জিলানী ফার্মেসী এন্ড ডেন্টাল কেয়ার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • জিলানী ফার্মেসী এন্ড ডেন্টাল কেয়ার
Directions Website

জিলানী ফার্মেসী এন্ড ডেন্টাল কেয়ার এখানে দাঁত ও মুখের যাবতীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়

06/07/2023
04/07/2023
25/10/2022

১. রুট ক্যানেল চিকিৎসা আসলে কী?

রুট ক্যানেল হলো দাঁতের এমন একটা চিকিৎসা, যেখানে দাঁত না ফেলে কেবল দাঁতের ইনফেকটেড দন্তমজ্জা বের করে দাঁতকে দাঁতের জায়গায় সচল ও কর্মক্ষম রাখা।

২. কখন রুট ক্যানেল করার প্রয়োজন হয়?

প্রাথমিকভাবে দাঁতে সামান্য ক্যারিজ বা ক্ষয় হলে তা চিকিৎসা করিয়ে নিলে রুট ক্যানেল পর্যন্ত যেতে হয় না। যদি অবহেলা করে ক্যারিজ দীর্ঘদিন রেখে দেওয়া হয় তবে তা দাঁতের দন্তমজ্জা বা নার্ভ পর্যন্ত চলে গিয়ে রুট ক্যানেলের পরিস্থিতি তৈরি করে।

৩. সব দাঁতেই কি রুট ক্যানেল করা হয়?

সাধারণভাবে আক্কেল দাঁত ছাড়া অন্য সব দাঁতে রুট ক্যানেল করা হয়ে থাকে। তবে কোনো কারণে যদি মাড়ির প্রথম অথবা দ্বিতীয় দাঁত না থাকে কেবল সেক্ষেত্রেই আক্কেল দাঁতের রুট ক্যানেল করা হয় ব্রিজ নামক চিকিৎসা করার জন্য।

৪. ছোটদের দাঁতেও কি রুট ক্যানেল করা যায়?

ছোটদের দাঁতের রুট ক্যানেলকে বলা হয়, পালপেকটোমি। সহায়ী দাঁত যাতে ঠিকভাবে ও সঠিক জায়গায় আসতে পারে তার জন্য দুধদাঁতকে অনেক সময় পালপেকটোমি করে রেখে দেওয়া হয়।

৫. রুট ক্যানেল-পরবর্তী চিকিৎসা কি?

রুট ক্যানেল করার সময় সাধারণভাবে দাঁতের মাঝে গর্ত করে ইনফেকটেড নার্ভ বা দন্তমজ্জা বের করে আনা হয়। তাতে দাঁতের শক্তি কিছুটা কমে যায়। অনেক ক্ষেত্রে রোগী অর্ধেক বা তারও বেশি দাঁত ভেঙে নিয়ে আসেন। তাই দাঁতটিকে রুট ক্যানেল করার পর শারীরিকভাবে কর্মক্ষম ও সচল রাখার জন্য রুট ক্যানেলের পর ক্রাউন বা ক্যাপ করে নিতে বলা হয়। এতে দাঁত আগের মতো শতভাগ শক্তিশালী না হলেও ৮০ থেকে ৯০ ভাগ শক্তিশালী ও কর্মক্ষম থাকে।

৬. রুট ক্যানেল করা দাঁতের যত্ন কী?
রুট ক্যানেল করা দাঁত স্বাভাবিক দাঁতের তুলনায় একটু বেশি যত্ন নিতে হয়। নিয়মিতভাবে ব্রাশ, ডেন্টাল ফ্লস ও ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁত পরিস্কার রাখা; শক্ত ও মচমচে ধরনের খাবার পরিহার করা; মাড়ি নিয়মিতভাবে ম্যাসাজ করা ও বছরে অন্তত একবার ডেন্টাল চেকআপে যাওয়া।
৭. রুট ক্যানেল পরিহারের উপায়?
একটু সচেতনতাই পারে আমাদের দাঁতের এ ধরনের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে। ছয় মাসে না হোক অন্তত বছরে একবার ডেন্টাল চেকআপে যাওয়া; নিয়মিত সকালে নাশতা খাবার পর ও রাতে শোবার আগে দাঁত ব্রাশ করা; দিনে অন্তত একবার ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা; মিষ্টি ও বেকারি আইটেম, সফট ড্রিংকস খাবার পর ভালোভাবে কুলি করা। সামান্য একটু সচেতনতাই আমাদের দিতে পারে সুন্দর ব্যথামুক্ত হাসিমাখা মুখ

04/04/2022

৩- রা এপ্রিল থেকে রোজা শুরু হয়েছে , আমরা অনেকেই রোজায় দাঁতের চিকিৎসা নিয়ে ভুল ধারনা পোষন করি ।

।। রমজানে দন্ত পরিচর্যা ও দন্ত চিকিৎসা ।।

দাঁত তোলা, স্কেলিং ও অন্যান্য চিকিৎসা.........

মুখ ও দাঁত থেকে রক্ত বের হলে রোজা নষ্ট হয় না । তবে থুথুর সাথে ঐ রক্ত গিলে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয় । অবশ্য ঐ রক্ত থুথুর চেয়ে কম হলে এবং তাতে রক্তের স্বাদ পাওয়া না গেলে রোজা ভঙ্গ হবে না। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, রক্ত বা পূজ ক্ষত স্থান থেকে বের হয়ে এক বিন্দুও গড়িয়ে গেলে ওজু নষ্ট হবে কিন্তু রক্ত/পূজের অবস্থান, ক্ষত বা জখমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে ওজু নষ্ট হবে না। দাঁত তোলা, স্কেলিং বা অন্য চিকিৎসার সময় রক্ত গড়িয়ে গেলে শুধু অজুই নষ্ট হয়, রোজা নষ্ট হয় না । তাই রমজানে দাঁত তোলা, স্কেলিং ও অন্যান্য চিকিতসা সতর্কতার সাথে হাই সাকশান ব্যবহার করে করা যাবে।

দাঁতের যত্নে টুথব্রাশ ও পেস্ট.........

রমজান মাসের দাঁতের যত্নে রাতে খাবার পর এবং সেহরির পর দাঁত ব্রাশ করতে হবে। সেহরির শেষ সময়ের আগে অবশ্যই সবার ভালো টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। সেহরির পর দাঁত ব্রাশ না করলে রমজান মাসে আপনার দাঁতের সার্বিক অবস্থা আরো খারাপ পর্যায়ে যেতে পারে। তবে সবার মনে যে প্রশ্ন দেখা দেয়, সেটা হলো টুথপেস্ট বা টুথব্রাশ ব্যবহার করা যাবে কি না?
এক কথায় উত্তর দিতে হলে রমজান মাসে দিনের বেলায় টুথপেস্ট ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার সময় অসাবধানতায় পেস্ট গলার ভেতরে চলে যেতে পারে। তা ছাড়া টুথপেস্টের স্বাদে রোজা মাকরুহ হয়ে যাবে। মাকরুহ আরবি শব্দ। এক কথায় বলতে গেলে ত্রুটিযুক্ত আমলকেই মাকরুহ বলা হয়। রোজায় কোনো ত্রুটি রাখা ঠিক নয়। টুথপেস্ট ছাড়া অনেকে কয়লা, ছাই দিয়ে দাঁত মেজে থাকেন।দাঁতের যত্নে কয়লা এবং ছাই এমনিতেই ব্যবহার করা ঠিক নয়। রমজান মাসে toothpaste ব্যবহার করা যাবে কি না সেটা নিয়ে অনেকের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। শুধু টুথব্রাশ ব্যবহার করার ওপর কোনো বিধিনিষেধ নেই।

দাঁতের ব্যথানাশক ওষুধ......

রমজান মাসে দিনের বেলায় দাঁত ব্যথার জন্য ইনজেকশন আকারে কোনো ব্যথার ওষুধ অবশ্যই দেয়া যাবে। ব্যথার ইনজেকশন শরীরের গ্রহণ করলে রোজা নষ্ট হবে না। রমজান মাসে দাঁতের চিকিৎসার সময় যদি কেউ গ্লুকোজ, স্যালাইন এবং ভিটামিন জাতীয় ওষুধ শরীরে গ্রহণ করেন তাহলে সাথে সাথে রোজা ভেঙে যাবে। কারণ এ জাতীয় ওষুধ মানবদেহে খাদ্য হিসেবে গৃহীত হয়ে থাকে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, সব ওষুধ ইনজেকশন আকারে নেয়া বৈধ নয়। তবে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ইনজেকশন আকারে প্রদান করলে রোজা নষ্ট হবে না। মুখে বোধ নাশক ইনজেকশন (Local Anaesthesia) দিয়ে অনেক চিকিৎসা করা হয়, যেহেতু এটা পেশেন্ট এর দেহে কোন প্রকার খাদ্য (শক্তির উৎস) হিসেবে ব্যাবহার হচ্ছে না তাই লোকাল এনেস্থিসিয়া দিয়ে ট্রিটমেন্ট করা বৈধ তবে দেয়ার সময় ওষুধ গড়িয়ে হলকুমে না যায় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা জরুরী।

থুথু ও বমি......

আপনা আপনি বেশী বা কম বমি হলে রোজা নষ্ট হয় না। কিন্তু ইচছা করে মুখ ভরে বমি করলে নষ্ট হয়, অল্প করলে নষ্ট হয় না। যদি আপনা আপনিই সামান্য বমি হয় এবং আপনা আপনিই হলকুমের ভিতরে চলে যায়, তাতে রোজা নষ্ট হয় না। অবশ্য ইচছা পুর্বক গিলে ফেললে, কম হলেও রোজা নষ্ট হইবে ।
রোজা ভঙ্গ হওয়া বা না হওয়ার বিস্তারিত কারন জানার জন্য দেখুন- বেহেশ্তী জেওর ২য় খন্ড।।(কপি পোষ্ট)

30/10/2021

চিকিৎসাব্যবস্থায় উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে দাঁত তোলার কারণগুলোও কমে আসছে। কারণ, বিভিন্ন রোগে দ্রুত সময়মতো চিকিৎসা নিলে দাঁত ফেলে দেওয়ার আর দরকার পড়ে না। তারপরও প্রায়ই রোগীর দাঁত ফেলতে হচ্ছে সংরক্ষণের কোনো উপায় না থাকার কারণে।

যেসব কারণে দাঁত ফেলতে হয়:

১. আক্কেল দাঁত: অপেক্ষাকৃত দেরিতে ওঠে বলে মাড়ির সর্বশেষ দাঁতগুলোকে ওয়াইজডম টুথ বা আক্কেল দাঁত বলা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাড়ি শক্ত ও দাঁতটি বাঁকা হয়ে ওঠার কারণে এই দাঁতের জায়গায় প্রদাহ হয়। মাড়িতে বড় গর্ত হয়ে যায়, অনেক সময় পাশের দাঁতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবস্থানগত কারণে বেশির ভাগ সময় এই দাঁতগুলো ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

২. দাঁতের ধারককলা ক্ষতিগ্রস্ত: প্রতিটি দাঁত চোয়ালের হাড় ও মাড়ির মাধ্যমে শক্তভাবে নিজ স্থানে আটকে থাকে। দীর্ঘমেয়াদি মাড়ির রোগ বা দাঁতের সংক্রমণ, দুর্ঘটনা, ডেন্টাল ফ্লসের পরিবর্তে টুথপিক বা ধাতব কাঠির অতিরিক্ত ব্যবহার, ক্যালসিয়ামের অভাব ও হাড় ক্ষয়, অটোইমিউন রোগ বা অন্য কোনো কারণে দাঁতের ভিত দুর্বল হয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় নড়ে গেলে দাঁত ফেলে দিতে হয়।

৩. রুট ক্যানেল চিকিৎসা শেষ না করা: দাঁতের ভেতরের মজ্জা সংক্রমিত হলে রুট ক্যানেল চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। এটি সময়সাপেক্ষ, জটিল ও অপেক্ষাকৃত ব্যয়বহুল। তবে এ চিকিৎসার পর ব্যথা কমে গেলে কেউ কেউ চিকিৎসাটি সম্পূর্ণ করেন না। এতে পরে দাঁতটি এমনভাবে ভাঙতে পারে যে আর তা সংরক্ষণ করার উপায় থাকে না।

৪. অর্থোডন্টিক চিকিৎসা: আঁকাবাঁকা বা এলোমেলো দাঁতের চিকিৎসায় অর্থোডন্টিক চিকিৎসা এখন জনপ্রিয় ও নিরাপদ। এই চিকিৎসায় দাঁত ফেলার প্রয়োজন পড়তে পারে।

৫. অবহেলা: দীর্ঘদিন দাঁতের ব্যথা থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা না নেওয়া অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে দাঁত ক্রমান্বয়ে ভেঙে যেতে পারে এবং বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দাঁত সংরক্ষণ কষ্টসাধ্য।

৬. অন্যান্য: দাঁতের কাছাকাছি টিউমার, ক্যানসার বা চোয়ালের হাড় ভেঙে গেলে অথবা দুর্ঘটনায় বা ক্যারিজ থেকে দাঁতের শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত হলে দাঁত ফেলতে হবে।

দাঁত তোলার আগে যা করণীয়:

চিকিৎসককে অন্য সব যেমন ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট, রক্তরোগ, রক্তস্বল্পতা, লিভার বা কিডনির সমস্যা, অ্যালার্জি, কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিজ্ঞতা, গর্ভাবস্থা, আগে কোনো অস্ত্রোপচার হয়েছিল কি না ইত্যাদি খুলে বলুন। অ্যাসপিরিন, স্টেরয়েড ইত্যাদি ওষুধ সেবন করলে জানান। বিষয়গুলো স্পষ্ট না হলে অ্যানেসথেসিয়া ও দাঁত তোলা থেকে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে অতিরিক্ত রক্তপাত, অচেতন হয়ে পড়া, রক্তচাপের ওঠানামা, অ্যালার্জি, ক্ষত না শুকানো ইত্যাদি অন্যতম। যদি রক্তচাপ বা রক্তের শর্করা অনিয়ন্ত্রিত থাকে, তবে আগে এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। কোনো ওষুধ বন্ধ করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

দাঁত তোলার পর করণীয়:

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধের নাম, মেয়াদ, মাত্রা বা ডোজ, সময়ের ব্যবধান ঠিকমতো জেনে সঠিকভাবে অনুসরণ করুন। সঠিকভাবে ওষুধ সেবন না করলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। এ ছাড়া আরও কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে:

দাঁত তোলার পর গজ বা তুলা এক ঘণ্টা বা নির্দেশমতো কামড় দিয়ে রাখতে হবে।

প্রথম ছয় ঘণ্টা গরম ও শক্ত খাবার গ্রহণ না করাই ভালো। কুলি না করাই উচিত।

২৪ ঘণ্টা পর থেকে উষ্ণ পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলি করা যেতে পারে।

ডায়াবেটিস, রক্তচাপ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

যেকোনো প্রয়োজন বা অস্বাভাবিকতায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হঅবে।।

Address

Dhaka
1310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জিলানী ফার্মেসী এন্ড ডেন্টাল কেয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share