14/07/2019
#জনসচেতনতা_মূলক_পোস্ট
#জনসচেতনতামূলকপোস্ট
#দুধ_দাঁতের_সালতামামি_১
১) বাচ্চা/মানুষের দুধ দাঁত উঠা শুরু হয়= ৬ মাস বয়সে। অনেক সময় ১২ মাসেও দাঁত উঠা শুরু হয়।
২) দুধ দাঁত উঠা শেষ হয়= আড়াই বছর বয়সে।
৩) মোট দুধ দাঁত = ২০টি (উপরের চোয়ালে ১০টি+নীচের চোয়ালে ১০টি)।
৪) দুধ দাঁতকে = মিল্ক টিথ/প্রাইমারি টিথ/টেম্পোরারি টিথ/নার্সিং বোতল টিথ/বেবী টিথ বলে।
৫) দুধ দাঁত পড়া শুরু হয়= ৫-৬ বছর বয়সে।
৬) দুধ দাঁত পড়া শেষ হয়= ১১-১৪ বছর বয়সে।
৭) তাহলে বুঝা গেলো= ৫ বছর বয়স থেকে ১৪ বছর বয়সে মানুষের মুখে দুধ দাঁত ও স্হায়ী দাঁত উভয় ধরনের দাঁত থাকে।
৮) ফিডার বা বোতলে ঘুমন্ত বা জাগনা অবস্থায় দুধ পান/সুজি/জুস/পাতলা খিচুড়ি/অন্যান্য নরম খাবার খাওয়ানোর পর পরেই= অন্য আর ১টি ফিডার দিয়ে অবশ্যই পানি পান করাবেন।
৯) আর ঘুমন্ত অবস্থায় বাচ্চাকে ফিডার খাওয়ালে= হাতের কনিষ্ঠ আঙুলে পানি দিয়ে ভেজানো নরম সুতি কাপড়/ওড়না পেঁচিয়ে যতটুকু সম্ভব মুখের ভিতর আঙ্গুল ঢুকিয়ে দাঁতের উপরের অংশ পরিষ্কার করে দিবেন, এতে দাঁত ক্ষয়রোগ হবার সম্ভাবনা কমবে।
১০) তাহলে ব্যাপারটা এমন দাড়ালো যে= দুধ দাঁত উঠা শুরু তো দাঁত ব্রাশ ও দাঁতের যত্ন শুরু।
১১) বাচ্চাকে ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন এবং ২ বছরের পর থেকে গরুর দুধ পান করাবেন= এতে দাঁত, চোয়াল, হাড় ও শরীরের অন্যান্য অংশ সুস্হ ও শক্তিশালী ভাবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।
১২) বাচ্চা স্টিকি চকলেট (ক্যাডবেরী জাতীয়) বা স্টিকি মিষ্টি জাতীয় খাবার (কেক, মিষ্টি বিস্কুট, চিপস) খাওয়ার পর পরেই পানি পান করাবেন, এতে দাঁতে ক্ষয়রোগ হবার সম্ভাবনা কমবে।
১৩) ক্ষয় রোগে আক্রান্ত দুধ দাঁতের অবশ্যই চিকিৎসা করাতে হবে, দুধ দাঁত পড়ে গিয়ে উঠবে জন্য চিকিৎসায় অবহেলা করা যাবেনা।
১৪) বাচ্চাদের দাঁতের চিকিৎসা করা অনেক কঠিন ও কষ্ট সাধ্য, তাই পিতামাতার সচেতনতাই একমাত্র উপায় দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে ও দাঁতের চিকিৎসককে দূরে রাখতে।
১৫) অবশ্যই! অবশ্যই!! অবশ্যই!!! বাচ্চাকে ২ বার দাঁত ব্রাশ করার অভ্যেস করাতে হবে একদম ছোট বেলা থেকেই-
সকালে নাস্তার পর ও
রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই।
বি:দ্রঃ- দাঁত ব্রাশের এই নিয়ম ছোট, বড় ও বৃদ্ধ সকলের জন্যই প্রযোজ্য।
১৬) বাচ্চাদেরকে খুশি করতে চকলেট/চিপস জাতীয় খাবার না দেয়াই উত্তম।
নিজে জানুন, অন্যকেও জানান
এবং
জানতে চেয়ে প্রশ্ন করুন।
Courtesy :
Dr.Abdullah Al Mamun