Dr. Mohammad Saiful Alam Talukder

Dr. Mohammad Saiful Alam Talukder I am a Cosmetic Dentist and implant Dental Surgeon by Profession. A Cupping therapy, Ruqyah, lifestyle and diet expert by occupation. And a Dayee by passion.

If you need appointments: +88 01827 901 901 Make appointments for all kinds of dental treatment and hijama cupping therapy.
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ডেন্টাল ট্রিটমেন্টের এ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে আপনার কাছের বা পছন্দের ব্রাঞ্চে ফোন করুনঃ
�Sat, Mon, Wed
�+88.0187.3368478 (Dhanmondi, Dhaka)

�Sun, Tue, Thu
�+88.0197.3368478 (Banani, Dhaka)

�Once in a Month.
�+88.0188.9992900 (Kuakata Branch)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬

ইবলিস আমাদের পর্যন্ত গুনাহগুলো পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে যে দ্বিতীয় রাস্তা ব্যবহার করে তার নাম হল শাহওয়াত। শাহওয়াত মানে কামনা,...
01/06/2026

ইবলিস আমাদের পর্যন্ত গুনাহগুলো পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে যে দ্বিতীয় রাস্তা ব্যবহার করে তার নাম হল শাহওয়াত।

শাহওয়াত মানে কামনা, বাসনা এবং যৌনতার প্রতি লালসা। ইবলিস আমাদের দেহের মাঝে এই কামনাগুলো তৈরি করে। সুতরাং ইবলিস শুবুহাত এবং শাহওয়াত এ দুটি রাস্তার মাধ্যমেই সকল গুনাহ সাপ্লাই করে আর আমাদের নফস সেগুলো রিসিভ করে।

নফস গুনাহগুলো রিসিভ করে কীভাবে?
প্রশ্ন হল, রিসিভ করে কীভাবে? আসলে সে তো গডফাদার; তাই সে নিজে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। আর রিসিভ করার কাজে লাগায় আমাদের দেহের কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে।

যেগুলোকে সে রিসিভ করার কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করে। শুবুহাত কিংবা শাহওয়াত— যে পথেই গুনাহ আসুক না কেন, ইবলিস গুনাহ যে পথেই সরবরাহ করুক না কেন; ওই অঙ্গগুলো তা গ্রহণ করে এবং এর মাধ্যমেই নফসের গ্রহণ করা হয়ে যায়। অর্থাৎ নফস কেমন যেন ওই অঙ্গগুলোকে বলে, তুমি গুনাহটা ধারণ কর এতেই আমি পেয়ে যাব। কেননা তোমার রিসিভ করা মানে আমার রিসিভ করা। তোমার ধারণ করা মানে আমার ধারণ করা। তোমার গ্রহণ করা মানে আমার গ্রহণ করা।

গুনাহ রিসিভ করার চার কাউন্টার
মুহতারাম হাজিরীন! সুতরাং এ পর্যায়ে আমাদের জানা প্রয়োজন ইবলিসের সরবরাহকৃত গুনাহগুলো রিসিভ করার জন্য আমাদের কোন কোন অঙ্গকে নফস কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করে?

এ রকম অঙ্গ প্রধানত চারটি। ১. চোখ ২. জবান ৩. কান ৪. মস্তিষ্ক।
সুতরাং যদি আমরা এই চারটি অঙ্গের হেফাজত করতে পারি তাহলে ব্যভিচার ও গীবত কিংবা হারাম খাদ্য গ্রহণ করা থেকে শুরু করে কুফরি পর্যন্ত কোনো গুনাহই আমাদের দ্বারা ইবলিস কিংবা নফস করাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।

এ কারণেই আল্লাহ তাআলা বলেন
وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِۦ عِلْمٌ إِنَّ ٱلسَّمْعَ وَٱلْبَصَرَ وَٱلْفُؤَادَ كُلُّ أُوْلَٰٓئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْـُٔولًا

যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, অযথা তার পিছনে পড়ো না। কেননা কেয়ামতের দিন কান, চোখ ও অন্তর; এ সব কয়টির ব্যবহার সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞাসা করা হবে। [সূরা ইসরা : ৩৬]

✍️উমায়ের কোব্বাদি হাফি

175-ENA11: ক্যালসিয়ামের প্যারাডক্স: আপনার কেন ভিটামিন​ক্যালসিয়াম আপনার হাড়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও,...
01/06/2026

175-ENA11: ক্যালসিয়ামের প্যারাডক্স: আপনার কেন ভিটামিন

​ক্যালসিয়াম আপনার হাড়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও, কেন এর একটা বড় অংশ ধমনীতে (arteries) জমে গিয়ে ধমনীকে শক্ত করে ফেলে?

​কারণ, ক্যালসিয়ামকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য একজন গাইড বা নির্দেশক প্রয়োজন। আর সেই কাজটি করে ভিটামিন K2। ভিটামিন K2 এমন কিছু প্রোটিনকে সক্রিয় করে, যা ক্যালসিয়ামকে সরাসরি হাড়ের ভেতরে পৌঁছে দেয় এবং ধমনীর প্রাচীর থেকে দূরে রাখে।

​K1 বনাম K2: গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য

​ভিটামিন K1 (উদ্ভিদ-ভিত্তিক): মানুষের শরীর এই রূপটিকে রূপান্তর এবং ব্যবহার করতে বেশ সংগ্রাম করে।
​ভিটামিন K2 (প্রাণী-ভিত্তিক): এটি হলো সক্রিয় এবং bioavailable রূপ, যা ধমনীর প্রকৃতপক্ষে প্রয়োজন।

​এটি কোথায় পাওয়া যায়

​ভিটামিন K2 প্রাণীজ চর্বিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়:

১। ​ডিমের কুসুম: পুষ্টিসমৃদ্ধ ঠিক এই অংশটিকেই ফেলে দেন মোটা হবার ভয়ে।
২। ​ঘাস খাওয়া গরুর দুধের মাখন: গাঢ় হলুদ রঙের মাখন খুঁজুন; এটিই আসল প্রয়োজনীয়।
৩। ​শক্ত পনির (Hard cheeses): গৌডা (Gouda) এবং এডাম (Edam)-এর মতো পনির।
৪। ​মাংসের চর্বি: অনেকে মাংসের চর্বিকে ফেলে দেন, খান না। অথচ, এই চর্বি কত প্রয়োজনীয়।

​প্রমাণ: The Rotterdam Study
​গবেষকরা প্রায় ৫,০০০ মানুষকে পর্যবেক্ষণ করে একটি স্পষ্ট বৈসাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন-

​সর্বোচ্চ K2 গ্রহনে হৃদরোগের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এবং মহাধমনী (aorta) শক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা অনেক কমে যায়৷ অন্যদিকে ​সর্বোচ্চ K1 গ্রহনের ফলে কার্ডিওভাসকুলার বা হৃদযন্ত্রের ওপর এর কোনো প্রভাবই গবেষকেরা খুঁজে পাননি।

​পরিহাসের বিষয়

​খেয়াল করে দেখুন এই জীবন রক্ষাকারী পুষ্টি উপাদানটি কোথায় থাকে: ডিমের কুসুম, মাখন এবং মাংসের চর্বিতে। ঠিক যে তিনটি জিনিসকে আমাদের সর্বদা ভয় পেতে বলা হয়েছে। অথচ এগুলোই আমাদের হার্ট এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে চলেছে।

30/05/2026

দাঁতের ফাঁকে গোশত আটকে গেলে করণীয় কি?

আলোচনায়:
Dr. Mohammad Saiful Alam Talukder
CEO, Consultant, Hijama Therapy and Lifestyle Expert at Hijama Planet

28/05/2026

গরুর গোশত কি আসলেই প্রেশার বাড়ায়?

আলোচনায়:
Dr. Mohammad Saiful Alam Talukder
CEO, Consultant, Hijama Therapy, Diet and Lifestyle Expert at Hijama Planet

26/05/2026

১৪০০+ বছর আগেই উমার (রা) জানতেন আমরা কেমন?
উনি এত বছর আগেই এগুলো চিন্তা করতে পেরেছিলেন! Just Wow!

রামিসার ঘটনা,
ইসলামি ব্যাংকে লম্পট দুর্নীতিবাজ লীগারকে চেয়ারম্যান বানানো
সারা দেশে হামলার পর আক্রান্তকে গ্রেফতার মামলা বাণিজ্যের হিরিক
এগুলোর সাথে উমার (রা) এর এই ঘটনা আসলেই খুবই Relatable

সিন্ধু অভিযানের পর সুহাইল বিন আদি (রা.) আমীরুল মুমিনীন উমার (রা.)-এর কাছে একটা রিপোর্ট পাঠালেন।
সেই চিঠি বেশি বড় না। যুদ্ধে যেমন ক্রিপ্টিক মেসেজ পাঠানো হয়, অনেক কথা অল্প বাক্যে বলে দেওয়া হয়, ওরকম।

হিন্দুস্তানের প্রবেশদ্বারে পদার্পণ করে, সুহাইল বিন আদি (রা.) গ্রাউন্ড রিয়ালিটি দেখলেন। সামনে আগাতে তিনি আগ্রহ পেলেন না। তিনি খলীফার কাছে অবস্থার একটা চিত্র তুলে ধরলেন।
কারণ খলীফা শুধু রাষ্ট্রপ্রধান না।

খলীফা হলেন ইলমী, আলমী, ফিকহি, ফিকরি, সিয়াসি ও রুহানি ইমাম। সেজন্যই তিনি আমীরুল মুমিনীন। তিনি শুধু তরবারির আমীর না, তিনি বাস্তবতারও আমীর। তিনি শুধু আবেগের নেতা না, তিনি হিকমাহর নেতা।

উমার চিঠি পড়লেন। পড়ার পরে পত্রবাহককে ফিরতি নির্দেশ দিলেন।
সারমর্ম ছিল,
“এই জনগোষ্ঠী নিয়ে বসে থাকার মতো সময় আমাদের নাই। উত্তর দিকে যাও।”

কী ছিল সেই চিঠিতে?
উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.), যাকে দেখে শয়তানও পথ বদলায়, কেন তিনি আর সামনে আগাতে নিষেধ করলেন?

কেন তিনি বললেন না, পূর্বদিকে আগাতে থাকো? আগাতে আগাতে গুজরাট থেকে বাঙ্গাল, আরাকান পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করো?

বরং তিনি বললেন, তুর্কদের দিকে যাত্রা করো। যাযাবর, দুর্ধর্ষ, যুদ্ধবাজ তুর্কদের দিকে যাও।
কেন?

চিঠির ভাষা ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু ভয়ংকরভাবে গভীর। জেনারেল সুহাইল বিন আদি রা. শুধু ভূগোলের বর্ণনা দেননি। তিনি একটা সমাজের চরিত্র, তার রাজনৈতিক সংস্কৃতি, তার নিরাপত্তা বাস্তবতা, তার নৈতিক কাঠামো, আর তার শাসনযোগ্যতার প্রশ্ন তুলে ধরেছিলেন।

🔎"আসাদুন ফিহা গাদরুন"
এখানকার সিংহগুলো গাদ্দার, বিশ্বাসঘাতক-মোনাফেক!
মানে এখানকার এলিটগুলো মোনাফেক ও বিশ্বাসঘাতক!
তিনি বুঝিয়েছিলেন, এটা এমন এক ভূমি, যেখানে মানুষ মানুষ হিসেবেই নির্ভরযোগ্য না।

এদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি, নিরাপত্তা-সমঝোতা বা প্রশাসনিক বন্দোবস্ত সহজে টিকবে না। কেন জানি এসব এখনো একই, নির্বাচনের আগে এক কথা ক্ষমতায় আরোহণ করে আরেক কথা.
রক্তই এমন.

🔎 সুহাইল আরো বুঝিয়েছিলেন "ওয়া মারুফুহা মুনকার"

যেখানে সৎকর্ম, নৈতিকতা অথবা ন্যায়বিচারের ধারণাটায় অচেনা বা অবমূল্যায়িত হয়ে যায়, নতুবা এসব মেনে চলাদের বেকুব ঠাওরানো হয়.
এটা এমন এক সমাজ, যেখানে ভালোকে ভালো হিসেবে ধরে রাখার নৈতিক শক্তি দুর্বল।

আমাদের অবস্থা কী এখনো উন্নত হয়েছে?
সমাজের মূল্যবোধ, নৈতিক রেফারেন্স, সম্মান-লজ্জার ধারণা, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য, এগুলোও কি কোনো ভাবে আমাদের মাঝে দেখা যায়?

🔎এরপর সুহাইল বলছেন,
"ওয়া শাররুহা মুস্তাতির"

এমন এক পরিবেশ, যেখানে মন্দ শুধু বিদ্যমান তা না, বরং মন্দ এখানে প্রভাবশালী।যেখানে অকল্যাণ ও অরাজকতা ছড়িয়ে আছে, আর এসবকেই ভাবা হয় যোগ্যতা.
অর্থাৎ এএটা এমন এক সামাজিক ও রাজনৈতিক ময়দান, যেখানে স্থিতি আনার আগে দীর্ঘ সংঘর্ষ, অবিশ্বাস, প্রতারণা, প্রশাসনিক ক্ষয়ক্ষতি এবং নৈতিক ক্লান্তির সম্ভাবনা আছে।

কিন্তু এতসব কিছুর পরে আবার আরেকটা ব্যাপার হলো , এদের প্রচুর চেতনা.
🔎 ওয়া আদুউহু বাতাল (মাতালও বলতে পারে), শত্রুরা বীরত্বের সাথে এই সমাজকে ধরে রাখতে চাচ্ছে, যুদ্ধ করতে করতে প্রাণ দিচ্ছে.

এই চারটা phrase আসলে চারটা ম্যাক্সিম বলা চলে, হিন্দুস্তান ও বাংলা অঞ্চলের জন্য যেগুলো এখনো প্রযোজ্য!
🔎 আসাদুন ফিহা গাদরুন মানে trust deficit.
🔎 ওয়া মারুফুহহা মুনকার মানে moral disorder.
🔎 ওয়া শাররুহা মুসতাতির মানে social instability.
🔎 ওয়া আদুউহা বাতালl মানে hard security threat.

উমার (রা.) এই রিপোর্ট পড়ে বুঝলেন, এখানে শুধু বিজয় করলেই হবে না। বিজয়ের পর শাসন করতে হবে। শাসনের পর ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠান লাগবে। প্রতিষ্ঠান চালাতে মানুষ লাগবে। আর মানুষ চালাতে লাগবে আমানত, সত্য, চুক্তি, তাকওয়া ও ইনসাফ।

যার কোনো কিছুই এই মানব সমাজে নাই, অস্থিত্বহীন!
আজকের দিনেও একই অবস্থ!
চিঠি পড়ে উমার রা. একটু থামলেন, আনমনে হয়তো কিছু একটা ভাবলেন.
কী ভেবেছিলেন উমার?

উনি কি ভেবেছিলেন, ইসলামি রাষ্ট্র- শরিয়াহ মানে তো শুধু আইন প্রয়োগ না। শরিয়াহ মানে এমন এক সমাজ তৈরি করা, যেখানে আইন ন্যায় উৎপাদন করে, প্রতিশোধ না।
সেখানে আগে প্রশ্ন করতে হয়,

এই সমাজে সাক্ষ্য কে দেবে?
বিচারক কে হবে?
প্রমাণ কে রক্ষা করবে?
ক্ষমতাবানকে কে আটকাবে?
দুর্বলকে কে সুরক্ষা দেবে?
চুক্তি ভাঙলে কে লজ্জা পাবে?
মিথ্যা বললে কে কাঁপবে?

হয়তো এসব ভাবনা থেকেই উমার রা. বলেছিলেন,
"এদের নিয়ে ভাবার সময় আমাদের নাই, উত্তর দিকে অগ্রসর হও হে সুহাইল!"
উমার (রা.) সিন্ধুর দরজায় দাঁড়িয়ে শুধু একটা সামরিক সিদ্ধান্ত নেননি।

তিনি আমাদের জন্য একটা বার্তা রেখে গেছেন।
ভালো হও- তাহলেই ভালো কিছু পাবে!

Collected

আমাদের যুবকদের চরিত্র সংরক্ষণ নিয়ে যখন আলোচনার প্রসঙ্গ আসে, তখন কয়েকটা পরিচিত ব্যপারেই সবাই কথা বলে - রিলেশনশীপ, সমকামীত...
25/05/2026

আমাদের যুবকদের চরিত্র সংরক্ষণ নিয়ে যখন আলোচনার প্রসঙ্গ আসে, তখন কয়েকটা পরিচিত ব্যপারেই সবাই কথা বলে - রিলেশনশীপ, সমকামীতা। কিন্তু একটা ভয়ঙ্কর ব্যাপার নিয়ে তেমন আলোচনা হয় না। সেটা হলো পতিতালয়ে যাওয়া।

জাস্ট ভাবতে পারবেন না, কী পরিমাণ স্কুল-কলেজে যাওয়া ছেলেরা এতে জড়িয়ে যাচ্ছে। এ্যাকচুয়াল পতিতার সাথে কথা না বললে এর ভয়াবহতার মাত্রার ব্যাপারে কোনো আইডিয়াই পাবেন না।

আমার একবার এক সর্দার(নীর) ইন্টারভিউ নেবার সুযোগ হয়েছিলো। তার কাছ থেকেই শোনা ব্যাপারটা।

ভার্সিটিতে আসার আগের ঘটনা এটা। কোচিংয়ে সকাল-বিকেল ক্লাস পড়ে গেছে, তার উপর রমজান মাস। তাই বাসায় না গিয়ে একবারে কোচিং শেষেই যাই। মাঝে সারাদিন শহর ঘুরে কাটে। একদিন বৃষ্টির কারণে আশ্রয় নিতে হলো এক পুরোনো বিল্ডিংয়ের বারান্দায়। বারান্দা বেশ ছোট, মানে ভীড়ের তুলনায়। এরমধ্যে এক ছেলে কথা বলা শুরু করলো আমার সাথে। হরেক রকম টপিক, সামনে আম বিক্রি হচ্ছে, বৃষ্টি এইসব। কিন্তু খেয়াল করলাম, ভয়েসটা কেমন মেয়েলী, অনেকটা হিজড়াদের মত। তারপর আমার জীবনের সবচেয়ে বিচিত্র অভিজ্ঞতাটা হলো।

ছেলেটা যা বললো তা এরকম, সে জন্মেছিল হিজড়া হয়ে। পরিবার নেয়নি, বাধ্য হয়ে শহরে চলে আসে। আশ্রয় হয় পতিতাপল্লীতে। কিন্তু হিজড়া হওয়ায় তেমন কোনো সার্ভিস দিতে পারত না। তারপর তার যখন ১৫ বছরের মত বয়স, কেউ একজন স্পন্সর করে ভারতে পাঠায়। তিন লাখ টাকা দিয়ে ট্রান্স সার্জারি করে হয়ে যায় মেয়ে। মেয়ে বলতে কেবল জননাঙ্গই নারীর মত, দেহের বাকি অংশ পুরুষ - সামান্য দাড়িও আছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বহু হিজড়া এখন ভারত থেকে এই সার্জারি করে আসছে, ইভেন খুলনাতেও হয়। জীবিকার জন্য হিজড়ারা বহু কিছু করে, এটাও ওরকম। অনেক হিজড়া আবার যৌনতার স্বাদ নেবার জন্যও এই সার্জারিতে ঝুকছে। তবে সবার চেয়ে বড় ব্যাপার, এই ধরণের রুপান্তরিত পতিতাদের একটা ধরণের কাস্টমার শ্রেণী আছে, অনেকটা ফেটিশ টাইপের বলতে পারেন। এরাই নিয়মিত হয়ে ব্যাপারটা টিকিয়ে রেখেছে।

এবার মূল প্রসঙ্গে আসি। একটা সময় পর্যন্ত আমার ধারণা ছিল, পতিতাদের কাছে কেবল মধ্যবয়েসী পুরুষেরাই যায়। সেই ভুল ভেঙ্গে গেলো। ওই সর্দার বলল, আমাদের একটা বড় কাস্টমার শ্রেণী হচ্ছে এই স্কুল-কলেজের ছেলেরা। প্রমাণও করে দেখালো, অলমোস্ট র‍্যান্ডম একটা ইউনিফর্ম পরা ছেলেকে ডাক দিলো। দেখলাম ছেলেটা কুশল জিজ্ঞেস করলো।
সর্দার বলল, ছেলেটা গত সপ্তাহেও এসেছিল।
বললাম, রমজান মাস না?
বললো, তোমার কী মনে হয়, যারা এইসব করে তারা রোজা মানে?

ওর হাতে একটা হিন্দু 'ওম' ট্যাটু দেখালো। বলল, ভারত থেকে যে হিজড়াই সার্জারি করে আসে তাকে এই ট্যাটু করে দেয়।

সেদিন ওইসব শুনে ভয়ে আমার নাড়িভুড়ি পর্যন্ত জমে গিয়েছিল।

সেই সর্দারের বক্তব্য আর পরবর্তিতে কিছু সিনিয়রের কথা থেকে ব্যাপার যেটা বুঝলাম, ছাত্রদের একটা অংশ বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে তো যাচ্ছেই, সাথে আরো একটা ব্যাপার আছে।

ম্যাক্সিমাম কিশোর যারা ব্যাভিচারে জড়াচ্ছে, আমাদের ধারণা তারা সব রিলেশনের মাধ্যমেই জড়াচ্ছে। ব্যাপারটা ভুল। মেয়েরা হাইপারগামাস, ফলে একজনকে বেড পর্যন্ত আনতে যে লুক, স্কিল আর কনফিডেন্স দরকার তা ৯০% ছেলের মধ্যে থাকে না।
কিন্তু প*র্নের এই জলের মত সহজতার যুগে সে তার ক্লাসমেটদেরকে কত আনন্দে দিন কাটাতে দেখছে। আর বিয়ের অপশন অসম্ভব, কারণ তার বড় ভাইকে দেখছে ত্রিশে বিয়ে করতে। একটা বিয়ে কিশোরের কাছে কেবল সেক্সের জন্য হলেও কয়েক হাজার ব্যাপার জড়িত, শ্যালকের ঈদ সালামী পর্যন্ত চিন্তা করা লাগে। তার ভাবীকে দেখছে মায়ের সাথে অশান্তি করতে।

সে কয়েকদিন হলো সে*ক্স ডিসকভার করেছে, সে কেবল ওটাই চায়, সাংসারিক ঝামেলা চায় না। আবার মেয়ে পটানোর মত কিছু তার নেই। কিন্তু সে*ক্স তো লাগবেই। তাই লাস্ট অপশন এইসব পতিতারা, মাত্র কয়েকশ টাকা হলেই হলো।

জেনেছিলাম, এইসব পতিতাপল্লীতে অল্পবয়েসী ছেলেরা গেলে তাদের ব্যাপক খাতির করে।

আর একবার ওই আইস ব্রেক করলেই হলো। ছেলেটা আসক্ত হয়ে যাবে।

'সেভ মাই সউল' ডকুমেন্টারীতে দেখেছিলাম, কোরিয়াতে কয়েক বছর আগ পর্যন্ত বড় ভাইয়েরা ছোট ভাইকে গিফট হিসেবে পতিতা ভাড়া করে দিতো।

এমনও শুনেছি, স্বামী বিদেশে ভিসা জটিলতায় পড়েছে, বউ দেশে সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস চালাচ্ছে। মাসে দশ হাজারের মত টাকা পার পার্সন, অন-ডিমান্ড সার্ভিস। কাস্টমারদের মধ্যে ইন্টার পড়ুয়া ছেলে থেকে লীগের বড় নেতারা পর্যন্ত আছে।

**

এই সমস্যার সমাধান করা অনেক কঠিন। কারণ রিলেশনের বেলায় যেমন কত প্রুফ থাকে, এখানে কিছুই থাকে না। কোনো পিছুটান নেই। ম্যাসেঞ্জার চেক করে অভিভাবক যে দুটো চড়থাপ্পড় দিয়ে ফিরিয়ে আনবে, তারও উপায় নেই।

এক ব্যাপক মাত্রার ধার্মিকতা ছাড়া ফেরানোর পথ থাকে না। যে কিশোর একবার ডিস্কোভার করে ফেলেছে, নারীদেহের বিকল্প কী দিতে পারবেন আপনি?

এ তো আইস্ক্রিম নয় যে বলবেন, বেশী খাসনে - ঠান্ডা লেগে যাবে। বা যারা খারাপ মেয়েছেলের কাছে যায় তাদের এসটিডি হয়। অনার্স পড়ুয়া ছেলের এইডস হবার মত ঘটনাও ঘটেছে।

**

আমাদের বা এইসব ছেলেদের বাপেদের বিন্দুমাত্র আইডিয়া নেই যে এই জেনারেশনের সাথে কী চলছে। তারা ছোটবেলায় ভাতের কষ্ট করেছে, তার ছেলেদের করা লাগছে না, কেবল এইটুকুই তারা কেয়ার করে। তাদের কাছে ছেলেপেলে বড়ই হয়নি।

একটা জিনিস মনে রাখা দরকার, শাস্তি ছাড়া একটা দশফুটের ক্লাসরুমেও ডিসিপ্লিন আসে না। সেখানে পুরো সমাজ? লাস্ট কবে শুনেছেন যে কোনো ব্যাভিচারির শাস্তি হয়েছে? আগে একটা ফ্যামিলির কেউ পালিয়ে বিয়ে করলেও পত্রিকায় নিউজ আসত। এখন ওসব নেই।

শাস্তি নেই, পাপ থেকে বেঁচে থাকলে তার কোনো বাহ্যিক রিওয়ার্ড নেই - তাহলে একটা ছেলে কী লিভারেজের জন্য পবিত্র থাকার কথা ভাববে?

কেউ সমাধান আনে তাকওয়া - খোদাভীতি। আচ্ছা, একটা ১৫ বছরের কিশোরের কাছ থেকে কোন লেভেলের তাকওয়া আশা করেন আপনি?

**

ধর্মীয় দিকেও দায় কী কম? আল্লাহ সব মাফ করে দেয় - এই ফিলোসফি কয়েকশ গুণ বেশী দেখা যাচ্ছে গত কয়েক বছরে। আগেপিছে কিছু নেই, গণহারে বলা হচ্ছে, যা ইচ্ছে করো, আল্লাহ ক্ষমাশীল - তুমি কে জাজ করার?

হলে একটা ছেলে থাকত। কোনোভাবে জেনেছে আমি হ্যাকিং নিয়ে নাড়াচাড়া করি। আর সব নতুন ওয়ানাবি হ্যাকার তো কেবল একটা জিনিসই চেনে - কালি লিনাক্স। পাগল করে দিচ্ছে একরকম। যতই বোঝাই আগে ওপেন সোর্স টুল আর সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শেখ - তার কালি লিনাক্সই চাই। নিরুপায় হয়ে একদিন ইন্সটল দিয়ে দিলাম। সাথে হার্ডডিস্ক ফরমাট দেওয়া লাগলো, বহু বছরের ফাইল কালেকশন হাওয়া। ভেবেছিলাম বিদায় হয়েছে। উলটো আমার ফ্যান হয়ে গেলো। ফাইল গেলে যাক - কালি লিনাক্স তো চলছে। সেই থেকে পরিচয়।

মাঝে ছেলেটা মারাত্বক আপসেট হয়ে গেলো। ক্লাসে যায় না, ইনকোর্স পর্যন্ত বাদ যাচ্ছে। দেখা হলে যা বললো, হুজুরের কাছে শুনেছে বিয়ের সময় পাস্ট গোপন করতে, ইভেন জিজ্ঞেসও নাকি করা যাবে না। একদম ভেঙ্গে পড়েছে।

তার কথা ছিলো, "ভাই তাহলে এই দাঁতে দাঁত চেপে পবিত্র থেকে কী হলো? আমার জন্ম ঢাকাতে, আপার মিডল ক্লাস ফ্যামিলি - কোন সুযোগটা আমার ছিলো না? আপনাদের মত হুজুর সিনিয়রদের কথা শুনেছি, এখন হুজুররাই বলছে ওসব ব্যাপার না। আল্লাহ সব মাফ করে দেয়।"

কী উত্তর দেবো? জাতীয় সমস্যা। আর বোঝাতে যাই না। উত্তর নেই।

**

যারা এখনো পবিত্র রয়েছেন, ভাবছেন এতে কী লাভ হলো? বা আমি তো সুযোগ পাইনি বলে সাধু।

আপনাকে বলি, যে সুযোগের অভাবে সাধু, স্টিল সে সাধু। যে সুযোগের অভাবে খুন করতে পারেনি, হাজার খুনের ইচ্ছের কথা বললেও আমরা কী তাকে খুনী বলতে পারি?

মনে রাখবেন, আপনার যে বন্ধু ব্যাভিচারে জড়িয়ে অপবিত্র হয়েছে, আপনি চাইলে এখনি তার মত হতে পারেন। কিন্তু সে কী হাজারবার চাইলেও এই জীবনে আপনার মত হতে পারবে?

আপনি লাইফে এখনো কিছু করতে না পারেন, এই পবিত্রতাই আপনার সবচে বড় ফ্লেক্স!


©আহমাদ খান

কুরবানীর পশুর চর্বি — নাবীজির যুগে কী করা হতো? •নাবীজির যুগে আরব সমাজে পশুর প্রতিটি অংশকেই কাজে লাগানো হতো। চর্বি ছিল অত...
22/05/2026

কুরবানীর পশুর চর্বি — নাবীজির যুগে কী করা হতো?


নাবীজির যুগে আরব সমাজে পশুর প্রতিটি অংশকেই কাজে লাগানো হতো। চর্বি ছিল অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। এটিকে আরবীতে বলা হতো "শাহম" (شَحْم) — যা বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হতো।

চর্বির ব্যবহার — ছয়টি প্রধান ক্ষেত্র

১. খাবার হিসেবে
হাদীসে বর্ণিত আছে, একজন ইয়াহুদী নাবীজিকে দাওয়াত দিয়েছিলেন এবং পরিবেশন করেছিলেন যবের রুটি ও "ইহালায়ে সানিখা" — অর্থাৎ গলানো পুরনো চর্বি।(১)

চর্বি গলিয়ে তরল করে রান্নার কাজে ব্যবহার করা হতো, যাকে বলা হতো "ইহালা" — এটি ছিল সেই যুগের সবচেয়ে সাধারণ রান্নার তেল।

২. ওষুধ হিসেবে

ইবনুল কাইয়িম রহিমাহুল্লাহ তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ "যাদুল মাআদ"-এ চর্বির ঔষধি গুণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন:

উত্তম চর্বি হলো সেটি যা পূর্ণবয়স্ক সুস্থ পশু থেকে পাওয়া যায়। এটি উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির। এটি ঘি থেকে কম আর্দ্র — তাই গলানো চর্বি ও গলানো ঘি একসাথে রাখলে চর্বি আগে জমে যায়।

রোগ ও চর্বির ব্যবহার:
ত্বকের শুষ্কতা - সরাসরি মালিশ
ক্ষতস্থান - প্রলেপ দেওয়া
জয়েন্টের ব্যথা - গরম চর্বি মালিশ
পোড়া - ঠান্ডা চর্বির প্রলেপ

৩. আলো জ্বালানোর জন্য

প্রাচীনকাল থেকেই পশুর গলানো চর্বি প্রদীপের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। রোমানরা গরু ও ভেড়ার চর্বিকে তেলে পরিণত করে রান্না, প্রদীপ জ্বালানো এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যবহার করত।

নাবীজির যুগের আরবেও কুরবানীর পশুর চর্বি গলিয়ে প্রদীপে ব্যবহার করা হতো — কারণ সেসময় জলপাই তেল সবার কাছে সহজলভ্য ছিল না।

৪. চামড়া ও শরীরে মাখার জন্য

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পশুর চর্বি রান্নার কাজে, মোমবাতি তৈরিতে, ওষুধি প্রলেপ ও পোলটিসে, চামড়া ও পোশাক জলরোধী করতে এবং প্রসাধনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

আরবের মরু পরিবেশে রোদ ও বালিঝড় থেকে ত্বক রক্ষায় পশুর চর্বি ছিল অপরিহার্য।

৫. পশুর চামড়া নরম করতে

কুরবানীর পশুর চামড়া পাকা করতে ও নরম রাখতে চর্বি ব্যবহার করা হতো। চামড়াজাত পণ্য — জুতা, মশক (পানির পাত্র), থলে — সংরক্ষণে এটি ছিল অত্যন্ত কার্যকর।

৬. খাইবারের যুদ্ধে চর্বির বিখ্যাত ঘটনা

সহীহ বুখারীতে আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল রদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন — "খাইবারের যুদ্ধের দিন একটি চর্বিভর্তি থলে নামিয়ে দেওয়া হলো, আমি সেটি আঁকড়ে ধরলাম এবং বললাম: আল্লাহর কসম, এ থেকে কাউকে কিছু দেব না। তখন ফিরে তাকিয়ে দেখলাম রসূলুল্লাহ ﷺ হাসছেন।"(২)

এই হাদিস প্রমাণ করে, যুদ্ধ ও সফরেও চর্বি এত মূল্যবান সম্পদ ছিল যে সাহাবীরা তা আঁকড়ে রাখতেন।

আধুনিক বিজ্ঞান এখন কী বলছে?

একটি স্কোপিং রিভিউ গবেষণায় দেখা গেছে, পশুর চর্বি ত্বকের জন্য উপকারী — এটিতে ভিটামিন E, D, K ও A রয়েছে এবং কনজুগেটেড লিনোলেয়িক এসিড থাকে, যা ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে প্রমাণিত।

পশুর চর্বি প্রাচীনকাল থেকে খাবার এবং আলো জ্বালানোর জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে স্যাচুরেটেড ফ্যাট নিয়ে স্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণে এটি উপেক্ষিত হয়ে পড়েছিল, কিন্তু আজ আবার এটি আলোচনায় ফিরে এসেছে।

আজকের "ট্যালো স্কিনকেয়ার" ও "অ্যান্সেস্ট্রাল হেলথ মুভমেন্ট" মূলত সেই হাজার বছরের পুরনো জ্ঞানকেই নতুনভাবে আবিষ্কার করছে — যা নাবীজির যুগে স্বাভাবিক জীবনের অংশ ছিল।

(১)
أن يهوديا دعا رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إلى خُبْزِ شعيرٍ وإهالةٍ سَنِخَةٍ فأجابه

خلاصة حكم المحدث : إسناده على شرط مسلم
الراوي : أنس بن مالك | المحدث : الضياء المقدسي | المصدر : السنن والأحكام الصفحة أو الرقم : 1/33
التخريج : أخرجه أحمد (13201) واللفظ له، والبخاري (2069)، والنسائي (4610) بلفظه مطولًا.

(২)
أصبت جرابًا من شحم يوم خيبر فالتزمته فقلت: لا أعطي اليوم أحدًا من هذا شيئًا. فالتفت فإذا رسول الله متبسمًا,[وفي زيادة] فقال: هو لك
خلاصة حكم المحدث : [الزيادة] إسنادها صحيح
الراوي : عبدالله بن مغفل | المحدث : الرباعي | المصدر : فتح الغفار | الصفحة أو الرقم : 1812/4
| التخريج : أخرجه مسلم (1772) دون آخره، والطيالسي (959) واللفظ له

কার্টেসি | সলিহ আলগাযী

21/05/2026

আগে ১ মাইল দৌড় শেষ করতেন সহজে…
এখন হাঁপিয়ে যাচ্ছেন মাঝপথেই?

আর্মি, নেভি, এয়ার ফোর্স, পুলিশ — অনেক সদস্যই এখন একটা কমন সমস্যায় ভুগছেন:
⚠️ হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া
⚠️ স্ট্যামিনা কমে যাওয়া
⚠️ মাইল টেস্টে ফেল করা
⚠️ শরীর সবসময় ক্লান্ত লাগা

কিন্তু প্রশ্ন হলো —
এটা কি শুধু অলসতার কারণে?
নাকি এর পেছনে আছে হরমোনাল ইমব্যালেন্স, ফ্যাট মেটাবলিজম সমস্যা, স্ট্রেস, ঘুমের অভাব বা শরীরে জমে থাকা টক্সিন?

আর হিজামা কীভাবে রক্ত সঞ্চালন, অক্সিজেন ফ্লো ও শরীরের পারফরম্যান্স উন্নত করে ফিটনেসে সাহায্য করতে পারে?

আজকের ভিডিওতে থাকছে এটা নিয়ে বিস্তারিত এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য…
ভিডিওটা মিস করলে হয়তো নিজের সমস্যার আসল কারণটাই জানা হবে না।

19/05/2026

হজে যাওয়ার আগে অনেকেই ব্যাগ গুছাচ্ছেন, ইহরামের প্রস্তুতি নিচ্ছেন…
কিন্তু নিজের শরীরকে হজের জন্য প্রস্তুত করছেন তো? 🌙

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিজামা (Cupping Therapy) শরীরের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে, ক্লান্তি কমাতে এবং শরীরকে কিছুটা রিল্যাক্স অনুভব করাতে সাহায্য করতে পারে।
অনেকেই বিশ্বাস করেন, হিজামার ফলে শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের কার্যক্রম বাড়ে, যা রক্তনালী প্রসারণে সহায়তা করে এবং রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে।
আর হজের মতো দীর্ঘ হাঁটা, ভিড়, গরম আবহাওয়া ও শারীরিক পরিশ্রমের সময় শরীরকে ফিট রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তাই যারা হজে যাচ্ছেন বা ইতোমধ্যে চলে গিয়েছেন, তারা অভিজ্ঞ ও নিরাপদ হাতে হিজামা করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।
তবে অবশ্যই মনে রাখবেন —
✔️ অসুস্থতা বা বিশেষ শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন
✔️ অপরিচ্ছন্ন বা অনভিজ্ঞ জায়গা থেকে হিজামা করাবেন না
✔️ হিজামাকে চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং সহায়ক একটি পদ্ধতি হিসেবে দেখুন

হজ শুধু আত্মার সফর না, শরীরেরও বড় একটা পরীক্ষা।
তাই ইবাদতের আগে শরীরের যত্নও জরুরি। 🤍

📌 হিজামা নিয়ে বিস্তারিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এই ভিডিওতে…
শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া প্রিয় মানুষদের সাথে শেয়ার করুন।

17/05/2026

সামনে আসছে পবিত্র জিলহজ্জ মাস… 🌙
যে মাসকে আল্লাহ নিজেই কুরআনে সম্মানিত ঘোষণা করেছেন!
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আমাদের অনেকেই এই মাসের আসল গুরুত্ব, আমল আর ফজিলত সম্পর্কে জানিই না।
সুরা তওবার ৩৬ নং আয়াতে উল্লেখিত ৪টি সম্মানিত মাসের অন্যতম এই জিলহজ্জ — যে মাসের প্রতিটি দিন একজন মুমিনের জীবনে হতে পারে গুনাহ মাফ ও রহমত পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। ✨

এই ভিডিওতে জানুন—
▪️ জিলহজ্জ মাসের বিশেষ মর্যাদা
▪️ কোন আমলগুলো সবচেয়ে বেশি প্রিয় আল্লাহর কাছে
▪️ প্রথম ১০ দিনের ফজিলত
▪️ কুরবানির গুরুত্ব ও শিক্ষা
▪️ এবং কেন এই মাসকে অবহেলা করা উচিত নয়

ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ হয়তো এই জিলহজ্জই বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। 🤍

Address

Tooth Planet/Hijama Planet, Building: C, House 91/1, Road, 11a, Dhanmondi
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801612079727

Website

https://www.hijamaplanet.com/, http://facebook.com/sadaqahbd.org, http://facebook.com/toot

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mohammad Saiful Alam Talukder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Mohammad Saiful Alam Talukder:

Share