BSc Dental Association, Bangladesh

BSc Dental Association, Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BSc Dental Association, Bangladesh, 93/1, Ram Krisna Mission Road, Dhaka.

বিএসসি-ডেন্টাল এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব উত্তম কুমারের  সময়োপযোগী আর্টিকেল দৈনিক ভোরের দর্পন পত্রিকার সম্পাদকীয়...
13/06/2022

বিএসসি-ডেন্টাল এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব উত্তম কুমারের সময়োপযোগী আর্টিকেল দৈনিক ভোরের দর্পন পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতায়। (১৪-০৬-২০২২)

বিএসসি-ডেন্টাল এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব উত্তম কুমারের সময়োপযোগী উপসম্পাদকীয়।
08/08/2021

বিএসসি-ডেন্টাল এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব উত্তম কুমারের সময়োপযোগী উপসম্পাদকীয়।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২১”আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি, জীবন বাঁচাতে তামাক ছাড়ি” #বিশ্ব_তামাকমুক্ত_দিবস_২০২১
30/05/2021

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২১
”আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি, জীবন বাঁচাতে তামাক ছাড়ি”
#বিশ্ব_তামাকমুক্ত_দিবস_২০২১





HAPPY WORLD ORAL HEALTH DAYউপলক্ষে সবাইকে  জানাই শুভেচ্ছা ও অভিন্দন।
20/03/2019

HAPPY WORLD ORAL HEALTH DAY
উপলক্ষে সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিন্দন।

world's dentist dayউপলক্ষে  সবাইকে জানায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিন্দন।দাঁতের যত্ননিন সুস্থ থাকুন।সুস্থ দাঁত সুন্দর হাসি।
06/03/2019

world's dentist day
উপলক্ষে সবাইকে জানায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিন্দন।
দাঁতের যত্ননিন সুস্থ থাকুন।
সুস্থ দাঁত সুন্দর হাসি।

20/02/2019
মুখ বলতে বোঝায় ঠোঁট, চোয়াল, তালু, জিহ্বা, দাঁত, মাড়ি, মুখের তলদেশ, টনসিল ও পাশের এলাকা। মুখের ক্যান্সার হওয়ার কারণ ধূমপ...
18/02/2019

মুখ বলতে বোঝায় ঠোঁট, চোয়াল, তালু, জিহ্বা, দাঁত, মাড়ি, মুখের তলদেশ, টনসিল ও পাশের এলাকা। মুখের ক্যান্সার হওয়ার কারণ ধূমপান এবং তামাক, পান, চুন ও জর্দা সেবন। আমাদের দেশে পান, চুন ও জর্দা বা সাদাপাতা সেবন খুব জনপ্রিয়। এগুলোয় নিকোটিন থাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং একটি সুখবোধ অনুভূত হয়। কিন্তু এর সঙ্গে আছে কার্সিনোজেন। এটি ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। এই ধোঁয়াবিহীন তামাকের মধ্যে থাকে ২৪টি কার্সিনোজেন এবং তামাকের ধোঁয়ার মধ্যে থাকে প্রায় ৩৫টি কার্সিনোজেন। তামাকের কার্সিনোজেন হলো এক ধরনের কেমিক্যাল, যা ক্যান্সার সৃষ্টি করে বা করতে চায়।

ধূমপানের কারণে মুখ ছাড়াও ফুসফুস স্বরনালি, গলনালি, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, কিডনি, ব্লাডার ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার হতে পারে। মুখের ক্যান্সারের অন্য কারণগুলো হলো অসমান বা অমসৃণ দাঁত, যা মুখে ক্ষতের সৃষ্টি করে। মুখ নিয়মিত পরিস্কার না করা, ভাইরাসের সংক্রমণ ও সুষম খাদ্য গ্রহণ না করা, মদপান করা ইত্যাদি কারণে ক্যান্সার হতে পারে।

দীর্ঘদিনের স্থায়ী ক্ষত, যা কোনো চিকিৎসায় সারছে না এবং ব্যথা, খাবার চিবাতে ও গিলতে অসুবিধা, জিহ্বার সামনের মুক্ত অংশের মার্জিনে হলে সহজে দেখা যায়, মুখগহ্বরের তলদেশে হলে ব্যথা বেশি হয়, মাড়িতে হলে ব্যথা হতে পারে এবং খাবার চিবাতে সমস্যা হয়, গলায় লিম্পনোড ফুলে গেলে মনে করতে হবে আপনি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছেন। ক্যান্সার যত আগে নির্ণয় করা যাবে, আরোগ্য তত সহজ হবে। নিশ্চিতভাবে ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য বায়োপসি করে প্যাথলজি পরীক্ষা করাতে হয়। মুখের ক্যান্সার নির্ণয়ে খুব সহজেই বায়োপসি করা যায়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে সহজে এটি সম্পন্ন করা যেতে পারে। তাই শুরুতেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন, ভালো থাকুন।

এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এখন আর কোন কাল্পনিক বিষয় নয়-বাস্তব। সামান্য সর্দিকাশিতে মানুষ মারা যাবে যত্রতত্র-সেইদিন আর দূ...
28/01/2019

এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এখন আর কোন কাল্পনিক বিষয় নয়-বাস্তব। সামান্য সর্দিকাশিতে মানুষ মারা যাবে যত্রতত্র-সেইদিন আর দূরে নেই।
বাচ্চাটির বয়স ৪ বছর। ও কি বাচবে?
প্রশ্নটির উত্তর জানা নেই। ওর কি হয়েছে জানেন? ওকে আমরা মেরে ফেলছি, হ্যা আমি আপনি, আমাদের মত মানুষেরাই। আমাদের পাপের ভার পড়েছে ৪ বছরের শিশুটির উপর।
বাচ্চাটি ক্লেবশিয়েলা নিউমোনি নামক একটি গোবেচারা টাইপ জীবানু দ্বারা আক্রান্ত। কিন্তু তার প্রস্রাব পরীক্ষা করে দেখা গেলো জীবানুটি আর গোবেচারা নেই। পরিচিত সব রকম এন্টিবায়োটিক দিয়ে জীবানুটিকে পরীক্ষাগারে মারার চেস্টা করে দেখা গেলো জীবানুটির কিছুই হয়নি তাই রিপোর্টে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিকগুলোর নামের পাশে R অর্থাৎ রেজিস্টেন্ট বসে গেলো। এর মানে কি জানেন? এর মানে হলো এই এন্টিবায়োটিকগুল
ো দিয়ে বাচ্চাটিকে সুস্থ করা যাবেনা যার মাঝে ১০টাকা থেকে শুরু করে হাজার টাকার এন্টিবায়োটিক ও আছে।
আমাদের দোষটা তাহলে কোথায় যানেন? আমরাই এই জীবানুটি তৈরি করেছি। অর্থাৎ বাচ্চাটি হয়তো এর আগে কোনদিনও কোন এন্টিবায়োটিক নেয়নি, সে সরাসরি আক্রান্ত হয়েছে এই মাল্টি ড্রাগ রেজিস্টেন্ট জীবানু দিয়ে। এই জীবানুটি কি করে মাল্টিড্রাগ রেজিস্টেন্ট হলো শুনবেন? এই ক্লেবসিয়েলা জীবানুটি কোন একসময় নিরীহ ছিলো। সে কোন একজনকে আক্রান্ত করেছিলো। সেই বেকুব লোক তখন দোকানে যেয়ে দুইটা এমোক্সিসিলিন খেয়ে দেখলো সুস্থ লাগছে, তাই বন্ধ করে দিলো। এখন দুইটা মাত্র খাবার কারনে অনেক ক্লেবশিয়েলা মারা গেলো কিন্তু কিছু বেচে রইলো যেহেতু সে ডোজ কমপ্লিট করে নাই। এরা নিজেদের জেনেটিক মডিফিকেশন করলো যেন এমোক্সিসিলিন এদের মারতে না পারে যেহেতু এরা জানে এমোক্সিসিলিন দেখতে কেমন। ফলে তারা হয়ে গেলো এমোক্স রেজিস্টেন্ট। এদের বংশধর যেয়ে আরেক বেকুবকে আক্রান্ত করলো সে সেফিক্সিম দুইটা খেয়ে বন্ধ করে দিলো ফলে বেচে যাওয়া ব্যাক্টেরিয়া হয়ে গেলো সেফিক্সিম+এমোক্স রেজিস্টেন্ট। এভাবে তারা অন্যদের আক্রান্ত করতে থাকলো এবং ভুলভাল ডোজের কারনে ক্রমান্বয়ে সব ড্রাগ এর বিরুদ্ধে রেজিস্টেন্ট হয়ে উঠলো। এটাই মূল প্রক্রিয়া।
ফলে দেখা যাচ্ছে এই জীবানু তৈরিতে বাচ্চাটির হয়তো কোন ভূমিকা নেই। দোষ করেছে অন্য কেউ, শাস্তি পাচ্ছে বাচ্চাটি। সেই অন্য কেউ তার বাবা মা হতে পারে, নিকটাত্নীয় হতে পারে বা অপরিচিত কেউ ও হতে পারে, আমি, আপনিও হতে পারি।
এই বাচ্চাটিকে এখন বাচানো কঠিন। যেহেতু সব এন্টিবায়োটিক অকার্যকরি আর একটি শেষ ভরসা এন্টিবায়োটিক আছে যা হয়তো জীবানুটিকে মারতে পারবে কিন্তু কিডনির ক্ষতি করে ফেলবে, এমনকি এই শেষ ভরসা এন্টিবায়োটিকও হয়তো রেজিস্টেন্ট হতে পারে। এসব রোগী সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা আর নিজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জোরে বাচলেও বাচতে পারে কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাচানো কঠিন।
পাপ মোচনের এখনো সময় আছে। হয়তো সব জীবানু রেজিস্টেন্ট হয়ে যায়নি। তাই চিকিতসকের পরামর্শ ছাড়া দোকান থেকে ইচ্ছামত এন্টিবায়োটিক কিনে খাওয়া বন্ধ করুন। আপনার চিকিতসক যে ডোজে যতদিন খেতে বলেছে ততদিন সেই ডোজেই খান, না কমলে আবারো সেই চিকিতসকের কাছে যান। জীবানুমুক্ত থাকার চেস্টা করুন, হাত ধুয়ে খাওয়া, মাস্ক ব্যবহার, হাচি কাশির ভদ্রতা মেনে চলা এগুলো পালন করুন। শুধু নিজে করলেই হবে না অন্যকেও উতসাহিত করুন, আপনি ফার্মেসী ব্যবসায়ী হলে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি বন্ধ করুন, ফার্মেসীতে অন্য কাউকে এভাবে ওষুধ কিনতে দেখলে তাকে বোঝান, ভুয়া ডাক্তারদের চিহ্নিত করে ধরিয়ে দিন, চিকিতসা পরামর্শ ফেসবুকে বা পাড়াপ্রতিবেশী থেকে নেবার প্রবনতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান, কারন-
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবেন আপনি,
নবজাতকের কাছে এ আপনার দৃঢ় অংগীকার।

তোমাদের আত্ম ত্যাগে একটি অবহেলিত জাতি আজস্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে।
17/12/2018

তোমাদের আত্ম ত্যাগে একটি অবহেলিত জাতি আজ
স্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে।

 # # # দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া ও করনীয় :আমাদের মুখের অভ্যন্তরের অসুখগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া। কখনো এ...
26/07/2018

# # # দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া ও করনীয় :
আমাদের মুখের অভ্যন্তরের অসুখগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া। কখনো একটা দাঁতের মাড়ি বা সম্পূর্ণ মাড়িই ফুলে যেতে পারে।
কারনঃ
১) দাঁতের মাড়ি ফোলার অন্যতম কারণ হলো মুখের অভ্যন্তরীণ অবস্থা (ORAL HYGIENE) ভালো না হওয়া।
২) নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করলে দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবারের সাথে ব্যাকটেরিয়া বিক্রিয়া করে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে এবং মাড়ির সমস্যা দেখা দেয়।
৩) ডায়াবেটিস, গর্ভকালীন মাড়ির সমস্যা, লিউকেমিয়া, ভিটামিন সি এর অভাব সহ অন্যান্য হরমোনাল অসুখে মাড়ি ফুলে যেতে পারে।
৪)কিছু ওষুধ যেমন - Phenytoin, Calcium channel blocker ( উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ), Clyclosporin বেশি দিন একনাগাড়ে সেবনের ফলেও মাড়ির সমস্যা হতে পারে।
করনীয়ঃ
মাড়ি ফুলে গেলে খাওয়ার সময় ব্যথা হতে পারে। মাড়ি ফোলার একটি অন্যতম অসুবিধা হলো মুখে দুর্গন্ধ হওয়া। মাড়ি ফোলার চিকিৎসায় এর কারণ খুঁজে বের করে সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।
১) প্রতিদিন দুইবার ব্রাশ করা
২) ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করে দাঁতের ফাঁকের খাবার পরিস্কার করা
৩) মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা। এছাড়া আঙুল দিয়ে মাড়ি মালিশ করলে ফোলা কমতে পারে।
৪)নিয়মিত ডেন্টিষ্টের পরামর্শ নিয়ে স্কেলিং করতে হবে। যদি ফোলা ভাব না কমে তবে সার্জারি করে মাড়ির সঠিক আকৃতি ফিরিয়ে আনতে হবে।
প্রতিকার অপেক্ষা প্রতিরোধ শ্রেয়। তাই সচেতন হয়ে নিয়মিত দাঁত ও মুখের যত্ন নিলে এসব সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়...

Address

93/1, Ram Krisna Mission Road
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BSc Dental Association, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to BSc Dental Association, Bangladesh:

Share