Pure Dental Care

Pure Dental Care "পিউর ডেন্টাল কেয়ার"
মাদামবিবির হাট, ভ?

আজকের কাজসুন্দর দাঁতে সুন্দর হাসি ☺️😁
07/12/2022

আজকের কাজ
সুন্দর দাঁতে সুন্দর হাসি ☺️😁

 #দুধ_দাঁত১। দুধ দাঁতকে = মিল্ক টিথ/প্রাইমারি টিথ/টেম্পোরারি টিথ/নার্সিং বোতল টিথ/বেবী টিথ বলে।২৷ বাচ্চা/মানুষের দুধ দাঁ...
17/05/2022

#দুধ_দাঁত

১। দুধ দাঁতকে = মিল্ক টিথ/প্রাইমারি টিথ/টেম্পোরারি টিথ/নার্সিং বোতল টিথ/বেবী টিথ বলে।

২৷ বাচ্চা/মানুষের দুধ দাঁত উঠা শুরু হয়= ৬ মাস বয়সে। অনেক সময় ১২ মাসেও দাঁত উঠা শুরু হয়।

৩। দুধ দাঁত উঠা শেষ হয়= আড়াই বছর বয়সে।

৪৷ মোট দুধ দাঁত = ২০টি (উপরের চোয়ালে ১০টি+নীচের চোয়ালে ১০টি)।

৫। দুধ দাঁত পড়া শুরু হয়= ৫-৬ বছর বয়সে।

৬। দুধ দাঁত পড়া শেষ হয়= ১১-১৪ বছর বয়সে।

৭। ৫ বছর বয়স থেকে ১৪ বছর বয়সে মানুষের মুখে দুধ দাঁত ও স্হায়ী দাঁত উভয় ধরনের দাঁত থাকে।

৮৷ দুধ দাঁত উঠা শুরু হলেই দাঁত ব্রাশ ও দাঁতের যত্ন শুরু করতে হবে।

৯৷ বাচ্চাকে ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন এবং ২ বছরের পর থেকে গরুর দুধ পান করাবেন= এতে দাঁত, চোয়াল, হাড় ও শরীরের অন্যান্য অংশ সুস্হ ও শক্তিশালী ভাবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।

১০৷ বাচ্চাদের কে ফিডার এ করে দুধ ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়াবেন না। ফিডারে করে খাওয়ার জন্য বাচ্চাদের 'নার্সিং বোতল সিনড্রোম' নামে একটি রোগ হয় যাতে সব দাঁত এ ক্যারিজ হবে।

১১৷ বাচ্চা স্টিকি চকলেট (ক্যাডবেরী জাতীয়) বা স্টিকি মিষ্টি জাতীয় খাবার (কেক, মিষ্টি বিস্কুট, চিপস) খাওয়ার পর পরেই পানি পান করাবেন, এতে দাঁতে ক্ষয়রোগ হবার সম্ভাবনা কমবে।

১২। ক্ষয় রোগে আক্রান্ত দুধ দাঁতের অবশ্যই চিকিৎসা করাতে হবে, দুধ দাঁত পড়ে গিয়ে উঠবে জন্য চিকিৎসায় অবহেলা করা যাবেনা।

১৩৷ বাচ্চাদের দাঁতের চিকিৎসা করা অনেক কঠিন ও কষ্ট সাধ্য, তাই পিতামাতার সচেতনতাই একমাত্র উপায় দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে ও দাঁতের চিকিৎসককে দূরে রাখতে।

১৪৷ অবশ্যই! অবশ্যই!! বাচ্চাকে দুইবার দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস করাতে হবে একদম ছোট বেলা থেকেই-
সকালে নাস্তার পর এবং
রাতে খাবার পর অবশ্যই।

১৫। বাচ্চাদেরকে খুশি করতে চকলেট/চিপস জাতীয় খাবার না দেয়াই উত্তম।

বি:দ্রঃ- দাঁত ব্রাশের এই নিয়ম ছোট, বড় ও বৃদ্ধ সকলের জন্যই প্রযোজ্য।

13/09/2021
🦷🦷🦷 দাঁতের চিকিৎসায় গ্যারান্টি ওয়ারেন্টিপ্রথমেই বলি দাঁতের চিকিৎসায় গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি কখনই ডেন্টিস্ট এর কাছে চাইবেন ন...
26/08/2021

🦷🦷🦷 দাঁতের চিকিৎসায় গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি
প্রথমেই বলি দাঁতের চিকিৎসায় গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি কখনই ডেন্টিস্ট এর কাছে চাইবেন না।

কারণ,আপনি একজন জীবিত মানুষ যার শরিরের একটি অংশ অসুস্ত হয়ে গেছে।
যা,সারিয়ে ফেলার চেস্টা করবে একজন ডেন্টিস্ট।

আপনি কোন গাড়ি বা মোটরসাইকেল না যে আপনার পার্টস টিক করে দিয়ে বা রিপ্লেস করে দিয়ে এর গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি দেওয়া যাবে!আপনি জীবিত একজন মানুষ, যার প্রতি ডাক্তারের একটি দায়িত্ব বোধ রয়েছে,আপনার যখন জ্বর, সর্দি, কাশি হয় তখন কিন্তু আপনি ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলতে পারবেন না যে ঔষধ খেয়ে ভালো হবার পর কোন গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টি আছে নাকি যে,আমি আবার অসুস্ত হবো না।অনেক কারণেই আপনি আবার অসুস্ত হতে পারেন।

আপনার দাঁতের চিকিৎসা করার পর,আপনার আবারো কী কোন সমস্যা হবে কী না, বা আপনার দাঁতের কাজের গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টি কতোদিনের এসব ডাক্তার কে জিজ্ঞাসা করবেন না।
দাঁতের চিকিৎসা করে ভালো হবার পর অনেক কারনে আবারো সমস্যা হতে পারে,আপনি যদি টিক মতো দাঁতের যত্ন না নেন, আবার আপনার শরির যদি টিক মতো ইনফেকশন হিলিং করতে না পারে তাহলে,আবার ইনফেকশন হতে পারে,একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে আপনি এগুলো বোঝার চেষ্টা করবেন।

আর কখনো দাঁতের ডাক্তার দেখাতে এসে অন্য কোন ডাক্তার এর সাথে তুলনা করবেন না।
ঐ ডাক্তার এতো নে,আপনি এতো নিচ্ছেন কেনো?আসলে,দাঁতের চিকিৎসায় ম্যাটেরিয়াল এর কোয়ালিটি অনেক, যদি কেউ ভালো কোয়ালিটির ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে তাহলে,সেতো বেশি টাকা নেবেই,আবার নিম্ন মানের চিকিৎসা সামগ্রি ব্যবহার এর ফলে দাঁতের চিকিৎসা খরচ অনেকটাই কম,এই বিষয়গুলো বুজার চেস্টা করবেন।

আর অনেক রুগি ই মনে করেন শুধু ঔষধ খেয়েই দাঁতের ব্যাথা কমে যাবে,আর দাঁতের ডাক্তার এর কাছে এসে বলেন আপনি ঔষধ লিখে দিন আমি ভালো হয়ে যাবো,দেখুন দাঁতের সমস্যা যদি শুধুমাত্র ঔষধ এ ভালো হয়ে যেতো তাহলে এতো টাকা পয়সা খরচ করে এতোগুলা যন্ত্রপাতি নিয়ে দাঁতের ডাক্তার চেম্বার না দিয়ে শুধুমাত্র চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে ঔষধ লিখে দিতো,দাঁতকে সুস্থ করে তুলতে এর ভিতরে কাজ করার প্রয়োজন হয়,আমাদের সমাজে অনেক কথাই প্রচলিত আছে যে দাঁত তুললে চোখ নষ্ট হয়ে যায় অথবা দাঁত তুললে মস্তিষ্কের ক্ষতি হয় এসব প্রচলিত কথায় কান না দেওয়াই ভালো,কারণ বাংলাদেশের ডেন্টিস্টরা অনেক পড়াশোনা করে অনেক কিছু জেনে বুঝে রুগি দেখেন শুধু বাংলাদেশ না পৃথিবির সকল ডাক্তার রাই অনেক পড়াশোনা করে রুগি দেখে।

আর চেম্বার এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডিসকাউন্ট চাইবেন না কারণ,চিকিৎসা বাজারের কোন পণ্য না যে ডিসকাউন্ট এ কিনবেন।

 #দুধ_দাঁতের_সালতামামি_১১) বাচ্চা/মানুষের দুধ দাঁত উঠা শুরু হয়= ৬ মাস বয়সে। অনেক সময় ১২ মাসেও দাঁত উঠা শুরু হয়।২) দুধ দা...
08/07/2021

#দুধ_দাঁতের_সালতামামি_১

১) বাচ্চা/মানুষের দুধ দাঁত উঠা শুরু হয়= ৬ মাস বয়সে। অনেক সময় ১২ মাসেও দাঁত উঠা শুরু হয়।

২) দুধ দাঁত উঠা শেষ হয়= আড়াই বছর বয়সে।

৩) মোট দুধ দাঁত = ২০টি (উপরের চোয়ালে ১০টি+নীচের চোয়ালে ১০টি)।

৪) দুধ দাঁতকে = মিল্ক টিথ/প্রাইমারি টিথ/টেম্পোরারি টিথ/নার্সিং বোতল টিথ/বেবী টিথ বলে।

৫) দুধ দাঁত পড়া শুরু হয়= ৫-৬ বছর বয়সে।

৬) দুধ দাঁত পড়া শেষ হয়= ১১-১৪ বছর বয়সে।

৭) তাহলে বুঝা গেলো= ৫ বছর বয়স থেকে ১৪ বছর বয়সে মানুষের মুখে দুধ দাঁত ও স্হায়ী দাঁত উভয় ধরনের দাঁত থাকে।

৮) ফিডার বা বোতলে ঘুমন্ত বা জাগনা অবস্থায় দুধ পান/সুজি/জুস/পাতলা খিচুড়ি/অন্যান্য নরম খাবার খাওয়ানোর পর পরেই= অন্য আর ১টি ফিডার দিয়ে অবশ্যই পানি পান করাবেন।

৯) আর ঘুমন্ত অবস্থায় বাচ্চাকে ফিডার খাওয়ালে= হাতের কনিষ্ঠ আঙুলে পানি দিয়ে ভেজানো নরম সুতি কাপড়/ওড়না পেঁচিয়ে যতটুকু সম্ভব মুখের ভিতর আঙ্গুল ঢুকিয়ে দাঁতের উপরের অংশ পরিষ্কার করে দিবেন, এতে দাঁত ক্ষয়রোগ হবার সম্ভাবনা কমবে।

১০) তাহলে ব্যাপারটা এমন দাড়ালো যে= দুধ দাঁত উঠা শুরু তো দাঁত ব্রাশ ও দাঁতের যত্ন শুরু।

১১) বাচ্চাকে ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন এবং ২ বছরের পর থেকে গরুর দুধ পান করাবেন= এতে দাঁত, চোয়াল, হাড় ও শরীরের অন্যান্য অংশ সুস্হ ও শক্তিশালী ভাবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।

১২) বাচ্চা স্টিকি চকলেট (ক্যাডবেরী জাতীয়) বা স্টিকি মিষ্টি জাতীয় খাবার (কেক, মিষ্টি বিস্কুট, চিপস) খাওয়ার পর পরেই পানি পান করাবেন, এতে দাঁতে ক্ষয়রোগ হবার সম্ভাবনা কমবে।

১৩) ক্ষয় রোগে আক্রান্ত দুধ দাঁতের অবশ্যই চিকিৎসা করাতে হবে, দুধ দাঁত পড়ে গিয়ে উঠবে জন্য চিকিৎসায় অবহেলা করা যাবেনা।

১৪) বাচ্চাদের দাঁতের চিকিৎসা করা অনেক কঠিন ও কষ্ট সাধ্য, তাই পিতামাতার সচেতনতাই একমাত্র উপায় দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে ও দাঁতের চিকিৎসককে দূরে রাখতে।

১৫) অবশ্যই! অবশ্যই!! অবশ্যই!!! বাচ্চাকে ২ বার দাঁত ব্রাশ করার অভ্যেস করাতে হবে একদম ছোট বেলা থেকেই-
সকালে নাস্তার পর ও
রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই।
বি:দ্রঃ- দাঁত ব্রাশের এই নিয়ম ছোট, বড় ও বৃদ্ধ সকলের জন্যই প্রযোজ্য।

১৬) বাচ্চাদেরকে খুশি করতে চকলেট/চিপস জাতীয় খাবার না দেয়াই উওম

🙍আপনি জানেন কি?সকালের চেয়ে  #রাতে টুথব্রাশ করা  #১০০গুন বেশি জরুরী!🙍 !👉কেন কেন???কারণ রাতে ঘুমানের পর    কম হয়ে থাকে!আর ...
15/06/2021

🙍আপনি জানেন কি?
সকালের চেয়ে #রাতে টুথব্রাশ করা #১০০গুন বেশি জরুরী!

🙍 !👉কেন কেন???
কারণ রাতে ঘুমানের পর কম হয়ে থাকে!
আর Saliva helps protect teeth and gum from , মানে মুখে এন্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে স্যালিইভা!
#আশ্চর্যকথা হচ্ছে, ১গ্রাম দাঁতে প্রায় #১০বিলিয়ণ ব্যাক্টেরিয়া থাকতে পারে!
আর সমগ্র পৃথিবীতে প্রায় ৭.৭৪বিলিয়ন #জনসং্খ্যা বাস করে!
তার মানে আপনার আমার দাঁতে যে পরিমাণ #জীবাণু আছে,দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়েও বেশি!
প্রায় #৪০০ধরণের ব্যাক্টেরিয়া আমাদের oral cavity রয়েছে!এদের মধ্য বেশিরভাগ Bacteria.
৯৯% #ক্ষতিকারক.
#
আজব কথা হচ্ছে কি,যদি আমাদের মুখগহ্বররে salivary Secration না হতো, তাহলে আমাদের মুখের জন্য নানা রকম রোগে আক্রান্ত হয়ে খুব দ্রুতই মারা যেতাম!যেমন ওরাল ক্যান্সার!

👉 's Not Or?
♪♪আপনারা দাঁতে সমস্যা দেখা দিলে আপনার #কানের সমস্যা দেখা দিতে পারে!
এবং Oral cavity এর জীবাণুর জন্য আপনার #হ্রদরোগ ও Tract এ রোগ হতে পারে!এবং ক্রমানুসারে আপনার আক্রমণ করতে পারে,যেমন মেনিনজাইটিস!

#সুতরাং রাতে টুথব্রাশ না করা হলে আরো বেশি,ব্যাক্টেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি,কারণ রাতে যেসব খাবার খাই সেসব খাদ্যকনিকা দাঁতের মাঝে থেকে যায়,যা থেকে ক্যাভিটি তৈরি হয়!

👉এজন্যই, আমাদের অবশ্যই,

👉প্রতিদিন রাতে ও সকালে ব্রাশ করা খুবই জরুরী!কিন্তু আমাদের দেশে উল্টা নিয়ম, সকালে টুথব্রাশ করেই #খালাশ!

👉ব্রাশ ছোট আকারে হলে ভাল হয়,৪৫ডিগ্রী এগ্রেল এ ব্রাশ করা দরকার!

👉তিনমাস পর পর টুথ ব্রাশ চেঞ্জ করা প্রয়োজন!

👉একজন এর টুথব্রাশ আরেকজন কখনোই ব্যবহার করবেন না!

👉ব্রাশ করার পর মিস্টিজাতীয় খাবার,ফলমুল,ঠান্ডাজাতীয় খাবার,যেমন আইসক্রিম খাওয়া পরিহার করতে হবে!
হিতে আপনার মুখ ও দাঁতের সর্বনাশ হতে পারে!

আপনার ও আপনার পরিবারের মুখ ও দাঁতের যে কোন সমস্যার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

পিউর ডেন্টাল কেয়ারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই "রমজানুল মোবারক"
13/04/2021

পিউর ডেন্টাল কেয়ারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই
"রমজানুল মোবারক"

20/03/2021
আজকে আমার চেম্বারের ৩বছর পূর্ণ হলো ❤️❤️
09/03/2021

আজকে আমার চেম্বারের ৩বছর পূর্ণ হলো ❤️❤️

Today's work ❤️❤️
15/01/2021

Today's work ❤️❤️

11/12/2020

যা খাবেন ভালো করে চিবিয়ে খান। ফিনিস করে খান। ছুঁচার মত আধাআধি চিবিয়েই ভেতরে চালান করবেন না। ধৈর্য ধরে ধীরে খান। ধীরে।

এতে খাবারটা ভালো হজম হবে। গ্যাস কম হবে। পেট ভালো থাকবে। এটা না করে ধরপাকড় করে এক পেট খেয়ে বদহজম, গ্যাস, পেট ব্যথা, কষা ইত্যাদি বিত্যাদি নিয়ে দৌঁড়াবেন ডাক্তারের কাছে। মেডিসিনে একটু ভালো হলেই আবার যেই-সেই। আর দোষ সব ডাক্তারের। ডাক্তার ভালো না, ঔষধ ভালো না, হ্যানত্যান-প্যানপ্যান।

কেন! খাবার পেয়ে হালুমহুলুম করে না খেয়ে ধীরে ধীরে ফিনিস করে খেলে হয়টা কী শুনি? দাঁত কি আপনার মুখে না পেটে?

আর আপনার এই ৩২টা দাঁত কে দিয়েছে? আল্লাহ দিয়েছে। কেন দিয়েছে? চিবিয়ে ফিনিস করে খেতে দিয়েছে। এরপরেও যারা কুইরামি করে গিলে গিলে খায়, তাদের ম্যানসন করে ধরিয়ে দিন। দাঁতগুলো সব ফেলে দিই...😕

#সংগৃহিত

দাঁতের পোকা/ক্ষত কেন হয় ও তার প্রতিকার।💦আজকাল প্রায় প্রতিটা মায়েরই অভিযোগ বাচ্চার দাতেঁ পোকা। দাঁতে ক্ষত সৃষ্টি হলে আমর...
30/11/2020

দাঁতের পোকা/ক্ষত কেন হয় ও তার প্রতিকার।

💦আজকাল প্রায় প্রতিটা মায়েরই অভিযোগ বাচ্চার দাতেঁ পোকা।
দাঁতে ক্ষত সৃষ্টি হলে আমরা সেটাকে পোকা বলে থাকি। আসলে এটি দাঁতের পোক নয়, রোগ। দাঁতে পোকা বা রোগ যাই বলেন না কেন এটি যার হয়েছে সেই বোঝে দাঁতে পোকা বা রোগ হওয়ার যন্ত্রণাটা কতোখানি। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মানুষের দেহে যতো ধরণের ব্যাথা হয় দাঁতের ব্যাথা সব চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক।
দাঁতের ক্ষয় হয়ে যাওয়া এবং দাঁতে গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারণে খাবার খাওয়ার সময় অনেক যন্ত্রণা পেতে হয়।

💦ক্যাভিটি যদি বেশি হয়ে যায় তাহলে রুট ক্যানেল না করানো ছাড়া উপায় থাকে না। কিন্তু ক্যাভিটির সমস্যা থেকে আমরা চাইলেই মুক্ত থাকতে পারি। একটু সতর্কতাই এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।
কারন

💦দাঁতে ক্ষত হওয়ার একমাত্র কারন হিসেবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলা হয়েছে দাঁতে থাকা এনামেল ধ্বংস হলে দাঁতে ক্ষতের সৃষ্ঠি হয়। দাঁতের এনামেল সাধারণত ব্যাকটেরিয়া কতৃক আক্রান্ত হলে এটি ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হতে থাকে।এছাড়া দাঁতের ফাকে থাকা মাইক্রোঅরগানিজম দাঁতের মিনারেল কমিয়ে দেয়। ব্যাকটেরিয়া খাদ্যে থাকা সুগারকে তাদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে।

💦সাধারণত দাঁতের ফাকে আটকে থাকা খাবারের সুগারকেই ব্যাকটেরিয়া তাদের খাবের পরিণত করে। ব্যাকটেরিয়া যখন তাদের এই খাবার গ্রহণের সময় এক ধরনের এসিড উৎপন্ন করে যা দাঁতের এনামেল আক্রমণ করে এবং আস্তে আস্তে এনামেল ক্ষয় হতে বাধ্য করে। সাধারনত এই প্রক্রিয়াটি দাঁতে খাবার আটকে থাকার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই শুরু হয়।

🎀প্রতিকার🎀

বাড়িতে বা কোন দন্ত চিকিৎসকের সহায়ে ফ্লোরাইডের নিয়ে এটি প্রতিরোধ করা যায়। এছাড়াও কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি এটির সমাধান সম্ভব।

💤লবণ💤

লবনে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমাতে ও ব্যাথাকে সহনীয় করতে সক্ষম। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন এবং আক্রান্ত দাঁতের প্রতি মনোযোগ দিন। এভাবে দিনে ৩ বার করে করুন ব্যাথা কমে যায়। এছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সাথে অথবা লেবুর রসের সাথে মিসিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে দিনে ২ বার করে কয়েকদিন করুন, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।

💤হলুদ গুঁড়ো💤

দাঁতের ছিদ্রের সমস্যায় হলুদ গুঁড়ো ব্যাবহার খুবই উপকারি। হলুদে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান আছে যা দাঁতের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন কে ধ্বংস করতে পারে এবং এর প্রদাহ রোধী উপাদান দাঁতের ব্যাথা উপশম করতে পারে। হলুদ গুঁড়া ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আস্তে আস্তে ব্যাথার দাঁতে লাগান,ব্যাথা কমে যাবে।

💤পেঁয়াজ💤

পেঁয়াজের একটি স্লাইস আক্রান্ত দাঁতের উপরে চেপে রাখুন দাঁতের ব্যাথা কমে যাবে। নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে দাঁত ক্ষয় এর সমস্যা কমায়। নিয়মিত পেঁয়াজ দেয়া খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

💦এছাড়াও বেকিং সোডা, অ্যালোভেরা, লবঙ্গ, রসুন, পুদিনা, আপেল সিডার ভিনেগার ইত্যাদি ব্যবহার করেও ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন সারিয়ে তোলা সম্ভব। এর থেকেও ভালো হয় যদি রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকাল বিকাল খাবারের পরে ব্রাশ করতে পারেন কেননা তাহলে ক্ষত সৃষ্টির কোন সম্ভবনাই থাকবে না।

🎀দাঁতের ক্যাভিটি সমস্যা প্রতিরোধে কিছু করণীয়🎀

১. নিয়মিত ব্রাশ, এবং অ্যালকোহল মুক্ত মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখুন। দাঁতের পাশাপাশি নজর দিন জিহ্বার দিকেও। নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন জিহ্বা। এতে করে দাঁতে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারবে না।

২. চিনিযুক্ত ক্যান্ডি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার যতোটা সম্ভব কম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এবং যদি একেবারেই না খেয়ে থাকতে না পারেন তবে এইধরনের খাবার যা দাঁতে লেগে থাকার সম্ভাবনা বেশি খাওয়ার পরপরই দাঁত ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

৩. অতিরিক্ত স্টার্চ ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার যেমন চিপস, পাউরুটি, পাস্তা এবং অন্যান্য ক্র্যাকার থেকে দূরে থাকুন। এতে ক্যাভিটির সমস্যাও দূরে থাকবে।

৪. যে সকল কার্বোনেটেড সফটড্রিংকসে অনেক বেশি মাত্রার চিনি, ফসফরাস এবং কার্বনেশন যৌগ রয়েছে তা একেবারেই পান করবেন না। এর পরিবর্তে তাজা ফলের রস পান করুন। এবং অবশ্যই ফলের রস পানের পর মুখ পরিষ্কার রাখুন।

৫. বাচ্চাদের নরম দাঁতে খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হয়। তাই বাচ্চাদের ব্যাপারে অতিরিক্ত সতর্ক থাকুন। বাচ্চাদের নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যবহার করতে দিন এবং টুথপিক ব্যবহার করতে দেবেন না। প্রতি ৩ মাস পরপর বাচ্চাদের ব্রাশ বদলে দিন।

৬. দাঁতের ডাক্তারের কাছে সচরাচর যাওয়া হয়ে উঠে না। কিন্তু একটু কষ্ট করে হলেও বছরে দুবার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে চেকআপ করার এবং দাঁতের যেকোনো সমস্যা অবহেলা না করে যতো দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

সবার জন্য শুভ কামনা......

Address

Madambibirhat, Dhaka Trunk Road, Bhatiary, Sitakunda, Chittagong
Sitakund
4310

Opening Hours

Monday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Friday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00

Telephone

+8801818898463

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pure Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Pure Dental Care:

Share