Care & Cure Dentistry

Care & Cure Dentistry Doctor:

Dr.Biswajit Biswas(https://
www.facebook.com/dr.biswajit.bds)

Email:[email protected]

[email protected]

26/09/2022
24/11/2016

মনে করি, আপনার পরিবারের কনিষ্ঠতম সদস্যের নাম মিঠু। মিঠুর জ্বর হলে আপনি কি করেন? ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান নয়ত ওষুধের দোকান যান। চিকিৎসক বা ওষুধের দোকানদার আপনাকে যে দামি ওষুধটি নিতে বলে সেটি এন্টিবায়োটিক।
এন্টিবায়োটিক দু একদিন খেলেই সাধারণত জ্বর কমে আসে। সুস্থ লাগা শুরু করলেই মিঠু বা আমরা এন্টিবায়োটিক ওষুধটা আর সেবন করি না। তখনই ঘটে একটি ভয়াবহ ঘটনা। এন্টিবায়োটিকের পূর্ণ মেয়াদে ও ডোজে সেবন না করায় মিঠুর শরীরে অসুখের সবগুলো জীবাণু মরেনি, যে জীবাণুগুলো বেঁচে রইলো তারা এন্টিবায়োটিককে চিনে রাখে এবং জীবাণু এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠে। এন্টিবায়োটিকের কারণে এবার মিঠুর অসুখ ভালো হয়ে গেলেও পরবর্তীতে আবার যখন জ্বর হবে তখন এই একই এন্টিবায়োটিক আর মিঠুর শরীরে কাজ করবে না। এই এন্টিবায়োটিক কাজ না করাকে বলে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স।
পরবর্তীতে আবার যখন মিঠুর একই জীবাণু দিয়ে অসুখ হবে তখন আরো দামী এবং উচ্চতর এন্টিবায়োটিক দিতে হবে, এমনকি মুখে খাবার বদলে ইঞ্জেকশন এন্টিবায়োটিকও দেয়ার প্রয়োজন হবে। শুধু তাই নয় সব চেয়ে ভয়ংকর যে ব্যাপার সেটি হলো পৃথিবীতে হাজার হাজার ওষুধ থাকলেও এন্টিবায়োটিক আছে মাত্র ১০-১২ রকমের। ফলে আমরা যদি মিঠুকে ১০/১২ বার ১০/১২ ধরনের এন্টিবায়োটিক খাইয়ে সবগুলো এন্টিবায়োটিক শেষ করে ফেলি তার যখন ১৩ তম বার জ্বর হবে তখন তার চিকিৎসার জন্য অন্য কোন এন্টিবায়োটিক বাকি আমাদের হাতে থাকবেনা? এর অর্থ মিঠুর সামান্য জ্বর তখন আমরা ভালো করতে পারবো না। এবং একজন মিঠুর শরীরে প্রতিরোধী জীবাণু থাকলে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মাঝে এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে, এভাবে পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষ যে কোন সময় এর শিকার হতে পারে।
মিঠুর জীবন বিপন্ন, সারা পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্ব আজ হুমকীর মুখে। তাহলে আমাদের কি কিছুই করার নেই?
হ্যাঁ এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জিততে হলে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে আমাদের সচেতন হতে হবে। সচেতনতা মানে,
রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক সেবন করা যাবে না, কোন অবস্থাতেই ওষুধের দোকানদার থেকে এন্টিবায়োটিক কিনে সেবন করা যাবে না।
রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেস্ক্রিপশন অনুযায়ী অসুখ সেরে গেলেও এন্টিবায়োটিক পূর্ণ মেয়াদে সঠিক ডোজে সেবন করতে হবে।
কার্টেসিঃ মোহিব নীরব

22/11/2016

জন্মের সময় থেকেই শিশুর মাড়ি তে অনেক সময় দাঁত বিদ্যমান থাকে যাকে ‘ন্যাটাল টুথ (Natal Tooth)/শিশুর জন্মগত দাঁত বলা হয়। উপরের মাড়ির তুলনায় নিচের মাড়িতে এ ধরনের দাঁত পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এই দাঁতের গঠন অন্য সাধারণ দাঁত-দুধ দাঁত কিংবা পার্মানেন্ট দাঁত থেকে আলাদা হয়ে থাকে। এরা আকারে তুলনামূলক ছোটো হয়ে থাকে এবং এই দাঁতের রুট ছোটো এবং সুগঠিত নয়। ন্যাটাল টুথ মাড়িতে আটকে থাকে এবং সেজন্য অনেকসময় এই ধরণের দাঁতের নড়-বড়ে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কারণ:
ন্যাটাল টুথের প্রকৃতপক্ষে কোনো কারণ জানা যায়নি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ন্যাটাল টুথ কোনো রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। তবে অনেকক্ষেত্রে শরীরে অন্যান্য রোগের অংশ হিসেবে শিশুর মাড়িতে ন্যাটাল টুথ দেখা যেতে পারে। যেসব মেডিকেল কন্ডিশনে ন্যাটাল টুথ দেখা যায় তা হলো-
– Ellis–van Creveld syndrome
-Hallermann–Streiff syndrome
-Pierre Robin syndrome

ন্যাটাল টুথে’র জন্য অসুবিধা:
শিশুর ন্যাটাল টুথ বা জন্মগত দাঁত থেকে অনেক সময় শিশু ও মা দু’জনের ই অসুবিধা হতে পারে। মাড়িতে বিদ্যমান জন্মগত এর জন্য যেমন বাচ্চাটির জিহ্বা কেটে যেতে পারে,আবার সেখানে কামড় লেগে কিংবা খোঁচা লেগে ঘা হওয়ার সম্ভাবনা ও থাকে। অন্যদিকে,অনেকসময় ই জন্মগত দাঁত ব্রেস্ট ফিডিং মায়েদের অসুবিধার কারণ হতে পারে।

চিকিৎসাঃ
সাধারণত শিশুর জন্মগত দাঁতের কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।কেননা,অহেতুকভাবে জন্মগত দাঁত তুলে ফেললে(extraction) তার সাথে পার্মানেন্ট দাঁতের টুথ বাড উঠে আসতে পারে কিংবা এমন ও হতে পারে সেই দাঁতের জায়গায় আর অন্য দাঁত না ও উঠতে পারে। তাই ডেন্টাল এক্সরে করে নিয়মিত ফলো’আপ করতে হবে।
– জন্মগত দাঁত /ন্যাটাল টুথ থেকে বাচ্চার যদি জিহ্বা কেটে যায় কিংবা ঘা হয়,সেক্ষেত্রে দাঁতটি একজন পেডিয়াট্রিক ডেন্টাল সার্জন স্মুথ করে দিবেন যাতে শিশুর জিহ্বায় খোচা না লাগে বা অসুবিধা না করে।
– যেসব মায়েরা ন্যাটাল টুথের জন্য ব্রেস্ট ফিডে অসুবিধার কম্পলেইন নিয়ে আসবেন তাদের কে বাচ্চার জন্য ব্রেস্ট পাম্প ও বোটল ফিডার ব্যাবহারের পরামর্শ দেয়া যেতে পারে।
– ন্যাটাল টুথ যদি নড়বড়ে হয়ে থাকে এবং সেটা শিশুটি দ্বারা গলাধঃকরণ এর সম্ভাবনা থাকে তাহলে অতিসত্বর সেটা একজন অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিক ডেন্টাল সার্জন দ্বারা উঠিয়ে( extraction) নিতে হবে।
(সংগৃহীত)

05/11/2016

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!
২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!
৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।
৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!
৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।
৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।
৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।
৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।
৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।
১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।
১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।
১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।
১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।
১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
____________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
লেখক: ডাঃ রিফাত করীম

03/10/2016

বাঙ্গালি,সালমান খান এবং পাগলের চিকিৎসাঃ
আমি তখন নরসিংদীর এক হাসপাতালে খ্যাপ খেটে খাই।ঢাকা টু নরসিংদী'র রাস্তায় জীবনটাকে হাতের মুঠোয় ভরে তিন দিনের খ্যাপ খাটি।
মধ্যবয়সী মহিলা।দাঁত ব্যাথা ভাল হয়না কয়েকমাস।দাঁতে আসলে সমস্যা নাই,তবুও দাঁতে ব্যাথায় কাতর সেই মহিলা।আমি হিস্ট্রি নিয়ে সিনিয়রের সাথে আলাপ করে 'ডায়াগনোসিস' করে রোগীকে ঔষধ লিখে দিয়ে আশ্বস্ত করে বাসায় পাঠালাম।পরের সপ্তাহে রোগী এসে হাজির,কিন্তু ব্যাথা কমেনাই।ঔষধ খাবার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তর দিলেন,'আপনি যেটা লেখে দিছেন সেইটা তো পাগলের চিকিৎসার ওসুদ,আমার তো মাথার সমস্যা নাই!'
বলে রাখি যে,
রোগীকে দেয়া হয়েছিল, 'Tegretol CR' নামের ঔষধ যেটা সাধারণত এপিলেপসি,সিজোফ্রেনিয়া নামক অসুখে ডাক্তাররা প্রায়শই ব্যবহার করে থাকেন।আর ডেন্টাল সার্জনরা 'Trigeminal Neuralgia' নামক একটা অসুখে ব্যবহার করে থাকেন।
এই 'Trigeminal Neuralgia' আসলে কী?
এইটা মস্তিস্ক থেকে উৎপত্তি হয়ে আসা ট্রাইজেমিনাল নার্ভের যে কোন ব্রাঞ্চের একটা painful condition।এটি সাধারণত ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের হয়ে থাকে।ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ২ঃ১ অনুপাতে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।এটার ব্যাথা এত তীব্র,এত তীব্র যে এটাকে 'Suicidal Disease' বলে আখ্যায়িত করা হয়।এইটার ব্যাথা 'Electric Shock' এর মতন।হঠাৎ হঠাৎ এটি আপনাকে আক্রমণ করে হঠাৎ চলে যাবে, আর যাবার আগে আপনাকে একবারের জন্যে হলেও মনে করিয়ে দিবে 'ইশ,মরে যাওয়া অনেক ভাল"
হুট করে আপনার পার্টনার আপনাকে ভালবেসে চুমু দিবে? ব্যাস,ইলেকট্রিক শকের মতন আঘাত হানবে ব্যাথা।আড্ডা জমে গেছে,আপনি হেসে দিলেন? ব্যাস আপনি সেখানেই শেষ,আপনি মুখের এক পাশে চেপে ধরে আত্নাহুতির কথা ভেবে বসবেন।সকালে ভাল মানুষ আপনি,আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ব্রাশ করতে যাচ্ছেন? ব্যাস,আপনি মুখে ব্রাশ দিতে দিতে শখ খেয়ে বসবেন।কোন ব্যাথানাশক আপনার ব্যাথাকে আটকাতে পারবে না।আপনি জাস্ট পাগল হয়ে যাবেন।
পৃথিবীর অনেক সেলেব্রিটি এই নিউরালজিয়ায় ভুগছেন।আমাদের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডঃ সাহারা খাতুন এটিতে ভুগছেন,সুলতান Salman Khan ভুগছেন।শ্যূটিং ইউনিট ফেলে ছুটেছেন আমেরিকাতে চিকিৎসা নেবার জন্য।এটাতে ভুগে সাহিত্য রচনা করে ফেলেছেন অনেক রোগী।
শেক্সপিয়ার বলেছিলেন,
'দাত ব্যাথা এমনই ব্যাথা,যে ব্যাথা একজনকে দার্শনিক বানিয়ে দেয়'
আমাদের দেশে দাঁতের ডাক্তার হয়ে জটিল অসুখের চিকিৎসা দিলে মানু্ষ 'পাগলের ঔষধ' বলে প্রত্যাখান করে।ফার্মেসির প্রফেসররা মাসল স্পাজমের ঔষধ লিখলে রোগীকে খাইতে নিরুৎসাহিত করে।জিপি প্রাক্টিশনরা অবাক বিস্ময়ে বলে 'এইসব চিকিৎসা ডেন্টিস্টরা করে!!!" (সাধারণত অনেক জেনারেল/স্পেশালিস্ট প্রাক্টিশনারই ডেন্টিস্টদের কাজ-কর্ম নিয়ে সম্যক ধারণাটুকুও রাখেন না)
ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া একটা উদাহরণ মাত্র।এরকম দাঁত সংশ্লিষ্ট অনেকনেক রোগের চিকিৎসা করে যাচ্ছেন ডেন্টিস্টরা,যেগুলোর অধিকাংশই ভুল দরজায় ভুলভাবে ডায়াগ্নোসিস হয়ে থাকে।কিছু ধারণা নিতে পারেন fascialsurgerybd পেজ থেকে।
দাঁত শুধু দাঁত নয়..
এর গোড়ায় রক্তনালী আছে,রক্তনালীর জন্য হার্ট আছে,হার্টের জন্য ফুসফুস কিডনি আছে,তাদের জন্য লিভার আছে।
নগর পুড়লে দেবালয় কি এড়ায়?
দাঁত আক্রান্ত হলেও হার্ট কিডনি এড়ায় নাহ।
কার্টেসিঃতৌহিদুর রহমান তৌহিদ

10/06/2016

রোগীরা রমজানে কিভাবে চিকিৎসা নিবেন সে বিষয়ে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিৎ।।
১. অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে রোজা ভঙ্গ হবেনা। তবে ইচ্ছা করে বমি করলে রোজা ভেঙ্গে যাবে।
২. স্যালাইন, গ্লুকোজ বা শক্তিবর্ধক কিছু শিরাপথে নেওয়া যাবে না। এগুলো ছাড়া যেকোনো ওষুধ ইনজেকশন হিসেবে নিলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
৩. যেকোনো ধরণের চোখ, নাক ও কানের ড্রপ, ইনহেলার ব্যবহার করা যাবে। ওষুধ মুখে চলে আসলে তা না গিলে কুলি করে বাহিরে ফেলতে হবে। হার্টের রুগীর ব্যথা উঠলে নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট বা স্প্রে জিহ্বার নিচে ব্যবহার করা যাবে।
৪. রোজা রেখে কেউ বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে, সে চাইলেই রোজা ভেঙ্গে ফেলতে পারবে। এই জন্য তাকে কাফফারা (একটানা ৬০ টি রোজা) দিতে হবেনা। তবে পরে অবশ্যই রমজান শেষে যেকোনো সময় এটি কাজা আদায় করে নিতে হবে।
৫. গর্ভবতী এবং বাচ্চাকে দুধ খাওয়ায় এমন মা'দের জন্য রোজা রাখার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে যে রোজাগুলো বাদ যাবে, পরবর্তীতে যখন তার জন্য সহজ হবে এবং বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা থাকবেনা, তখন কাজা আদায় করে নিতে হবে।
৬.মেয়েদের পিরিয়ডের রক্ত বের না হওয়া পর্যন্ত রোজা ভংগ হবেনা। পিরিয়ড শুরুর পর রোজা রাখা এবং নামাজ পড়া যাবেনা। যে রোজাগুলো মিস যাবে, রমজান শেষে সেগুলো কাজা আদায় করতে হবে। তবে নামাজের কাজা আদায় করতে হবেনা।
৭. পায়খানার রাস্তায় কিংবা যোনিপথে ট্যাবলেট, সাপোজিটরি ব্যবহার করা যাবে। প্রসাবের রাস্তায় ক্যাথেটার করলে রোযা নষ্ট হয় না।
৮. রোযা রেখে দাঁত উঠানো যাবে। সাথে অন্যান্য চিকিৎসা যেমন স্কেলিং, ফিলিং করা যাবে। ****
৯. ল্যাব পরীক্ষা- নিরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে রোজা নষ্ট হবেনা।
১০. সুস্থ সবল ব্যক্তির রক্ত দান করলে রোজা ভঙ্গ হয় না। তবে রক্তদাতা দুর্বল অনুভব করলে রোজা ভেঙ্গে ফেলতে পারেন। এই জন্য কাফফারা দিতে হবে না, পরে শুধু একটি রোজা কাজা করলেই হবে।
১১. ইনসুলিন নিলেও রোজা ভংগ হবেনা। কিন্তু ইনসুলিন নেওয়ার পর যেহেতু খাবার খেতে হয়, তাই রোজা থাকাকালীন অবস্থায় নেওয়া খুব রিস্কের হয়ে দাড়ায়। তাই এটার সকালের ডোজ হিসেবে ইফতার এবং রাতের ডোজ সেহেরির সময় এডজাস্ট করে নিতে হবে।
১২) যোনিপথে বা পায়খানার রাস্তায় কোন পরীক্ষা যেমন PV, DRE, এনোস্কোপ করলে রোযা নষ্ট হয় না।
১৩) অনিচ্ছাকৃতভাবে যেমন আহত হয়ে কিংবা নাক দিয়ে রক্ত পড়লে রোজা নষ্ট হবেনা।
রেফারেন্সঃ
১. 9th Fiqh Medical Seminar, Morocco. (সারা বিশ্ব থেকে নামকরা আলেমগন ও মুসলিম চিকিৎসকগন মরক্কোর এই সেমিনারে সবাই একমত হয়ে এই বিষয়ে ফতোয়া দেন)। ২. প্রশ্নোত্তরে সিয়াম By ডঃ আবু বকর মুহম্মদ জাকারিয়া ৩. Standing committee for issuing fatwa, Kingdom of Saudi Arabia
- collected

22/05/2016

আপনি দাঁত তুলে ফেলছেন???

পরিবারের কাউকে দাঁত ফেলার পরমর্শ দিচ্ছেন???

সত্যিই দাঁত ফেলে দেবার ব্যাপারে সীদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন???

আচ্ছা.. তাহলে এবার নিচের কথাগুলো একটু মিলিয়ে নিয়ে ভাবুন।

কোথায়,কার কাছে দাঁত ফেলতে যাচ্ছেন?

দাঁত ফেলা নিয়ে গনমানুষের/আপনার ভাবনা কী?

আপনি কী কী রিস্কের মধ্যে আছেন?

★সাধারন ভাবনাঃ

>দাঁত ফেলতে তেমন সময় লাগেনা।
>এই কাজ সাধারন চিকিৎসা; হাটে,মাঠে,ঘাটে করানোতে সমস্যা নাই।
>ঝামেলা যেইটা করছে সেইটা না রাখাই ভাল।অযথা খরচ বাড়িয়ে কী লাভ!
>যে সময় কম নেয়,সে দক্ষ ভাল ডাক্তার।
>দাঁত ফেলে দিলে চোখের ক্ষতি হয়।

★মূল বিষয়াবলীঃ

>একই জায়গায় অবস্থিত ভিন্ন ভিন্ন মানুষের দাঁত ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রের।দুই মিনিট থেকে শুরু করে দুই ঘন্টা অবধি লাগতে পারে।প্যানিকড হবার কোন কারন নেই।সময় লাগার সাথে দক্ষতার প্রমাণ আসে না।

>গীটারের ছয়টা তার দিয়ে সুর আসে।একটা ছিঁড়ে গেলে সুরে বিঘ্ন ঘটে,তাল লয় কেটে যায়।তেমনি আপনার দাঁত হুটহাট ফেলে দিলে মুখের মাড়ির সুর তাল লয় হারমোনি নষ্ট হয়।তাই সংরক্ষণ জরুরী যদি একান্ত ফেলার প্রয়োজন না পড়ে।

>দাঁতের সাথে চোখের কোন সম্পর্ক নেই।আপনার পুরো মাড়ি কেটে ফেলে দিলেও আগের মতই দেখবেন।

>যেখানে সেখানে দাঁত ফেলা অবশ্যই উচিত নয়।নূন্যতম বিডিএস ডিগ্রী ছাড়া কেও ডেন্টিস্ট বা ডেন্টাল ডাক্তার নয়।

★রোগীর রিস্কঃ

>সম্পূর্ণ জীবানূমুক্ত চেম্বার বা ক্লিনিক ছাড়া আপনি চিকিৎসা নিলে আপনি সিরিয়াস প্রানঘাতী অসুখ যেমন-AIDS,Hepatitis-B, Hepatitis-C দ্বারা খুব সহজেই আক্রান্ত হতে পারেন।

>হাটে মাঠে ঘাটে দাঁত তোলার পর পরবর্তীতে টিউমার সিস্ট এর মত বড় অসুখের দিকে ধাবিত হতে পারেন।

>অধিক খোঁচাখুচির শিকার হয়ে নার্ভ হারিয়ে সেই জায়গা অসাড় হতে পারে।

আমার কাছে বুয়েটে পড়া এক ছেলের দাঁত আছে।অনেক ব্যাথা নিয়ে ঢাকা ডেন্টালে এসেছিল।আমি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বলেছিলাম রেখে দিন।সবাই রাজী থাকলেও সে আমাকে অবাক করে বলেছিল,

"যেই দাঁত আমাকে এত কষ্ট দিয়েছে,সেইটা আমি রাখবোনা,না না না!"

আহা কী আবেগ!!
সেইটা তুলে আমি অনেক দিন নিজের কাছে রেখছিলাম।

বেচারা সেদিন বুঝে নাই সে কী হারিয়েছিল,

একদিন বুঝবে.. নিশ্চয়ই বুঝবে।একদিন ক্যালিফোর্নিয়ার কোন গ্রিল্ড চিকেনে ঠিকঠাক কামড় বসাতে না পারলে আমার কথা তার মনে পড়বেই।

যাই হোক,
দুই দিন আগে ইঞ্জেকশন দিতে গিয়ে আমার হাতে রোগীর ব্যবহৃত সিরিঞ্জ এর দূর্ঘটনা বশতঃ গুতা খেয়েছি..

আমার রিস্ক হল,
আপনার শরীরে কোন প্রানঘাতী ভাইরাস থাকলে সেটা আমার কাছেও ছড়িয়ে আমাকে মারবে।

প্রতিনিয়তই এসব রিস্ক মাথায় নিয়ে সেবা দিচ্ছে হাজার হাজার হাজার গ্রাজুয়েট ডেন্টাল সার্জন।

অথচ দাঁত তোলাকে সামান্য জিনিস বানিয়ে অবলীলায় বলেন ফেলেন,

"সামান্য একটা দাঁত তুলতে পাঁচশ নিবেন?"

আপনি জানবেনও না রিস্কের গল্প,চেম্বারের ক্ষয়ে ক্ষয়ে আসা দামী দামী বিদেশী যন্ত্রপাতির গল্প,টপটপ করে কপাল বেয়ে নেমে আসা ঘামের গল্প..

দাঁড়িয়ে স্যালুট তামাম ডেন্টিস্টদের..

এত অবহেলা অনাদরের পরেও ঘাম ঝরিয়ে সেবা দিয়ে যাবার জন্য.. সব গল্প সবায় নাইবা জানুক.. আপনি শুধু দিনশেষে পাঁচ সেকেন্ড নিজের শ্বাস টা টেনে নিয়ে পাঁচ সেকেন্ডে ছেড়ে দিয়ে গর্বের সাথে বলুন,

"আমি একজন ডেন্টাল সার্জন"
(ডাঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ)

21/04/2016

অবহেলা বা অযথা ভয় করে অনেকেই দাঁতের রোগ পুষে রাখেন। পরে দাঁতের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে ডেন্টাল চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। দাঁতের অবস্থা তখন এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, দাঁত তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আক্কেল দাঁত সঠিকভাবে না উঠে ব্যথার স্থানে প্রদাহের সৃষ্টি করলেও ওই দাঁতকে সার্জারির মাধ্যমে তুলে ফেলতে হয়।
দাঁত তোলার পর ব্যথা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করে। কখনও এ ঘটনার ব্যতিক্রম ঘটে। দাঁত তোলার দুই থেকে তিন দিন পর ব্যথার তীব্রতা বাড়তে পারে। ৩ থেকে ৪ শতাংশ রোগীর এ ধরনের সমস্যা হতে পারে, তখন ধরে নেয়া যায় রোগীর ‘ড্রাই সকেট’ হয়েছে। এ সমস্যায় দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
কেন হয় : দাঁত তোলার পর গর্তস্থানে রক্ত জমাট বেঁধে উন্মুক্ত হাড় ও স্নায়ুকে ঢেকে দেয়। ফলে ক্ষতস্থান স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কোনো কারণে ওই স্থানের জমাট বাঁধা রক্ত সরে গেলে বা গলে গেলে মাঢ়ি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। তখন বাতাস, খাদ্যকণা ও জীবাণু সহজেই ওই স্থানকে আক্রান্ত করে ‘ড্রাই সকেট’ তৈরি করে।
কখন হয়
* যারা ধূমপান করেন- ধূমপান ক্ষত সারাতে ও রক্ত সঞ্চালনে বাধা দেয়। সিগারেট টানার কারণেও ক্ষতস্থান থেকে জমাট বাঁধা রক্ত সরে যেতে পারে।
* ডাক্তারের পরামর্শ মেনে না চললে- দাঁত তোলার ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত জোরে জোরে কুলি করা যাবে না, গরম তরল খাবার খাওয়া যাবে না, মুখের মধ্যে লেগে থাকা খাবার যেমন বাদাম, বিস্কুট, পাস্তা প্রভৃতি খাওয়া যাবে না, ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে, ঘন ঘন থুথু ফেলা যাবে না ইত্যাদি।
* দীর্ঘদিনের অসুখ যেমন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, রক্তস্বল্পতা, অপুষ্টি।
* মহিলারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল সেবনে করলে।
* মুখ পরিষ্কারে উদাসীনতা।
* দাঁতের অবস্থান অস্বাভাবিক হওয়ায় জটিল পদ্ধতিতে দাঁত তোলা।
* প্রথম ৪৫ ঘণ্টায় সতর্কতার অভাবে খাদ্যকণা ক্ষতস্থানে ঢুকিয়ে ফেলা।
* ডাক্তারের পরামর্শের বাইরে তুলো বা গজ বেশিক্ষণ মুখে রাখা।
চিকিৎসা : ‘ড্রাই সকেট’ চিকিৎসায় রোগী সাধারণত ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। চিকিৎসক বিশেষ পদ্ধতিতে উন্মুক্ত ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে বিশেষ ওষুধ মেশানো প্রলেপ দিয়ে দিলে ব্যথা কমতে ও ক্ষতস্থান শুকাতে শুরু করে। চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট সময় পরপর ক্ষতস্থান পর্যবেক্ষণ করাতে হবে। ব্যথানাশক ওষুধসহ জীবাণু ধ্বংসকারী মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে।

আপনার ডাক্তার সাহেব সত্যিই 'ডাক্তার' কিনা, সেটা হাতেনাতে যাচাই করে নিন। বিএমডিসি'র সাইটে 'ডাক্তার' কিনা, সেটা হাতেনাতে য...
05/04/2016

আপনার ডাক্তার সাহেব সত্যিই 'ডাক্তার' কিনা, সেটা হাতেনাতে যাচাই করে নিন। বিএমডিসি'র সাইটে 'ডাক্তার' কিনা, সেটা হাতেনাতে যাচাই করার লিঙ্ক
http://bmdc.org.bd/doctors-info/

Address: # 203, Shaheed Sayed Nazrul Islam Sarani (86, Bijoy Nagar), Dhaka-1000, Bangladesh. Telephone: +88-02-9555236, +88-02-9586727 FAX: +880-2-9555236 E-mail: [email protected], [email protected]

Address

Didar Market, 321 Nabab Siraj Ud Daula Road
Chittagong
4000

Opening Hours

Wednesday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Thursday 17:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Sunday 17:00 - 22:00

Telephone

+8801845805147

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Care & Cure Dentistry posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Care & Cure Dentistry:

Share