Niha Dental Care

Niha Dental Care Dental Service

14/05/2022

Emergency Dental Assistant Needs

Educational Qualification: Diploma in Dental Technology
or Equivalent (H.S.C)

Duty Location: Faidabad, Dakkhinkhan, Uttara, Dhaka 1230

Another Location is
31no. Ward, Besides Dhirasram Railway Station, Gazipur City Corporation, Gazipur

Salary: Negotiable

Duty time: 9am to 9pm
Lunch Break: 2.00 pm to 4.00pm

if you are running student, you are allow to leave during your exam time
there is no weekend, because you have to handle a clinic. And there is no weekend for doctor and his assistant accept Eid Vacation

If you completed diploma degree in dentistry it's the best grab opportunity for you to practise and make your skill much better

Contact number: +8801841299980

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু কেমন আছেন সবাই ?আলহামদুলিল্লাহ নতুন বছরে আবার ও নতুন  ২২ টা ক্যাপ 🦷ভাইয়...
30/01/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
কেমন আছেন সবাই ?
আলহামদুলিল্লাহ নতুন বছরে আবার ও নতুন ২২ টা ক্যাপ 🦷
ভাইয়ার বয়স ৩০,দীর্ঘ দিন অপেক্ষার পরে কাজ টি সম্পুর্ণ হইলো
আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন ইনশাআল্লাহ 💝
নীহা ডেন্টাল কেয়ার , ধীরাশ্রম পূর্ব বাজার, ৩১ নং ওয়ার্ড ,
গাজীপুর মহানগর,গাজীপুর

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু কেমন আছেন সবাই ?আলহামদুলিল্লাহ নতুন বছরে নতুন  ২৫ টা ক্যাপ 🦷আন্টির বয়স ...
23/01/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
কেমন আছেন সবাই ?
আলহামদুলিল্লাহ নতুন বছরে নতুন ২৫ টা ক্যাপ 🦷
আন্টির বয়স ৪৬ , দীর্ঘ অপেক্ষার পরে কাজ টি সম্পুর্ণ হইলো
আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন ইনশাআল্লাহ 💝
নীহা ডেন্টাল কেয়ার , ধীরাশ্রম পূর্ব বাজার, ৩১ নং ওয়ার্ড ,
গাজীপুর মহানগর,গাজীপুর

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহুকেমন আছেন সবাই?দাঁতের রোগ দন্তক্ষয় বা Dental কারিয়েস চিকিৎসকরা একে ডে...
11/01/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

কেমন আছেন সবাই?

দাঁতের রোগ দন্তক্ষয় বা Dental কারিয়েস চিকিৎসকরা একে ডেন্টাল ক্যারিজ বলে থাকেন কিন্তু অনেকেই একে দাঁতের পোকা হিসেবে অভিহিত করেন। অথচ দাঁতে কোনো পোকা হয় না বরং এসিডের কারণে ডেন্টাল ক্যারিজ মানে দাঁতের ক্ষয়রোগ ঘটে থাকে। মুখে জমে থাকা খাদ্যদ্রব্য বিশেষ করে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার মুখগহ্বরের বিভিন্ন রোগজীবাণু ভেংগে ফেলে যাকে বিপাক ক্রিয়া বলা হয়। আর এই ক্রিয়ার উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড, এসিটিক এসিড, পাইরোভিক এসিড সহ নানা ধরনের এসিড তৈরি হয়। এ সব ফলে আমাদের মুখের ভেতরে এসিডের আক্রমণ ঘটে। এসিডের এই আক্রমণের ফলে দাঁত থেকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাসের মত গুরুত্বপুর্ণ খনিজসমুহ দাঁতের উপরিভাগের অংশ এনামেল থেকে বের হয়ে যায়। আর এভাবেই দাঁতের ক্ষয়রোগ দেখা দেয়।

প্রতিরোধের উপায়ঃ

১/ প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁত ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে, বিশেষ করে, রাতে ঘুমানোর আগে টুথ ব্রাশ, পেস্ট ও নাইলনের সুতা দিয়ে দাঁত এবং দাঁতে লেগে থাকা খাদ্য কণা পরিষ্কার করতে হবে।

২/ দাঁত পরিষ্কারের অর্থ শুধু দাঁত পরিষ্কারই বোঝায় না, দাঁত, মাড়ি ও জিহ্বা, দুই দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাবারসহ মুখের সর্বত্র লেগে থাকা আঠালো জীবাণুর প্রলেপ দূর করা বোঝায়।

৩/ খাওয়ার পর কেবল কুলকুচি করলে জীবাণু দূর হয় না। যেভাবে যা দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন না কেন, দাঁত এবং দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাবার যাতে ভালোভাবে পরিষ্কার হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৪/ ঘন ঘন চিনি-জাতীয় খাদ্য যেমনঃ- চকলেট, বিস্কুট, আইসক্রিম ইত্যাদি মিষ্টি-জাতীয় খাবার কম খাওয়া কিংবা খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে মুখ পরিষ্কার করা জরুরি।

৫/ রাতে ঘুমের মধ্যে শিশুদের বোতলের দুধ কোনোভাবেই খাওয়ানো উচিত নয়। কোনো বিশেষ কারণে যদি খওয়াতেই হয়, তবে সে ক্ষেত্রে শিশুর দাঁত সঙ্গে সঙ্গে ভেজা পাতলা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

৬/ ছয় মাস পর পর অভিজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের উপদেশ ও পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭/ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় দাঁতের ক্যারিজের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়।

যেমন—খাবার পানিতে পরিমাণমতো ফ্লুরাইডযুক্ত করা, দাঁতের গায়ে ফ্লুরাইডের দ্রবণ বা জেল লাগিয়ে দেওয়া, ফ্লুরাইডের দ্রবণ দিয়ে কুলি করা, ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা, দাঁতের নাজুক স্থানে আগাম ফ্লুরাইডযুক্ত ফিলিং করিয়ে নেওয়া ইত্যাদি।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু কেমন আছেন সবাই ?
23/11/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
কেমন আছেন সবাই ?

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহুকেমন আছেন সবাই?আজকে ছবি আকারে নিয়মোনিয়া ও ডায়াবেটিস নিয়ে আলোচনা ও প্রত...
08/11/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

কেমন আছেন সবাই?

আজকে ছবি আকারে নিয়মোনিয়া ও ডায়াবেটিস নিয়ে আলোচনা ও প্রতিকার নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হল

আশাকরি আপনাদের কাজে আসবে

ধন্যবাদ, পাশে থাকবেন

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু কেমন আছেন সবাই ?এই শীতে শিশুর যত্নঃশীত এসেছে। গাছের সবুজ পাতা লালচে হয়ে...
07/11/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
কেমন আছেন সবাই ?

এই শীতে শিশুর যত্নঃ

শীত এসেছে। গাছের সবুজ পাতা লালচে হয়ে ঝরতে শুরু করেছে। এক কথায় বলতে গেলে প্রকৃতি ঝতু বদলের ডাক দিয়েছে। তাই এই সময় প্রকৃতির এই পরিবর্তনে শিশুদের জন্য কিছু বাড়তি সাকধানতা আমাদের অভিভাবকদেরই নিতে হবে। এই সময় দিনের শুরুতে কনকনে ঠান্ডা বাতাস আমাদের হাড় কাপিয়ে দেয়।আবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে রোদের তীব্রতায় ঘেমে যায় শরীরটা। ভালো করে শীত আসার আগ পর্যন্ত প্রকৃতির এই বিরুপ আচরন আমাদের পোহাতে হবে। তাই সাবধানে আমাদের অভিভাবকদের এক রকম আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে শিশুদের স্বাস্থের যত্নে।শীতের এই সময় যে অসুখগুলো আমাদের শিশুদের বিড়ম্বনায় ফেলতে পারে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ হাঁচি, কাশি, ভাইরাস জনিত জ্বর, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, ব্রংকিউলাইটিস ও ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া ইত্যাদি। এছাড়াও বার্ন বা পুড়ে যাওয়া শিশুদের যন্ত্রনাও একবারে কম নয় এই সময়।গৃহস্থালীর কর্মকান্ডের অসাবধানতা যেমন গরম পানি, গরম খাবার অথবা গরম কোন পাত্রের সংস্পর্শে আসা মাত্রই এই ধরনের অসুবিধার সূত্রপাত ঘটে।এছাড়াও এ সময়ে কিছু ছোঁয়াচে রোগ যেমন জলবসন্ত ও হামের প্রাদর্ভাব দেখা দিতে পারে।

শীতে অসুখ সমূহ প্রতিরোধে করনীয়ঃ

-শিশুর জম্নের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো।পুরোপুরি ৬ মাস পূর্ণ হলে বাড়তি খাবার খাওয়াতে হবে।
-নিয়মিতভাবে শিশুকে ইপিআই টিকাগুলো দেয়ার জন্য অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।
-কুসুম গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে বারবার খাওয়াতে হবে।
-কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে নিয়মিত গোসল করানো।
-বাইরের খোলা খাবার পরিহার করা।
-বাইরের রোদে শিশূ ঘেমে গেলে শরীরের ঘাম মুছে দেয়া
-বাইরে গেলে নাকে মাস্ক ব্যবহার করা।
-হাাঁপানি রোগে আক্রান্ত শিশুদের কার্পেটের উপর বসা এবং পশমওয়ালা -খেলনা দিয়ে খেলা থেকে বিরত রাখতে হবে।
-নাক দিয়ে পানি বা সর্দি ঝরলে হাত দিয়ে না ধরে টিস্যু বা শুকনো কোন কাপড় দিয়ে নাক পরিস্কার করা।
-নাক বন্ধ হলে স্যালাইন ড্রপ ব্যবহার করলে নাক খোলা থাকবে এবং শিশু স্বাভাবিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারবে।
-ঘুমানোর সময় শিশুদের মাথার দিক একটু উচু করে শোয়ানো।
-শীত বলেই দরজা জানালা বন্ধ করার দরকার নেই । দিনের বেলায় যাতে বাড়িতে অালো-বাতাস চলাচল করতে পারে সেদিকে খেয়াল করতে হবে।
-যে কোন কাজ করার সময় নিয়মিত হাত ধোঁয়া ।
-বাড়িতে ধূমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
-শিশুর গায়ে তেল না মাখানো যাবে না।
-সামান্য ঠান্ডার কারনে শিশুকে হাত মোজা, পা মোজা ও টুপি এবং সুয়েটার পড়ানোর দরকার নেই। গরম কাপড় পড়ালে শিশু যেন না ঘামে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
-প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে পালাবদল ঘটে প্রকৃতিতে আর আমাদের চারপাশের পরিবেশে।তােই নিয়মের মানিয়ে নেওয়াই স্বাভাবিকতা।তাই সব ঋতুতেই সে ঋতুর উপযোগী শরীরের যত্ন নিতে হবে।বিশেষ করে শিশুদের সাথে একটু বেশি খেয়াল রাখতে হবে যাতে শিশুরা ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিকতাকে মানিয়ে নিয়ে অসুস্থ না হয়ে

যেকোন ধরনের ডেন্টাল রিলেটেড সমস্যা বা কনফিউসন দূর করার জন্য চলে আসুন আমার চেম্বারে

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহুকেমন আছেন সবাই?ভিন্ন ধরনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট আজ কে শেয়ার করছ...
31/10/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

কেমন আছেন সবাই?

ভিন্ন ধরনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট আজ কে শেয়ার করছি আমাদের সকলের জন্য🌷

#মাত্র_দুটি_কাজ_করলেই_ক্যান্সার_উধাও!
===========================

ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।

তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার।

উপায়গুলো হচ্ছে:-

১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।

২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।

মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।

৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।

চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না।

তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।

সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু কেমন আছেন সবাই ?   #দাঁতের রোগ*** দন্তক্ষয় বা Dental কারিয়েস চিকিৎসকরা...
26/10/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
কেমন আছেন সবাই ?

#দাঁতের রোগ***

দন্তক্ষয় বা Dental কারিয়েস চিকিৎসকরা একে ডেন্টাল ক্যারিজ বলে থাকেন কিন্তু অনেকেই একে #দাঁতের_পোকা হিসেবে অভিহিত করেন। অথচ #দাঁতে_কোনো_পোকা_হয়_না বরং এসিডের কারণে ডেন্টাল ক্যারিজ মানে দাঁতের ক্ষয়রোগ ঘটে থাকে। মুখে জমে থাকা খাদ্যদ্রব্য বিশেষ করে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার মুখগহ্বরের বিভিন্ন রোগজীবাণু ভেংগে ফেলে যাকে বিপাক ক্রিয়া বলা হয়। আর এই ক্রিয়ার উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড, এসিটিক এসিড, পাইরোভিক এসিড সহ নানা ধরনের এসিড তৈরি হয়। এ সব ফলে আমাদের মুখের ভেতরে এসিডের আক্রমণ ঘটে। এসিডের এই আক্রমণের ফলে দাঁত থেকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাসের মত গুরুত্বপুর্ণ খনিজসমুহ দাঁতের উপরিভাগের অংশ এনামেল থেকে বের হয়ে যায়। আর এভাবেই দাঁতের ক্ষয়রোগ দেখা দেয়।

প্রতিরোধের উপায়ঃ

১/ প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁত ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে, বিশেষ করে, রাতে ঘুমানোর আগে টুথ ব্রাশ, পেস্ট ও নাইলনের সুতা দিয়ে দাঁত এবং দাঁতে লেগে থাকা খাদ্য কণা পরিষ্কার করতে হবে।

২/ দাঁত পরিষ্কারের অর্থ শুধু দাঁত পরিষ্কারই বোঝায় না, দাঁত, মাড়ি ও জিহ্বা, দুই দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাবারসহ মুখের সর্বত্র লেগে থাকা আঠালো জীবাণুর প্রলেপ দূর করা বোঝায়।

৩/ খাওয়ার পর কেবল কুলকুচি করলে জীবাণু দূর হয় না। যেভাবে যা দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন না কেন, দাঁত এবং দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাবার যাতে ভালোভাবে পরিষ্কার হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৪/ ঘন ঘন চিনি-জাতীয় খাদ্য যেমনঃ- চকলেট, বিস্কুট, আইসক্রিম ইত্যাদি মিষ্টি-জাতীয় খাবার কম খাওয়া কিংবা খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে মুখ পরিষ্কার করা জরুরি।

৫/ রাতে ঘুমের মধ্যে শিশুদের বোতলের দুধ কোনোভাবেই খাওয়ানো উচিত নয়। কোনো বিশেষ কারণে যদি খওয়াতেই হয়, তবে সে ক্ষেত্রে শিশুর দাঁত সঙ্গে সঙ্গে ভেজা পাতলা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

৬/ ছয় মাস পর পর অভিজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের উপদেশ ও পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭/ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় দাঁতের ক্যারিজের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়।

যেকোন ধরনের ডেন্টাল রিলেটেড সমস্যা বা কনফিউসন দূর করার জন্য চলে আসুন আমার চেম্বারে

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু কেমন আছেন সবাই এই শীতে শিশুর যত্নঃশীত এসেছে। গাছের সবুজ পাতা লালচে হয়ে ...
25/10/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
কেমন আছেন সবাই

এই শীতে শিশুর যত্নঃ

শীত এসেছে। গাছের সবুজ পাতা লালচে হয়ে ঝরতে শুরু করেছে। এক কথায় বলতে গেলে প্রকৃতি ঝতু বদলের ডাক দিয়েছে। তাই এই সময় প্রকৃতির এই পরিবর্তনে শিশুদের জন্য কিছু বাড়তি সাকধানতা আমাদের অভিভাবকদেরই নিতে হবে। এই সময় দিনের শুরুতে কনকনে ঠান্ডা বাতাস আমাদের হাড় কাপিয়ে দেয়।আবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে রোদের তীব্রতায় ঘেমে যায় শরীরটা। ভালো করে শীত আসার আগ পর্যন্ত প্রকৃতির এই বিরুপ আচরন আমাদের পোহাতে হবে। তাই সাবধানে আমাদের অভিভাবকদের এক রকম আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে শিশুদের স্বাস্থের যত্নে।শীতের এই সময় যে অসুখগুলো আমাদের শিশুদের বিড়ম্বনায় ফেলতে পারে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ হাঁচি, কাশি, ভাইরাস জনিত জ্বর, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, ব্রংকিউলাইটিস ও ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া ইত্যাদি। এছাড়াও বার্ন বা পুড়ে যাওয়া শিশুদের যন্ত্রনাও একবারে কম নয় এই সময়।গৃহস্থালীর কর্মকান্ডের অসাবধানতা যেমন গরম পানি, গরম খাবার অথবা গরম কোন পাত্রের সংস্পর্শে আসা মাত্রই এই ধরনের অসুবিধার সূত্রপাত ঘটে।এছাড়াও এ সময়ে কিছু ছোঁয়াচে রোগ যেমন জলবসন্ত ও হামের প্রাদর্ভাব দেখা দিতে পারে।

শীতে অসুখ সমূহ প্রতিরোধে করনীয়ঃ

-শিশুর জম্নের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো।পুরোপুরি ৬ মাস পূর্ণ হলে বাড়তি খাবার খাওয়াতে হবে।
-নিয়মিতভাবে শিশুকে ইপিআই টিকাগুলো দেয়ার জন্য অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।
-কুসুম গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে বারবার খাওয়াতে হবে।
-কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে নিয়মিত গোসল করানো।
-বাইরের খোলা খাবার পরিহার করা।
-বাইরের রোদে শিশূ ঘেমে গেলে শরীরের ঘাম মুছে দেয়া
-বাইরে গেলে নাকে মাস্ক ব্যবহার করা।
-হাাঁপানি রোগে আক্রান্ত শিশুদের কার্পেটের উপর বসা এবং পশমওয়ালা -খেলনা দিয়ে খেলা থেকে বিরত রাখতে হবে।
-নাক দিয়ে পানি বা সর্দি ঝরলে হাত দিয়ে না ধরে টিস্যু বা শুকনো কোন কাপড় দিয়ে নাক পরিস্কার করা।
-নাক বন্ধ হলে স্যালাইন ড্রপ ব্যবহার করলে নাক খোলা থাকবে এবং শিশু স্বাভাবিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারবে।
-ঘুমানোর সময় শিশুদের মাথার দিক একটু উচু করে শোয়ানো।
-শীত বলেই দরজা জানালা বন্ধ করার দরকার নেই । দিনের বেলায় যাতে বাড়িতে অালো-বাতাস চলাচল করতে পারে সেদিকে খেয়াল করতে হবে।
-যে কোন কাজ করার সময় নিয়মিত হাত ধোঁয়া ।
-বাড়িতে ধূমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
-শিশুর গায়ে তেল না মাখানো যাবে না।
-সামান্য ঠান্ডার কারনে শিশুকে হাত মোজা, পা মোজা ও টুপি এবং সুয়েটার পড়ানোর দরকার নেই। গরম কাপড় পড়ালে শিশু যেন না ঘামে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
-প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে পালাবদল ঘটে প্রকৃতিতে আর আমাদের চারপাশের পরিবেশে।তােই নিয়মের মানিয়ে নেওয়াই স্বাভাবিকতা।তাই সব ঋতুতেই সে ঋতুর উপযোগী শরীরের যত্ন নিতে হবে।বিশেষ করে শিশুদের সাথে একটু বেশি খেয়াল রাখতে হবে যাতে শিশুরা ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিকতাকে মানিয়ে নিয়ে অসুস্থ না হয়ে পড়ে।

যেকোন ধরনের ডেন্টাল রিলেটেড
সমস্যা বা কনফিউসন দূর করার জন্য চলে আসুন আমার চেম্বারে

Address

Ward#31, Gazipur City Corporation
Gazipur

Telephone

+8801841299980

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Niha Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Niha Dental Care:

Share