Rakibul Alam

Rakibul Alam ডেন্টিস্ট উখিয়া ক্যাম্প ২০, ফ্রেন্ডশীপ এনজিও 🧑‍⚕️

আসসালামু আলাইকুম। আজকে আক্কেল দাঁত(3rd molar)  নিয়ে কথা বলি। আমাদের মধ্যে একটা ভ্রান্ত ধারণা কাজ করে দাঁত ফেলবো না  । ক...
18/05/2025

আসসালামু আলাইকুম।
আজকে আক্কেল দাঁত(3rd molar) নিয়ে কথা বলি।
আমাদের মধ্যে একটা ভ্রান্ত ধারণা কাজ করে দাঁত ফেলবো না ।
কিন্তু আপনি কি জানেন এই আক্কেল দাঁত আপনাকে নীরবভাবে ক্ষতি করতে পারে!
আক্কেল দাঁত ব্যথা না দিলেও ক্ষতিকারক। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে যে আক্রান্ত আক্কেল দাঁত ৭০% এরও বেশি লক্ষণহীন, যার অর্থ তারা তাৎক্ষণিকভাবে অস্বস্তির কোনও লক্ষণ দেখায় না - তবুও তারা নীরবে আপনার ক্ষতি করতে পারে।

যখন একটি আক্কেল দাঁত আক্রান্ত হয়, বিশেষ করে যদি এটি মেসিয়ালভাবে কোণযুক্ত (সামনের দিকে ঝুঁকে থাকে), তখন এটি প্রায়শই সংলগ্ন দ্বিতীয় মোলারকে চাপ দেয়। এই লুকানো চাপের ফলে হতে পারে:

→ দাঁতের মাঝখানে গভীর ক্ষয় যেখানে ব্রাশ এবং ফ্লসিং পৌঁছাতে পারে না।

> দ্বিতীয় মোলারের চারপাশে হাড়ের ক্ষয়।

তরল-ভরা সিস্টের গঠন যা আশেপাশের হাড় এবং স্নায়ুর ক্ষতি করতে পারে।

মাড়ির প্রদাহ বা সংক্রমণ, এমনকি দৃশ্যমান ফোলাভাব ছাড়াই
বেশিরভাগ রোগীই ক্ষতির পরিমাণ বাড়ার আগ পর্যন্ত অজ্ঞ থাকেন।

- ততক্ষণে আক্কেল দাঁত এবং তার আগের দাঁত রুট ক্যানেল অথবা ফিলিং অথবা ফেলে দেওয়া লাগতে পারে।

তাহলে করণীয় কি?
👉দাঁতের এক্স-রে-এর মাধ্যমে প্রাথমিক রোগ নির্ণয়।

👉 আক্রান্ত আক্কেল দাঁত সক্রিয়ভাবে অপসারণ এই জটিলতাগুলি প্রতিরোধ করতে পারে।যা কিনা আপনার দীর্ঘমেয়াদি দাঁতের জটিলতা থেকে আপনাকে রক্ষা করবে।

👉দাঁত অপসারণ(আক্কেল দাঁত) আপনার জন্য ক্ষতিকারক না, আপনার গুরুত্বপূর্ণ দাঁত গুলো সংরক্ষণের জন্য।

ব্যথা আপনার প্রথম লক্ষণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না।
আক্কেল দাঁত সবসময় ব্যথা করে না - যতক্ষণ না তারা ইতিমধ্যেই ক্ষতি করে ফেলে।

বছরের দুইবার ডেন্টাল চেকআপ করুন।

মাউথ আলসার কি? কেন হয়?আমাদের দেশে বেশীরভাগ মানুষ 'peptic ulcer' নামটির সাথে পরিচিত হলেও 'mouth ulcer' নামটি একদমই অজানা ...
24/09/2022

মাউথ আলসার কি? কেন হয়?

আমাদের দেশে বেশীরভাগ মানুষ 'peptic ulcer' নামটির সাথে পরিচিত হলেও 'mouth ulcer' নামটি একদমই অজানা বললেই চলে।

মাউথ আলসার জিনিসটি কি? এটি হচ্ছে মুখের mucous membrane erosion বা ক্ষয় হওয়াকে বুঝায়।

অনেক রোগী এই সমস্যা নিয়ে আসে।কিন্তু কেন এটা হচ্ছে সেটাই আজ পড়বেন।

মাউথ আলসারের মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো 'Apthous ulcer'. এপথাস আলসার।

এটা হয় সাধারনতঃ

১/ ভুলবসত মুখের ভেতর কামড় লাগলে।

২/দাঁত ব্রাশ করার সময় পিচ্ছিল হয়ে হুট করে গুতা লাগলে।

৩/ sharp বা চোখা বা ভাঙ্গা দাঁতে ক্রমাগত আঘাত লাগলে।

৪/ অতিরিক্ত গরম খাবার খেলে পুড়ে গিয়ে।

৫/ভাইরাল সংক্রমণ যেমন হারপিস সিমপ্লেক্স এর কারনে।

৬/কিছু কিছু ঔষুধের প্রতিক্রিয়ায়।

৭/অন্তর্নিহিত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ যেমন coeliac disease

৮/কাজের অতিরিক্ত চাপ, অসুস্থতা বা চরম ক্লান্তির সময় আলসার আরও খারাপ হতে পারে।
৯/অতিরিক্ত মাউথ ওয়াস ব্যবহার করলে।

১০/ ভিটামিন এবং আইরণ এর অভাবে হতে পারে।

মেডিসিন- মিওরাল লিকুইড(অপসনিন ফার্মা) আালসারের উপর লাগাতে হবে দিনে ৩-৪ বার।

১০-১৪ দিনের মধ্যে mouth ulcer ঠিক নাহলে অবশ্যই নিকটস্থ ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে পরামর্শ করুন।

কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ"""''''''''""""""""""""""'"...
06/04/2022

কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ
"""''''''''""""""""""""""'"''"'""""'''''''''"
⏩জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।
⏩শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য।
⏩রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।
⏩শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়।
⏩ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।

🔵Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট যে যে কারনে করা হয়ঃ
""'''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""
👉ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু
👉ডায়াবেটিস আছে কিনা
👉প্রোটিন যায় কিনা
👉রক্ত যায় কিনা
👉কিডনীতে পাথর আছে কিনা

🔴RBS-Random Blood Sugar: ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।

🔵Serum Creatinine:যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)

🔴Lipid profile: রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।

🔵Serum Bilirubin: জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।

🔴SGPT/SGOT: লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।

🔵Serum Electrolyte: রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূর্বল লাগলে,বেশীবমি, ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।

🔴HBsAG: জন্ডিস এবং লিভার কন্ডিশন বুঝার জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔵HBA1c: ডায়বেটিস বা রক্তে গ্লুকোজ নির্ণয়ের জন্য করা হয়।

🔴S. Uric Acid: কিডনির কার্যক্ষমতা নির্ণয় করারা জন্য এ পরিক্ষা দেওয়া হয়।

🔵LFT: লিভারের সমস্যা বুঝতে এ পরিক্ষা করা হয়।

🔴BT CT: রক্তরােগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।

🔵Via Test: সার্ভিক্সের ইনফেকশন বা ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।

🔴TSH: Thyroid stimulating hormone এই পরিক্ষা হরমন নির্ণয়ের জন্য করা হয়।

🔵EcG: হৃদরােগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।

🔴chestX-ray: বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য করা
হয়।

দাঁত সম্পর্কিত বিষয়গুলো জেনে রাখুন১। আপনার বাচ্চার দুধ দাঁত উঠবে ৬ মাস বয়স থেকে আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত।২। আপনার বাচ্চার ম...
31/03/2022

দাঁত সম্পর্কিত বিষয়গুলো জেনে রাখুন

১। আপনার বাচ্চার দুধ দাঁত উঠবে ৬ মাস বয়স থেকে আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত।

২। আপনার বাচ্চার মূল দাঁত উঠবে ছয় বছর বয়সের পর থেকে ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত।

৩। আপনার সন্তানের আক্কেল দাঁত উঠবে সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে।

৪। বাচ্চা দুধ দাঁতগুলো সাধারণত ৬ বছর বয়সের আগে থেকে ক্রমানুসারে পড়তে থাকবে।

৫। বাচ্চাকে অন্তত ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন যা দাঁত ও চোয়ালের গড়নে সহায়তা করে।

৬। ঘুমন্ত অবস্থায় বাচ্চাকে ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়াবেন না। ফিডারে দুধ খাওয়ালে দাঁতে ক্ষয়রোগ করে।

৭। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর পর তুলাতে সামান্য পানি ভিজিয়ে দাঁতের পৃৃষ্ঠ ঘষে দেবেন যা ক্ষয়রোগ থেকে দাঁতকে রক্ষা করবে।

৮। বড়দের দাঁতের ক্ষেত্রে যদি দাঁতের মধ্যে কালোদাগ বা ক্ষয় রোগ বা ডেন্টাল ক্যারিজ দেখা যায়, তাহলে ব্যথা হওয়ার আগেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা ফিলিং করিয়ে নিবেন। মনে রাখবেন যত দেরি করবেন, তত বিপদ অর্থাৎ, দাঁতে ব্যথা শুরু হবে এবং সে ক্ষেত্রে আর ফিলিং-এর মাধ্যমে দাঁতের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে না।

৯। ব্যথাযুক্ত দাঁতের ফিলিং করা যায় না। সেক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করে দাঁতকে ব্যথামুক্ত করতে হয়। মনে রাখবেন, রুট ক্যানেল চিকিৎসা বয়বহুল তাই ব্যথা শুরুর আগেই দাঁত ফিলিং করিয়ে নিন।

১০। দাঁতের মুকুট বা ক্রাউন যদি বেশি ভেঙ্গে যায় অথবা চারদিকের যে কোন একদিকে দাঁতের দেয়াল ভাঙ্গা থাকে সেৰেত্রে ফিলিং দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ব্যথাযুক্ত দাঁত হলে রুট ক্যানেল করে তার উপর কৃত্রিম মুকুুট বা ক্রাউন পরিয়ে দেয়া হয় যা দাঁতকে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দেয়।

১১। দাঁতের ক্রাউন কয়েক ধরনের হয়। যেমন_

(ক) পোরসেলিন ক্রাউন (সিরামিক মুকুট)
(খ) মেটালিক ক্রাউন (স্টিলের মুকুট)
(গ) সিরামেজ ক্রাউন
(ঘ) অ্যাক্রেলিক জ্যাকেট ক্রাউন (শুধুমাত্র সামনের দাঁতের প্লাস্টিক মুকুট)
(ঙ) মেটাল ফিউজড টু পোরসেলিন ক্রাউন,
(চ) ক্যাড-ক্যাম মিল্‌ড জিরকোনিয়া ক্রাউন,
(ছ) ই ম্যাক্স ক্রাউন, ইত্যাদি।

১২। উপরের ক্রাউন বা মুকুট বা ক্যাপগুলোর মধ্যে আমাদের দেশের অবস্থা অনুযায়ী মেটাল ফিউজড টু পোরসেলিন ক্রাউন সবচেয়ে সুন্দর, দীর্ঘস্থায়ী ও উন্নত।

১৩। তাই দাঁতের মুকুট বা ক্রাউন বা ক্যাপ ধরতে হলে একটু বেশি দাম দিলে উন্নত ক্যাপ লাগানোই উচিত হবে।

১৪। প্রতি ৬ মাস অন্তর উন্নত দেশে দাঁত ওয়াশ বা স্কেলিং করে থাকে। রোগীরা আমাদের দেশে আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে প্রয়োজনে প্রতি বছর অন্তত একবার স্কেলিং করানো ভালো।

১৫। আজকাল দাঁতে অনেক উন্নত ধরনের ফিলিং করা যায় দাঁতের কালারের সাথে মিশে যায়।

১৬। আপনার শিশুর দাঁতের যত্ন নিন ও নিয়মিত পরিচর্যা করুন। প্রথম ৬ বছর অন্তত ৩ বার ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন, নতুবা দুধ দাঁতগুলো ঠিক সময়ে না পড়ে অনেক দেরিতে পড়তে পারে এবং সে ৰেত্রে মূল দাঁত ঠিক সময় ঠিক জায়গায় না উঠে আঁকা-বাঁকাভাবে অন্যত্র উঠবে পারে। ফলে চোয়াল ও দাঁতে অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে। আবার সময়ের আগেই দুধ দাঁত পড়ে গেলে ও পরে উঠার মূল দাঁত আকা-বাঁকা হতে পারে।

১৭। বাচ্চার আকা-বাঁকা দাঁতগুলো সাধারণ ৮ থেকে ১৩ বছরে মধ্যে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করিয়ে নিতে হবে।

১৮। আকা-বাঁকা দাঁতের এ ধরনের চিকিৎসা অর্থোডেন্টিক ট্রিটমেন্ট বলে।

১৯। তুলনামূলক কম খরচে রিমুভেল অ্যাপস্নায়েন্স দিয়ে যথাসময়ে চিকিৎসা সম্ভব।

২০। তবে ফিক্সড অর্থোডেন্টিক ট্রিটমেন্টটি বা ব্রেইস পদ্ধতির চিকিৎসা অত্যাধুনিক কিন্তু ব্যয়বহুল ও অধিক কার্যকরী।

২১। মনে রাখবেন দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় থাকলে যদি ফিলিংয়ে সমাধান না হয়, সেৰেত্রে দাঁতের ক্যাপ করার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে রুট ক্যানেল চিকিৎসা ছাড়াও ক্যাপ বা ক্রাউন করা যায়।

২২। মনে রাখবেন রুট ক্যানেল ছাড়া দাঁতে ক্যাপ করলে ভবিষ্যতে যদি ব্যথা হয় সেক্ষেত্রে ঐ ক্যাপ না খুলে ডেন্টাল ড্রিল মেশিনের সাহায্যে ক্যাপ ফুটো করে কেটে আক্রান্ত দাঁতের রুট ক্যানেল করে নিতে হবে।

২৩। মনে রাখবেন, দাঁত স্কেলিং করলে দাঁতের মাড়ি সুস্থ ও সবল থাকে।

২৪। অনেকের ধারণা স্কেলিং করলে দাঁতের গোড়া আলগা হয়ে যায়। আসলে ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল। বরং দাঁতের গোড়ার পাথর তা দাঁতকে মাড়ি থেকে আলগা করতে থাকে এবং দীর্ঘদিন একরকম পাথর জমতে থাকলে মাড়ির প্রদাহ জনিত রোগ হয়।

২৫। আপনার ভাঙ্গা দাঁত বা দাঁতের গোড়া ব্যথা না করলে ও ফেলে দিন নতুবা দীর্ঘদিন এ অবস্থা থাকলে মারাত্মক রোগ যেমন_ চোয়ালে সিস্ট, টিউমার এমনকি ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করতে থাকে।

২৬। দাঁত তোলার আগে রোগীর রক্তচাপ (ব্লাড প্রেসার) হৃদরোগ (হার্ট ডিজিজ), জন্মগত হৃদরোগ, প্রোস্থেটিক বডি পার্টস, ডায়াবেটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত হতে হবে।

কিছু রোগ থাকলে দাঁত তোলার ১ ঘন্টা আগে রোগীকে প্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ড্রাগ খাওয়াতে হবে যাতে হৃদরোগের ঝুকি কম থাকে। মনে রাখবেন এন্টিবায়োটিক না খেলে দাঁতের ক্ষত জলদি শুকায় না।

দাঁত তুলতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এন্টিবায়োটিক লাগে না। কিছু রোগের ক্ষেত্রে আগে প্রতিষেধক এন্টিবায়োটিক ছাড়া দাঁত তোলা নিষেধ।

২৭। দাঁত তোলার আগে ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে নিতে পারেন। তাহলে পরে আর ঝামেলা হবে না। ব্যাথা না করলে ব্যাথানাশক ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই।

২৮। দাঁত তোলার পর অন্তত ২৪ ঘন্টা গরম ও শক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। দাঁত তোলার পর ঘণ্টা খানেক পর প্রেশার প্যাক এর গজ ফেলে দেবেন। ২৪ ঘন্টা ঠাণ্ডা ও পাতলা খাবার খেতে হবে।

২৯। গজ ফেলে দেয়ার পর শুকনো তুলো ব্যাবহার করবেন না। তাহলে রক্ত পড়া শুরু হতে পারে। ২৪ ঘন্টা জোরে কুলি করা বা থুথু ফেলা নিষেধ। কারন এতে দেন্টাল সকেটে জমাটবাধা রক্ত সরে গিয়ে এখানে ফাঁকা জায়গা তৈরি করতে পারে এবং সেখানে খাবার জমে ড্রাইসকেট নামক যন্ত্রনাদায়ক ইনফেকশান তৈরি করতে পারে।

৩০। দাঁত ফেলার পর আইসক্রিম খাওয়া একটি বোকামী। কারন আইসক্রিম এর চিনি জমাটবাঁধা রক্তের সাথে মিশে ব্যাক্টেরিয়ার উৎকৃষ্ট খাবার হতে পারে। এতে ইনফেকশান হওয়ার সুযোগ বেশী থাকে।

৩২। বাচ্চাকে চকলেট জাতীয় খাবার খেতে বারণ করা উচিত। এগুলো দাঁতের ক্ষতি করে।

🙍আপনি জানেন কি?সকালের চেয়ে  #রাতে টুথব্রাশ করা  #১০০গুন বেশি জরুরী!🙍 !👉কেন কেন???কারণ রাতে ঘুমানের পর    কম হয়ে থাকে!আর ...
24/03/2021

🙍আপনি জানেন কি?
সকালের চেয়ে #রাতে টুথব্রাশ করা #১০০গুন বেশি জরুরী!

🙍 !👉কেন কেন???
কারণ রাতে ঘুমানের পর কম হয়ে থাকে!
আর Saliva helps protect teeth and gum from , মানে মুখে এন্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে স্যালিইভা!
#আশ্চর্যকথা হচ্ছে, ১গ্রাম দাঁতে প্রায় #১০বিলিয়ণ ব্যাক্টেরিয়া থাকতে পারে!
আর সমগ্র পৃথিবীতে প্রায় ৭.৭৪বিলিয়ন #জনসং্খ্যা বাস করে!
তার মানে আপনার আমার দাঁতে যে পরিমাণ #জীবাণু আছে,দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়েও বেশি!
প্রায় #৪০০ধরণের ব্যাক্টেরিয়া আমাদের oral cavity রয়েছে!এদের মধ্য বেশিরভাগ Bacteria.
৯৯% #ক্ষতিকারক.
#
আজব কথা হচ্ছে কি,যদি আমাদের মুখগহ্বররে salivary Secration না হতো, তাহলে আমাদের মুখের জন্য নানা রকম রোগে আক্রান্ত হয়ে খুব দ্রুতই মারা যেতাম!যেমন ওরাল ক্যান্সার!

👉 's Or Not?
♪♪আপনারা দাঁতে সমস্যা দেখা দিলে আপনার #কানের সমস্যা দেখা দিতে পারে!
এবং Oral cavity এর জীবাণুর জন্য আপনার #হ্রদরোগ ও Tract এ রোগ হতে পারে!এবং ক্রমানুসারে আপনার আক্রমণ করতে পারে,যেমন মেনিনজাইটিস!

#সুতরাং রাতে টুথব্রাশ না করা হলে আরো বেশি,ব্যাক্টেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি,কারণ রাতে যেসব খাবার খাই সেসব খাদ্যকনিকা দাঁতের মাঝে থেকে যায়,যা থেকে ক্যাভিটি তৈরি হয়!

👉এজন্যই, আমাদের অবশ্যই,

👉প্রতিদিন রাতে ও সকালে ব্রাশ করা খুবই জরুরী!কিন্তু আমাদের দেশে উল্টা নিয়ম, সকালে টুথব্রাশ করেই #খালাশ!

👉ব্রাশ ছোট আকারে হলে ভাল হয়,৪৫ডিগ্রী এগ্রেল এ ব্রাশ করা দরকার!

👉তিনমাস পর পর টুথ ব্রাশ চেঞ্জ করা প্রয়োজন!

👉একজন এর টুথব্রাশ আরেকজন কখনোই ব্যবহার করবেন না!

👉ব্রাশ করার পর মিস্টিজাতীয় খাবার,ফলমুল,ঠান্ডাজাতীয় খাবার,যেমন আইসক্রিম খাওয়া পরিহার করতে হবে!
হিতে আপনার মুখ ও দাঁতের সর্বনাশ হতে পারে!

আপনার ও আপনার পরিবারের মুখ ও দাঁতের যে কোন সমস্যার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

ডেন্টাল এ্যাব্রেশন এবং এর প্রতিকারডেন্টাল এ্যাব্রেশন হচ্ছে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া।  দাঁত এবং মাড়ির সংযোগস্থলে V আকৃতির একটি গর...
02/03/2021

ডেন্টাল এ্যাব্রেশন এবং এর প্রতিকার

ডেন্টাল এ্যাব্রেশন হচ্ছে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া। দাঁত এবং মাড়ির সংযোগস্থলে V আকৃতির একটি গর্ত স্বরূপ যা দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে ক্ষয়ে সৃষ্টি হয়।

ডেন্টাল এ্যাব্রেশন আপাত দৃষ্টিতে ক্ষতিকর নাও লাগতে পারে, তবে চিকিৎসা না করালে যা যা হতে পারে :

১। এনামেল ক্ষয়ে ডেন্টিন উন্মুক্ত হয়ে যায় যা দাঁত শিরশিরে করে ফেলে
২। সৃষ্ট গর্তে খাবার জমে ক্যালকুলাস হতে পারে
৩। বেশি এ্যাব্রাশন হলে পাল্প ওপেন হয়ে দাঁত ব্যাথা করতে পারে।
৪। দাঁত নড়ে যেয়ে পড়ে যেতে পারে।

এ্যাব্রেশন কেন হয়?

১। খুব প্রেশার দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে
২। ব্রাশিং টেকনিক ঠিক না থাকলে। যেমন ব্রাশিং টেকনিক হচ্ছে নিচের দাঁত উপরের দিকে এবং উপরের দাঁত নিচের দিকে ব্রাশ করা। টিভিতে দেখানো উপর নিচ করে ব্রাশ করা না। এই টেকনিক না মানলে
৩। বদভ্যাস যেমন দাঁত দিয়ে নখ কামড়ালে, পেন্সিল, টুথপিক কামড়ালে
৪। এ্যাব্রেসিভ টুথপেস্ট ব্যবহার করলে যেমন ক্রিম টাইপ টুথপেস্ট
৫। কয়লা, মাজন ইত্যাদি দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে
৬। বিভিন্ন এ্যাপ্লায়েন্স যেমন রিমোভেবল
পার্শিয়াল ডেঞ্চার ঠিক মত না লাগলে

বিভিন্ন রোগ যেমন বুলিমিয়া নার্ভোসা (মাত্রাতিরিক্ত বমি করা) এইসব কারণে এ্যাব্রাশন হয়।

প্রতিকার :
১। নরম ব্রিসল যুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করা
২। হালকা প্রেশারে দাঁত ব্রাশ করা
৩। সঠিক নিয়মে ব্রাশ করা।
৪। এ্যাব্রেসিভমুক্ত পেস্ট ব্যবহার করা, যেমন জেল টাইপ পেস্ট ব্যবহার করা
৫। বিভিন্ন বদভ্যাস ত্যাগ করা।
৬। ওয়েল ফিটেড মানে ভালভাবে লাগে এমন ডেঞ্চার ব্যবহার করা।
৭। কোমল পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকা।

যদি এ্যাব্রেশন হয়েই যায় তবে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা করিয়ে নেওয়া উচিৎ। এর চিকিৎসা নিম্নরুপ :

১। অল্প এ্যাব্রেশন হলে ফিলিং করিয়ে নেওয়া
২। এ্যাব্রেশন হয়ে ব্যাথা হলে রুট ক্যানাল থেরাপি / ট্রিটমেন্ট করা

এ্যাব্রেশন চিকিৎসা করানোর চেয়ে এর প্রতিকার করা সহজ। নিয়মিত রুটিন ডেন্টাল চেক আপ এবং সচেতনতাই পারে এ্যাব্রেশন হতে মুক্তি দিতে।

সুস্থ দাঁত ও মাড়ির জন্য সচেতনতার বিকল্প নেই। আসুন সচেতন হই, অপরকে সচেতন করি এবং সুস্থ দাঁত ও মাড়ির অধিকারী হই।

✅✅দাঁতের চিকিৎসায় দৈনন্দিন একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হই। স্কেলিং এ দাঁতের কোনো ক্ষতি হয় কিনা। আসুন জেনে নেই স্কেলিং কি?, এ...
29/07/2020

✅✅দাঁতের চিকিৎসায় দৈনন্দিন একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হই। স্কেলিং এ দাঁতের কোনো ক্ষতি হয় কিনা। আসুন জেনে নেই স্কেলিং কি?, এটা নিয়ে আমাদের ভুল ধারণা গুলো কি কি? এবং এটা সবার জন্য কতটা জরুরি।✅✅

✴️✳️ #স্কেলিং_কি??❓

স্কেলিং দাঁতের এক বিশেষ পরিষ্কার পদ্ধতি যা আপনার দাঁতের গোঁড়ায় জমে থাকা প্লাক ক্যালকুলাস(দাঁতের চারপাশে জমা পাথর) এক বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে দূর করে। দীর্ঘদিন এরকম জমে থাকা প্লাক ক্যালকুলাস যদি দূর করা না যায় তবে তা দাঁতে সংক্রমণের সৃষ্টি করে ফলে মাড়ি নরম হয়ে যায় যার পরিনতিতে জিনজিভাইটিস পেরিওডনটাইটিস রোগ দেখা দেয় এমনকি দাঁত নড়ে পড়েও যেতে পারে.

✳️✴️ #নিয়মিত_স্কেলিং_কেন_প্রয়োজনীয়?❓

আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তা দাঁতের চারপাশে জমা হয়। যদি আমরা সঠিক পদ্ধতিতে ও নিয়মিতভাবে দাঁত পরিষ্কার না করি তাহলে এসব খাদ্যকনাগুলো দাঁতের আবরন “পেরিওডেনটাল মেমব্রেনের” উপর শক্ত হয়ে জমে থাকে।এভাবে জমে জমে একসময় পাথরের মতো সৃষ্টি করে।একে ডেন্টাল সাইন্সে ক্যালকুলাস বলে।এইসব পাথর দীর্ঘদিন জমে থাকলে তা একসময় দাঁতের মেমব্রেনটিকে নষ্ট করে ফেলে এবং দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ যেমন জিনজিভাইটিস পেরিওডনটাইটিস, মাড়ি হতে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশির সহ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন যদি এই জমে থাকা ক্যালকুলাস প্ল্যাক রিমুভ না করা হয় তাহলে একসময় ঐ দাঁতে ক্যারিজ হয়ে যায়। তাই এই ক্যালকুলাস রিমুভ করার জন্যে প্রতি ছয় মাস পরপর একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। তিনি আপনার দাঁত পরীক্ষা করে বলবে আপনার দাঁত স্কেলিং করা দরকার কিনা? এছাড়াও আমাদের দেশে অনেকে তামাক জাতীয় দ্রব্য যেমন বিড়ি সিগারেট পান সাদা পাতা জর্দা গুল সেবন করে যার ফলে দাঁতে বিশেষ করে সামনের দাঁতে কালো বা বাদামি দাগ পড়ে। প্রাথমিক অবস্থায় এইসব দাগ দূর করার জন্যে স্কেলিং খুবই আবশ্যক। সুতরাং স্কেলিং করলে দাঁত দুর্বল হয় না বরং তা মাড়ির রোগকে প্রতিরোধ করে যাতে মাড়ি হতে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশির করা ইত্যাদি সবই ঠিক হয়ে যায়।

✴️✳️ #স্কেলিং_নিয়ে_সাধারণ_মানুষের_কিছু_ভ্রান্ত_ধারনা??❓

✳️✴️ #স্কেলিং_করলে_দাঁত_ফাঁক_হয়ে_যায়_বা_যাবে_কিনা??❓
মুলত দীর্ঘদিন ধরে দাঁতের চারপাশে প্রচুর পরিমাণে পাথর জমার ফলে রোগী অনেক সময় ভুলেই যায় স্বাভাবিক অবস্থায় তার দাঁত কেমন ছিল। দুই দাঁতের মাঝে স্বাভাবিক যে স্পেস থাকে তাও রোগী অনেক সময় বুঝতে চায় না। সে কারণে স্কেলিং করার পর যখন পাথর অপসারিত হয় তখন রোগীদের মাঝে কেউ কেউ হয়তো বলে থাকেন স্কেলিং করার পর তার দাঁত ফাঁক হয়ে গেছে।

✳️✴️ #স্কেলিং_করার_কারণে_দাঁত_পাতলা_হয়ে_যায়_কিনা?❓
আসলে স্কেলিং করার পর পাথর যখন অপসারিত হয় তখন সব রোগীই মুখে সজীবতা অনুভব করেন আবার পাথর থাকার কারণে মুখে যে ভারি ভারি ভাব থাকত তা চলে গিয়ে রোগী হালকা অনুভব করতে থাকেন। এই অনুভূতিকেই অনেক রোগী বলে থাকেন তাঁর দাঁত পাতলা হয়ে গেছে।

✴️✳️ #স্কেলিং_করার_ফলে_দাঁতের_এনামেলের_ক্ষতি_হয়_কিনা?❓
স্কেলিং এর সময় দাঁতের উপরের থাকা দাগ, দাঁতের মাঝে জমে থাকা পাথর গুলো বিশেষ আলট্রাসাউন্ড যন্ত্রের মাধ্যমে পরিষ্কার করা হয়।সুতরাং এনামেলের ক্ষতির কোন প্রশ্নই আসে না।

সুতরাং দাঁতের রোগ প্রতিরোধে দাঁতের স্কেলিংয়ে সবার সচেতন হওয়া জরুরী।

Address

Cox's Bazar
4700

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801672751937

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rakibul Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rakibul Alam:

Share