল দাঁত উঠতেছে, কিন্তু তা আসলে না। দাঁত আগেই উঠে, খেয়াল করা হয় না।
আক্কেল দাঁত হচ্ছে টের পাওয়ার সাথেসাথে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ডাক্তার যদি দেখেন যে দাঁত উঠার জায়গা আছে তবে মাংস কেটে দিলে তা উঠে যায়। আর দাঁত উঠার জায়গা না থাকলে তুলে ফেলা ভালো। আক্কেল দাঁত খুব সেন্সিটিভ একটা বিষয়, সুতরাং রোগীর উচিত অবশ্যই ভালো একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া।