Maria Dental Care

Maria Dental Care We care the patients with our best efforts.

প্রসঙ্গঃ রোজা অবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা নেয়াপ্রশ্ন: রোজাদারের জন্য কি দন্ত-চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জায়েয আছে? আমার দাঁতের চ...
31/03/2022

প্রসঙ্গঃ রোজা অবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা নেয়া

প্রশ্ন: রোজাদারের জন্য কি দন্ত-চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জায়েয আছে? আমার দাঁতের চিকিৎসা করা একান্ত জরুরী। আমি যদি রমজানের দিনের বেলায় রোজা রেখে দন্ত চিকিৎসকের কাছে যাই- এর হুকুম কি? যদি কোন কিছু গলার ভিতরে চলে যায় এবং আমি গিলে ফেলি?

উত্তর

আলহামদু লিল্লাহ।.

শাইখ আব্দুল আযিয বিন বাযকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যদি কোন ব্যক্তি দাঁতে ব্যথা নিয়ে দন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় এবং ডাক্তার তার দাঁতে স্কিলিং করে, অথবা ফিলিং করে অথবা কোন একটি দাঁত ফেলে দেয়- এতে করে কি তার রোজার ক্ষতি হবে? যদি ডাক্তার তার দাঁত অবশ করার জন্য ইনজেকশন দেয় সেক্ষেত্রে রোজার উপর এর কোন প্রভাব আছে কি?

উত্তরে তিনি বলেন: প্রশ্নে যা উল্লেখ করা হয়েছে তাতে রোজার উপর এর কোন প্রভাব নেই। বরং এটি করা যেতে পারে। তবে এ রোগীকে ঔষধ বা কোন কিছু গিলে ফেলা থেকে সাবধান থাকতে হবে। অনুরূপভাবে যে ইনজেকশনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে রোজার শুদ্ধতার ক্ষেত্রে সেটারও কোন প্রভাব নেই। যেহেতু এ ইনজেকশন পানাহারের পর্যায়ে পড়ে না এবং যেহেতু রোজাভঙ্গকারী কিছু সাব্যস্ত না হলে রোজা শুদ্ধ হওয়াটাই মূল বিধান।( সমাপ্ত)

[আজওয়িবা মুহিম্মা তাতাআল্লাকু বি আরকানিল ইসলাম]

আর যদি রাতের বেলায় ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয় তাহলে সেটাই ভাল।

আল্লাহই ভাল জানেন।

সূত্রঃ ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

https://islamqa.info/bn/answers/13767

__________

রোজা অবস্থায় এক্সট্রাকশন বা ফিলিং সম্পর্কেঃ

রোযা অবস্থায় অবশকরণ ইনজেকশন দেয়া ও দাঁত স্কেলিং করা কিংবা দাঁত ফিলিং করা বা তুলে ফেলার হুকুম কি?

প্রশ্ন

যদি কারো দাঁতে ব্যথা হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয় এবং ডাক্তার তার দাঁত স্কেলিং করে কিংবা ফিলিং করে কিংবা কোন একটি দাঁত তুলে ফেলে— এগুলো কি তার রোযার ওপর কোন প্রভাব ফেলবে? যদি ডাক্তার তার দাঁতকে অবশ করার জন্য কোন ইনজেকশন দেয় সেটা কি তার রোযার ওপর কোন প্রভাব ফেলবে?

উত্তর

আলহামদু লিল্লাহ।.

প্রশ্নে যে বিষয়গুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে রোযার শুদ্ধতার ওপর এসব কর্মের কোন (নেতিবাচক) প্রভাব নেই। বরং এগুলো ক্ষমার্হ। তবে তাকে সাবধান থাকতে হবে যাতে করে কোন ঔষধ বা রক্ত যেন গিলে না ফেলে। অনুরূপভাবে উল্লেখিত ইনজেকশনেরও রোযার শুদ্ধতার ওপর (নেতিবাচক) কোন প্রভাব নেই। যেহেতু এ ধরণের ইনজেকশন পানাহারের আওতায় পড়ে না। মূলবিধান হলো—রোযার শুদ্ধতা।[উদ্ধৃতি সমাপ্ত]

মাননীয় শাইখ আব্দুল আযিয বিন বায (রহঃ)

মাজমুউ ফাতাওয়া ও মাকালাত মুতানাওয়িআ (১৫/২৫৯)

সূত্রঃ ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

https://islamqa.info/bn/106495

______

লোকাল এ্যানেসথেসিয়ার কারণে কি রোযা ভাঙ্গবে?

প্রশ্ন

অ্যানেসথেসিয়া ইনজেকশনের কারণে কি রোযা ভাঙ্গবে?

প্রশ্ন

অ্যানেসথেসিয়া ইনজেকশনের কারণে কি রোযা ভাঙ্গবে?

উত্তর

আলহামদু লিল্লাহ।.

আলহামদুলিল্লাহ।

লোকাল এ্যানেসথেসিয়া (শরীরের অংশবিশেষ অবশকরণ) ইনজেকশন দিলে রোযা ভাঙ্গবে না। যেহেতু এটি পানাহার নয় কিংবা পানাহারের স্থলাভিষিক্তও নয়।

শাইখ ইবনে উছাইমীন (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: রমযানের দিনের বেলায় দাঁত অবশ করার জন্য যে এ্যানেসথেসিয়া দেয়া হয় সে সম্পর্কে? জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এ্যানেসথেসিয়া গ্রহণ করলে সে দিনের রোযা কি কাযা পালন করতে হবে?

জবাবে তিনি বলেন: না; কেননা এ্যানেসথেসিয়া রোযা ভঙ্গ করে না। লোকাল এ্যানেসথেসিয়া যে স্থানে দেয়া হয় শুধু সে স্থানটিকে অবশ করে; এটি পাকস্থলিতে পৌঁছে না। সুতরাং কেউ নফল রোযাদার হন কিংবা ফরয রোযাদার হন তিনি যদি এ্যানেসথেসিয়া গ্রহণ করেন তার রোযা শুদ্ধ।[ফাতাওয়া নুরুন আলাদ-দারব থেকে সংকলিত]

দেখুন: ফাতাওয়াস শাইখ বিন বায (১৫/২৫৯)

কিন্তু, জেনারেল এ্যানেসথেসিয়া (পুরোপুরি অজ্ঞান করা) প্রয়োগ করা হলে এবং এতে রোগী গোটা দিন সম্পূর্ণ অজ্ঞান থাকলে তার উপর সে দিনের রোযা কাযা পালন করা আবশ্যক হবে।

ইবনে কুদামা (রহঃ) বলেন: “যদি কেউ সম্পূর্ণ দিন অজ্ঞান অবস্থায় থাকে; কিছু সময়ও সজ্ঞান অবস্থায় না কাটায় তাহলে আমাদের ইমাম ও শাফেয়ির অভিমত অনুযায়ী তার রোযা শুদ্ধ হবে না।” এরপর বলেন: “অজ্ঞান ব্যক্তি যদি দিনের অংশ বিশেষে জ্ঞান ফিরে পান, দিনের প্রথমাংশে হোক কিংবা শেষাংশে হোক তাহলে তার রোযা শুদ্ধ হবে।”[আল-মুগনি (৩/১২)]

এ আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, রোযাদার যদি দিনের বেলায় এ্যানেসথেসিয়া ইনজেকশন গ্রহণ করে তবুও তার রোযা শুদ্ধ হবে। এ ইনজেকশন নেয়ার কারণে তার রোযা বাতিল হবে না। আর যদি এ ইনজেকশন ফজরের আগে গ্রহণ করে এবং ইনজেকশনের প্রভাবে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায় তাহলে তার ঐ দিনের রোযা শুদ্ধ হবে না।

আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন।

সূত্রঃ ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

https://islamqa.info/bn/95062

_____

ডেন্টাল প্রসিডিওর এর সময় ব্লিডিং হওয়া প্রসংগেঃ

প্রশ্ন:

রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে বা সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করলে রোজা ভেঙ্গে যায় কি না? অনেকের দাঁতের সমস্যা থাকে। রোজা অবস্থায় দাঁত দিয়ে রক্ত বের হলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

উত্তর:

শরীর থেকে রক্ত বের হলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না এবং সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করলেও রোজা ভাঙ্গে না। তবে ইচ্ছা করে এ পরিমাণ রক্ত দেওয়া ঠিক নয়, যার কারণে রোজা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলার আশংকা হয় বা রোজা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। আর দাঁত থেকে রক্ত বের হওয়া রোজা ভঙ্গের কারণ নয়। তবে রোযা অবস্থায় রক্ত বের হলে তা যেন গলায় চলে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কেননা গলায় রক্তের স্বাদ পাওয়া গেলে রোজা ভেঙ্গে যাবে।

আরও দেখুন:

খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২৫৪;

ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৩;

ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৪/৯৮;

আদ্দুররুল মুখতার ২/৩৯৬



উত্তর দিয়েছেন: মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

সম্পাদক, মাসিক আলহেরা (আরবি ম্যাগাজিন)

মুহাদ্দিস, জামিয়া রহমানিয়া সওতুল হেরা, টঙ্গী, গাজীপুর।

প্রশ্ন: রোজাদারের জন্য কি দন্ত-চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জায়েয আছে? আমার দাঁতের চিকিৎসা করা একান্ত জরুরী। আমি যদি র....

28/07/2021
টুথব্রাশের যত্নঃ জানি কিন্ত মানি না!দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিশগুলোর মধ্যে আপনি বেশী সম্পর্কযুক্ত আপনার টুথব্রাশের সাথে অর্...
07/07/2021

টুথব্রাশের যত্নঃ জানি কিন্ত মানি না!
দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিশগুলোর মধ্যে আপনি বেশী সম্পর্কযুক্ত আপনার টুথব্রাশের সাথে অর্থাৎ আপনার জামা জুতা বা পরিধেয় যাহা কিছুই ব্যবহার করেন না কেন একমাত্র টুথব্রাশ ছাড়া আর কোন কিছুই একটাই দিনে দুইবার প্রতিদিন করে মাসের পর মাস ব্যবহার করেন না। খ্রীষ্টপূর্ব প্রায় কয়েক হাজার বছর পুর্ব থেকেই মানুষ ব্রাশের পুর্বসরী হিসেবে দাতের যত্নে গাছের ডাল, পাখির পালক, পশুর লোম ইত্যাদি ব্যবহার করে আসতো। সময়ের ব্যবধানে ও কালের বিবর্তনে টুথব্রাশে কৃত্রিম তন্তু বা সিনথেটিক ফাইবার ব্যবহার করে টুথব্রাশকে আজ এপর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
আধুনিক যুগে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে টুথব্রাশেও এসেছে নানান পরিবর্তন, যারা সিনথেটিক ব্রাশ পছন্দ করেন না তাদের জন্য এসেছে ন্যাচারাল উপাদানে তৈরী পরিবেশবান্ধব টুথব্রাশ।ম্যানুয়েল ব্রাশের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে মোটর চালিত ইলেকট্রিক টুথব্রাশ। গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে সতর্কভাবে ব্যবহার করলে ম্যানুয়াল টুথবাশ থেকে ইলেকট্রিক টুথব্রাশ বেশী কার্যকর তবে ম্যানুয়াল টুথব্রাশ ব্যবহার করাটা অনেক বেশি নিরাপদ। যারা শারীরিক বা মানুষিক ভাবে কিছুটা কম্প্রমাইজড তাদের জন্য ইলেকট্রিক টুথব্রাশ বেশী উপকারী। আজকাল ইলেকট্রিক টুথব্রাশে নানা ধরনের উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যায়। ব্যকটেরিয়াকে দূরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে উন্নতমানের ব্রিসেল। কোন কোন ব্রাশে থাকছে এনড্রয়েট প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ডিসপ্লেসহ ডুয়াল-প্রো ব্রাশিং মুড ও অটো টাইমার। কুইক, স্ট্যান্ডার্ড ও জেন্টল মুডে দাঁত ব্রাশ করা যায় যাবে। অটো টাইমার মুডে প্রয়োজনমত অথবা প্রতি ৩০ সেকেন্ড অন্তর স্বয়ংক্রিয় ভাবে শব্দ করে অন্যদিকে ব্রাশ করার কথা মনে করাতে টুথব্রাশ বন্ধ হয়ে যাবে। আপনার নির্ধারিত সময়ে এলার্ম দিয়ে আপনাকে ব্রাশ করার কথা স্বরন করিয়ে দেয়ার মত অপশনও আছে আনেক ব্রাশে। বাচ্চদের কিছু টুথব্রাশ আছে যেখানে আপনাকে টুথব্রাশিং গানও শোনাবে।
সাধারন ভাবে বলতে গেলে ছোট মাথার নরম ব্রাশ দাঁত পরিস্ক্বারের জন্য বেশী কার্যকরী এবং প্রতি তিন/চার মাস পর পর অবশ্যই ব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে যে গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে টুথ ব্রাশ অতি প্রয়োজনীয় ও নিত্য ব্যবহার্য্য হলেও কোন এক অদ্ভুত কারনে কোথাও বেড়াতে যাবার সময় ভুল করে রেখে যাওয়া জিনিষের তালিকায় এক নাম্বারেই থাকে টুথব্রাশ।
টুথব্রাশ আমাদের দাতের যত্ন নেয় কিন্ত আমরা আনেকেই টুথ ব্রাশের যত্ন নিতে ভুলে যাই বা আবহেলা করি। আনেক সময় এই অবহেলাই মারাত্নক ক্ষতির কারন হতে পারে। আমরা রাতে ব্রাশ বেসিনের উপরে খোলা অবস্থায় রেখে দেই তাতে আনেকসময় সারারাত ধরে টুথব্রাশের উপর তেলাপোকা টিকটিকি বা অন্যান্য পোকামাকড়ের রাজত্ব চলতে থাকে ফলে আপনার ব্রাশটিতে মারাত্বক ভাবে জীবানুর ডিপোতে পরিনত হয়। আনেকে ব্রাশটি টয়লেটের মধ্যেই কোথাও রেখে থাকেন, প্রতিবার টয়লেট ফ্লাস করার পর মলমুত্র মিশ্রিত পানির এরোসল তৈরি হয় যাহা আনেকদুর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে আপনার ব্রাশটিকে নোংরা করে ফেলতে পারে। আপনি যখন সকালে টুথব্রাশটি মুখে দেন, তখন আপনি হয়তো জানেনই না এই ব্রাশটিতে কী লেগে আছে, এখান থেকেই আপনার মুখে জীবানুর সংক্রমণ হয়ে দাঁত, মাড়ি ও অন্যান্য রোগ ব্যাধি হতে পারে।যারা প্রায়ই পেটের পীড়ায় ভোগেন কিন্ত কারন হিসেবে তেমন কিছু পাচ্ছেন না তারা এখন থেকে নোংরা টুথব্রাশ কেও কারন হিসেবে খোজার চেস্টা করুণ।

টুথব্রাশের যত্নে করণীয়ঃ

দাঁত ব্রাশের পর ব্রাশটিকে প্রবাহমান পানি দিয়ে ভালভাবে পরিস্ক্বার করে অতিরিক্ত পানি ঝেড়ে ফেলে শুকিয়ে নিয়ে কোন বাক্সে উঠিয়ে রাখুন। তবে ভিজা অবস্থায় বাক্সে রাখবেন না, ভিজা অবস্থায় রাখলে আরো বেশী জীবানুর বংশ বৃদ্ধি হতে পারে।

যারা মেডিক্যাল্লি কম্প্রমাইজড অর্থাৎ সহজে জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুকির মধ্যে আছেন বা ক্যন্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগসহ বিভিন্ন রোগ থাকলে ব্রাশটিকে জীবাণুনাশক তরল পদার্থে ডুবিয়ে রাখুন ও তারপর ধুয়ে শুকিয়ে বাক্সে উঠিয়ে রাখুন।

খোলা অবস্থায় পরিবারের সবার ব্রাশ একই ব্রাশদানী বা ড্রয়ারের ভিতর রাখবেন না। ব্রাশ করার পরে ধোয়ার পর শুকানোর মত সময় বা ধোর্য্য না থাকলে একটা কাপড় দিয়ে পেচিয়ে রাখুন অথবা আলো বাতাস চলাচল করতে পারে এমন সুক্ষ ছিদ্রযুক্ত বক্সে খাড়াভাবে রাখুন।

টুথ ব্রাশকে বাথরুমের বাইরে কোথাও সংরক্ষন করুন, প্রতিদিন সম্ভব না হলেও সপ্তাহে দু একবার হালকা গরম পানি বা এন্টিসেপ্টিক দিয়ে ধোয়ার চেস্টা করুণ।বাজারে টুথব্রাশ জীবাণুমুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের এন্টিসেপ্টিক পাওয়া যায়।

টুথব্রাশ মুখের ভেতরের যাবতীয় ময়লা পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় বিধায় স্বাভাবিকভাবেই এতে নানা রকম ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস ও ছত্রাকে ভরপুর থাকে । তার অসুস্থ্যতা থেকে বিশেষ করে ভাইরাস বা ছত্রাক জনিত অসুস্থ্যতা থেকে সেরে উঠার পর টুথব্রাশটিও পরিবর্তন করে নিন।

A recent study conducted by the University of Health Sciences (SBÜ) in Istanbul suggests that people with poor oral hygi...
30/05/2021

A recent study conducted by the University of Health Sciences (SBÜ) in Istanbul suggests that people with poor oral hygiene are at greater risk of experiencing more severe COVID-19 symptoms and consequences.

25/05/2021
বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র জরুরী চিকিৎসা সেবা চালু রেখেছি। অবশ্যই যোগাযোগ করে আসতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে আমাকে ফোন করবে...
06/04/2021

বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র জরুরী চিকিৎসা সেবা চালু রেখেছি। অবশ্যই যোগাযোগ করে আসতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে আমাকে ফোন করবেন।০১৭১১০৫৪৩০৯

We care the patients with our best efforts.

01/03/2021
24/12/2020

স্কেলিং সম্ভবত ডেন্টাল প্রসিডিউরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম। এই পোস্টে আলোচনা করা হবে স্কেলিং কখন করা প্রয়োজন আর এ সম্পর্কিত ভুল কিছু ধারনা নিয়ে।

স্কেলিং কি?
স্বাভাবিক নিয়মেই খাবার পর কিছু খাবার দাঁত ও মাড়ির মাঝের খাঁজ, যেটাকে gingival crevice বলে,সেখানে আটকে যায়। নিয়মিত ঠিকভাবে ব্রাশ করলে সেটা চলেও যায়। কিন্তু যদি এই সামান্য খাবার এর অংশ লেগে থাকা অবস্থায় ব্রাশ না করা হয় তাহলে সেটা কিছুটা শক্ত হয়ে যায়।একে বলে প্লাক (plaque)। এই কিছুটা শক্ত হয়ে যাওয়া প্লাক এর কিছু অংশ পরবর্তীতে ব্রাশের সাথে উঠতে চায়না। আর প্রত্যেকবার এরকম একটু একটু প্লাক জমে শক্ত হয়ে তৈরি হয় ক্যালকুলাস(calculus)। সহজ বাংলায় পাথর।

এই ক্যালকুলাস যেভাবে আপনার ক্ষতি করে

দাঁত থেকে মাড়িকে আলাদা করে দেয় এবং দাঁতের সংবেদনশীল অংশ ডেন্টিন(dentine) উন্মুক্ত করে দেয়। ফলে ঠান্ডা, মিষ্টি ইত্যাদি খাবারে দাঁত শিরশির করে।
ক্যালকুলাসে থাকা ব্যাকটেরিয়া মাড়িতে প্রদাহ (inflammation) তৈরি করে। ফলে মাড়ি লালচে হয়ে যায় এবং ব্রাশ করার সময় বা শক্ত কিছুতে কামড় দিলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। মাড়ির প্রদাহ বেশি হলে কখনো কখনো এমনিতেও রক্ত আসতে পারে মুখে।
মুখে দুর্গন্ধ হয় যেটাকে Halitosis বলা হয়।
ক্যালকুলাস মাড়ির নীচের হাড়কেও ক্ষয় করে ফেলে ধীরে ধীরে। একসময় দাঁত নড়তে থাকে এবং একটা পর্যায়ে স্কেলিং এ আর তা ভালো হয় না। দাঁত ফেলে দিতে হয়।
এই ক্যালকুলাসকে পরিষ্কার করার প্রসেসের নামই হল স্কেলিং। এটি সাধারনত আল্ট্রাসনিক মেশিনে করা হয়।

স্কেলিং সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা
বছরে একবার/দুইবার স্কেলিং করতে হয়।
এটি ভুল ধারনা। স্কেলিং একমাত্র চিকিৎসক এর পরামর্শ মোতাবেক করতে হবে। অনেক ভালো ওরাল হাইজিন মেইনটেইন করেন এমন ব্যক্তির সাধারনত অনেক বছর পর (যদি কোন সমস্যা থাকে তবে) স্কেলিং করা লাগে। আর যিনি ওরাল হাইজিন এর প্রতি কেয়ারলেস তার স্কেলিং এর প্রয়োজন হবে বেশী। সহজ কথায়, চিকিৎসক যদি প্রয়োজন মনে করেন তবেই স্কেলিং এর জন্য বলেন। নিয়মিত ইন্টারভেলে স্কেলিং করানোর প্রয়োজন নেই।

স্কেলিং করলে দাঁত ফাকা হয়ে যায়
এটিও ভুল ধারনা। আসলে যখন ক্যালকুলাস সরে যায়, তখন ক্যালকুলাস এর দরুন দাঁত এর থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া মাড়ি পুনরায় স্বাভাবিক জাগায় আসতে কয়েকদিন সময় লাগে। এই সময় ঐ জায়গাগুলো জিহ্বায় ফাকা ফাকা মনে হয় এবং ঠান্ডা পানিতে দাঁত শিরশির করে। কয়েকদিন পরই যখন মাড়ি স্বাভাবিক জায়গায় চলে আসে তখন এই দাঁত ফাকা হয়ে যাবার অনুভূতি ঠিক হয়ে যায়।

স্কেলিং করলে দাঁতের ক্ষতি হয়
স্কেলার মেশিন এর মূল মেকানিজম হল আল্ট্রাসনিক ভাইব্রেশন। এবং স্কেলিং করার কিছু স্পেসিফিক নিয়ম আছে। হ্যাঁ, এসব নিয়ম না মেনে স্কেলিং করলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। তাই সবসময় দাঁত ও মুখের চিকিৎসায় বিডিএস ডিগ্রী সম্পন্ন ডাক্তার এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

স্কেলিং এ অনেক ব্যাথা পাওয়া যায়
এটা আরেকটি ভুল ধারনা। স্কেলার এর ভাইব্রেশনের জন্য স্কেলিং এর সময় শিরশির অনুভূতি হয়। তবে হ্যাঁ, ক্যালকুলাসের পরিমান যদি খুব বেশি হয় তবে স্কেলিং এর সময় বেশি শিরশির করতে পারে। তাই সময় মত স্কেলিং করানো উচিত। সমস্যা দেখা দিলেই, বা অন্তত বছরে একবার ডেন্টিস্ট এর কাছে চেক আপ করানো উচিত।

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকুন আর দাঁত ও মুখের যত্ন নিন।
From BDS cafe

Address

837 Mehedibag (Opposite To The Lucy Parlour)
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maria Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Maria Dental Care:

Share