Partha talukder

Directions

Partha talukder �

20/05/2022
06/05/2021

বাড়ছে জনসংখ্যা, কমছে মানুষ

মানুষ যখন শ্রেষ্ঠ হয়, ফেরেশ্তাকেও ছাড়িয়ে যায় আবার
মানুষ যখন নিকৃষ্ট হয়,পশুত্বকে ও হার মানায়--

09/01/2020

#ওষুধের_প্রতিক্রিয়ায়_ব্যক্তিত্বের_বদল
এক্স নামের পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যক্তির জীবন আমূল পাল্টে দিয়েছে ওষুধ। আশপাশে পরিচিতজনদের চেনা এক্স বদলে হয়ে গেলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক এক্স। শুরুতে ডায়াবেটিস দিয়ে। ডাক্তারদের পরামর্শে তিনি স্ট্যাটিন নামে এক ঔষধ গ্রহণ শুরু করেন। চিকিৎসা শুরুর পর এক্সের স্ত্রী হঠাৎই একদিন তার স্বামীর পরবর্তীত ব্যক্তিত্ব ও আচরণ খেয়াল করেন। শান্তশিষ্ট মানুষটি যেন দিনকে দিন ক্রোধান্বিত এক মানুষে পরিণত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সান্তিয়াগোর ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক বিটরাইস গোলোম্বোর নেতৃত্বাধীন একটি গবেষক দল বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেন। কয়েক বছর ধরে গোলোম্বো যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানের রোগীদের ডাক্তারি ব্যবস্থাপত্র সংগ্রহ করেন। তাদের গবেষণায় দেখা যায় চিকিৎসার মাধ্যমে ওষুধ নেয়ার ফলে,অনেক বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া,চাকরির ক্ষেত্রে অবনতির ঘটনা ঘটে থাকে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ওষুধ সেবনকারী পুরুষের মধ্যে তাদের স্ত্রীকে হত্যার প্রবণতা বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা যায়। প্রতি ক্ষেত্রেই এই রোগীরা যখন স্ট্যাটিন নামের ওই ওষুধ খাওয়া শুরু করেন, এরপর থেকেই তাদের মধ্যে পরিবর্তন শুরু হয়। আর ওই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলে কিছু দিনের মধ্যে ফের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে রোগীরা। এক রোগী পাঁচবার ওষুধ পরিবর্তন করার পরে নিজের পাল্টে যাওয়া বিষয়টি ধরতে পারেন। গবেষকদলের মতে অধিকাংশ রোগী তাদের আচরণ পাল্টে যাওয়ার বিষয়টি ধরতে পারেন না। তারা ক্রমশ আরো ওষুধ নির্ভর হয়ে ওঠেন। কিছু ক্ষেত্রে এই বোধোদয় এতটাই দেরীতে আসে যে ততদিন অনেকটা ক্ষতি হয়ে যায়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন বিজ্ঞানী ও একটি সংবাদ মাধ্যমের সাবেক সম্পাদক ওই ওষুধ সেবনের পর আত্মহত্যা করেছেন এমন রেকর্ড রয়েছে। প্যারাসিটামল, স্ট্যাটিন, হাঁপানির ও অবসাদ দূর করি ওষুধে এমন সব উপাদান থাকে যা মানুষকে আরো রাগান্বিত,অস্থির, অপরিচিতদের প্রতি সহানুভূতিহীন করে তোলে। এমনকি ব্যক্তির মৌলিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থেকে সরিয়ে আনে ওই ওষুধ। উল্লেখ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর 49 হাজার টন প্যারাসিটামল বিক্রি হয়।
2011 সালের দিকে এক ফরাসি বাবার গ্লাক্সোস্মিথক্লাইনের বিরুদ্ধে করা এক মামলায় অভিযোগ করে বলেন, ওই কোম্পানির পার্কিনসন রোগের ওষুধ সেবনের পর তার মধ্যে জুয়াড়ি ও সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণের মনোবৃত্তি সৃষ্টি হয়। 2015 সালে অপর এক ব্যক্তি অভিযোগ তুলেছিল স্থূলতা কমানোর ওষুধ খেয়ে তার রাগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কমেছে।

"রাগ অনুরাগ"-প্রায় এক বছর হতে চলল, ঠাকুমা আর দাদুর মধ্যে কথা বন্ধ। কবে বা কী নিয়ে মতান্তর ঘটেছিল, কেউ জানে না। কার অত ...
26/11/2019

"রাগ অনুরাগ"-

প্রায় এক বছর হতে চলল, ঠাকুমা আর দাদুর মধ্যে কথা বন্ধ। কবে বা কী নিয়ে মতান্তর ঘটেছিল, কেউ জানে না। কার অত টাইম আছে, বুড়ো বুড়ির বৈরাগ্যের ইতিহাস ঘাঁটার? আমরা শুধু দেখতে পাই তারা কেমন নিঃশব্দ দাম্পত্য যাপন করছেন। দুপুরবেলায় ঠাকুমা নিজের হাতে দাদুর ভাতের থালাটি সাজিয়ে, সামনে ধরে দেন ঠিকই কিন্তু ভুলেও জিজ্ঞেস করেন না, আর কিছু লাগবে কিনা। দাদুও ঠাকুমার কাছে কিছু চান না। বলেন,

-"'বড়বৌমা, এক টুকরো নেবু দাও তো।" নয়তো... -"এই কে আছিস? ভাত কমিয়ে দে। এত খাব না।"

ঠাকুমা কাছেই বসে, পান চিবোতে চিবোতে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দাদুর দিকে লক্ষ্য রাখেন। অথচ মুখে কুলুপ আঁটা থাকে।

পিসিরা ঠাকুমাকে বুঝিয়েছিল - "বয়স হয়েছে। এখন এত রাগ-ঝাল শোভা পায়?"

ঠাকুমা কোন উত্তরই দেন নি। কথা বন্ধ হওয়ায় অবশ্য তাদের কিছু যায় আসে না। জীবন স্বাভাবিক ভাবেই এগিয়ে চলে। ঠাকুমা সন্ধ্যেবেলায় নিজের মনে বারান্দার এক প্রান্তে বসে, পা ছড়িয়ে বাতের তেল মাখেন। তার দুধে আলতা রঙের হাতে সোনার চুড়িগুলি ঝিন্ ঝিন্ করে বাজতে থাকে। সেই বারান্দাতেই আরামকেদারায় শুয়ে দাদু রেডিও শোনেন। রাতের খাওয়া শেষ হলে, ঠাকুমা শোবার ঘরের বাইরে চৌকিতে মশারি টাঙিয়ে দিয়ে জানলা গুলো খুলে দেন। দাদু ওষুধ খেয়ে, একটি বই হাতে শুয়ে পড়েন। কেউ কারো জন্য একটি বাক্যও খরচ করেন না। রাগারাগি এমন পর্যায়ে যে দুজনে শয্যাও আলাদা করে নিয়েছেন। ঠাকুমা একাই ঘরের মধ্যে পুরানো পালঙ্কে ঘুমোন। সব দেখে শুনে, বৌমারা বলাবলি করে,

"বিয়ের পঞ্চাশ বছর পার করেও দুজনের জেদ দেখ একবার। কেউ কারো কাছে মাথা নোয়াবে না? এক বছর ঝগড়া হয়ে গেল তাও?"

সবাই আশ্চর্য হয়ে যায়। সবাই ঠাকুমার দোষই দেয়। বলে - "বুড়ির তেজ খুব।"

হঠাৎ একদিন ঠাকুমা কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে, ঘুমের মধ্যেই ইহলোক ত্যাগ করলেন। খবরটা দাদুকে খুব আগ্রহভরে দেওয়া হল, তার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য। তিনি হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলেন। যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না। চোখে কী জল এল? ঠিক বোঝা গেল না। আত্মীয় স্বজন ভাবলো, দাদুর খুব একটা দুঃখ বা অসুবিধে হবেনা। কারণ ঠাকুমার সাথে কাজের সম্পর্ক ছাড়া তো কিছু ছিল না ইদানীং। কাজগুলো অন্য কেউ করে দিলেই দাদু দিব্যি থাকবেন। ঠিক তাই হল। দাদুর খাওয়া, শোওয়া, রেডিও শোনা যেমন চলছিল তেমন চলতে থাকলো।

আমি মাঝে মাঝে অবাক হয়ে ভাবি, মানুষ এত অনুভূতিহীন হতে পার

25/11/2019

বাসর ঘরে ঢুকে পাশে বসতেই বৌ আমাকে বলল....ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখুন তো কয়টা বাজে??
বাসর রাতে বৌয়ের এমন সাহসী প্রশ্নে কিছুটা বিচলিত
হলাম।তখন ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখি রাত ১২.৩০মিঃ।আমি বৌয়ের পাশে বসে আস্তে করে বললাম.....শোনো আমার এখন বিয়ে করার কোন ইচ্ছেই ছিলো
না।আমার বাবা-মায়ের পছন্দেই তোমাকে বিয়ে করেছি।
তবে আমার কারো সাথে কোন সম্পর্ক ও নেই।কিন্তু আমি বিয়ের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।তাই আমি এখন চাইলেও এত সহজে তোমাকে বউ হিসেবে মানতে বা বৌয়ের অধিকার দিতে পারবোনা।
কথা গুলো বলে শেষ করা মাত্র ই নতুন বউ আমার পাঞ্জাবির কলারটা চেপে ধরে বলল.....আমাকে কি খেলার পুতুল মনে হয় নাকি??পছন্দ হয়নি,
বিয়ে করতে চাননি এইটা আগে বলতে পারলেন না??
নিজের মায়ের মন রক্ষা করতে আমার সব আশা-স্বপ্নকে কেন বলিদান দিতে হবে?বিয়ে করার ইচ্ছে নেই,এইটা আমাকে আগে বললেই পারতেন।তবেই আমি আমার পক্ষ থেকে বিয়ে ভেঙে দিতাম।মায়ের প্রতি ভন্ড ভক্তি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে আমার জীবনটা কেন এইভাবে নষ্ট করে দিলেন হুম?আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করিনি।এখন আমি যেভাবে বলব সেভাবেই সব হবে। ঠিক আছে????বলেই কলার টা ছেড়ে দিলো।পরে আবার বলল....আচ্ছা যা হবার তা তো হয়েই গেছে।
দিতে হবে না আপনাকে বউয়ের অধিকার।যান নিচে গিয়ে ঘুমান।একদম খাটে ঘুমাতে পারবেন না।
বলেই আমার বালিশ পা ফ্লোরে ছুড়ে মারলো।আমি ও
বাধ্য ছেলের মতো ফ্লোরেই শুয়ে পড়লাম।আর মনে মনে
ভাবতে লাগলাম,কেমন গুন্ডি মেয়ে রে বাবা।জীবনেও
এমন মেয়ে দেখিনী।মনে তো হচ্ছে জীবন পুরাই তেজপাতা করে ছাড়বে।
ফ্লোরে ঘুমই আসছেনা।কখনই ফ্লোরে ঘুমাই নি।কিন্তু
আজকে নিজের অমতে বিয়ে করার কারনেই ফ্লোরে
ঘুমাতে হচ্ছে।এর মধ্যে মশার আন্দোলন। ইসসসসসস,,,,,,সহ্য হচ্ছেনা।চোখ
বন্ধ শুয়ে করে আছি।কখন জানি ঘুমটা লেগে গেছে
বুঝতেই পারিনি।হঠাৎই সজাগ হয়ে দেখি আমার শরীরে
কম্বল আর পাশে ও মশার কয়েল লাগানো।মনটাতে একটু স্বস্তি পেলাম,চোর হলেও মানুষ ভালো।
মনে মায়া-দয়া আছে।
পরের দিন ঘুম থেকে উঠেই দেখি টেবিলে চা রাখা।চা
খেয়ে,ফ্রেশ হয়ে রুমে বসে ফোন টিপছিলাম তখন ই
আদিবা (আমার বৌ)এসে বললো.....
----এইযে সেই কতক্ষন যাবত খাবার নিয়ে সবাই অপেক্ষা করছে আর আপনি ঘরে বসে আছেন কেন?এখনি নিচে চলুন আগে......??বলেই আমার কানের কাছে এসে আস্তে করে
বললো...
-----নাকি খাবার টা রুমে নিয়ে আসবো?
আমি তো হার্ট এ্যাটাক হতে হতে বেচেঁ গেছি।আমি তো
ভাবছিলাম,বউ বুঝি এইবার ও কলার ধরেই আমাকে খাবার টেবিলে নিবে।কিন্তু না,বউয়ের স্বর পাল্টে গেছে,তবে কি বউ আমার প্রেমে পড়ে গেল নাকি??কথাটা ভাবতে ভাবতেই বউয়ের দিকে তাকালাম।হা হয়ে তাকিঁয়ে আছি,বউ তো আমার হেব্বি সুন্দরী।রাতে তো ভাবছিলাম হিটলারনি।এখন দেখি না মায়াময়ী।এইবার যে আমি বউয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম।নিজেই নিজেকে বললাম..----জসিম মনে হয় তুই তোর হিটলারনি বউয়ের প্রেমে পড়ে গেছিস।
হঠাৎ একটা বিকট শব্দে বাস্তবে ফিরলাম।
সামনে তাকিঁয়ে বউ আমার ফ্লোরে পরে চোখ বন্ধ করে
আছে।বুঝতে পারলাম,পাগলীটা খুবই ব্যথা পাইছে।
দৌড়ে গিয়ে টেনে তুলে বসাতে গেলাম আর অমনি
আস্তে করে বলল.....
----কেমন স্বামী গো আপনি??
আমি তো একটু ভ্যাবাচ্যকা খেয়ে গেলাম।
বললাম...
----আমি আবার কি করলাম।
বৌ বলল....
----আমি মাটিতে পরে আছি কই কোলে করে নিয়ে
বিছানায় শোয়াবেন,তা না করে আমার হাত ধরে
টানছেন। সাথে সাথেই আমি কোলে করে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিলাম।আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল....
----ইচ্ছে করে এইভাবে ই ধরে রাখি সারাটা জীবন।কিন্তু
আপনি তো আমাকে পছন্দই করেন না।
কথা শেষ করেই আদিবা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লো।
আমারও বুকের ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেল।আমারো খুব বলতে ইচ্ছা হচ্ছিল *
কপালে একটা চুমো একেঁ দিয়ে বলি ...
----পাগলী আমি যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি
গো।কিন্তু পারলাম না।কোথায় জানি একটা বাধাঁ
পাচ্ছিলাম।এই সুযোগে আদিবা আমাকে ঠেলে
বিছানায় ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালালো।আমি শুধু ওর
চলে যাওয়ার পানে তাকিঁয়ে রইলাম।পরক্ষনেই খেয়াল
হলো,ও তো ব্যথা পাইছে।যার কারনে কোলে করে
উঠাতে হলো।বুঝতে আর বাকি রইলো না,এইবার ও
আমাকে বোকা বানানো হয়েছে।
পাগলিটার সাথে খুনসুটি প্রেম করতে করতেই কেটে গেল ২টা বছর।এখন কেউ কাউকে ছাড়া কিছু ভাবতেই পারিনা।আমার পাগলীটা এখন গর্ভবতী।
তাই খুব যত্ন নেই তার।আজকেই বাচ্চা হবার তারিখ
দিয়েছে ডাক্তার।আমি অফিসে ছিলাম,হঠাৎই বাবার ফোন পেয়ে ছুটে গেলাম হসপিটাল।গিয়েই শুনলাম আমার ঘর আলো করে এসেছে এক ছোট্ট রাজকন্যা।
কিন্তু....আমার পাগলিটার কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিনা কেন??ভয়ে আৎকে উঠলাম।অনেকের মুখেই শুনেছি,বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে মারা গেছে অনেক মা।সে ভয়েই বাচ্চা নিতে চাইনি।কিন্তু ওর নাকি বাচ্চা লাগবেই।
ওর ইচ্ছে পূরন করতে গিয়েই কি তবে......???
আর ভাবতেই পারছিনা।
আর একটা মিনিট ও নষ্ট না করে,দৌড়ে গেলাম কেবিনে।গিয়ে দেখি বাচ্চা টা হাত পা নাড়িয়ে খেলছে।
কিন্তু আদিবা চোখ বন্ধ করে রাখছে।
ওর নিঃশ্বাস আছে কি নাই তা দেখার মতো ধৈর্য আমার
ছিলোনা।তাই আদিবাকে জড়িয়ে চিৎকার দিয়ে
ফেললাম।সাথে সাথেই কানের কাছে একটু ব্যথা অনুভব করলাম।
পরে দেখি আদিবা আমার আস্তে করে কানে কামড়
দিয়ে বলল....
-----কি ভাবছিলা তোমাকে একা রেখে চলে যাবো??
আরে না গো,আমি চলে গেলে,তোমাকে জ্বালাবে
কে??
আমিও বুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলাম।আর
বললাম,বড্ড ভালোবাসি রে পাগলি তোকে।ছাড়বোনা
কখনই।

27/07/2019
08/01/2019

#সচেতনতা_মূলক_পোস্ট
১. ঢাকায় এলে কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে,
টের পাবেন না।
-
২. রিকশাতে বসে কোলের ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।
-
৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান।
পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে কি?
হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা
অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।
-
৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক
যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
করে ফেলা হয়।
-
৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ।
আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।
-
৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।
দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা
ঝামেলায় বাধাতে।
এতে ওদের লাভ, সেটা
কিরকম ?
ধরাযাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে
গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে।
অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা
বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো
মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।
-
৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।
-
৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো
৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন,
দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।
-
৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের
বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও
এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।
-
১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।
দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে য়কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।
-
১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে
দেবে আপনাকে।
-
১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি পুলিশ ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়
আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।
-
১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে
হলেতো আরো আগে না।
-
১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।
বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট
করে বাইকে উঠে হাওয়া।
-
১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ড রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা
উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।
-
১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও
পারবেন না।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক
থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন।
মনে রাখবেন,,,,
আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।
এই বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন।

.

Address

Mirpur, Dhaka
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Partha talukder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share