Dental Home & Orthodontics

Dental Home & Orthodontics �What's App : 01521302462 Medical & Health

07/12/2025

যে সব গাছের মিসওয়াক করা হয়:

পিলু গাছ বা আরাক : পিলু গাছ পাঞ্জাব দেশের বিভিন্ন স্থানে লবণাক্ত ও বিরান ভুমিতে পাওয়া যায়। পিলু গাছের আঁশ গুলো খুব নরম এবং মসৃন। এ গাছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম (Calcium) ও ফসফরাস (Phosphorus) নামক রাসায়নিক উপাদান পাওয়া যায়। যা শরীর বিজ্ঞানে তথা আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজন। (বিস্তারিত মিসওয়াক ও রাসায়নিক উপাদান অংশে দ্রষ্টব্য)। পিলু গাছের মিসওয়াক তাজা ও নরম অবস্থায় চিবালে তার মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে তিক্ত ও তেজস্ক্রিয় এক ধরনের পদার্থ। এই পদার্থ মুখের ভিতরের জীবাণুকে ধ্বংশ করে ফেলে বা নিষ্ক্রিয় করে ফেলে বা প্রতিহত করে। এ গাছের আরও যেসব রাসায়নিক উপাদান পাওয়া যায় তা হলো-
ট্রাইমিথাইল অ্যামিন (Trimethyl Amine),
সালভাডোরাইন (Salvadorine) নামক অ্যালকালয়েড (Alkaloid),
ক্লোরাইড (Chloride),
ফ্লোরাইড (Floride),
সিলিকা (Sillica),
গন্ধক (Sulphur),
খাদ্যপ্রাণ সি (Vitamin `C’),
ট্যানিন্স (Tanins) এবং স্যাপোনিন্স (Saponins),
ফ্লেভোনয়েডস (Flavonoides) এবং স্টেরল্স (Sterols),
রঞ্জক পদার্থ (যেমন Natural Pigments)।

নিম গাছ : নিম গাছের মিসওয়াক ব্যবহারের উপকারিতা জানে না এমন মানুষ বাংলাদেশে পাওয়া দুষ্কর। নিম গাছের ডাল এ দেশের মানুষের উৎকৃষ্ট মিসওয়াক। নিম জাতীয় গাছকে বুতম বলা হয়। এ কথা সবারই জানা থাকার কথা যে, যে বাড়িতে একটা নিমের গাছ আছে সে বাড়ি কমপক্ষে দশ-বিশটি মতান্তরে ৭০টি রোগজীবাণুর আক্রমণ থেকে মুক্ত। আবার নিম গাছের ছায়াও স্বাস্থ্যকর। খোস পাঁচড়া, চুলকানী, অ্যালার্জিজনিত রোগ, বহুমূত্র, রক্তের বিকৃতি, কাশি, কৃমি, কুষ্ঠ, পিত্ত, ব্রণ, যকৃতের রোগ সহ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে এ গাছ ব্যবহৃত হয়। নিম গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করলে অতি সহজেই এ থেকে কিছু উপকারীতা পাওয়া যায়। তাছাড়া নিমের গাছে থাকে তিক্ত রস যা মুখ দিয়ে চিবালে মুখের ভিতরের জীবাণুকে ধ্বংশ করে।

যায়তুন গাছ বা আনাম : যায়তুন গাছের ডাল বা শিকড় শহরের বিভিন্ন মার্কেটে বা বাজারে মিসওয়াকের আকৃতিতে পাওয়া যায়। অন্যভাবেও পাওয়া যায়। যাতায়াত ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতির ফলে ভীনদেশের কোন কিছু পেতে তেমন বেগ পেতে হয় না। শুধু মাত্র সেই বস্তুটি সম্পর্কে সুধারণা থাকলে তা অনায়াসে হাতের কাছে আসে অর্থাৎ ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট। যায়তুন গাছের মিসওয়াক দ্বারা অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। এর মধ্যে অন্যতম দুটি সুবিধা হল-
ক) বিভিন্ন কারণে মুখের ভেতর ক্ষত বা ঘা সৃষ্টি হলে তা দূর করে;
খ) মুখের ভেতর কোন কিছু গলে পচে গিয়ে মুখে দূর্গন্ধ সৃষ্টি করলে এ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারে মুখের দূর্গন্ধ দূর হয়ে এক ধরনের সুমিষ্ট আবহ তৈরি হয়।
এ সম্পর্কে একটি হাদিস উল্লেখ করা যেতে পারে। হযরত মুয়াজ (রাঃ), রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাম হতে বর্ণনা করেন, যায়তুন গাছের মিসওয়াক কতইনা উত্তম! এটা হচ্ছে পবিত্র বৃক্ষের অংশ যা মুখকে দূর্গন্ধমুক্ত ও মুখের ক্ষত দূর করে। এটা হচ্ছে আমার মিসওয়াক ও আমার পূর্ববর্তী নবীদের মিসওয়াক। (কানযুল উম্মাল তাবারানীর বরাতে, সূত্র : হাদিসে নূর ও আধুনিক বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা নং ৪০)।
যায়তুন বা অন্যান্য বৃক্ষের মিসওয়াক হতে দ্রুত ফল পেতে হলে প্রতিদিন মিসওয়াকের নতুন আঁশ বের করে মিসওয়াক করতে হবে।

কানীর গাছ : কানীর গাছ অত্যন্ত তিতা স্বাদযুক্ত। কানীর গাছ দুই প্রকার। লাল ফুল ও সাদা ফুল যুক্ত। যে সব রুগীদের ‘পাইওরিয়া’ রোগে আক্রমণ করেছে তাদের এ গাছের মিসওয়াক দিয়ে মিসওয়াক করলে এ রোগ থেকে নিস্কৃতি পাওয়া যায়। ইহার স্বাদ তীব্র তিতা বলে মুখের ভিতরের জীবাণুকে ধ্বংশ করতে এ গাছের মিসওয়াক অতি ফলপ্রদ ভূমিকা পালন করে।

বাবলা : বাবলা গাছ আমাদের অতি পরিচিত। তবে মিসওয়াক হিসাবে অতটা নয়। বাবলা গাছের ডাল দাঁতের ফাঁকের জমাট বাধা ময়লা সহজেই তুলে আনতে পারে।

অর্জুন : অর্জুন গাছ বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই পাওয়া যায়। মিসওয়াকের মাধ্যমে এই গাছের যে সব উপকার পাওয়া যায় তা হল যক্ষা বা ক্ষয়কাশ, প্রস্রাব বন্ধে, রক্ত আমাশয়ে, রক্তপিত্তে, লো-ব্লাডপ্রেসারে ইত্যাদি। তাছাড়া হৃদরোগের টনিক তৈরিতে এ গাছ ব্যবহার করা হয়। সুতরাং এ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারে হৃদরোগের উপকার পাওয়া যাবে। তবে যাদের হাই ব্লাডপ্রেসার, হজমে গোলমাল আছে তাদের জন্য এ গাছের রস সরাসরি গ্রহণ করা যাবেনা। তবে মিসওয়াক করলে অসুবিধা নেই।

আকন্দ গাছ : আকন্দ গাছ তবে যাকে বানরের লাঠি বলি সে গাছ নয়। এ গাছ দাঁতের ব্যথা, সর্দিকাশি, চর্মরোগ, জন্ডিস প্রভৃতি রোগে কাজ দেয়। ফলে এ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যায়।

ডালিম গাছ : ডালিম শক্তিশালী সংকোচক এবং কৃমিনাশক। এ ছাড়া এ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারে নিম্মোক্ত রোগসমূহে উপকার পাওয়া যেতে পারে যথা-অজীর্ণ, আমাশয়, নারীদের প্রায়ই গর্ভস্রাব হলে, হৃদরোগ, অনিদ্রা ইত্যাদি।

আম গাছ : আম গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করলে বমি বমি ভাব দূর হতে পারে। ইহা প্লিহা রোগে ভূমিকা রাখতে পারে। আম গাছের মিসওয়াক ব্যবহারকে মাকরূহ বলা হয়ে থাকে।

বেল গাছ : বেল গাছ এর মিসওয়াক ব্যবহার করলে যাদের বমি বমি ভাব হয় তাদের উপকার হবে। তা ছাড়া কফ ও বায়ু রোগে উপকার দেয়। এটি বাতের রুগীদের উপকার করবে।

লেবু গাছ : যে সব রোগে উপকার দেবে- গোঁড়া লেবুর গাছ থেকে- কফ, বমি বমি ভাব, মুখে রসের অভাব, বাতাবী লেবুর গাছ থেকে- উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিন্ড রোগ, বদ হজম ইত্যাদি।

আটেশ্বরী বা শুঠি : এ গাছ ছোট আকৃতির হয়। সাধারণত রাস্তার ধারে হয়। এ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারে দাঁতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। দাঁতের উপর চকচকে এক ধরণের প্রলেপ পড়ে যা দাঁতকে সুন্দর দেখায়।

07/12/2025

:: দাঁত ও মুখের যত্নে সাতটি পরামর্শ ::

মুখের অভ্যন্তরের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এবং বাজে দুর্গন্ধকে দূরে রাখতে বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। এগুলোকে প্রতিদিনের কাজে হিসেবে অভ্যাস বানিয়ে নিতে হবে। তাই মুখের ভেতরের সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তাকে দূরে রাখতে এখানে দেখে নিন সাতটি কার্যকর উপায়।

১. দিনে অন্তত দুইবার ব্রাশ করুন : মুখের হাইজিন ধরে রাখার অন্যতম উপায় দিনে দুইবার ব্রাশ করা। বাচ্চাদের এ অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহ দিতে পারেন বাবা-মায়েরা। প্রতিদিন খাওয়ার পর সকাল ও রাতে অন্তত দুইবার ব্রাশ করুন। আর সঠিক উপায়ে ব্রাশ করার পদ্ধতি অহরহ টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনে শিখিয়ে দেওয়া হয়।

২. অন্তত তিন মিনিট ব্রাশ করুন : ব্রাশ করার সময়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দাঁতের আনাচে-কানাচে অন্তত তিন মিনিট ব্রাশ করাটা জরুরি। তাই অল্প সময়ের কাজটি কয়েকবার ঘড়ি ধরে করলেই পরে সময়জ্ঞান হয়ে যাবে।

৩. অভ্যাসে পরিণত করুন : প্রতিদিন ব্রাশ করাটা অভ্যাসে পরিণত করুন। সকাল বা বিকেলে বা রাতে শেষবারের মতো খাওয়ার পর সাধারণত ব্রাশ করা সবচেয়ে উপকারী। বেশ কয়েক দিন চালিয়ে গেলে অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।

৪.মেশওয়াক ব্যবহার করুন: এ কাজটি দাঁত মাজার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে কাজ দেবে মেসওয়াক নিঃশ্বাস হবে সজীব। তা ছাড়া মুখের মধ্যে এক দারুণ পরিচ্ছন্ন অনুভূতি এনে দেবে

৫. পানির সাহায্যে ফ্লস করা : মাউথওয়াশের মাধ্যমে ফ্লসের কাজটা সারা যায়। প্রতি দাঁতের মধ্যে যে ফাঁকা অংশ থাকে তার মাঝে খাবার আটকে থাকে। এগুলো পরিষ্কার করাই ফ্লস। মাঝে মধ্যে পানির সাহায্যে এ কাজটি সারতে পারেন। প্রতি সপ্তাহে এক বা দুইবার এটি করা উচিত।

৬. বেভারেজ এবং এসিডপূর্ণ খাদ্য এড়িয়ে চলা : বাজারের যেকোনো বেভারেজ দারুণ ক্ষতিকর দাঁতের জন্য। তাই এটি পরিহার করুন। তা ছাড়া অ্যালকোহলপূর্ণ পানীয় এবং এসিড রয়েছে এমন খাবার এড়িয়ে চললে দাঁতের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবেন।

৭. ব্যবহৃত পানির বিষয়ে সাবধান : যে পানি দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করছেন বা দাঁত মেজে মুখ পরিষ্কার করছেন তা যদি দূষিত হয়, তবে মুখে এবং দাঁতে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেবে। তাই পরিষ্কার পানি দিয়ে নিয়মিত দাঁত ও মুখ পরিষ্কারের কাজটি করুন।

07/06/2022





GENERAL DENTISTRY CONSULTAION 500 BDT
ORTHODONTIC CONSULTAION 1000 BDT



SCALING (regular) 1000 BDT
ADVANCE SCALING (betel quid stain) 2000 BDT
PAINLESS SCALING 2500 BDT
POLISHING 500 BDT
CURETTAGE 1000-2000 BDT
ROOT PLANNING (3 visit) 5000 BDT
GINGIVAL SURGERY 5000-15000 BDT



RCT (single visit) 5000 BDT
RCT (multi visit) 3000-4500 BDT
PULPOTOMY (without PF) 500 BDT
PULPECTOMY 2000 BDT
PERMANENT FILLING (deciduous) 500 BDT



TREATMENT FILLING 500 BDT
GLASS IONOMER FILLING 1000 BDT
LIGHT CURE FILLING 1500–3000 BDT
COSMETIC FILLING (per space) 4000 BDT
PERMANENT FILLING (after RCT) 500 BDT
TOOTH WHITENING 15000 BDT



RPD (per tooth) 1500-4000 BDT
COMPLETE DENTURE 60,000-1,00,000 BDT
NIGHT GUARD 15000 BDT
POST CORE BUILD UP 2000 BDT



NONSURGICAL EXTRACTION (anterior) 1000 BDT
NONSURGICAL EXTRACTION (posterior) 1500 BDT
SURGICAL EXTRACTION 2500-10000 BDT
DECIDIOUS EXTRACTION 500 BDT
APICAL SURGERY 5000-15000 BDT
SMALL CYST 10000 BDT
OPERCULACTOMY (per tooth) 2000 BDT
SPLINTING & BONE FIXATION 5000 BDT



METAL (initial) 10000 BDT
METAL (per visit) 3000 BDT
CERAMIC (initial) 20000 BDT
CERAMIC (per visit) 4000 BDT
DAMON (initial) 30000 BDT
DAMON (per visit) 7000 BDT
RETAINER 20000-25000 BDT

24/05/2022
17/07/2020

টুথব্রাশ ব্যবহারে কি মিসওয়াকের অপরিসীম ফজিলত ও নেকি পাওয়া যাবে?
▬▬▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬▬▬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টসাধ্য হবে বলে মনে না করতাম, তবে তাদেরকে প্রত্যেক অজুর সাথে মিসওয়াক করার নির্দেশ প্রদান করতাম। অন্য বর্ণনায় এসেছে, প্রত্যেক নামাজের সময় (অজুর সাথে) মিসওয়াকের নির্দেশ প্রদান করতাম।’’ [সহিহ বুখারি: ৮৮৭, সহিহ মুসলিম: ২৫২, ইবনু হিব্বান: ১৫৩১; হাদিস দুটো সহিহ]
একটি হাদিসে এসেছে, ‘‘দ্বীন ইসলামের স্বভাবজাত দাবি দশটি, যার অন্যতম প্রধান হলো, মিসওয়াক করা।’’ [সহিহ মুসলিম: ২৬১]
মিসওয়াকের সুন্নাত কি টুথব্রাশ দ্বারা আদায় হবে?
গত শতকের আরবের সুপ্রসিদ্ধ কয়েকজন আলিম বলেছেন, টুথব্রাশ দ্বারাও মিসওয়াকের সুন্নাহ আদায় হয়ে যাবে। তাঁদের মতে, মূল ইবাদত হলো মুখ পরিষ্কার করা ও দুর্গন্ধ দূর করা। যেহেতু টুথব্রাশ দিয়ে প্রয়োজন পূরণ হচ্ছে, সেহেতু এটি মিসওয়াকের বিকল্প হতেই পারে। যেমন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা মিসওয়াক করো। কেননা, তা মুখের পবিত্রতার উপায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যম।’’ [ইবনু মাজাহ: ২৮৯, সহিহ ইবনু হিব্বান: ১০৭০, সহিহুত তারগিব: ১/৫০ হাদিসটি সহিহ]
তবে অসংখ্য আলেমের মত হলো, এখানে সুন্নাহ দুটো। (১) দাঁত ও মুখ পরিষ্কারের সুন্নাহ; (২) উপকরণের সুন্নাহ্। টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কারের সুন্নাহ আদায় হবে, তবে ডাল বা উপকরণের সুন্নাহ আদায় হবে না।
এর জবাবে উপরের মতাবলম্বী আলেমগণ বলেন, উপকরনের সুন্নাতও আদায় হবে। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ কোনো গাছের ডালকে নির্দিষ্ট করে যাননি; এতেই বুঝা যায় মিসওয়াক নিছক একটি মাধ্যম মাত্র, এই উপকরণ আধুনিক সময়ের টুথব্রাশও হতে পারে। কারণ, টুথব্রাশ দিয়ে সব প্রয়োজনই পূরণ হচ্ছে।
যাহোক, আমরা বলবো, কোনো সন্দেহের মধ্যে না গিয়ে হুবহু নবীজিকে অনুসরণ করা উত্তম হবে। এতে রাসূলকে ভালোবাসার জন্যও আলাদা নেকি পাওয়া যাবে। তাই, টুথব্রাশ ব্যবহারের পাশাপাশি মিসওয়াকও ব্যবহার করা উত্তম কাজ হবে। বিশেষত, আমরা ঘুম থেকে ওঠে, ঘুমাতে যাওয়ার সময় ও খাবারের পর টুথব্রাশ ব্যবহার করতে পারি। আর প্রত্যেক নামাজের সময় অজুর পূর্বে মিসওয়াক ব্যবহার করতে পারি। সেটা অল্প করে হলেও যথেষ্ট হবে। এমনকি ২/৩ বার এদিক-ওদিক করলেও সুন্নাহ আদায় হবে।
আলিমগণ বলেন, মিসওয়াক ব্যবহারের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট হলো আরাক গাছের ডাল। ইবনু মাস‘ঊদ (রা.) নবীজির জন্য এই ডাল সরবরাহ করেছিলেন। [মুসনাদ আহমাদ: ৩৯৯১, সনদ হাসান]
এটি না পাওয়া গেলে তালপাতার ডাল অথবা জয়তুনের ডাল ব্যবহার করা উত্তম। আমাদের দেশের জলপাই অনেকটা জয়তুনের মতই। অনেক আলিম নিম গাছের ডাল ব্যবহার করতেও বলেন। মিসওয়াকের ক্ষেত্রে কাঁচা ডাল ব্যবহার করা উত্তম।

Dentistry is love and it is passion..Smile can change your mind..
24/11/2019

Dentistry is love and it is passion..
Smile can change your mind..

Address

515/4A, Senpara Parbata, Kafrul, Mirpur
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 17:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801521302462

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dental Home & Orthodontics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dental Home & Orthodontics:

Share

Category