তাজ ডেন্টাল কেয়ার

তাজ ডেন্টাল কেয়ার ফ্রী ডেন্টাল চেকআপ

22/06/2023

মাড়ি ফুলে যাচ্ছে বা মাড়ি থেকে রক্ত পরছে? কি করবেন-

Video Credit: Channel 24

16/06/2023

কোন দাঁত ফেলে দিতে হলে যা করতে পারেন -

Video Credit: Channel 24

*নিয়মিত দাঁতের যত্ন নিন* দাঁতের যত্নে কীভাবে নিবেন : প্রতিদিন সকালে নাশতার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করত...
02/06/2023

*নিয়মিত দাঁতের যত্ন নিন*


দাঁতের যত্নে কীভাবে নিবেন :

প্রতিদিন সকালে নাশতার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করতে হবে। প্রয়োজনে দুই দাঁতের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে অর্থাৎ ইন্টারডেন্টাল স্পেসে জমে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার করার জন্য ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে হবে।

Advertisement

কী ধরনের টুথব্রাশ ব্যবহার করবেন :

একটি নরম ফাইবারযুক্ত টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করবেন। টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার পর আপনার টুথব্রাশ পরিবারের সবার টুথব্রাশের সঙ্গে না রেখে আলাদা স্থানে রাখুন। একটি টুথব্রাশ প্রতি ২ থেকে ৩ মাস পর পর পরিবর্তন করা প্রয়োজন। টুথব্রাশের ব্রিসলগুলো যদি সোজা না থাকে অর্থাৎ বাঁকা হয়ে যায়, তখন সেই টুথব্রাশ আর কার্যকর থাকে না।

টুথপেস্ট :

একটি ভালো টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন। টুথপেস্ট পরিবর্তন করে ব্যবহার করা ভালো। আমাদের অনেকেরই ধারণা ফ্লোরাইড সব সময়ই উপকারী। আসলে কথাটি মোটেও ঠিক নয়। ফ্লোরাইড পাওয়া যায় পানি, খাবার এবং টুথপেস্টে। গবেষণায় দেখা যায়, অতিরিক্ত ফ্লোরাইড মাঝে মাঝে ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। যদিও এর পক্ষে জোরালো প্রমাণ নেই, তারপরও কোনো এলাকার পানিতে অতিরিক্ত ফ্লোরাইড থাকলে বোতলজাত পানি পান করতে পারেন এবং ফ্লোরাইডবিহীন টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত ফ্লোরাইডের কারণে দাঁতে ফ্লোরোসিস হয়ে থাকে। এর ফলে, সামনের দাঁতে সাদা অথবা বাদামি দাগ পড়তে পারে। ফ্লোরোসিস হলে আপনার দাঁত ভঙ্গুর হতে পারে। তবে মাঝে মাঝে ফ্লোরাইড আপনার দাঁতের জন্য উপকারী। মাত্রাতিরিক্ত ফ্লোরাইড যুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার এবং অতিরিক্ত ফ্লোরাইড সমৃৃদ্ধ পানি পান করবেন না।

দন্তক্ষয় হলে কী করবেন :

প্রতিদিন দাঁতের স্বাভাবিক যত্ন না নিলে দাঁতে দন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ হতে পারে। সূক্ষ্ম একটি দাঁতের ক্ষয় থেকে দাঁতের মজ্জা পর্যন্ত আক্রান্ত হয়ে মজ্জায় প্রদাহ সৃষ্টি করে। পর্যায়ক্রমে দাঁতের এ সংক্রমণ দাঁতের গোড়ার কোষে বিস্তৃতি লাভ করে। চিকিৎসা না নিলে খুব দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে হাড় পর্যন্ত ছিদ্র হয়ে যেতে পারে। সংক্রমণ মুখের কোষ বা কলায় বিস্তৃতি লাভ করে, যাকে ডাক্তারি ভাষায় স্পেস ইনফেকশন বলা হয়। শুধু ডেন্টাল ক্যারিজ নয় বরং ডেন্টাল সংক্রমণ থেকেও এমনটি হতে পারে।

করণীয় :

দাঁতের যত্নে এবং মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে অবশ্যই দিনে দুবার দাঁত ব্রাশ করতে হবে। ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করতে হবে। মিষ্টি এবং আঠালো কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যতটুকু সম্ভব বর্জন করতে হবে। কফি বা চা পানের পর একটু পানি মুখে দিয়ে কুলকুচি করে খেয়ে ফেললে মিষ্টি লালাযুক্ত তরল অংশ ওয়াশ আউট হয়ে যায়। বাচ্চাদের চকলেট মূল খাবারের যেমন লাঞ্চ বা ডিনারের আধঘণ্টা আগে দিলে খাবার গ্রহণের সঙ্গে মিষ্টি অংশ অপসারিত হয়।

লেখক : মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ
(দৈনিক যুগান্তর, শুক্রবার, ০২ জুন ২০২৩)
প্রতীকী ছবি

 #দুধ_দাঁত১। দুধ দাঁতকে = মিল্ক টিথ/প্রাইমারি টিথ/টেম্পোরারি টিথ/নার্সিং বোতল টিথ/বেবী টিথ বলে।২৷ বাচ্চা/মানুষের দুধ দাঁ...
15/06/2022

#দুধ_দাঁত

১। দুধ দাঁতকে = মিল্ক টিথ/প্রাইমারি টিথ/টেম্পোরারি টিথ/নার্সিং বোতল টিথ/বেবী টিথ বলে।

২৷ বাচ্চা/মানুষের দুধ দাঁত উঠা শুরু হয়= ৬ মাস বয়সে। অনেক সময় ১২ মাসেও দাঁত উঠা শুরু হয়।

৩। দুধ দাঁত উঠা শেষ হয়= আড়াই বছর বয়সে।

৪৷ মোট দুধ দাঁত = ২০টি (উপরের চোয়ালে ১০টি+নীচের চোয়ালে ১০টি)।

৫। দুধ দাঁত পড়া শুরু হয়= ৫-৬ বছর বয়সে।

৬। দুধ দাঁত পড়া শেষ হয়= ১১-১৪ বছর বয়সে।

৭। ৫ বছর বয়স থেকে ১৪ বছর বয়সে মানুষের মুখে দুধ দাঁত ও স্হায়ী দাঁত উভয় ধরনের দাঁত থাকে।

৮৷ দুধ দাঁত উঠা শুরু হলেই দাঁত ব্রাশ ও দাঁতের যত্ন শুরু করতে হবে।

৯৷ বাচ্চাকে ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন এবং ২ বছরের পর থেকে গরুর দুধ পান করাবেন= এতে দাঁত, চোয়াল, হাড় ও শরীরের অন্যান্য অংশ সুস্হ ও শক্তিশালী ভাবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।

১০৷ বাচ্চাদের কে ফিডার এ করে দুধ ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়াবেন না। ফিডারে করে খাওয়ার জন্য বাচ্চাদের 'নার্সিং বোতল সিনড্রোম' নামে একটি রোগ হয় যাতে সব দাঁত এ ক্যারিজ হবে।

১১৷ বাচ্চা স্টিকি চকলেট (ক্যাডবেরী জাতীয়) বা স্টিকি মিষ্টি জাতীয় খাবার (কেক, মিষ্টি বিস্কুট, চিপস) খাওয়ার পর পরেই পানি পান করাবেন, এতে দাঁতে ক্ষয়রোগ হবার সম্ভাবনা কমবে।

১২। ক্ষয় রোগে আক্রান্ত দুধ দাঁতের অবশ্যই চিকিৎসা করাতে হবে, দুধ দাঁত পড়ে গিয়ে উঠবে জন্য চিকিৎসায় অবহেলা করা যাবেনা।

১৩৷ বাচ্চাদের দাঁতের চিকিৎসা করা অনেক কঠিন ও কষ্ট সাধ্য, তাই পিতামাতার সচেতনতাই একমাত্র উপায় দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে ও দাঁতের চিকিৎসককে দূরে রাখতে।

১৪৷ অবশ্যই! অবশ্যই!! বাচ্চাকে দুইবার দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস করাতে হবে একদম ছোট বেলা থেকেই-
সকালে নাস্তার পর এবং
রাতে খাবার পর অবশ্যই।

১৫। বাচ্চাদেরকে খুশি করতে চকলেট/চিপস জাতীয় খাবার না দেয়াই উত্তম।

বি:দ্রঃ- দাঁত ব্রাশের এই নিয়ম ছোট, বড় ও বৃদ্ধ সকলের জন্যই প্রযোজ্য।

মুখের স্বাস্থ্য সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর শক্ত প্রভাব ফেলে। গবেষণা বলছে, মুখের মধ্যে যেকোনো রোগ (দাঁতে গর্ত, মাড়ি রোগ বা ক...
22/05/2022

মুখের স্বাস্থ্য সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর শক্ত প্রভাব ফেলে। গবেষণা বলছে, মুখের মধ্যে যেকোনো রোগ (দাঁতে গর্ত, মাড়ি রোগ বা ক্ষত) পুষে রাখলে বা সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই কিছু বিষয় মেনে চললে দাঁতের এসব রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

#মুখপরিষ্কার: নিয়ম মেনে নিয়মিত দাঁতের সব পৃষ্ঠ ভালো মানের নরম টুথব্রাশ ও ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। যাঁদের দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকে, তাঁদের ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশে অভ্যস্ত হতে হবে। দাঁতের ভেতরের পৃষ্ঠে পাথর এবং চর্বণে ব্যবহৃত পৃষ্ঠ ও দুই দাঁতের মধ্যবর্তী পৃষ্ঠে ক্ষয় বেশি হয়। কারণ, এসব স্থান পর্যাপ্ত পরিষ্কার হয় না। আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে জিব পরিষ্কার ও মাড়িতে আলতোভাবে ম্যাসাজ করা জরুরি। রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করা জরুরি। শক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজা, কয়লা–ছাই ব্যবহার, দু–তিন মিনিটের অধিক সময় বা বারবার দাঁত ব্রাশ, চার মাসের অধিক সময় এক ব্রাশ ব্যবহার ও একজনের ব্যবহৃত ব্রাশ অন্যজন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

#খাদ্যাভ্যাস: মুখের জন্য উপকারী সুষম আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। ফরমালিনমুক্ত তাজা ফলমূল, শাকসবজি, সামুদ্রিক মাছ, ছোট মাছ, টক দই, চিজ, চিনিমুক্ত চুইংগাম, পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। মূলত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি–ডি–ই, জিংক, অ্যান্টি–অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। মাতৃদুগ্ধ শিশুর মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় সর্বোচ্চ মানসিক–শারীরিক বিকাশসহ এলোমেলো দাঁত প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাদ্য মুখের স্বাস্থ্যকে যেমন হুমকিতে ফেলে, তেমনি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা হ্রাস করে। ছোটবেলা থেকে চিনির প্রতি দুর্বলতা কমাতে শিশুদের উৎসাহিত করতে হবে। ধূমপান, জর্দা, গুল ও মদ স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক। অতিরিক্ত টকজাতীয় খাবার, যেমন লেবু, তেঁতুল, ক্যান্ডি দাঁতের সংস্পর্শে যত কম রাখা যায়, ততই ভালো।

#মাউথওয়াশব্যবহার*: যাঁদের ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ, কিডনি রোগ, ক্যানসারের মতো ক্রনিক রোগ আছে, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শে মাউথওয়াশ ব্যবহার করা জরুরি। ব্যস্ততায় মুখ পরিষ্কারে অবহেলা থাকলেও মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। তবে দীর্ঘদিন মাউথওয়াশ ব্যবহারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

#চিকিৎসকেরপরামর্শ: সমস্যা না হলেও বছরে অন্তত একবার অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। মুখের অনেক রোগ শুরুতে বোঝা যায় না, নিয়মিত চেকআপে শনাক্ত হলে তার চিকিৎসা করা সহজ হয়। চিকিৎসক নির্বাচনে দায়িত্বশীল হতে হবে।

.                 #দাঁতের যত্ন ও মনের সুস্বাস্থ্য #কেবল শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মনের সুস্থতার সঙ্গেও মুখের সুস্বাস্থ্যের য...
10/05/2022

. #দাঁতের যত্ন ও মনের সুস্বাস্থ্য #

কেবল শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মনের সুস্থতার সঙ্গেও মুখের সুস্বাস্থ্যের যোগসূত্র আছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সীর ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। গবেষণায় দেখা গেছে, নানা ধরনের মানসিক সমস্যার সঙ্গে মুখ ও দাঁতের সম্পর্ক রয়েছে।

দাঁতে ক্যারিজ বা গর্ত শিশুদের খুব পরিচিত একটি সমস্যা। স্কুলগামী শিশুদের প্রিয় খাবার যেমন: আইসক্রিম, চকলেট, কোমল পানীয়,
কৃত্রিম জুস, আলুর চিপস, ফাস্ট ফুড ইত্যাদি দাঁতের গর্ত তৈরি করে। এ সমস্যার চিকিৎসা না করালে একপর্যায়ে তা দাঁতের মজ্জাকে আক্রান্ত করে। তখন ব্যথা শুরু হয়। পরবর্তীকালে দাঁতের গোড়া ফুলে যায়, দাঁত ভেঙ্গে যায়। যেসব শিশুর মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তাদের লেখাপড়ায় আগ্রহ, নিজের ওপর আস্থা ও স্মরণশক্তি স্বাভাবিক থাকে। শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত পুষ্টি, প্রাণচঞ্চলতাসহ মানসিকভাবে উৎফুল্ল থাকে।

অসুস্থ দাঁত দিয়ে খাবার গ্রহণে কষ্টের কারণে অপুষ্টি, স্কুলের প্রতি অনিহা, লেখাপড়ায় অমনযোগিতা প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয়। শিশুর দুধদাঁত সঠিক সময়ে না পড়ে আগে বা পরে পড়লে স্থায়ী দাঁত এলোমেলো হয়ে ওঠার ঝুঁকি থাকে। তখন সৌন্দর্যের ঘাটতি থেকে মানসিক কষ্টের সূচনা হয়। হাসি ও বাক্য আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অন্যতম জরুরি কার্যকর মাধ্যম, ব্যক্তিত্ব প্রকাশের অন্যতম হাতিয়ার। আর এর জন্য দরকার সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন দাঁত।

যেকোনো বয়সের যে কেউ এলোমেলো ও বিবর্ণ দাঁত নিয়ে মনঃকষ্টে ভুগতে পারে। বিবর্ণ দাঁতের অন্যতম কারণ সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ না করা, ধূমপান, পান, জর্দা, আঘাত, দাঁত ক্ষয়, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

ওদিকে ডিমেনশিয়া এমন একটি সিনড্রোম, যেখানে স্মৃতিশক্তি, চিন্তা–ভাবনা, আচরণ এবং প্রতিদিনের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদন করার ক্ষমতা হ্রাস পায়। অযত্ন বা অবহেলার কারণে দাঁতকে রক্ষা করতে না পারলে ডিমেনশিয়ার প্রবণতা দেখা যেতে পারে। যথাযথ চর্বণ মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ করে, ফলে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে। অন্যদিকে, দাঁতহীন মুখ সৌন্দর্য নষ্ট করে। দীর্ঘমেয়াদি মাড়ির রোগ ও মুখের দুর্গন্ধের
কারণে অনেক সময় রোগীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

মুখের সুস্থতা ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে সঠিক নিয়মে মুখের যত্নের কোনো বিকল্প নেই। মনগড়া পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ না করে নিয়মিত ও নিয়ম অনুযায়ী মুখ পরিষ্কারের অভ্যাস সিংহভাগ রোগপ্রতিরোধ করতে পারে।

সূত্র: প্রথম আলো

12/07/2021

দাঁত নিয়ে BBC News বাংলার গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ :

সুস্থ দাঁতের জন্য করণীয়:*  ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করে দিনে দুইবার ( সকালের নাস্তা এবং রাতের খাবারের পরে)  ফ্লোরাইড যুক্ত  ...
07/06/2021

সুস্থ দাঁতের জন্য করণীয়:

* ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করে দিনে দুইবার ( সকালের নাস্তা এবং রাতের খাবারের পরে) ফ্লোরাইড যুক্ত টুথপেষ্ট দিয়ে দাঁত ব্রাস করতে হবে।

* তামাক সমৃদ্ধ দ্রব্য, যেমন - সিগারেট, গুল, জর্দ্দা ইত্যাদি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

* এগুলো মুখের ক্যান্সার ও দূর্গন্ধের অন্যতম কারণ।

* মুখের আদ্রতার জন্য বেশি করে পানি পান করবেন।

* প্রতিবার ২/৩ মিনিট ভালোকরে ডেন্টিষ্টের দেখানো নিয়মে ব্রাস করবেন।

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী
13/04/2021

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী

৫. মুখ কুলকুচি করা : দাঁত ব্রাশ এবং ফ্লাশিং ছাড়াও আরো একটি বিশেষ করণীয় হচ্ছে জীবাণুনাশক মাউথ ওয়াশ দিয়ে মুখ কুলকুচি করা ত...
14/03/2021

৫. মুখ কুলকুচি করা : দাঁত ব্রাশ এবং ফ্লাশিং ছাড়াও আরো একটি বিশেষ করণীয় হচ্ছে জীবাণুনাশক মাউথ ওয়াশ দিয়ে মুখ কুলকুচি করা তাতে দাঁতের ক্ষয় রোগ ও মাড়ির রোগ বেশির ভাগই প্রতিরোধ করা যায়। খাবার পর সুগার ফ্রি চুইংগাম ব্যবহারেও অনেক ক্ষেত্রে মুখের লালা প্রবাহ বড়িয়ে এনামেলকে ক্ষয় থেকে প্রতিরোধ করে এবং ব্যাকটেরিয়া মুক্ত করে এবং অ্যাসিডিটির মাত্রাকে সমতায় নিয়ে আসে।

৬. মুখের ওপর যে কোনো আঘাত থেকে রক্ষা করা : বিভিন্ন খেলাধুলা আমাদের দেহ গঠনে সাহায্য করে, তবে অনেক ক্ষেত্রে অসাবধানতার জন্য বা দুর্ঘটনার কারণে দাঁতে আঘাত লাগতে পারে ফলে দাঁত ভেঙে যেতে পারে অথবা সম্পূর্ণ উপড়ে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে মডিথ গার্ড ব্যবহার করতে পারলে যে কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

৭. ধূমপান ও তামাক জর্দা ব্যবহার : ধূমপান ও তামাক জর্দা যে শুধু দাঁতের স্বাভাবিক সুন্দর রঙকে বিবর্ণ বা কালো করে তাই নয়, এই ধূমপান তামাক ব্যবহার মানুষের ক্যানসারও হতে পারে। অতএব

সুস্থ দাঁত ও মুখের নিশ্চয়তার জন্য তামাক বর্জন করা জরুরি। এ ব্যপারে একজন ক্লিনিক্যাল সাইক্লোজিস্ট বা কাউন্সিলারের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।

৩. ফ্লুরাইড ব্যবহার : মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় সবচেয়ে বড় যে আবিষ্কার তা হলো ফ্লুরাইড। এই ফ্লুরাইড ব্যবহারে দাঁতের এনামেল ম...
10/03/2021

৩. ফ্লুরাইড ব্যবহার : মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় সবচেয়ে বড় যে আবিষ্কার তা হলো ফ্লুরাইড। এই ফ্লুরাইড ব্যবহারে দাঁতের এনামেল মজবুত হয় এবং ডেন্টাল ক্যারিজ থেকে রক্ষা করে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে এখন বেশির ভাগ মানুষ ফ্লুরাইড যুক্ত খাবার পানি গ্রহণ করে। তাছাড়া ফ্লুরাইড টুথপেস্ট ব্যবহারে দাঁতের ক্ষয় রোগ কমাতে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলছে। অতএব ফ্লুরাইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।

৪. প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ, ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার : মানবজীবনে দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ দুটি প্রধান সমস্যা। এই সমস্যা শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণদের মধ্যে তিন চতুর্থাংশই মাড়ির রোগে ভোগে এবং মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের পরামর্শ অনুযায়ী।

lপ্রতি বছর অতন্ত তিন-চারবার টুথব্রাশ পরিবর্তন করা প্রয়োজন, বিশেষত টুথব্রাশ ফাইবারগুলো যখন বাঁকা হয়ে যায়

lযেসব মানুষ আঁকাবাঁকা দাঁতের জন্য ব্রেসেসস ব্যবহার করেন বা যাদের নকল দাঁত বা ইমপ্ল্যান্ট আছে তারা বিশেষভাবে তৈরি টুথব্রাশ ব্যবহার করবেন।

lবৃদ্ধ মানুষ যাদের আথ্রাইটিজ আছে বা শারীরিকভাবে অসুস্থ তাদের জন্য ইলেকট্রনিক টুথব্রাশ ব্যবহার করা প্রয়োজন।

সুস্থ, সুন্দর দাঁতের রক্ষণাবেক্ষণ অনেক জরুরি। সুন্দর হাসি, পুষ্টিকর খাদ্য, হজমের জন্য সঠিক ভাবে চিবিয়ে খাওয়া এমনকি অন্যা...
02/03/2021

সুস্থ, সুন্দর দাঁতের রক্ষণাবেক্ষণ অনেক জরুরি। সুন্দর হাসি, পুষ্টিকর খাদ্য, হজমের জন্য সঠিক ভাবে চিবিয়ে খাওয়া এমনকি অন্যান্য রোগ যেমন—হৃদেরাগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি থেকে নিজেকে রক্ষা করা। তা ছাড়া দাঁতের ব্যথা, যন্ত্রণা ও অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা সুস্থ, সুন্দর দাঁত দীর্ঘদিন অখুন্ন রাখার জন্য বিশেষ কয়েকটি পরামর্শ মেনে চলা প্রয়োজন। ১০টি টিপস যেমন—

১. শিশুর দাঁতের যত্ন : গবেষণায় দেখা যায় প্রতি চার জন শিশুর এক জনের দাঁতের ক্ষয় শুরু হয় শিশু বয়সে এবং ১২ থেকে ১৫ বছরের প্রায় ৫০ শতাংশ ছেলেমেয়েদের দাঁতের ক্যারিজ থাকে। শিশুর দাঁতের যত্ন শুরু করতে হবে যখন থেকে তাদের দাঁত ওঠা শুরু হয়, সাধারণত ছয় মাস বয়স থেকে। বিজ্ঞানরা বলেছেন, এই সময় শিশুর দুধ দাঁত একটি পরিষ্কার ফ্লানেমের কাপড় বা নরম টুথব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে দিতে হবে। দুই বছর বয়স থেকে শিশুকে নিজ হাতে দাঁত ব্রাশ করার জন্য উত্সাহিত করতে হবে, তবে সেই সাথে নজরদারিও রাখতে হবে।

২. ফিসার সিলেন্ট : মলারের স্থায়ী দাঁত চলে আসে সাধারণত ছয় বছর বয়সে। এ বয়সে ফিসার সিলেন্ট ফিলিং দিয়ে ঐ মলার স্থায়ী দাঁত ভরে দিতে হবে। যাতে করে দন্তক্ষয় না হতে পারে। গবেষণায় দেখা যায় এ ফিলিং দাঁতের ক্ষয় অনেকাংশই প্রতিরোধ করে।

Address

কলেজরোড, বেলাব বাজার, বেলাব-নরসিংদী
Belabo
1640

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Friday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাজ ডেন্টাল কেয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share