Dr. Naylah's Dental Care

Dr. Naylah's Dental Care Oral and Dental Surgeon

31/03/2023

শিশুর প্রথম দাঁত ও তার যত্ন

শিশুর প্রথম দাঁত উঠা, এটি যেনো বাবা-মায়ের জন্য অন্যতম একটি আনন্দঘন মুহূর্ত। কিন্তু এ আনন্দের সাথে দুশ্চিন্তার ছাপও দেখা যায়-

• কিভাবে দাঁতের যত্ন নিতে হবে?
• কি করলে দাঁতের গঠন ভালো হবে?
• কিভাবে দাঁতের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাবে?
• কিভাবে দাঁতের রক্ষনাবেক্ষন করলে দন্তক্ষয় থেকে রেহাই পাওয়া যাবে?

আর নয় দুশ্চিন্তা, শিশুর দাঁত ওঠার সাথে সাথেই শুরু হয়ে যাবে শিশুর দাঁতের যত্ন নেয়া:

• শিশুদের প্রথম দাঁত সাধারণত ৬-৮ মাস বয়সে উঠে থাকে
• অনেকের ক্ষেত্রে ১০ মাস বয়সেও দাঁত উঠে থাকে
• দাঁত উঠার সাথে সাথে দাঁতের যত্ন করা প্রয়োজন
• খাবার পরে নরম ভেজা কাপড় দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করিয়ে দিতে হবে
• প্রতিদিন দিনে ২ বার ফিঙ্গার টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করিয়ে দিতে হবে
• ১ বৎসর বয়স পর্যন্ত কোনো টুথপেস্ট ব্যবহার করা লাগবে না
• ১ বছর বয়সের পর থেকে সঠিক পরিমান টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে
• দাঁতে কোনো অবাঞ্চিত দাগ অথবা গর্ত দেখা দিলে শিশু দন্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

মুখের ঘা বা অ্যাপথাস আলসার (Apthous Ulcer) এর কারন ও চিকিৎসা..... অনেক সময় মুখের ভিতরে, ঠোটে, জিহবায় বা মাড়ির আশেপাশে ছো...
10/10/2022

মুখের ঘা বা অ্যাপথাস আলসার (Apthous Ulcer) এর কারন ও চিকিৎসা.....

অনেক সময় মুখের ভিতরে, ঠোটে, জিহবায় বা মাড়ির আশেপাশে ছোট ছোট ক্ষত বা ঘা এর মতো দেখা যায়।
এগুলোর কারণে রোগীর ক্ষতস্থানে প্রচন্ড ব্যাথা ও যন্ত্রণা হয় এবং খাবার খেতে অনেক সমস্যা হয়...

আজ এগুলার কারন ও চিকিৎসা সম্পর্কে আপনাদের কিছু কথা বলব.....

মুখের আলসার হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি....তবে কিছু কারণ চিহ্নিত করা যায়, যা মুখের আলসার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে....

বেশি বেশি দুশ্চিন্তা এবং ঠিকমত ঘুম না হওয়া কে এ ধরনের আলসারের প্রধান কারণ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ব্রাশ করার সময় বা অন্য কারনে মুখে আঘাত পেলে,
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে, ভিটামিন এর অভাব হলে বা শরীরে হরমোনের পরিবর্তন হলেও মুখের আলসার হতে পারে।
আবার অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ধূমপান, বংশগত কারণ, নির্দিষ্ট কোনো ওষুধের প্রভাব, রক্তস্বল্পতা, ভিটামিনের অভাবে এ সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসাঃ
বেশির ভাগ মুখের ঘা ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, বেশি বেশি পানি পান করা ও মুখের পরিচর্যায় আলসারের পরিমাণ কমে যাবে। রাতে পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে....

এই রোগ হলে ব্যাথা নিরাময়ের জন্য সাধারণত ব্যথার ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে এবং কিছু ক্ষেত্রে স্টেরয়েড জাতীয় ওয়েনমেন্ট বা পেস্ট ক্ষত স্থানে বিভিন্ন মাত্রায় লাগানো হয়।

অবস্থা বিশেষে চিকিৎসকরা স্টেরয়েড ট্যাবলেট ও ব্যবহার করে থাকেন।।

ডাক্তারের পরামর্শ মত ক্লোরহেক্সিডিন বা টেট্রাসাইক্লিন মাউথওয়াশ ব্যাবহার করা যেতে পারে।

সবথেকে বেশি জরুরি মানষিক চাপ নেওয়া থেকে বিরত থাকা ও পযাপ্ত ঘুম হওয়া....

সমস্যা মনে হলে সাথে সাথেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন, চিকিৎসা করুন, ভালো থাকুন 💗

09/09/2022
09/09/2022

দন্ত এবং দন্ত চিকিৎসা সম্পর্কিত কিছু বিষয়গুলো জেনে রাখুন।

১। আপনার বাচ্চার দুধ দাঁত উঠবে ৬ মাস বয়স থেকে আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত।

২। আপনার বাচ্চার মূল দাঁত উঠবে ছয় বছর বয়সের পর থেকে ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত।

৩। আপনার সন্তানের আক্কেল দাঁত উঠবে সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে।

৪। বাচ্চা দুধ দাঁতগুলো সাধারণত ৬ বছর বয়সের আগে থেকে ক্রমানুসারে পড়তে থাকবে।

৫। বাচ্চাকে অন্তত ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন যা দাঁত ও চোয়ালের গড়নে সহায়তা করে।

৬। বাচ্চাকে ২ বছরের বেশি বয়সে ফিডার দুধ খাওয়াবেন না। ফিডার দুধ দাঁতে ক্ষয়রোগ করে।

৭। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর পর হাল্কা তুলাতে সামান্য পানি ভিজিয়ে দাঁতের পৃৃষ্টে ঘেঁষে দিবেন যা ক্ষয়রোগ থেকে রক্ষা করবে।

৮। বড়দের দাঁতের ক্ষেত্রে যদি দাঁতের মধ্যে কালোদাগ বা ক্ষয় রোগ বা ডেন্টাল ক্যারিজ দেখা যায়, তাহলে ব্যথা উঠবে। আগে ডাক্তারের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ফিলিং করিয়ে নিবেন। মনে রাখবেন যত দেরি করবেন, তত বিপদ অর্থাৎ, দাঁতে ব্যথা শুরু হবে এবং সেৰেত্রে আর ফিলিং-এর মাধ্যমে দাঁতের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে না।

৯। ব্যথাযুক্ত দাঁতের ফিলিং করা যায় না। সেক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করে দাঁতকে ব্যথামুক্ত করতে হয়। মনে রাখবেন, রুট ক্যানেল চিকিৎসা ব্যয়বহুল তাই ব্যথা শুরুর আগেই দাঁত ফিলিং করিয়ে নিন।

১০। দাঁতের মুকুট বা ক্রাউন যদি বেশি ভাঙ্গন হয় অথবা চারদিকের যে কোন একদিকে দাঁতের দেয়াল ভাঙ্গা হয় সেক্ষেত্রে ফিলিং দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ব্যথাযুক্ত দাঁতের ফিলিং দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ব্যথাযুক্ত দাঁতে এ সকল রুট ক্যানেল করে তার উপর কৃত্রিম মুকুুট বা ক্রাউন পরিয়ে দেয়া হয় যা দাঁতকে চিরস্থায়ী রূপ দেয়।

১১। দাঁতের ক্রাউন কয়েক ধরনের হয়। যেমন_

(ক) পোরসেলিক ক্রাউন (সিরামিক মুকুট)

(খ) মেটালিক ক্রাউন (স্টিলের মুকুট)

(গ) মেলিনেটেড মেটাল ক্রাউন (স্টিলের উপর আস্তরিত)

(ঘ) অ্যাক্রালিক জ্যাকেট ক্রাউন (শুধুমাত্র সামনের দাঁতের প্লাস্টিক মুকুট)

(ঙ) পাইরেস ক্রাউন

১২। উপরের ক্রাউন বা মুকুট বা ক্যাপগুলোর মধ্যে পোরসেলিন ক্যাপ বা ক্রাউন সবচেয়ে ভালো, দীর্ঘস্থায়ী ও উন্নত।

১৩। তাই দাঁতের মুকুট বা ক্রাউন বা ক্যাপ ধরতে হলে একটু বেশি দাম দিলে উন্নত ক্যাপ লাগানোই উচিত হবে।

১৪। প্রতি ৬ মাস অনত্দর উন্নত দেশে দাঁত ওয়াশ বা স্কেলিং করে থাকে। রোগীরা আমাদের দেশে আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে প্রতি বছর অন্তত একবার স্কেলিং করানো ভালো।

১৫। আজকাল দাঁতে অনেক উন্নত ধরনের ফিলিং করা যায় দাঁতের কালারের সাথে মিশে যায়।

১৬। আপনার শিশুর দাঁতের যত্ন নিন ও নিয়মিত পরিচর্যা করুন। প্রথম ৬ বছর অন্তত ৩ বার ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন, নতুবা দুধ দাঁতগুলো ঠিক সময়ে না পড়ে অনেক দেরিতে পড়তে পারে এবং সেক্ষেত্রে মূল দাঁত ঠিক সময় ঠিক জায়গায় না উঠে আঁকা-বাঁকাভাবে অন্যত্র উঠবে পারে। ফলে সমসত্দ পাটি দাঁতেও অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে। আবার সময়ের আগেই দুধ দাঁত পড়ে গেলে ও পরে উঠার মূল দাঁত আকা-বাঁকা হতে পারে।

১৭। বাচ্চার আকা-বাঁকা দাঁতগুলো সাধারণ ৮ থেকে ১৩ বছরে মধ্যে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করিয়ে নিতে হবে।

১৮। আকা-বাঁকা দাঁতের এ ধরনের চিকিৎসা অর্থোডেন্টিক অ্যাপস্নায়েন্স ট্রিটমেন্ট বলে।

১৯। তুলনামূলক কম খরচে রিমুভেল অ্যাপস্নায়েন্স দিয়ে যথাসময়ে চিকিৎসা সম্ভব।

২০। সন্তানের বয়স বেশি হলে আর রিমুভেবল অর্থোডেন্টিক অ্যাপস্নায়েন্স পদ্ধতি কার্যকর হয় না। সেৰেত্রে দাঁতের ফিঙ্ড অর্থোডেন্টিক অ্যাপস্নায়েন্স ট্রিটমেন্টটি বা ব্রেইস পদ্ধতির অত্যাধুনিক ব্যয়বহুল চিকিৎসা করতে হয়।

২১। মনে রাখবেন দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় থাকলে যদি ফিলিংয়ে সমাধান না হয়, সেৰেত্রে দাঁতের ক্যাপ করার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে অবশ্যই রুট ক্যানেল চিকিৎসা করে ক্যাপ বা ক্রাউন করে নো ভালো তাঁতে ভবিষ্যতে ব্যথা হবার সম্ভাবনা থাকবে না।

২২। মনে রাখবেন রুট ক্যানেল ছাড়া দাঁতে ক্যাপ করলে ভবিষ্যতে ব্যথা হতে পারে। সেৰেত্রে ঐ ক্যাপ খুলতে নির্দিষ্ট ক্যাপ ওপেনার লাগবে। অধিকাংশ ৰেত্রে ক্যাপ ওপেনার দিয়ে ক্যাপ খোলাও মুষ্কিল হয়। সেৰেত্রে মেশিনের সাহায্যে ক্যাপ কেটে ফেলে আক্রান্ত দাঁতের রুট ক্যানেল করে নিতে হবে।

২৩। মনে রাখবেন, দাঁত স্কেলিং করলে দাঁতের মাড়ি সুস্থ ও সবল থাকে।

২৪। অনেকের ধারণা স্কেলিং করলে দাঁতের গোড়া আলগা হয়ে যায়। আসলে ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল। বরং দাঁতের গোড়ার পাথর তা দাঁতকে মাড়ি থেকে আলগা করতে থাকে এবং দীর্ঘদিন একরকম পাথর জমতে থাকলে মাড়ির প্রদাহ জনিত রোগ হয়।

২৫। আপনার ভাঙ্গা দাঁত বা দাঁতের গোড়া ব্যথা না করলে ও ফেলে দিন নতুবা দীর্ঘদিন এ অবস্থা থাকলে মারাত্মক রোগ যেমন- চোয়ালে সিস্ট, টিউমার এমনকি ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করতে থাকে।

২৬। দাঁত তোলার আগে রোগীর রক্তচাপ ( ব্লাড প্রেসার) হৃদরোগ (হার্ট ডিজিজ) ডায়াবেটিজ, বাতজ্বর ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত হতে হবে। যদি রোগী এগুলোর যে কোন একটাতে আক্রান্ত থাকে তবে সঙ্গে সঙ্গে দাঁত তেলা যাবে না। রোগীকে আগে প্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ড্রাগ খাওয়াতে হবে যাতে হৃদরোগের ঝুকি কম থাকে এবং দাঁতের ক্ষত জলদি শুকায়। এসব ৰেত্রে আগে প্রতিষেধক এন্টিবায়োটিক ছাড়া দাঁত তোলা নিষেধ। কেননা অনেক ৰেত্রে রোগী অজ্ঞান হতে পারে। এমনকি ডেন্টাল চেয়ারে স্ট্রোকও করতে পারে।

২৭। দাঁত তোলার পর অবশ্যই ব্যাথানাশক ঔষধ অতন্ত দুই দিন খেতে হবে।

২৮। দাঁত তোলার পর অতন্ত ঘন্টা ছয়েক গরম শক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। দাঁত তোলার পর ঘণ্টা খানেক পর তুলা ফেলে ঠাণ্ডা ও পাতলা খাবার খেতে হবে।

২৯। বাচ্চাকে চকলেট ও চিপস জাতীয় খাবার খেতে বারণ করা উচিত। এগুলো দাঁতের ক্ষয়রোগ সৃষ্টি করে।

09/09/2022

দাঁতের ক্ষয়রোগের কারণ এবং প্রতিকার:

দাঁতের ক্ষয় নিয়ে অনেকেই ভুক্তভোগী রয়েছেন। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়িয়ে দাঁতকে সুস্থ রাখা যায়।

দাঁতের ক্ষয়রোগের কারণগুলো কি কি?

১) সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ না করার জন্য:
প্রথমত সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ না করার কারণে দাঁত ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। মজার বিষয় হলো দাঁত ব্রাশ করি একে যত্নে রাখার জন্য। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ভুলভাবে ব্রাশ করার কারণে দাঁত ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে।

২) শক্ত ব্রাশ ব্যবহার:
আমাদের মধ্যে অনেকেই শক্ত ধরনের ব্রাশ ব্যবহার করছেন। শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করলে দাঁত ভাল পরিস্কার হবে, এটি ভুল ধারণা। এর কারণে তার দাঁত ক্ষয় হওয়া শুরু করে।

৩) দাঁতের এবরেশনের কারনে:
জোরে জোরে শক্ত ব্রাশ দিয়ে সঠিক উপায় না মেনে দাঁত ব্রাশ করার কারনে এবরেশন হয়। দাঁতের ফাঁকে খাদ্যকণা জমে থাকলে, এটি যদি বের করতে না পারি সে ক্ষেত্রে পরবর্তী কালে এটি ধীরে ধীরে পাথর হয়ে যায়, দাঁতের গোড়া মাড়ি থেকে আলাদা হয়ে যায়।

৪) পান-সুপারি, জর্দা খাওয়ার অভ্যাস:
মানুষ পান-সুপারি, জর্দা ইত্যাদি খায়। অথবা শক্ত কোনো খাবার ইচ্ছামতো চিবিয়ে খায়, এ ক্ষেত্রেও দাঁত ক্ষয় হয়।

৫) বিভিন্ন খাবারের রাসায়নিক জিনিসের কারনে:
বিভিন্ন খাদ্য খাওয়ার ফলে রাসায়নিক জিনিসের কারণে দাতের ক্ষয় হয়। যেমন : বিভিন্ন ফল, জুস , অ্যালকোহল, সোডা, ওয়াইন ইত্যাদি।

৬) অ্যাসিডিটির কারনে:
যাদের অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাদের ইরোশন দেখা দিতে পারে।

৭) ছোটখাটো কিছু বদ অভ্যাসের জন্য:
দাঁত দিয়ে নখ কাটা, সুতো কাটা, বোতলের মুখ খোলা, কলম পেন্সিল কামড়ানো এগুলোর কারনে দাঁতের ক্ষয় হয়। আবার ঘুমের মধ্যেও অনেকের দাঁত কামড়ানোর অভ্যাস থাকে, এর কারনেও দাঁতের ক্ষয় হয়।

♦ দাতের ক্ষয়ের প্রধান কারণ, “ডেন্টাল ক্যারিজ” এর প্রধান কারণগুলো:
যে খাবার খাচ্ছি এতে কার্বোহাইড্রেট বা সুগার থাকে। যদি খাবার আটকে থাকে এবং সময়মত ব্রাশ না করা হয় এখানে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করবে।
আমরা যদি দাঁতের গঠন চিন্তা করি, প্রথম এনামেল, এরপর ডেনটিন। তাহলে এখানে প্রথমে এনামেল ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ডেনটিন ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ক্যারিজ হচ্ছে।

♦ এনামেল ক্ষয় হলে কিভাবে বুঝা যায়?
এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকেরই ছোটবেলাতে দাঁত সাদা ছিল কিন্তু এখন হলুদ হয়ে যাচ্ছে। এটির কারণ অনেক ক্ষেত্রেই এনামেলের ক্ষয়। এনামেলের রং সাদা । ঠিক এনামেলের নিচের যে অংশটুকু রয়েছে এটা হলুদ। এনামেল যখন ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে ডেনটিন বের হচ্ছে। তখনই হলুদ রং বের হয়ে আসছে। রোগী তখন মনে করে হয়তো আমি দাঁত ঠিকমতো ব্রাশ করছি না বলে হলুদ হয়ে যাচ্ছে। তখন রোগী আরো জোরে দাঁত ব্রাশ করা শুরু করে দেয়। তখন আরো ক্ষয় হয়ে যায়। আরো হলুদ হয়ে যায়। যখনই ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যাচ্ছে, এর কারণ এনামেল ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে এবং পরবর্তীকালে অনেক রোগী অভিযোগ করে আমার দাঁত শির শির করছে। যেহেতু ডেনটিনে স্পর্শকাতরতা তৈরি করছে। যেহেতু এটার নিচে পাল্প বা মজ্জা রয়ে গেছে তাই এই সমস্যা হয়।

♦ দাঁতের ক্ষয় কিভাবে বুঝা যাবে?
যে কেউ বলল, আমার দাঁতে খাবার আটকে থাকছে। সে জানতে পারছে না কালো দাগ রয়েছে। অনেক সময় এসে বলে, আমার দাঁত কালো হয়ে যাচ্ছে। অথবা বলল, আমার এখানে খাবার আটকে যাচ্ছে। সে সময় দেখা যায় ওখানে একটা গর্ত রয়ে গেছে। অর্থাৎ ক্যারিজ বা ক্যাভিটি হয়ে গেছে। তখন রোগী অস্বস্থিবোধ করে, শিরশির করে অথবা কখনও ভীষণ রকম দাঁত ব্যথা অনুভব করে।

♦ ডাক্তারের কাছে কখন আসা উচিত?

- দাঁতের কোন খাবার আটকিয়ে অস্বস্তিবোধ করলে
- দাঁতে শিরশির অনুভব করলে।
- দাঁতে ব্যথা অনুভব করলে।
- মাড়ি থেকে রক্ত বের হলে
- মুখে দুর্গন্ধ হলে
উপরের কোনটি দেখা গেলে নিকটস্থ দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
তাছাড়া প্রতি ৬মাসে একবার নিকটস্থ ডাক্তারের কাছে দাঁত চেক আপ করিয়ে নেওয়া উচিত।

♦ দাতের ক্ষয়রোধে চিকিৎসা ও পরামর্শ:

১) চিকিৎসার চাইতে প্রতিরোধে নজর দিতে হবে:

ক) প্রতিরোধের প্রথম কথা হলো সঠিক উপায়ে নরম টুথব্রাশ এবং গুনগতমানের পেস্ট দিয়ে 2 মিনিট দাঁত ব্রাশ করতে হবে। প্রতিদিন রাতের ঘুমানোর আগে এবং সকালের নাস্তা খাবারপর দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

খ) দাঁতের ফাঁকের ময়লা ডেন্টাল ফ্লশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। জিহ্বা পরিষ্কার করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ি মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে।

গ) দাঁত দিয়ে সুতা কাটা , নখ কাটা, বোতলের মুখ দাঁত দিয়ে খোলা, কলম কিংবা পেন্সিল কামড়ানোর মত বদ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে হবে।

ঘ) চিনি জাতীয় খাবার, ফাস্টফুড, চকলেট, কোমল পানীয় বেশি বেশি গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ঙ) ধুমপান, অ্যালকোহল, পান, সুপারি, জর্দা পরিহার করতে হবে।

চ) ঘুমের মধ্যে দাঁত কামড়ানোর অভ্যাস থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ি মাউথগার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।

২) ব্যথা শুরু হওয়ার পর রোগীর চিকিৎসা:

সে ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল চিকিৎসা ছাড়া আর উপায় নেই। মজ্জা বা পাল্পে গিয়ে যখন লেগে যায় সে ক্ষেত্রে আর ফিলিংয়ে কাজ হবে না। পাল্পকে পুরোপুরি বের করে ফেলতে হবে।

৩) নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া:

বছরে দুবার অর্থাৎ ছয় মাস পর পর চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। তাহলে শুরুর দিকে সমস্যা জেনে গেলে সে আর ভুগবেন না। দেখা যায়, কেউ ৩০ বা ৪০ বছর পর হঠাৎ স্কেলিং করতে আসল। দেখা গেল তার দাঁতে ক্যালকুলাস বা পাথর দিয়ে ভর্তি। দাঁত এবং মাড়ির সংযোগ স্থলে ক্যালকুলাস লেগে থাকে। যখন পাথরটি ভেতরে ঢুকে যায় দাঁত থেকে মাড়িটা আলাদা হয়ে যায়। ডাক্তারের কাছে যখন যাবেন তখন পাথর ফেলে দিতে হবে স্বাভাবিকভাবে। তখন হয়তো দাঁত এবং মাড়ি আলাদা হয়ে যায়। আসলে এই যে অনেক বছর পর এলো এই কারণে সমস্যা হয়। আসলে ১৫ বছর বয়সের পর থেকেই চেকআপে আসা উচিত। তাহলে এই ধরনের সমস্যা আর হবে না।

ডা: নায়লাহ্'স ডেন্টাল কেয়ার
মেরুল বাড্ডা ডি আই টি প্রজেক্ট , রোড নং:১১,হাউজ নং:৩০।

09/09/2022
09/09/2022

👉 মুখে দূর্গন্ধ ( Bad Breath / Halitosis ) :

আমাদের মধ্যে কম বেশি সবার-ই মুখে দুর্গন্ধ হয়। কারো কম কারো আবার অনেক বেশি। মুখের দুর্গন্ধের কারনে অনেকে পরিবারে, বন্ধু মহলে অনেক বিব্রতকর অবস্থার শিকার হন। আর তাই এই দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে মানুষ অনেক পদ্ধতি অনুসরন করেন। আসুন আজকে আমরা "মুখে দুর্গন্ধ" এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করি।

👉 কাদের হয়ঃ
মুখে দুর্গন্ধ ছোট - বড়, মেয়ে-ছেলে সবার-ই হতে পারে।

👉 কেন মুখে দুর্গন্ধ হয়ঃ
▶️ এটা সাধারণত সকালে ঘুম থেকে উঠার পর, তামাক জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার, ধুমপান, কিছু খাবার ( যেমন- পিয়াজু, রসুন চপ, মুলা ইত্যাদি) ও কিছু ধরনের ঔষধ খেলে হয় যা কিছু সময় পরে আর থাকে না।

▶️ জীবানু জনিত কারণঃ
৯০% মানুষের মুখে দুর্গন্ধ হয় সাধারণত মুখের ভিতরের রোগ দিয়ে। বাকি ১০% হয় মুখ গহবর ছাড়া শরীরের অন্যান্য জায়গায় ( যেমন- পাকস্থলী, ফুসফুস/ Lung, কিডনি, যকৃত / লিভার ইত্যাদি) রোগ হলে।

👉 মুখের ভিতরের যেসব কারনে মুখে দুর্গন্ধ হয়ঃ
* মুখের ভিতর ময়লা থাকলে ( গ্রামে বলে থাকে দাতে "ফুসি পড়া")
* দাতের মাড়ি ফুলে গেলে বা মাড়ি থেকে রক্ত ঝড়লে। ( গ্রামের লোকেরা এটাকে পাইরিয়া বলে)
* দাতে গর্ত হলে।
* দাতের মাড়িতে ইনফেকশন হলে।
* আক্কেল দাত উঠার সময়।
* মুখে ঘা হলে।
* দাত তোলার পর ওই ক্ষত জায়গায় ইনফেকশন ( Dry socket) হলে।
* মুখের ভিতর টিউমার, সিস্ট বা ক্যান্সার হলে।
* মুখ বেশি শুকনা থাকলে।
* মুখ ভাল করে না পরিষ্কার করলে।

👉 মুখের ভিতর ছাড়া যেসব কারনে এই দুর্গন্ধ হয়ঃ
* পাকস্থলীতে ঘা / আলসার হলে।
* শ্বাস নালী বা ফুসফুসে ইনফেকশন বা ক্যান্সার হলে।
* টন্সিলে ইনফেকশন হলে
* ডায়বেটিস হলে
* যকৃত, কিডনি তে ক্যান্সার হলে।

👉 প্রতিকারঃ
* দিনে দুই বার ভাল নরম ব্রাস ও পেস্ট দিয়ে দাত মাজতে হবে সাথে দিনে অন্তত একবার ডেন্টাল ফ্লোস দিয়ে দাতের ফাকা জায়গা পরিষ্কার করতে হবে।
* দাতের সাথে সাথে জিহবা পরিষ্কার করতে হবে।
* যেসব খাবার মুখে দুর্গন্ধ করে সেসব খাবার পরিহার করতে হবে।
* প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর ডেন্টাল সার্জন / ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নিন দিয়ে মুখ ও মুখের ভিতর পরিষ্কার করাবেন।
* চিনি জাতীয় খাবার কম খাবেন।
* ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
* প্রচুর পরিমানে পানি পান করবেন ও সবুজ শাক খাবেন।
* মুখের ভিতরে কোন রোগ থাকলে তা ডেন্টাল সার্জন / ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নিন

👉 মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য মাউথওয়াশের ব্যবহারঃ
অনেকে মনে করেন, মুখে দুর্গন্ধ হলে মাউথওয়াশ ব্যবহার করলে প্রতিকার পাওয়া যাবে। এর জন্য কিছু কিছু মানুষ মাসের পর মাস মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন। যা কখনোই বুদ্ধিমানের কাজ না। এতে আপনার উপকারের থেকে অপকারই বেশি হবে। যেমন মুখের ভিতরের আবরণ পাতলা হওয়া বা ছুলে যাওয়া ( কারন এটা করোসিভ) , স্বাদ কমে যাওয়া ( মুখের Taste bud নষ্ট করে), মুখের ভিতরের উপকারী জীবানুদের মেরে ফেলে ইত্যাদি। বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাউথওয়াশ পাওয়া যায়। মাউথওয়াশ কি আপনার জন্য দরকারী বা দরকারী হলে কোন মাউথওয়াশ কত দিন ব্যবহার করবেন তার জন্য ডেন্টাল সার্জন / ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নিন।

09/09/2022

স্কেলিং করলে কি দাঁতের ক্ষতি হয়?

দাঁতের প্লাক বা ক্যালকুলাস বা পাথর দূর করার জন্য স্কেলিং করা হয়। অন্য কথায় বলতে গেলে দাঁত পরিষ্কার করতে স্কেলিং করার প্রয়োজন পড়ে।

অনেকে ভাবেন, স্কেলিং করলে দাঁত আলগা হয়ে যায় বা দাঁতের ক্ষতি হয়। স্কেলিং করলে আসলেই কি দাঁতের ক্ষতি হয়?স্কেলিং করার পর কি দাঁত আলগা হয়ে যায়?

উত্তর : আসলে বেশির ভাগ রোগীই আসে দাঁতে প্রচুর পরিমাণ পাথর জমার পড়ে। যখন তার কোনো সমস্যা হয়, তখন আসে। দেখা যায়, প্রাথমিক অবস্থায় কেউ আসে না। স্কেলিং করার পর সেই পাথরগুলো আমরা পরিষ্কার করে দেই। দাঁতের সঙ্গে মাড়ির যে সংযোগ সেখানে পাথর জমে। তখন দেখা যায়, রোগীও বুঝতে পারে। স্কেলিং করার পর দেখা যায়, মুখ ফ্রেশ হয়ে যায়। তখন রোগীদের কাছে মনে হয়, আগে ভারী ভারী লাগত, এখন হালকা লাগছে দাঁতগুলো। এজন্য সে হয়তো ভাবে এটি তো আর আগের অবস্থানে নেই। হয়তো বা কয়দিন পরে দাঁত নড়ে যাবে। দেখা যায়, মাড়িটা আগের অবস্থানে চলে আসবে। তবে এগুলো সঠিক নয়।

আরেকটি বিষয় বলি, মুখকে তো দেহের প্রবেশ পথ বলা হয়ে থাকে, প্রথমদিকে আমরা বিষয়গুলো খুব গুরুত্ব দেই না। আমাদের যদি মুখের স্বাস্থ্য ভালো না থাকে, ব্যাকটেরিয়া যখন আক্রমণ করে, তখন হার্টের সমস্যা তৈরি করে। ব্যাকটেরিয়া হার্টের মধ্যে চলে গেলে হার্টের লাইনিংয়ে প্রদাহ দেখা দেবে। তখনই একটি সমস্যা হয়। হার্ট ব্লকের ক্ষেত্রেও দেখা যায় যে মুখের ব্যাকটেরিয়া একটি ভূমিকা পালন করে।

09/09/2022

✪✪✪ Nursing Bottle Caries - ছোট শিশুদের দন্তক্ষয়। অনেক বাচ্চারই দেখা যায় তাদের উপরের চোয়ালের সামনের দিকের চারটি দাত ক্ষয় হয়ে কালো হয়ে গেছে,কোন কোন ক্ষেত্রে তা ভেঙ্গে গেছে।এই অবস্থার জন্য দায়ী বিশেষ এক ধরনের দন্তক্ষয়,নাম Nursing Bottle Caries. ★★★কখন হয়? সাধারণত জন্মের পর এক বছরের মধ্যেই বাচ্চার সামনের দিকের দাত উঠে।ঐ বয়স থেকেই এটা হতে পারে।সাধারনত ২-৫ বছরের বাচ্চাদের এটা দেখা যায়। ★★★কাদের হয়? যে সকল বাচ্চা বটল ফিড করে বা ফিডারে খায় এবং রাতে ঘুমের মধ্যে যে সকল বাচ্চার ফিডারে খাওয়ার অভ্যাস আছে,তাদের এটা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।অনেক সময় যে সব বাচ্চা ঘুমের মধ্যে বুকের দুধ খায়,তাদেরও এটা হতে পারে (বুকের দুধের বিষয়ে বিতর্ক আছে)। ★★★কেন হয়? রাতে ঘুমের মধ্যে ফিডারে খেলে দুধের একটা আস্তরন সামনের উপরের চারটা দাতের বাইরের দিকে পড়ে।দীর্ঘসময় এটা থাকলে স্ট্রেপটোকক্কাস নামক ব্যাক্টেরিয়া গ্রুপ এটা ভেঙে এসিড তৈরি করে যা দন্তক্ষয় করে।এছাড়া অনেক সময় ফিডারে দুধের সাথে চিনি, সিরাপ ইত্যাদি মিশিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ান,অনেকে বাচ্চাদের মুখের চুষনিতে (Pacifier) মিষ্টি জাতীয় কিছু লাগিয়ে দেন যা এই ধরণের দন্তক্ষয় কে আরো ত্বরান্বিত করে। ★★★★লক্ষণঃ ✔বাচ্চার বয়স ১.৫-৬ বছর। ✔উপরের চোয়ালের সামনের চারটা দাত আক্রান্ত হয়। ✔বাচ্চার রাতে ঘুমের মধ্যে খাওয়ার(ফিডার বা বুকের দুধ) অভ্যাস থাকে। ✔এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে উপরের চোয়ালের সামনের দাতের বাইরের দিকে বাদামী বা কালো দাগ দেখা যায়। ✔বাচ্চা যদি কাত হয়ে ঘুমানোয় অভ্যস্ত হয়,তবে যে দিকে কাত হয়ে ঘুমায় সেদিকের পিছনের দাতগুলোতেও এই বিশেষ দন্তক্ষয়ের শুরু হয়। ★★★প্রতিকারঃ এই অবস্থায় ক্ষয়ের পরিমাণ কম হলে ফিলিং করলেই হয়।যদি ক্ষয় অনেক গভীর হয় তবে পালপেকটমি (বাচ্চাদের বিশেষ রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট) অথবা এক্সট্রাকশন (দাত ফেলা) করা যেতে পারে।আর যদি ক্ষয় হতে হতে দাতটি ভেঙে যায় সেক্ষেত্রে এক্সট্রাকশন হল একমাত্র চিকিতসা।তাই লক্ষণ দেখার সাথে সাথে ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হোন। ★★★প্রতিরোধঃ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।তাই কিছু বিষয়ে একটু খেয়াল করে মেনে চললে এই সমস্যা হতে সহজেই নিষ্কৃতি পাওয়া যায়। ✔বাচ্চার মুখে প্রথম দাত আসার সাথে সাথেই নিয়মিত সকালে ও রাতে ব্রাশ করানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।প্রথম দিকে টুথপেস্ট ছাড়াই শুধু ব্রাশ ব্যবহার করুন। ✔ফিডারে খাওয়ানো যথাসম্ভব পরিহার করুন।চামচ দিয়ে খাওয়াতে পারেন। ✔রাতে ঘুমের মধ্যে খাওয়ানো পরিহার করুন। ✔বাচ্চার খাবারে বা চুষনিতে চিনি,সিরাপ বা মধু মিশিয়ে দেয়া হতে বিরত থাকুন। ✔প্রতিবার ফিডারে খাওয়ানোর পরে বাচ্চাকে পানি খেতে দিন,যাতে দাতের উপর থেকে দুধের আস্তরন ধুয়ে যেতে পারে। ✔রাতে খাওয়ানোর পর পানি খাওয়ানোর সাথে সাথে পরিষ্কার ভেজা নরম কাপড় দিয়ে দাত এবং মাড়ি ভালকরে মুছে দিন। ✔পরিষ্কার আঙ্গুল দিয়ে মাঝে মাঝে বাচ্চার মাড়ি আলতো ম্যাসেজ করে দিন। ✔প্রতি ছয়মাসে অন্তত একবার ডেন্টিস্ট এর কাছে আপনার বাচ্চার মুখ ও দাতের নিয়মিত চেক আপের জন্য নিয়ে যান।

Address

Merul Badda D. I. T Project, Road No/11, House No/30
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Naylah's Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Naylah's Dental Care:

Share