ANIK Dental Care

ANIK Dental Care অনিক ডেন্টাল কেয়ার,চট্টগ্রাম,বিডিএস ডাক্তার দ্বারা পরিচালিত আধুনিক চেম্বার।

01/01/2026

পূর্ণতা বয়ে নিয়ে আসুক ২০২৬
Happy New Year 2026

ANIK Dental Care

চলুন জেনে নিই স্কেলিং সম্পর্কেআজকাল প্রায় প্রত্যেকেই কম বেশি স্কেলিং’ (রোগীর ভাষায় দাঁত ওয়াশ)নামটির সাথে পরিচিত। আর এ...
03/09/2025

চলুন জেনে নিই স্কেলিং সম্পর্কে

আজকাল প্রায় প্রত্যেকেই কম বেশি স্কেলিং’ (রোগীর ভাষায় দাঁত ওয়াশ)নামটির সাথে পরিচিত। আর এই পরিচিতি ঘটেছে দন্ত চিকিৎসার দ্রুত অগ্রগতির কারণেই। আবার অনেকেই ‘দাঁত ওয়াশ’ করা নামেও পরিচিত। তবে সুন্দরতম এবং সঠিক ভাষা হলো দাঁত স্কেলিং করা।

#স্কেলিং_কী?

প্রতিবার খাবার পর আমাদের দাঁতের গায়ে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যকণা জমে থাকে, একে বলা হয় ডেন্টাল প্লাক। এই ডেন্টাল প্লাক যখন পরিষ্কার করা হয় না, তখন মুখের ভেতর অবস্থিত লালা এবং অন্যান্য জৈবিক রসের সমন্বয়ে তা জমে কঠিন আকার ধারণ করে পাথরে পরিণত হয়। দাঁতের এই পাথর দাঁত এবং মাড়ির মাঝে জমতে শুরু করে। দাঁতের এই পাথর যে পদ্ধতিতে অপসারণ করা হয় তাকে স্কেলিং বলা হয়।

প্রাথমিক অবস্থায় দাঁতের পাথর হাল্কা হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে, পরবর্তীতে এই পাথর কালচে বর্ণের হতে পারে। দাঁতের পাথর যেহেতু দাঁত ও মাড়ির মাঝে জমতে শুরু করে, তাই ধীরে ধীরে দাঁত এবং মাড়ির মধ্যকার দূরত্ব বাড়তে থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় দাঁত আমাদের চোয়ালের মধ্যস্থিত হাড়ের মাঝে পেরিওডেন্টাল লিগামেন্ট নামক বিশেষ ধরনের যোজক কলার মাধ্যমে ধারণ করা থাকে। কিন্তু যখন দাঁতের পাথর জমা আরো বেড়ে যায় এবং এর কোনো চিকিৎসা নেয়া হয় না, তখন দাঁত ধীরে ধীরে তার যোজককলাকে হারাতে থাকে এবং একটা সময় আসে যখন দাঁত নড়তে শুরু করে। এর পর দাঁতটি পড়ে যায়।

স্কেলিং হলো সেই পদ্ধতি, যার মাধ্যমে দাঁতের অবাঞ্ছিত পাথর দূর করা হয়। স্কেলিংয়ের মাধ্যমে দাঁতের কিছু অবাঞ্ছিত দাগও দূর করা সম্ভব। স্কেলিং করার জন্য বিশেষ রকমের আধুনিক স্কেলার মেশিন ব্যবহার করা হয়। স্কেলিং করার পর পলিশিং করা হয়। কারণ স্কেলিং করার ফলে দাঁতের বাইরের আবরণ অমসৃণ হয়ে যায়। তাই পলিশিং করলে তা মসৃণ হয়ে যায় এবং সেখানে দ্রুত পাথর জমা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। পলিশিং করা হয় বিশেষ রকমের পলিশিং পেস্ট এবং অত্যাধুনিক ব্রাশের মাধ্যমে।

স্কেলিং করলে দাঁতের ক্ষতি হয় না। অনেকেই মনে করেন, স্কেলিং করলে দাত ফাঁকা হয়ে যায়। আসলে এটি ব্যক্তি রোগীর ভুল ধারণা। আসল কথা হলো- দাঁতে পাথর জমার ফলে এক দু’দাঁতের মধ্যবর্তী স্থান এবং দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলের যে স্বাভাবিক ফাঁকা স্থান থাকে, তা পাথরের মাধ্যমে ভরাট হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে দূরত্ব বাড়তে থাকে। যখন স্কেলিং করা হয়, তখন পাথরগুলো সরে যাওয়ার ফলে হঠাৎ করে জায়গাগুলো ফাঁকা মনে হয়। আর কিছুই নয়।

স্কেলিং দাঁতের ক্ষতি করে না, বরং দাঁতের সৌন্দর্য রক্ষায় স্কেলিংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
তাই দাঁত ও মাড়ির সুস্থতা বজায় রাখতে বছরে দু'বার বা অন্তত এক বার স্কেলিং করানো উচিত।
তবে একটি কথা হলো, যার তার কাছে স্কেলিং না করিয়ে অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের মাধ্যমে স্কেলিং করাই সর্বোত্তম।

আপনার মুখ ও দাঁতের যত্ন নিন , সুস্থ থাকুন।

ANIK Dental Care -Ctg branch

যোগাযোগ:- 01727-312869

 #টাইফয়েড_টিকা শিশু-কিশোরদের জন্য টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পিছিয়ে ১২ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে।...
20/08/2025

#টাইফয়েড_টিকা

শিশু-কিশোরদের জন্য টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পিছিয়ে ১২ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলনের কারণে, প্রস্তুতি গ্রহণে দেরি হওয়ায় কর্মসূচি পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৬ আগস্ট) সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ব্যবস্থাপক ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলন চলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে দেরি হয়েছে। তাই টিকাদান কর্মসূচি পিছিয়ে ১২ অক্টোবর ঠিক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রোববার (১৭ আগস্ট) নতুন এই সিদ্ধান্ত জানাতে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ১৮ কর্মদিবস টিকাদান কর্মসূচি চলবে। প্রথম ১০ কর্মদিবস বিভিন্ন বিদ্যালয়ে, পরের ৮ কর্মদিবস টিকাদান কেন্দ্রে দেওয়া হবে এই টিকা।

"অনিক ডেন্টাল কেয়ার" এর পক্ষ হতে সবাইকে জানাই ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।  সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।  শুভেচ্ছায়ঃ...
06/06/2025

"অনিক ডেন্টাল কেয়ার" এর পক্ষ হতে সবাইকে জানাই ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।

ঈদ মোবারক।

সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

শুভেচ্ছায়ঃ-

★ডা. আতাউর রহমান খান অনিক
★ ডা.নিশাত তাসনিম মিশু

ANIK Dental Care

অনিক ডেন্টাল কেয়ারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। 💐💐💐
30/03/2025

অনিক ডেন্টাল কেয়ারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই

ঈদ মোবারক। 💐💐💐

আপনার এবং আপনার পরিবারকে জানাই, পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা 🌙 মহিমান্বিত এই মাসটি আমাদের আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি করুক ✨
01/03/2025

আপনার এবং আপনার পরিবারকে জানাই,
পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা 🌙
মহিমান্বিত এই মাসটি আমাদের আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি করুক ✨

 #জনগনের_জন্য_সতর্কতা_মূলক_বিজ্ঞপ্তি  সবাই সাবধানে চলাফেরা করুন।
10/01/2025

#জনগনের_জন্য_সতর্কতা_মূলক_বিজ্ঞপ্তি

সবাই সাবধানে চলাফেরা করুন।

অনিক ডেন্টাল কেয়ার চট্টগ্রাম ব্রাঞ্চের পক্ষ থেকে সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। 🇧🇩
15/12/2024

অনিক ডেন্টাল কেয়ার চট্টগ্রাম ব্রাঞ্চের পক্ষ থেকে সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
🇧🇩

অনিক ডেন্টাল কেয়ারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। 💐💐💐
10/04/2024

অনিক ডেন্টাল কেয়ারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। 💐💐💐

Be Careful....
09/04/2024

Be Careful....

 #শিশুর_দাঁত_ওঠাপ্রতিটি বাবা-মা ই কবে তার শিশুটির দাঁত উঠবে, কবে সেই সুন্দর দাঁতের হাসি দেখবে তা নিয়ে আকুল আগ্রহে থাকে।...
28/12/2023

#শিশুর_দাঁত_ওঠা

প্রতিটি বাবা-মা ই কবে তার শিশুটির দাঁত উঠবে, কবে সেই সুন্দর দাঁতের হাসি দেখবে তা নিয়ে আকুল আগ্রহে থাকে। মনে রাখতে হবে শিশুর দাঁত উঠার একটা নির্দিষ্ট সময় থাকলেও তা একদম ক্যালেন্ডার ধরা সময় নয়।এর কিছুটা এদিক ওদিক হতে পারে।

শিশুর প্রথম যে দাঁত উঠে তাকে বলা হয় দুধ দাঁত (Decidual teeth or primary teeth)।

একেক স্থানের দাঁত একেক সময় উঠে, তেমনি একেক স্থানের দাঁত এক সময় পড়ে যায়।

বেশীরভাগ বাচ্চারই ৪-৭ মাসের মধ্যে প্রথম দাঁত দেখা যায়।কিছু কিছু বাচ্চার ৩ মাসের মাথায় দাঁত উঠতে পারে আবার কারও ১ বছর বা তার কিছু বেশী সময়ও লাগতে পারে।(অল্প কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চার জন্মের সময়ই দাঁত দেখা যেতে পারে!)। শিশুদের দুধদাঁত ছয় মাস বয়স থেকে মুখে গজাতে শুরু করলেও এর মূল ভিত্তি তৈরি হয় মাতৃগর্ভে থাকার সময়ে, যখন মা ছয় থেকে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকেন।বাচ্চার দাঁত একটি একটি করে উঠতে পারে আবার বেশ কয়েকটি একসাথেও উঠতে পারে। বাচ্চার সব দাঁত সোজা হয়ে নাও উঠতে পারে। কিন্তু তাতে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। আস্তে আস্তে এটা ঠিক হয়ে যায়।

মানুষের দুধ দাঁত থাকে- ২০ টি।বাচ্চার তিন বছর বয়সের মধ্যে সাধারনত ২০ টি দুধ দাঁতই উঠে যায়। সাধারণত ছয় বছর বয়সের দিকে এই দুধদাঁত পড়তে শুরু করে এবং এর জায়গায় নতুন স্থায়ী দাঁত ওঠে। মেয়েদের দাঁত সাধারণত ছেলেদের আগেই পড়ে। ১২ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে সব দাঁত পড়ে গিয়ে আবার ওঠারউ কথা।শিশুর বয়স ১৮ মাস হওয়ার পরও যদি দাঁত না ওঠে তাহলে ডেন্টাল সার্জন এর পরামর্শ নিতে হবে।

দাঁত ওঠার সময় যে লক্ষনগুলো সবচেয়ে বেশী সমস্যায় ফেলে সেগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

১।মুখ থেকে লালা পড়া ( এর থেকে মুখে লাল দাগ পড়ে যেতে পারে)

২।মাড়ী ফোলা এবং স্পর্শকাতরতা কামড়ানো

৩।অকারনে রাগ অথবা অস্থিরতা।

৪।দাঁত ওঠার সময় বাচ্চাদের মুড একেবারেই ভালো থাকে না। সেই সময় তাদের বার বার মাথা চুলকাতে দেখা যায়। এমনকি চোখ চুলকে নিজেদের অস্বস্তি প্রকাশ করে তারা।

৫।এই সময় বাচ্চাদের খাবার ইচ্ছে চলে যায়। তাদের দাঁতের মাড়িতে ব্যথা হয়। সেই কারণেই বাচ্চা খেতে চায়না।

৬।ব্যথা আর শিরশিরানির জন্য বার বার ঘুম ভেঙে যায় বাচ্চাদের। সেই কারণে তাদের ঘুম খুব কম হয়। অনেক সময় দাঁত ওঠার আগে মাড়িতে ইনফেকশন হয়ে যাওয়ার ফলেও ব্যথা হয়। যার কারণে বাচ্চাদের ঘুম ভেঙে যায়।

নিচের মাড়িতে, মাঝের দাঁত প্রথমে ওঠে, এরপর ক্রমান্বয়ে অন্যান্য দাঁত ওঠা শুরু করে। যেহেতু এটি মাড়ি ফুঁড়ে বের হয়, তাই দাঁত ওঠার সময় মাড়ি ফুলে যেতে পারে। কখনো কখনো কিছু দাঁত উঠার সময় তা বেশ যন্ত্রণাদায়ক হয়, বিশেষ করে পিছনের দাঁত ওঠার সময়। পিছনের দাঁত বেশি জায়গা নিয়ে ওঠে, তাই এই সময় শিশুরা বেশি কষ্ট পায়। এটি স্বাভাবিক, ঘাবড়াবার কিছু নেই। একে সহজভাবে নিতে হবে। অনেক শিশুর কোন সমস্যাই হয় না, আবার কারোর সামান্য সমস্যা হয়, আবার চলেও যায়।

দাঁত ওঠার সময় জ্বর আসা, ডায়রিয়া বা সর্দি স্বাভাবিক। দাঁত ওঠার সময় ডায়রিয়ার হতে পারে। শিশুর অতিরিক্ত লালা তার অন্ত্রে গিয়ে জমা হয় এবং পায়খানাকে নরম করে ফেলে।

আসলে দাঁত ওঠার সঙ্গে ডায়ারিয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু, দাঁত ওঠার সময় বাচ্চাদের মাড়ি খুব শিরশির করে। যার ফলে তারা বিভিন্ন জিনিস মুখে দেয়। আর এই কারণেই তাদের পেটে ইনফেকশন হয়। যার ফলে ডায়ারিয়ার সমস্যা দেখা দেয়।

মাড়ির যন্ত্রনার জন্য শিশু অল্প
জ্বরে ভুগতে পারে ( ১০১ ডিগ্রি ফারেন হাইটের কম)। শিশুর তাপমাত্রা যদি ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট অথবা তার বেশী হয় ( ৩ মাসের কম বয়সী শিশুর জন্য ১০০.৪ ডিগ্রি অথবা তার বেশী) তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। ডাক্তার বলতে পারবেন তার লক্ষনগুলো কোন সংক্রমনের কারন কিনা যার জন্য ঔষধের প্রয়োজন পড়বে। আপনার শিশুর পায়খানা যদি নরম হয়, ডায়রিয়া না হলে, ঘাবড়াবার কিছু নেই। এটা এমনিতেই সেরে যাবে।

বাচ্চার দাঁত ওঠার সময় আরাম দেয়া যায় ওর জন্য নন টক্সিমেটেরিয়ালের তৈরি টিদার কিনতে পারেন। অনেক টিদারের ভেতরে লিকুইড ভরা থাকে, এগুলো কিছু সময় ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা হলে শিশুকে দিন। ঠাণ্ডা স্থানে কামড় বসালে শিশুর আরাম লাগবে।

পরিষ্কার আঙুল মুখে শিশুর মুখে দিতে পারেন যাতে শিশু কামড় দিতে পারে। মাড়িতে মৃদু চাপ দেয়া যেতে পারে, এতে শিশু আরাম বোধ করবে।অথবা পরিষ্কার কাপড়ের টুকরা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে মুখে দেয়া যেতে পয়ারে, যাতে শিশু তাতে কামড় দিতে পারে।

দাঁত ওঠার সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত-

১।দাঁত ওঠার সময় শিশুরা এটা-ওটা কামড়াতে চায় বলে অনেক মা শিশুর মুখে চুষনি দিয়ে রাখেন। এ চুষনি বা খেলনা
দিয়া ঠিক না।

২।বাচ্চাদের হাত বা খেলনা সবসময় পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানিতে ধুয়ে রাখা উচিত।

৩।অনেককিছু মুখে দেয়ার কারনে মুখ দিয়ে লালা পড়ে। মুখমুছে দিতে হবে তা না হলে মুখে র‍্যাশ হতে পারে।

দাঁত উঠতে দেরি হলে দুশ্চিন্তা না করে সরাসরি ডেন্টাল সার্জন এর কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া উচিত।

Address

Moor Ali Baper Jame Masjid, Kala Mia Bazar, Mia Khan Road, Chattogram
Chittagong
4203

Opening Hours

Monday 11:30 - 13:00
17:00 - 22:00
Tuesday 11:30 - 13:00
17:00 - 22:00
Wednesday 11:30 - 13:00
17:00 - 22:00
Thursday 17:00 - 22:00
Saturday 17:00 - 22:00
Sunday 11:30 - 13:00
17:00 - 22:00

Telephone

+8801727312869

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ANIK Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ANIK Dental Care:

Share

Category