R S Dental Care

R S Dental Care আর. এস. ডেন্টাল কেয়ার। ৪২৫ ঢাকা রোড, তাল

Call: 01712-699206
20/08/2025

Call: 01712-699206

আক্কেল দাঁত উঠলে করণীয়:মানুষের চোয়ালে স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা মোট ৩২টি (আক্কেল দাঁতসহ)। তবে মোট ২৮টি দাঁত (আক্কেল দাঁত ছাড়া...
16/07/2024

আক্কেল দাঁত উঠলে করণীয়:

মানুষের চোয়ালে স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা মোট ৩২টি (আক্কেল দাঁতসহ)। তবে মোট ২৮টি দাঁত (আক্কেল দাঁত ছাড়া) কর্মক্ষম। প্রত্যেকের নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে। আক্কেল দাঁতের কোনো কাজ নেই। এগুলো নিষ্ক্রিয় অঙ্গ। অথচ ওঠার সময় প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
কখনো কখনো চোয়ালে জায়গার অভাব হলে বা আক্কেল দাঁতের অস্বাভাবিক অবস্থানের জন্য স্বাভাবিকভাবে মাড়ি থেকে বের হতে পারে না। কিছুটা উঠে আটকে যায়। এ অবস্থায় কখনো খাদ্যদ্রব্য আটকে গিয়ে মাড়িতে প্রদাহ হয়, এতে মাড়িতে তীব্র ব্যথা হয়, হাঁ করতে অসুবিধা হয় এবং সময়মতো চিকিৎসা না হলে সংক্রমণ মুখে ও গলায় ছড়িয়ে পড়ে। এ জন্য দ্রুত দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কী করবেন/কী করবেন না

আক্কেল দাঁত ওঠা থেকে কোনো সংক্রমণ হলে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। ব্যথার জন্য পেইন কিলার দেওয়া হয় এবং লবণ গরম পানিতে বারবার কুলি করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ব্যথা ও সংক্রমণ কমে যাওয়ার পর পার্শ্ববর্তী মাড়ির সামান্য অংশ কেটে ফেলা হয়, যাতে দাঁত ভালোভাবে উঠতে পারে। তবে অবস্থানজনিত ত্রুটি দেখা দিলে আক্কেল দাঁত তুলে ফেলাই ভালো। দাঁত তোলার জন্য হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে যাবেন না।

14/07/2024
জিহ্বার রং ও লক্ষণ দেখে শারীরিক সম্ভাব্য সমস্যা জানুন।
13/07/2024

জিহ্বার রং ও লক্ষণ দেখে শারীরিক সম্ভাব্য সমস্যা জানুন।

দাঁতের যত্নে ডেন্টাল ফ্লস:দাঁতের ফাঁকে এবং মাড়িতে যে খাদ্যকণা জমে থাকে, তা শুধু ব্রাশ করার ফলে সম্পূর্ণরূপে দূর হয় না। ত...
09/07/2024

দাঁতের যত্নে ডেন্টাল ফ্লস:

দাঁতের ফাঁকে এবং মাড়িতে যে খাদ্যকণা জমে থাকে, তা শুধু ব্রাশ করার ফলে সম্পূর্ণরূপে দূর হয় না। তাই ব্রাশ করার পরও দাঁতের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ জন্য দাঁত ব্রাশের পাশাপাশি ফ্লস করার ব্যাপারেও গুরুত্ব দিতে হবে। ডেন্টাল ফ্লস এক রকম পাতলা নাইলন ফিলামেন্টসের বান্ডল অথবা প্লাস্টিক রিবন।
যা দেখতে সুতার মতো। এটা দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা সূক্ষ্ম খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। নিয়মিত ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ এবং মুখের দুর্গন্ধ থেকে পরিত্রাণ লাভ করা সম্ভব।
ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের নিয়ম

≈ ফ্লস প্রায় ১ ফুট পরিমাণ করে নিয়ে দুই হাতের মধ্যমায় পেঁচিয়ে নিন।

দুই আঙুলের মাঝে ২ ইঞ্চি পরিমাণ ফ্লস ফাঁকা রাখুন। যা দিয়ে দাঁত ফ্লস করতে হবে। এবার এই ২ ইঞ্চি পরিমাণ ফ্লস দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে তর্জনী দিয়ে জমে থাকা খাদ্যকণা বের করে আনুন।
≈ প্রতিবার দাঁতের জন্য নতুন করে ফ্লস ব্যবহার করতে হবে।

এক টুকরা ফ্লস দুবার ব্যবহার করা যাবে না।
≈ দাঁতের মাড়িতে খুব বেশি চাপ দিয়ে বা জোরে ঘষে দাঁত ফ্লস করা থেকে বিরত থাকুন। এতে মাড়ি কেটে রক্তপাত হতে পারে।

≈ ফ্লস করা শেষে অবশ্যই ভালো করে কুলি করে নিন।

≈ দাঁত ব্রাশের আগে ফ্লস ব্যবহার করবেন, পরে নয়।

≈ যেকোনো ফার্মেসি ও সুপারশপে ডেন্টাল ফ্লস কিনতে পাওয়া যায়। ডেন্টাল ফ্লস সুগন্ধিযুক্ত বা সুগন্ধিবিহীন, মোমমিশ্রিত বা মোমবিহীন হতে পারে। বর্তমানে ফ্লোরাইড মিশ্রিত ডেন্টাল ফ্লস পাওয়া যায়। ফ্লোরাইড মিশ্রিত ডেন্টাল ফ্লস দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার করার পাশাপাশি ফ্লোরাইডের প্রয়োজনও পূরণ করে। এ ছাড়া প্লাস্টিকের কিছু ফ্লসও কিনতে পাওয়া যায়। প্রকারভেদে ডেন্টাল ফ্লসের দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।

আক্কেল দাঁতের ব্যথা কমানোর ৭ উপায়সব মানুষই আক্কেল দাঁত ওঠার সময় ব্যথা ও যন্ত্রণায় কাবু হয়ে পড়েন। আক্কেল দাঁত ওঠার ব্যথা ...
01/07/2024

আক্কেল দাঁতের ব্যথা কমানোর ৭ উপায়

সব মানুষই আক্কেল দাঁত ওঠার সময় ব্যথা ও যন্ত্রণায় কাবু হয়ে পড়েন। আক্কেল দাঁত ওঠার ব্যথা সহ্য করতে না পেরে অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে থাকেন।
আবার অনেকের ক্ষেত্রেই এই দাঁত ওঠার সময় অস্ত্রোপচার করার প্রয়োজন হয়। আক্কেল দাঁত আসলে কী? কেনই বা এই দাঁত ওঠার সময় এতো ব্যথা হয়?

মুখের শেষ সীমানায় দুই পাশের উপর ও নিচের চারটি দাঁতকে বলা হয় আক্কেল দাঁত। সাধারণত ১৮-২৫ বছররের মধ্যেই আক্কেল দাঁত ওঠে।

যাদের মুখে ৩২টি দাঁতের জায়গা থাকে না তাদের আক্কেল দাঁত ওঠার সময় প্রচণ্ড ব্যথা হয়। কারণ দাঁত বের হওয়ার জায়গা পায় না। ফলে প্রচণ্ড ব্যথা হয় ও ফুলে যায় মাড়ির স্থানটি।
ফোলাভাব এতোটা মারাত্মক হয় যে, মুখের বাইরে থেকেও স্পষ্ট হয় ফোলাভাব। শুধু ওষুধ খেয়ে নয় বরং ঘরোয়া উপায়েও আক্কেল দাঁতের ব্যথা কমানো যায়। জেনে নিন করণীয়-

>> ঘরে ভিনেগার থাকলে এক চা চামচ ভিনেগারের সঙ্গে সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে একটি তুলো ভিজিয়ে আক্কেল মাড়ির স্থানে দাঁত দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। দেখবেন দ্রুত ব্যথা কমে গেছে। ব্যথা না কমা পর্যন্ত এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

>> সবার রান্নাঘরেই লবঙ্গ থাকে। আক্কেল দাঁতের ব্যথা কমাতে একটি লবঙ্গ দাঁত দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। চিবিয়ে ফেলবেন না। এতে দাঁতের যে কোনো ব্যথা মুহূর্তেই সেরে যায়।

>> দাঁতের প্রচণ্ড ব্যথায় মুখের উপর থেকেই ঠান্ডা বা গরম সেঁক দিন। দেখবেন দ্রুত কমে যাবে ব্যথা।

>> অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই যে, পেঁয়াজ দিয়েও কমানো যায় আক্কেল দাঁতের ব্যথা। এজন্য এক টুকরো পেঁয়াজ ব্যথার স্থানে রেখে দাঁত দিয়ে চেপে ধরুন। পেঁয়াজের রস ব্যথা কমাবে।

>> ব্যথা কমাতে বেকিং সোডাও দুর্দান্ত উপকারী। এজন্য একটি তুলার বল পানিতে ভিজিয়ে বেকিং সোডা মাখিয়ে নিন। এবার সেই তুলা আক্কেল দাঁতের উপরে রাখুন। ব্যথা কমতে শুরু করবে।

>> পেয়ারা গাছের কচিপাতা পানিতে সেদ্ধ করে নিন। ওই পাতা আক্কেল দাঁতের গোড়ায় কিছুক্ষণ রেখে দিলেই ব্যথা কমবে।

>> অনেক সময়ে দাঁতের গোড়ায় সংক্রমণ হলেও এ ধরনের ব্যথা হয়। সেক্ষেত্রে হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গার্গল বা কুলকুচি করুন। এই পদ্ধতি মুখ ও গলার যে কোনো ব্যথা কমানোর কার্যকরী কৌশল।

দাঁতে পাথর ও তার প্রতিকার:দাঁত মানব শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ম...
29/06/2024

দাঁতে পাথর ও তার প্রতিকার:

দাঁত মানব শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে অন্যতম একটি অঙ্গ। যদি আমাদের দাঁত না থাকতো তাহলে আমরা কোনো খাবার চিবিয়ে খেতে পারতাম না। দাঁত থাকার জন্য আমরা সব ধরনের খাবার চিবিয়ে খেতে পারি। দাঁত নিয়ে নানা রকম সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। কথায় আছে- দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝে না তার মতো বোকা আর এই পৃথিবীতে নেই। কারণ হচ্ছে, অনেকেই মনে করেন- দাঁতের যত্ন করতে হবে না। যেমন আছে তেমনি ভালো এবং তাতে কোনো ক্ষতি নেই। দাঁতের যত্ন না করলে দাঁতের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি সমস্যা আছে দাঁতে পাথর হওয়া। আমাদের অনেকের দাঁতে এক ধরনের হলুদ বা বাদামি রঙের প্রলেপ দেখা যায়। এটাকেই দাঁতে পাথর পড়া বলে। ইংরেজিতে এটাকে বলে টার্টার।

সাধারণত মানুষের দাঁত ও মাড়ির উপরি ভাগ মসৃণ থাকে। কিন্তু প্রতিনিয়ত খাবার খাওয়ার পর সেই খাবার দাঁত ও মাড়ির উপর জমা হয় সাময়িক সময়ের জন্য। স্বাভাবিক নিয়মে লালার মাধ্যমে কিছুটা জমে থাকা খাবার পরিষ্কার হয়ে যায়, বাকিটা সঠিক নিয়মে ব্রাশ ও ফ্লসিংয়ের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়ে যায়।

১. ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথর কি?

প্রতিদিনের খাবার খাওয়ার পর নিয়মিত ব্রাশ করলেও খাদ্যকণা পুরোপুরি পরিষ্কার হয় না, ধীরে ধীরে এই খাদ্যকণার একটা আবরণ দাঁতের উপর পড়তে থাকে, আস্তে আস্তে মাসের পর মাস তা শক্ত হয়ে উঠে, তখন তাকে আমরা ডেন্টালের ভাষায় বলি ক্যালকুলাস (বাংলায় বলি-দাঁতের পাথর)

২. কি কি ক্ষতি হয় এতে?

* দাঁতের ক্ষয় হয়, * ধীরে ধীরে মাড়ি দুর্বল হয়ে পড়ে, * মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হয় যা ব্রাশ করার সময় অনেক সময় ধরা পড়ে, * আস্তে আস্তে মাড়ি নিচের দিকে নামতে থাকে যার দরুণ দাঁতের গোড়া আস্তে আস্তে নড়বড়ে হয়ে যায়, * মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে যা মাউথওয়াশ ইউজ করলেও যায় না।

৩. কিভাবে এই ক্যালকুলাস পরিষ্কার করা যায়?

বিডিএস ডিগ্রিপ্রাপ্ত কোনো ডেন্টাল সার্জনের কাছে গিয়ে স্কেলিং এবং পলিশিং করিয়ে নিলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

৪. কতদিন পর পর স্কেলিং করাতে হয়?

প্রতি ছয় মাস পরপর ডেন্টাল সার্জনের কাছে গিয়ে পুরো মুখের চেকাপ করালে উনিই আপনাকে সাজেশন দেবেন- ছয় মাস পরপর স্কেলিং না করালেও ন্যূনতম বছরে একবার স্কেলিং এবং পলিশিং করিয়ে নেয়া উচিতঅ এতে দাঁত সুস্থ থাকে, মাড়িও ভালো থাকে, রক্তক্ষরণ হয় না।

৫. স্কেলিং পলিশিংয়ের পর কি দাঁতের যত্ন জরুরি?

অবশ্যই, মানবদেহের সব কিছুরই যত্ন প্রয়োজন। তাই বছরে একবার হলেও ডেন্টাল সার্জনের কাছে রুটিন চেআকাপ করানোর পাশাপাশি বাসায় নিজের দাঁতের যত্ন নিতে হবে। নিয়মিত দুইবেলা ব্রাশ করতে হবে, সকালে ব্রেকফাস্টের পর এবং রাতে ঘুমাতে যাবার আগে। এর পাশাপাশি ডেন্টাল ফ্লসিং ব্যবহার করা উচিত। এতে করে যেসব খাদ্যকণা ব্রাশেও পরিষ্কার হয় না তা অনেকটাই ফ্লসিং এ দূর হবে।

৬. স্কেলিং করলে কি দাঁত ফাঁকা হয়ে যাবে?

এটা একদমই ভুল ধারণা- সচারচর যারা অনেক বছর স্কেলিং করাননি তাদের দাঁত ক্ষয় হয়ে যায়। যখন স্কেলিংয়ের মাধ্যমে পাথরগুলো ক্লিন করানো হয় তখন পাথরের জায়গাগুলো হালকা ফাঁকা দেখা যায়, তাই মনে হতে পারে দাঁত ফাঁকা হয়েছে, আসলে তা নয়।

ডেন্টাল ক্রাউন বা ক্যাপ পরা দাঁতের যত্নঅসাবধানতাবশত বিভিন্ন আঘাতে দাঁত ভেঙে যেতে পারে। এ ছাড়া ফেটে কিংবা দাঁতের রং কালো ...
25/06/2024

ডেন্টাল ক্রাউন বা ক্যাপ পরা দাঁতের যত্ন

অসাবধানতাবশত বিভিন্ন আঘাতে দাঁত ভেঙে যেতে পারে। এ ছাড়া ফেটে কিংবা দাঁতের রং কালো হয়েও যায়। তখন দাঁতে ডেন্টাল ক্রাউন বা ক্যাপ লাগানো জরুরি হয়ে পড়ে। দাঁতে শুধু ক্যাপ লাগালেই হবে না। ক্যাপ পরানোর পর যতেœরও প্রয়োজন পড়ে। এ ছাড়া ক্যাপের সঙ্গে দাঁতের রঙের মিল থাকতে হবে। না হলে মুখের সৌন্দর্য নষ্ট হবে। তবে ক্যাপ লাগানো প্রক্রিয়া খুব সহজ নয়। অনেক সময় ক্যাপ লাগানোর পর নানা জটিলতা দেখা যায়। এর কারণ হিসেবে রুট ক্যানেল সঠিকভাবে না হওয়াই মূলত দায়ী।

অনেক সময় দাঁত আকার অনুযায়ী কাটার সময় অসচেতন থাকলে মাড়িতে আঘাত লাগে। এ জন্য দাঁতে শিরশির অনুভূত হতে পারে। এর থেকে ডেন্টাল ক্যারিজ বা প্রদাহজনিত রোগ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় অসতর্কতায় ক্যাপের মেকানিক্যাল লক নষ্ট হয়ে যায়। এতে ক্যাপ লাগানোর ব্যবহৃত উপাদানের মৌলিক গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় ক্যাপটি দাঁত থেকে খুলেও যায়।

কারণ

ডেন্টাল ক্রাউন বা ক্যাপ ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি। ফলে পাশের দাঁতে খাবার জমে থাকার আশঙ্কা বেশি থাকে। পরে দাঁত ও মাড়িতে রোগ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে ক্যাপ পরানো দাঁতের পাশের মাড়ি ধীরে ধীরে সরে যায়। এতে দাঁতের গোড়ার শক্তি কমে যায়। একসময় দাঁত পড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। আধুনিক ক্যাপের উপরিভাগ পরচিলিন দিয়ে তৈরি করা হয়। ফলে তা দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে করা হয়। যদি কোনো কারণে ত্রুটপূর্ণ হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে ক্যাপের উপরিভাগে ফাটল ধরে। একসময় ফাটা অংশটি ধারালো হওয়ার কারণে জিহ্বা বা মুখের ভেতরের অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নানা প্রদাহ রোগ দেখা দিতে পারে।

পরিচর্যা
দাঁতে ক্যাপ লাগানোর পর থেকে বিশেষ যতœ অপরিহার্য। দুই দাঁতের মধ্যখানে ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন। প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করার সময় মাড়ি ম্যাসাজ করুন। এতে মাড়ি ভালো থাকবে, দাঁতের গোড়া মজবুত হবে। ফলে দাঁতের মধ্যে খাবার জমার ভয় থাকবে না। ডেন্টাল ক্যারিজ বা মাড়ির প্রদাহজনিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসবে। প্রতিদিন একবার লবণ গরম পানি দিয়ে কুলি করুন। এতে খাবারের অবশিষ্ট কণা বের হওয়াসহ দাঁত ও মাড়ির নানাবিধ সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাবেন। কখনো অসতর্কতায় ক্যাপ খুলে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে দন্ত চিকিৎসকের কাছে যান।

Holding 0421-03, Dhaka Road, Taltola, Jessore, Bangladesh

সামনের ফাঁকা দাঁত, সমস্যা সমাধানের উপায়সামনের দুই দাঁতের মাঝে ফাঁকা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। অনেকে প্রাণ খুলে হাসতে পারেন ন...
24/06/2024

সামনের ফাঁকা দাঁত, সমস্যা সমাধানের উপায়

সামনের দুই দাঁতের মাঝে ফাঁকা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। অনেকে প্রাণ খুলে হাসতে পারেন না। এটি কেন হয়? আর এর সমাধানই বা কী? তাই আজ জেনে নিন ফাঁকা দাঁতের সমস্যা সমাধানের উপায় সম্পর্কে।
দাঁত ফাঁকা কেন হয়?
দাঁতসহ মুখের অন্য দাঁতের ফাঁকা সাধারণত জেনেটিক বা বংশগত কারণে হয়ে থাকে। এছাড়া বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ফাঁকা হয়ে যায়। মূলত এই সমস্যাকে মিডলাইম ডায়েস্টোমা (Midline Diastema) বলে।

কী চিকিৎসা আছে
বর্তমানে এ ধরনের সমস্যার জন্য আছে আধুনিক চিকিৎসা। ফাঁকা দাঁত পূরণ করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কম্পোজিট ভিনিয়ার বা লাইট কিউর ফিলিং। এ পদ্ধতির মাধ্যমে সামনের দাঁতসহ মুখের যে কোনো দাতের ফাঁকা বন্ধ করা যায় খুব কম খরচে কম সময়ে। কম্পোজিট ভিনিয়ারের মাধ্যমে দাঁতের ফাঁকা বন্ধ করলে দাঁতের কোনো ক্ষতি হয় না। ন্যাচারাল দাঁত বা অরিজিনাল দাঁত কাটার কোনো প্রয়োজন হয় না। তাই এ চিকিৎসার সময় দাঁতে কোনো ব্যথা লাগে না.

লাইট কিউর ফিলিং বা কম্পোজিট ভিনিয়ার পদ্ধতির বিশেষ সুবিধা:
১. আল্লাহ প্রদত্ত দাঁত বা আসল দাঁত কাটার প্রয়োজন হয় না।
২. চিকিৎসা গ্রহণ করলে দাঁতের রুট ক্যানেল করতে হয় না। প্রয়োজন হয় না ক্যাপেরও।
৩. এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করলে দেখে বোঝা যায় না। দাঁতের সঙ্গে কালার ম্যাচিং করা হয়।
৪. অন্য চিকিৎসা পদ্ধতির তুলনায় এ চিকিৎসা পদ্ধতির খরচ অনেক কম।
৫. মাত্র ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই চিকিৎসা সম্পন্ন করা যায়।

অসুবিধা কী?
কম্পোজিট ভিনিয়ার চিকিৎসা পদ্ধতির তেমন কোনো অসুবিধা নেই। তবে কিছু খাবার আছে; যেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। তাহলে এ ধরনের দাঁত দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব।
চিকিৎসা কত বছর স্থায়ী হয়?
কম্পোজিট ভিনিয়ার সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছর স্থায়ী হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়। এ ক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, যেহেতু এটি ফিলিং করে করা হয়; সেহেতু ডেন্টিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

দাঁতের গোড়ায় কীভাবে পাথর জমে? কতদিন পর পর দাঁত স্কেলিং করা ভাল?দাঁতের গোড়ায় পাথর জমার পদ্ধতি খুবই ধীর। আমাদের দাঁতের গোড়...
23/06/2024

দাঁতের গোড়ায় কীভাবে পাথর জমে? কতদিন পর পর দাঁত স্কেলিং করা ভাল?

দাঁতের গোড়ায় পাথর জমার পদ্ধতি খুবই ধীর। আমাদের দাঁতের গোড়ায় সাধারনত সবসময়ই ব্যাকটেরিয়া ও খাদ্যকনার একটি নরম হালকা আবরণ থাকে। একে প্লাক (plaque) বলে। প্রতিবার ব্রাশ করার সাথে সাথে প্লাকের বেশিরভাগ অংশ চলে যায়, কিন্তু দ্রুতই আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। এটা স্বাভাবিক। এই প্লাক দুইটি কাজ করতে পারে।

ক্যারিজ সৃষ্টি করে দাঁত ক্ষয় করা।
পাথর(calculus) সৃষ্টি করে দাঁতের মাড়ি দুর্বল করা ও হাঁড় ক্ষয় করা।

প্লাক সাধারণত নরম হলেও আমাদের লালায় থাকা বিভিন্ন মিনারেল ও ফসফেট এই প্লাককে ধীরে ধীরে শক্ত করে ফেলে, স্বাভাবিক নিয়মেই৷ নিয়মিত ব্রাশ না করলে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়৷ তখন এই শক্ত প্লাক ব্রাশের সাথে পরিষ্কার হতে চায় না সহজে৷ ক্রমাগত প্লাকে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ কমতে থাকে ও মিনারেল/ফসফেট জমে প্লাক আরো শক্ত হতে থাকে৷ এই শক্ত বস্তুকেই ক্যালকুলাস বা পাথর বলা হয়। নিয়মিত ব্রাশ করার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে ধীর করে ফেলা যায়। কিন্তু এটা স্বাভবিক একটি ব্যাপার এবং হতাশ হবার কারন নেই যে দাঁতে যত্ন নেয়ার পরও পাথর হচ্ছে।

এর চিকিৎসা হল স্কেলিং। অনেকেই বলে থাকেন ছয় মাস বা এক বছর পরপর স্কেলিং করাতে। আসলে ব্যাপার তা নয়। স্কেলিং এর বাঁধাধরা সময় নেই। চিকিৎসক আপনার ক্যালকুলাস ও মাড়ির অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত দেবেন যে আপনার স্কেলিং করাতে হবে কি না৷ সেটা অনেক বছর পরপরও হতে পারে৷

কখন এবং কত ঘন ঘন আপনার দাঁত ব্রাশ করা উচিত?প্রতিবার ব্রাশ করার সময় কমপক্ষে দুই মিনিটের জন্য ফ্লোরাইড টুথপেস্ট দিয়ে দিন...
13/06/2024

কখন এবং কত ঘন ঘন আপনার দাঁত ব্রাশ করা উচিত?

প্রতিবার ব্রাশ করার সময় কমপক্ষে দুই মিনিটের জন্য ফ্লোরাইড টুথপেস্ট দিয়ে দিনে দুবার আপনার দাঁত ব্রাশ করুন। এই সুপারিশ আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন থেকে.

আপনি যখন ব্রাশ করেন, তখন আপনি খাবার নিতে সাহায্য করেন এবং আপনার দাঁতের ফলক বন্ধ করেন। ফলক একটি আঠালো সাদা ফিল্ম যা দাঁতের উপর গঠন করে। প্লাকের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া থাকে। আপনি চিনিযুক্ত খাবার বা স্ন্যাক খাওয়ার পরে, প্লাকের ব্যাকটেরিয়া অ্যাসিড তৈরি করে যা দাঁতের এনামেলকে আক্রমণ করে। এনামেল হল শক্ত বাইরের আবরণ যা আপনার দাঁতকে ঢেকে রাখে।

সময়ের সাথে সাথে, অ্যাসিড দাঁতের এনামেল ভেঙে দেয়। যে গহ্বর হতে পারে. এবং ফলক যা দাঁতে থাকে তা টারটারে শক্ত হয়ে যায়। যখন আপনার দাঁতে টারটার থাকে, তখন তাদের পরিষ্কার রাখা কঠিন। মাড়িতে টারটার জমা হওয়ার ফলে প্রদাহ হয় যা মাড়ির রোগের কারণ হয়।

আপনার দাঁত রক্ষা করার জন্য, প্রচুর অ্যাসিডযুক্ত খাবার বা পানীয় খাওয়ার পরেই দাঁত ব্রাশ করবেন না। উদাহরণের মধ্যে রয়েছে কোমল পানীয়, যেমন সোডা এবং স্পোর্টস ড্রিংকস, টক ক্যান্ডি, সাইট্রাস জুস এবং সাইট্রাস ফল। তাদের মধ্যে থাকা অ্যাসিড এনামেলকে নরম করতে পারে। অ্যাসিডিক কিছু খাওয়া বা পান করার পরে খুব তাড়াতাড়ি ব্রাশ করা আপনার দাঁতের এনামেল কেড়ে নিতে পারে। ব্রাশ করার জন্য এক ঘন্টা অপেক্ষা করুন। সেই সময়ে, আপনার লালা অ্যাসিডকে ধুয়ে দেয় এবং এনামেল আবার শক্ত হয়ে যায়।

আপনার যদি আর্থ্রাইটিস থাকে, আপনার যদি টুথব্রাশ ধরে রাখতে কষ্ট হয় বা আপনার যদি ধনুর্বন্ধনী থাকে তবে একটি বৈদ্যুতিক বা ব্যাটারি চালিত টুথব্রাশ ব্যবহার করে দেখুন। এই টুথব্রাশ ব্যবহার করা সহজ হতে পারে।

দিনে দুবার আপনার দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি, আপনার মুখকে সুস্থ রাখতে এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:

দিনে একবার ফ্লস করুন।
প্রচুর পানি পান কর. যদি আপনার সম্প্রদায়ের কলের জলে ফ্লোরাইড থাকে, তবে তা পান করা গহ্বরের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য খান এবং চিনিযুক্ত খাবার এবং পানীয় সীমিত করুন।
ব্রাশ ও ফ্লস করার পর মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।
প্রতি 3 থেকে 4 মাস অন্তর একটি নতুন টুথব্রাশ পান। ব্রিস্টলগুলি জীর্ণ, বাঁকানো বা ভেঙে গেলে তাড়াতাড়ি এটি প্রতিস্থাপন করুন।
ধূমপান করবেন না বা অন্য তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করবেন না।
পরিষ্কার এবং চেকআপের জন্য নিয়মিত একজন ডেন্টিস্ট দেখুন।

Address

Holding 0421-03, Dhaka Road, Taltola
Jessore
7400

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

01712-699206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when R S Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share