Armani Dental Care

Directions Contact the practice

Armani Dental Care We are committed to creating a Lifetime of Healthy Smiles for all our patients and ensuring that your dental visit is a pleasant one.

Very polite and smiling faceyoung man and very close to me, now resident of Portugal visited my chamber And special gift...
12/10/2026

Very polite and smiling face
young man
and very close to me,

now resident of Portugal visited my chamber
And special gift from him ...Euro coin

That's a great honour
Thanks

With one of my favourite person..Co-Designer of my chamber interior and my Building...Dr Sohel Tower in Sylhet Engineer ...
10/10/2026

With one of my favourite person..

Co-Designer of my chamber interior and my Building...

Dr Sohel Tower in Sylhet

Engineer MaSum PaRvej MusTak

One of engineer's of sylhet based ছাউনি architectural design and interior design farm

07/10/2026

Patient's diary
দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া(Bleeding from Gum)

দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যাকে আমরা মূলত দুই ভাগে ভাগ করে দেখতে পারি। একটি হলো লোকাল বা স্থানীয় কারণ, অন্যটি হলো সিস্টেমিক বা শারীরিক জটিলতা।

​লোকাল কারণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হলো দাঁতের গোড়ায় জমে থাকা প্লাক এবং ক্যালকুলাস। এগুলো মাড়িতে প্রদাহ বা জিনজিভাইটিস তৈরি করে, যার ফলে ব্রাশ করার সময় বা এমনিতেই রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া, ভুল পদ্ধতিতে ব্রাশ করা, শক্ত টুথব্রাশ ব্যবহার, বা দাঁতের ফাঁকে খাবার জমে থাকা থেকেও মাড়িতে অস্বস্তি ও রক্তপাত হতে পারে।

​অন্যদিকে, সিস্টেমিক কারণগুলো শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সাথে জড়িত। ডায়াবেটিস থাকলে মাড়ির রোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় এবং তা গুরুতর হতে পারে। এছাড়া, রক্তাল্পতা, ভিটামিন সি বা কে-এর অভাব, এবং লিউকেমিয়ার মতো রক্ত সম্পর্কিত রোগগুলোর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবেও মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও মাড়ি অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে রক্তপাত ঘটাতে পারে।

সিস্টেমিক কারণগুলোকে সহজভাবে বোঝার জন্য নাম্বারিং করে নিচে দেওয়া হলো:

১. হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভাবস্থা, বয়ঃসন্ধি বা মেনোপজের সময় হরমোনের তারতম্যের কারণে মাড়ি বেশি সংবেদনশীল হয়ে রক্তপাত হতে পারে।

২. রক্ত সম্পর্কিত রোগ: রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া এবং লিউকেমিয়ার বা ব্লাড ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।

৩. ভিটামিনের অভাব: বিশেষ করে ভিটামিন সি (যা স্কার্ভি রোগ সৃষ্টি করে) এবং ভিটামিন কে-এর ঘাটতি রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, যা রক্তপাতের কারণ হতে পারে।

৪. ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ফলে মাড়ির ইনফেকশন বা পেরিওডন্টাল ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

৫. ওষুধপত্রের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: রক্ত পাতলা করার ওষুধ বা অ্যাসপিরিন নিয়মিত সেবন করলে মাড়ি থেকে সহজেই রক্তপাত হতে পারে।

৬. স্কার্ভি (ভিটামিন সি-এর তীব্র অভাব): ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরির জন্য অপরিহার্য, যা মাড়ির টিস্যুকে শক্ত রাখে। এর অভাবে মাড়ি দুর্বল হয়ে যায়, ফুলে ওঠে এবং সহজে রক্তপাত হয়।

৭. লিভার ডিজিজ: লিভার রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন বা ক্লটিং ফ্যাক্টর তৈরি করে। লিভারের রোগ থাকলে এই প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে, যার ফলে মাড়িসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তপাতের প্রবণতা বাড়ে।

৮. অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া: এটি একটি গুরুতর অবস্থা যেখানে অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত নতুন রক্তকণিকা তৈরি করতে পারে না। এর ফলে লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং প্লাটিলেট— সবকিছুরই ঘাটতি দেখা দেয়। প্লাটিলেটের অভাবে রক্ত ঠিকমতো জমাট বাঁধতে পারে না এবং মাড়ি দিয়ে অনিয়ন্ত্রিত রক্তপাত হতে পারে।

৯. হিমোফিলিয়া (এ ও বি): এটি একটি বংশগত রক্তক্ষরণজনিত রোগ, যেখানে রক্ত জমাট বাঁধার নির্দিষ্ট প্রোটিনের অভাব থাকে। এর ফলে সামান্য আঘাতেই মাড়ি থেকে দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত হতে পারে।

১০. হেম্যানজিওমা: এটি রক্তনালীর একটি বিনাইন বা ক্যান্সারহীন টিউমার। মাড়িতে এই ধরনের অস্বাভাবিক রক্তনালীর উপস্থিতি থাকলে, সামান্য ঘর্ষণেও সেখান থেকে প্রচুর রক্তপাত হতে পারে।

এই বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে, কোনো স্থায়ী সমস্যা দেখলে একজন ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, যাতে সঠিক কারণটি শনাক্ত করে চিকিৎসা করা যায়।

ডাঃ ইয়াসির আরাফাত সোহেল
চেম্বার
আল মাদানী টাওয়ার ,ফোর্থ ফ্লোর লিফট ৩,
মীরবক্সটুলা, সিলেট

Nice visitor in my dental chamber..
07/10/2026

Nice visitor in my dental chamber..

02/10/2026

কেন রাত্রে দাঁত ব্রাশ করা জরুরী
রাত্রে দাঁত ব্রাশ করার উপকারিতা

রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত মাজার অভ্যাসটি মুখের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিন খাওয়া-দাওয়ার পর জমে থাকা খাদ্যকণা এবং ব্যাকটেরিয়া যদি পরিষ্কার না করা হয়, তবে তা দাঁতের এনামেল ক্ষয় করতে শুরু করে। এর ফলে ক্যাভিটি সৃষ্টি হয় এবং দাঁতে ব্যথা বা মাড়ির রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

ঘুমানোর সময় আমাদের লালা গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে যায়, ফলে লালা উৎপাদন কম হয় যা মুখকে স্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এই শুষ্ক পরিবেশে জীবাণুগুলো খাবারের ক্ষুদ্র কণা ভেঙে অ্যাসিড তৈরি করে, যা দাঁতের এনামেলকে দ্রুত ক্ষয় করে। সময়মতো ব্রাশ না করলে এই অ্যাসিডের প্রভাবে এনামেলে ছিদ্র বা ক্যাভিটি এবং পরবর্তীতে মাড়ির প্রদাহ বা জিনজিভাইটিসের মতো গুরুতর সমস্যা হতে পারে।

রাতে ব্রাশ করলে ঘুমের সময় মুখ পরিষ্কার থাকে, ফলে ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি বাধা পায় এবং মুখগহ্বর থাকে সতেজ ও দুর্গন্ধমুক্ত।

ডাঃ ইয়াসির আরাফাত সোহেল

চেম্বার

আল মাদানী টাওয়ার ,ফোর্থ ফ্লোর লিফট ৩,
মীরবক্সটুলা, সিলেট
০১৭১২৮৫৬৮০৪

Chairman faruk Vai in my chamber...
02/10/2026

Chairman faruk Vai in my chamber...

26/09/2026

Patient's diary...

আজকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সেটা হচ্ছে বাচ্চাদের দাঁত

প্রচুর বাচ্চা পেসেন্ট পাওয়া যায়, যাদের দাঁতের সমস্যা, দাঁতের গোড়া ফুলে যায়, বেশিরভাগ দাঁত নষ্ট

আমাদের দুই সেট দাঁত থাকে …

একটা হচ্ছে দুধ দাঁত (deciduous dentition)আর একটা হচ্ছে স্থায়ী দাঁত(permanent dentition)

১) দুধ দাঁত ওঠার সময়কাল,, ছয় মাস থেকে আড়াই বছর
২) মিক্সড দাঁতের সময়কাল,,, মুখে দুধ দাঁত আর স্থায়ী দাঁত দুটোই থাকে,....
ছয় বছর বয়স থেকে 12 বছর বয়স পর্যন্ত
এবং এটি হচ্ছে সবচেয়ে ক্রিটিকাল পিরিয়ড

৩) শুধুমাত্র স্থায়ী দাঁতের সময়কাল... ১২ বছরের পর থেকে ১৮ বছর বা ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত এ সময় সাধারণত কোন দুধ দাঁত থাকে না

বেশিরভাগ মানুষ যেটা জানে সেটা হচ্ছে , দুধ দাঁত পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত উঠে

আমাদের পিছনের সারিতে মোলার দাঁত বলা হয় যেগুলোকে ,এগুলো সাধারণত কোন দাঁত পড়ে গিয়ে ওঠেনা এবং এটাই হচ্ছে আমাদের বেশিরভাগ মানুষ জানে না

এজন্য বাবা মায়েরা মনে করে যে ৬ বছর বয়সে যে স্থায়ী দাঁতটা উঠে, এটা হয়তো দুধ দাঁত।

এটা নষ্ট হলে সমস্যা নাই , ফেলে দিলে নতুন দাঁত উঠে যাবে ।

পিছনের যে দাঁতগুলো, খাওয়া-দাওয়ার সময় চাবানোর মূল দাঁত ,
এগুলো দুধ দাঁত পড়ে গিয়ে উঠে না।

প্রথম যে মোলার দাঁত এটা হচ্ছে আমাদের মুখে ছয় নম্বর দাঁত কোয়াড্রেন্ট হিসেবে,

চারটা দাঁত ছয় বছর বয়সে আসে ,মুখের উপরে নিচে চার কোয়াড্রেন্টে চারটা ।

এগুলো কখনো কোন দাঁতকে রিপ্লেস করে আসে না ,

এগুলো মুখে সরাসরি আসে এবং দুধ দাঁতের পিছন সাইট থেকে আসে

বাচ্চার বয়স যখন ৬ বছর থেকে ১২ বছর

যে টাইমটা কে আমরা মিক্সড ডেন্টিশন পিরিয়ড বলি এই টাইমটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

এই সময় বাচ্চাদের অতিরিক্ত যত্ন নিবেন ।
বিশেষ করে রাত্রে খাওয়ার পরে দাঁত ব্রাশ করানো অত্যন্ত জরুরী এবং

চকলেট ,আইসক্রিম এই জাতীয় খাবার যতটুকু সম্ভব পরিহার করার চেষ্টা করবেন।
দাঁত নষ্ট হওয়ার সাথে সাথে একজন বিএমডিসি কর্তৃক নিবন্ধিত BDS ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা করাবেন।

ডাঃ ইয়াসির আরাফাত সোহেল

Patient's diary রোগীর বয়স ৫০  দাঁতের ব্যথা , মুখ ফোলা ,কিছু খাইতে পারেন না দেখলাম ভালো করে  মুখের বাইরের অংশ ফোলা ,ভিতর...
25/09/2026

Patient's diary

রোগীর বয়স ৫০
দাঁতের ব্যথা , মুখ ফোলা ,কিছু খাইতে পারেন না

দেখলাম ভালো করে
মুখের বাইরের অংশ ফোলা ,ভিতরেও ফোলা

Dentoalveolar abscess

চিকিৎসার প্রয়োজন
রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট লাগবে
ফিফটি ফিফটি চান্স দাঁত ভালো হওয়ার

আলহামদুলিল্লাহ
দুই মাস পর আজকে চিকিৎসা সম্পন্ন হল

রোগীর ধৈর্য এবং মহান আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে রোগীটা আজকে সুস্থ হল

আজকে চিকিৎসা শেষ হলো
খুব শান্তি লাগছে

23/09/2026

দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া
Bleeding from Gum

মাড়ি থেকে রক্ত পড়া (Bleeding Gums) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগত বিষয়
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া—কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার

১. প্রারম্ভিক সূচনা (Introduction)

আজ আমি আমাদের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এমন একটি সমস্যা নিয়ে কথা বলব, যা আমরা অনেকেই হয়তো অবহেলা করি বা খুব গুরুত্ব দিই না। ব্রাশ করার সময় কিংবা আপেল-পেয়ারায় কামড় দেওয়ার পর যখন মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে দেখা যায়, তখন আমরা ভাবি—হয়তো একটু জোরে চাপ লেগেছে! কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া মোটেও কোনো সাধারণ বিষয় নয়; এটি আমাদের মুখের ভেতরের স্বাস্থ্যের অবনতির প্রাথমিক পূর্বাভাস।"

২. মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার প্রধান কারণসমূহ (Causes)

"এখন প্রশ্ন উঠতে পারে—মাড়ি থেকে রক্ত কেন পড়ে? এর পেছনে প্রধান কয়েকটি কারণ রয়েছে:

জিঞ্জিভাইটিস (Gingivitis): মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো এটি। মুখে সঠিক পরিচর্যার অভাবে দাঁতের গোড়ায় জীবাণুর আস্তরণ বা 'প্লাক' (Plaque) জমে। এই প্লাক থেকেই মাড়িতে প্রদাহ বা ইনফেকশন তৈরি হয়।

ভুল উপায়ে ব্রাশ করা: শক্ত ফাইবার বা ব্রিসলের টুথব্রাশ ব্যবহার করা কিংবা অতিরিক্ত জোরে ঘষে ঘষে দাঁত ব্রাশ করা।

ভিটামিনের অভাব: বিশেষ করে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন কে-এর ঘাটতি থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায় এবং মাড়ি নরম হয়ে রক্ত পড়ে।

হরমোনজনিত পরিবর্তন: গর্ভাবস্থায় বা বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মাড়ি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।
অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, রক্তের প্রদাহ বা কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।"

৩. অবহেলার পরিণতি (Consequences of Neglect)
"আমরা যদি শুরুতেই এই সমস্যার সমাধান না করি, তবে কী হতে পারে?

প্রাথমিক জিঞ্জিভাইটিস পরবর্তীতে 'পেরিওডোনটাইটিস' (Periodontitis) নামক জটিল রোগে রূপ নেয়। এতে দাঁতের চারপাশের হাড় ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে সুস্থ-সবল দাঁতও মাড়ি থেকে আলগা হয়ে পড়ে যেতে পারে।

শুধু তা-ই নয়, মাড়ির ইনফেকশনের জীবাণু রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অংশে গিয়ে হৃদরোগ বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।"

৪. প্রতিরোধ ও ঘরোয়া প্রতিকার (Prevention & Remedies)
"সৌভাগ্যবশত, খুব সহজ কিছু অভ্যাস মেনে চললেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব:

১. সঠিক নিয়মে ব্রাশ: দিনে দুইবার হালকা হাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে (Circular motion) নরম বা সোফ্ট টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে।

২. ডেন্টাল ফ্লস (Flossing): দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার বের করতে টুথপিকের বদলে নিয়মিত ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে হবে।

৩. কুসুম গরম পানিতে লবণ: মাড়িতে ফুসকুড়ি বা রক্ত পড়ার প্রবণতা থাকলে কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করা বেশ কার্যকর।

৪. সুষম খাদ্যগ্রহণ: খাদ্যাভ্যাসে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল (যেমন: লেবু, আমলকী, পেয়ারা, কমলা) বেশি করে যুক্ত করতে হবে।"

৫. কখন ডেন্টিস্টের কাছে যাবেন? (When to See a Dentist)

"যদি নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখার পরও মাড়ি থেকে অনবরত রক্ত পড়ে, মাড়ি ফুলে লাল হয়ে যায় বা মুখে দুর্গন্ধ থাকে, তবে দেরি না করে অবশ্যই একজন নিবন্ধিত,

বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত BDS ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। বছরে অন্তত দুইবার বা প্রতি ৬ মাসে একবার ডেন্টাল চেকআপ ও স্কেলিং করানো অত্যন্ত জরুরি।"

৬. উপসংহার (Conclusion)

"পরিশেষে বলব, আমাদের সুন্দর হাসির ভিত্তি হলো সুস্থ মাড়ি। দাঁতের সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব মাড়ির স্বাস্থ্যের ওপরই নির্ভর করে। তাই সচেতন হোন, সঠিক উপায়ে মুখের যত্ন নিন এবং সুস্থ থাকুন।

ধন্যবাদ সবাইকে আপনাদের মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।"

রোগীর সমস্যা মানুষের স্থায়ী দাঁত সাধারণত ৩২ টা হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে কম হতে পারে ৩০ টাও হয়। তবে এই পেশেন্টের ক্ষেত্...
22/09/2026

রোগীর সমস্যা

মানুষের স্থায়ী দাঁত সাধারণত ৩২ টা হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে কম হতে পারে ৩০ টাও হয়।

তবে এই পেশেন্টের ক্ষেত্রে স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা হচ্ছে ৩৫ টা।

Very rare kind of variation

নিচের চোয়ালের তিনটি দাঁত হাড্ডির ভিতরে আটকে আছে।

এই অবস্থাটা সাধারণত দেখা যায় বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে আক্কেল দাঁতে হয়ে থাকে।

আক্কেল দাঁত বেশিরভাগ সময় চোয়ালের নিচে আটকে থাকে ঠিকমতো জায়গা পায় না,
উঠতে পারে না ।

এর ফলে অনেক ধরনের সমস্যা তৈরি হয়

কিন্তু এই রোগীর ক্ষেত্রে এটা একটি ভেরিয়েশন

আপনাদের কারো কি এমন সমস্যা আছে কমেন্টে জানাবেন?

যদি স্থায়ী দাঁত হাড্ডির মধ্যে আটকে থাকে তাহলে কি কি সমস্যা হতে পারে পরেরবার আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ

Address

Al Madani Tower, Fourth Floor, Lift 3, Mirboxtola
Sylhet
3100

Opening Hours

03:00 - 08:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Armani Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Armani Dental Care:

Shortcuts

Share