Dr.Farjana Akhtar Fariya

Dr.Farjana Akhtar Fariya Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Farjana Akhtar Fariya, General Dentist, kalaiya bazar, Patuakhali, Bauphal.

মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ
ডাঃফারজানা আখতার ফারিয়া
বিডিএস(রাজ )
রংপুর ডেন্টাল কলেজ
BMDC-13700
রোগী দেখার সময় -
সুলতানা ডেন্টাল কেয়ার
সকাল ৯ টা থেকে দুপুর বারোটা
বিকেল চারটা থেকে রাত ৯ টা।
কালাইয়া সদর রোড, বাউফল, পটুয়াখালী, বরিশাল

দাঁত সম্পর্কিত বিষয়গুলো জেনে রাখুন-১। আপনার বাচ্চার দুধ দাঁত উঠবে ৬ মাস বয়স থেকে আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত।২। আপনার বাচ্চার ...
04/08/2026

দাঁত সম্পর্কিত বিষয়গুলো জেনে রাখুন-

১। আপনার বাচ্চার দুধ দাঁত উঠবে ৬ মাস বয়স থেকে আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত।

২। আপনার বাচ্চার মূল দাঁত উঠবে ছয় বছর বয়সের পর থেকে ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত।

৩। আপনার সন্তানের আক্কেল দাঁত উঠবে সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে।

৪। বাচ্চা দুধ দাঁতগুলো সাধারণত ৬ বছর বয়সের আগে থেকে ক্রমানুসারে পড়তে থাকবে।

৫। বাচ্চাকে অন্তত ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন যা দাঁত ও চোয়ালের গড়নে সহায়তা করে।

৬। ঘুমন্ত অবস্থায় বাচ্চাকে ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়াবেন না। ফিডারে দুধ খাওয়ালে দাঁতে ক্ষয়রোগ করে।

৭। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর পর তুলাতে সামান্য পানি ভিজিয়ে দাঁতের পৃৃষ্ঠ ঘষে দেবেন যা ক্ষয়রোগ থেকে দাঁতকে রক্ষা করবে।

৮। বড়দের দাঁতের ক্ষেত্রে যদি দাঁতের মধ্যে কালোদাগ বা ক্ষয় রোগ বা ডেন্টাল ক্যারিজ দেখা যায়, তাহলে ব্যথা হওয়ার আগেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা ফিলিং করিয়ে নিবেন। মনে রাখবেন যত দেরি করবেন, তত বিপদ অর্থাৎ, দাঁতে ব্যথা শুরু হবে এবং সে ক্ষেত্রে আর ফিলিং-এর মাধ্যমে দাঁতের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে না।

৯। ব্যথাযুক্ত দাঁতের ফিলিং করা যায় না। সেক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করে দাঁতকে ব্যথামুক্ত করতে হয়। মনে রাখবেন, রুট ক্যানেল চিকিৎসা ব্যয়বহুল তাই ব্যথা শুরুর আগেই দাঁত ফিলিং করিয়ে নিন।

১০। দাঁতের মুকুট বা ক্রাউন যদি বেশি ভেঙ্গে যায় অথবা চারদিকের যে কোন একদিকে দাঁতের দেয়াল ভাঙ্গা থাকে সেৰেত্রে ফিলিং দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ব্যথাযুক্ত দাঁত হলে রুট ক্যানেল করে তার উপর কৃত্রিম মুকুুট বা ক্রাউন পরিয়ে দেয়া হয় যা দাঁতকে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দেয়।

১১। প্রতি ৬ মাস অন্তর উন্নত দেশে দাঁত ওয়াশ বা স্কেলিং করে থাকে। রোগীরা আমাদের দেশে আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে প্রয়োজনে প্রতি বছর অন্তত একবার স্কেলিং করানো ভালো।

১৫। আজকাল দাঁতে অনেক উন্নত ধরনের ফিলিং করা যায় দাঁতের কালারের সাথে মিশে যায়।

১৬। আপনার শিশুর দাঁতের যত্ন নিন ও নিয়মিত পরিচর্যা করুন। প্রথম ৬ বছর অন্তত ৩ বার ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন, নতুবা দুধ দাঁতগুলো ঠিক সময়ে না পড়ে অনেক দেরিতে পড়তে পারে এবং সে ৰেত্রে মূল দাঁত ঠিক সময় ঠিক জায়গায় না উঠে আঁকা-বাঁকাভাবে অন্যত্র উঠবে পারে। ফলে চোয়াল ও দাঁতে অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে। আবার সময়ের আগেই দুধ দাঁত পড়ে গেলে ও পরে উঠার মূল দাঁত আকা-বাঁকা হতে পারে।

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক আতঙ্ক: বিজ্ঞান নাকি অতিরঞ্জিত প্রচারণা?টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আজ একটি গবেষণার বরাত দ...
27/07/2026

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক আতঙ্ক: বিজ্ঞান নাকি অতিরঞ্জিত প্রচারণা?
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আজ একটি গবেষণার বরাত দিয়ে এমনভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যেন এটি সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি। কিন্তু বৈজ্ঞানিক প্রমাণের গভীর বিশ্লেষণ বলছে—এই দাবির পক্ষে এখনো পর্যাপ্ত মানবভিত্তিক (clinical) প্রমাণ নেই। বরং অতিরঞ্জিত একটি বিষয়কে সামনে এনে জনমনে অযথা আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ ডেন্টাল প্রতিষ্ঠান—FDI World Dental Federation, American Dental Association (ADA) এবং International Association for Dental Research (IADR)—বর্তমানে টুথপেস্টে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিককে কোনো প্রমাণিত বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।

“কণা পাওয়া গেছে” মানেই “রোগ সৃষ্টি করে”—এই যুক্তি বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। মাইক্রোপ্লাস্টিক শুধু টুথপেস্টেই নয়, বরং বিভিন্ন প্রসাধনী, খাদ্য, বোতলজাত বা মোড়কজাত পণ্যসহ অসংখ্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসেও বিদ্যমান।

বিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি হলো—

Hazard ≠ Risk

কোনো পদার্থ পরীক্ষাগারে ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া দেখালেই বাস্তব জীবনে একই মাত্রায় ক্ষতি করবে—এমন সিদ্ধান্ত বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। প্রকৃত ঝুঁকি নির্ভর করে—

- কত পরিমাণ শরীরে প্রবেশ করছে,
- কতদিন সংস্পর্শে থাকা হচ্ছে,
- কণার আকার ও প্রকৃতি কী,
- এবং মানুষের শরীরে এর প্রমাণিত প্রভাব কী।

নির্দিষ্ট কোনো ব্র্যান্ডের টুথপেস্টকে এককভাবে দায়ী করা যুক্তিগতভাবে দুর্বল। একই সঙ্গে এটি পেইড বা বায়াসড প্রকাশনা হওয়ার সম্ভাবনার প্রশ্নও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

মানুষ প্রতিদিনই বাতাস, খাবার, বোতলজাত পানি, সিনথেটিক পোশাক এবং বিভিন্ন প্লাস্টিকজাত পণ্য থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের সংস্পর্শে আসে।

উল্লেখিত গবেষণার সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করা যাবে না

অনেক মাইক্রোপ্লাস্টিক গবেষণায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়।

নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের নমুনা কীভাবে, কখন এবং কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে? Contamination control যথাযথভাবে করা হয়েছিল কি না? গবেষণায় কী ধরনের methodology ব্যবহার করা হয়েছে?—এমন আরও বহু প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর প্রয়োজন।

এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে—

- বাস্তব জীবনের তুলনায় অনেক বেশি মাত্রার কণা ব্যবহার করা হয়,
- ল্যাবরেটরির কোষভিত্তিক পরীক্ষার ফল মানুষের শরীরে সরাসরি প্রয়োগ করা হয়,
- কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি মানবস্বাস্থ্যের ক্ষতির নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয় না।

অর্থাৎ, ল্যাবে উচ্চমাত্রার প্রভাব পাওয়া গেছে মানেই মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারে নিশ্চিত ক্ষতি হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

মূল প্রশ্ন: প্রমাণ কোথায়?

যদি কোনো গবেষণা দাবি করে, “টুথপেস্টের মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্ষতিকর”, তাহলে তাদের দেখাতে হবে—

- কোন মাত্রায় ক্ষতি শুরু হয়?
- কত বছর ব্যবহারে রোগের ঝুঁকি বাড়ে?
- টুথপেস্ট ব্যবহারকারীদের মধ্যে বাস্তবে রোগের হার কত বেড়েছে?

এই প্রশ্নগুলোর নির্ভরযোগ্য উত্তর ছাড়া ভয় তৈরি করা বৈজ্ঞানিক সতর্কতা নয়। বরং এটি অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে আতঙ্ক সৃষ্টি। আর যখন নির্দিষ্ট কিছু ব্র্যান্ডকে লক্ষ্য করে অভিযোগ তোলা হয়, তখন সেটি ব্যবসায়িক রাজনীতি বা কোনো ব্র্যান্ডের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা কি না—সে প্রশ্নও থেকেই যায়।

তবে হ্যাঁ, মাইক্রোপ্লাস্টিক একটি পরিবেশগত উদ্বেগের বিষয়—এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু বর্তমানে এমন শক্ত মানবভিত্তিক প্রমাণ নেই, যা দেখায় যে ডেন্টাল টুথপেস্টে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

অতএব, বৈজ্ঞানিক অবস্থান হওয়া উচিত—আতঙ্ক নয়, প্রমাণ; অনুমান নয়, তথ্য।

রেফারেন্স

- FDI World Dental Federation – Oral Health ও Fluoride Toothpaste সম্পর্কিত নীতিমালা
- American Dental Association (ADA) – Toothpaste Safety ও Efficacy Guidelines
- International Association for Dental Research (IADR) – Evidence-Based Dental Research Principles
- Leslie et al., Environment International, 2022 – Human Exposure to Plastic Particles

দৈনন্দিন জীবনে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রকৃত উৎস: শুধু টুথপেস্ট নয়

মাইক্রোপ্লাস্টিক শুধুমাত্র টুথপেস্টের কোনো একক বিষয় নয়। আধুনিক জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন উৎস থেকে এর সংস্পর্শে আসে।

মানুষের মাইক্রোপ্লাস্টিক exposure-এর প্রধান উৎসগুলো হলো—

১. বোতলজাত পানি

গবেষণায় দেখা গেছে, প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষিত পানিতে microplastic ও nanoplastic পাওয়া যেতে পারে।

একটি গবেষণায় বোতলজাত পানিতে গড়ে প্রায় ১০–১০০-এর বেশি microplastic কণা প্রতি লিটারে পাওয়া গেছে। অবশ্য ব্যবহৃত সনাক্তকরণ পদ্ধতির ওপর এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে। আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে ক্ষুদ্র nanoplastic কণার সংখ্যা অনেক বেশি শনাক্ত হয়।

Reference:
Mason et al., Frontiers in Chemistry, 2018
“Synthetic Polymer Contamination in Bottled Water”

২. খাবার ও প্লাস্টিক প্যাকেজিং

প্লাস্টিকের জগ, মগ, প্লেট, খাবারের মোড়ক, takeaway container এবং microwave plastic container থেকে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা খাবারে যেতে পারে।

গবেষণায় বিভিন্ন খাদ্যে microplastic শনাক্ত করা হয়েছে, যেমন—

- সামুদ্রিক খাবার
- লবণ
- মধু
- পানীয়

৩. সিনথেটিক কাপড়

Polyester, nylon এবং acrylic জাতীয় কাপড় ধোয়া ও ব্যবহারের সময় ক্ষুদ্র প্লাস্টিক ফাইবার ছাড়তে পারে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, একটি সিনথেটিক পোশাক ধোয়ার সময় হাজার থেকে লক্ষাধিক microfibre পানিতে বের হতে পারে।

Reference:
Napper & Thompson, Marine Pollution Bulletin, 2016

৪. ঘরের ধুলো ও বাতাস

ঘরের ধুলোতে থাকা microplastic-এর প্রধান উৎস—

- কাপড়ের ফাইবার
- কার্পেট
- আসবাবপত্র
- প্লাস্টিকজাত সামগ্রী

বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, মানুষ বাতাস ও ধুলোর মাধ্যমে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক microplastic fibre শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করতে পারে।

Reference:
Dris et al., Environmental Science & Technology, 2017

একজন মানুষ প্রতিদিন কত microplastic গ্রহণ করে?

বিভিন্ন গবেষণার সমন্বিত হিসাব অনুযায়ী, মানুষের দৈনিক গ্রহণের পরিমাণ জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।

কিছু গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে—

- খাবার ও পানির মাধ্যমে: হাজার থেকে দশ হাজার কণা প্রতিদিন।
- বাতাস ও ঘরের ধুলোর মাধ্যমেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কণা শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

২০২১ সালের একটি গবেষণায় মানুষের microplastic exposure বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে একজন মানুষ বছরে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লাখ কণা পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারে।

Reference:
Cox et al., Environmental Science & Technology, 2019
“Human Consumption of Microplastics”

ব্যক্তিগত মতামত

আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো, প্রকাশিত তথ্য ও গবেষণাটি যথেষ্ট প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা যারা ডেন্টাল পেশার সঙ্গে জড়িত, তাদের উচিত হবে বিষয়টি নিয়ে আরও সতর্ক থাকা এবং পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।

যেসব ব্র্যান্ডের দিকে আঙুল তোলা হয়েছে, তাদেরও উচিত Research & Development Wing, সংশ্লিষ্ট Chemist এবং Environment Specialist-দের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করা। পাশাপাশি Media Wing-এর মাধ্যমে প্রয়োজন হলে প্রেস কনফারেন্স করা এবং ডেন্টাল প্রফেশনালদের সঙ্গে আলোচনায় বসে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ বের করা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়া ব্যাক্তিদের উচিৎ হবে বিষয় টা নিয়ে স্পেশালিষ্টদের মতামত নিয়ে প্রচারণা চালানো।
একটা নিউজ আসলেই কার আগে কে ছাপিয়ে ভিউ বেশি পাব এমন অসুস্থ প্রতিযোগিতায় না যাওয়া।এতে করে হিতে বিপরীত হতে পারে জনমনে আতংক ছড়িয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প ব্যাবস্থা না করে
প্রচলিত টুথপেষ্ট হঠা বন্ধ করে দিলে সাধারণ মানুষের তীব্র স্বাস্থঝুকির সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। সবাই সতর্ক থাকি সঠিক সিদ্ধান্ত নেই।
আপনাদের মহামূল্যবান মতামত আশা করছি।

ধন্যবাদ সবাইকে।

মুখের দুর্গন্ধ কি শুধু একটি সাধারণ বিষয়?  অনেক সময় এটি দাঁত বা মাড়ির লুকানো সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হতে পারে। মুখে দু...
13/07/2026

মুখের দুর্গন্ধ কি শুধু একটি সাধারণ বিষয়? অনেক সময় এটি দাঁত বা মাড়ির লুকানো সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হতে পারে।

মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সাধারণ কারণগুলো:
✔️ দাঁত ও জিহ্বা ঠিকভাবে পরিষ্কার না করা
✔️ মাড়ির সমস্যা বা ইনফেকশন
✔️ দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটি
✔️ মুখ শুকিয়ে যাওয়া
✔️ নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ না করা

শুধু মাউথওয়াশ দিয়ে গন্ধ ঢেকে না রেখে, সমস্যার আসল কারণ জানা জরুরি।
আপনার দাঁত ও মাড়ির সুস্থতার জন্য নিয়মিত যত্ন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিন।

📞 Appointment: 01303-138019
📍 সুলতানা ডেন্টাল কেয়ার, ল্যাংড়া মুন্সী পুল,কালাইয়া,বাউফল,পটুয়াখালী।

# ডাঃফারজানা আখতার ফারিয়া

🫀 মাড়ি সুস্থ থাকলে হৃদ্‌যন্ত্রও ভালো থাকতে পারে—যা অনেকেই জানেন না।৩০ বছরের বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রায় ৪০% মা...
09/07/2026

🫀 মাড়ি সুস্থ থাকলে হৃদ্‌যন্ত্রও ভালো থাকতে পারে—যা অনেকেই জানেন না।

৩০ বছরের বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রায় ৪০% মানুষের মাড়ির রোগ (পেরিওডন্টাল ডিজিজ) রয়েছে। অনেকেই মনে করেন এটি শুধু মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ বা দাঁত নড়ে যাওয়ার কারণ। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, মাড়ির রোগের সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, অনিয়মিত হৃদ্‌স্পন্দন (Atrial Fibrillation) এবং অন্যান্য হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিরও সম্পর্ক থাকতে পারে।

মাড়ির রোগ শুরু হয় যখন দাঁতের চারপাশে প্লাক ও ব্যাকটেরিয়া জমে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ সৃষ্টি করে। গবেষকদের ধারণা, সংক্রমিত মাড়ি থেকে এসব ব্যাকটেরিয়া ও প্রদাহজনিত উপাদান রক্তে প্রবেশ করে রক্তনালির ক্ষতি ও প্রদাহ বাড়াতে পারে, যা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

ধূমপান, ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও উচ্চ রক্তচাপ—এসব কারণ মাড়ির রোগ ও হৃদ্‌রোগ উভয়েরই ঝুঁকি বাড়ায়। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাড়ির রোগ নিজেও একটি স্বাধীন ঝুঁকির কারণ হতে পারে, যদিও এ বিষয়ে আরও গবেষণা চলছে।

কী করবেন?
🦷 দিনে ২ বার ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করুন।
🦷 প্রতিদিন ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ক্লিনিং করুন।
🦷 নিয়মিত ডেন্টিস্টের কাছে চেক-আপ ও প্রয়োজন হলে স্কেলিং করান।
🦷 মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, ফোলা বা দুর্গন্ধকে অবহেলা করবেন না।

মনে রাখবেন, সুস্থ মাড়ি শুধু দাঁতই নয়—আপনার হৃদ্‌যন্ত্রকেও সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করতে পারে।

তথ্যসূত্র: Harvard Health Publishing (2026), American Heart Association Scientific Statement, Circulation (2025)

টুথ ব্রাশ সংরক্ষণের নিয়মঃ _______________________১) টুথ ব্রাশ করার আগে যতটুকু সম্ভব সম্পূর্ণ(হাতল সহ) টুথ ব্রাশটি  ভাল ক...
08/07/2026

টুথ ব্রাশ সংরক্ষণের নিয়মঃ
_______________________

১) টুথ ব্রাশ করার আগে যতটুকু সম্ভব সম্পূর্ণ(হাতল সহ) টুথ ব্রাশটি ভাল করে বিশুদ্ধ পানিতে ধুয়ে নিন।
-
২) ব্রশের পর ব্রাশটি শুষ্ক রাখুন। কারন 'ব্যাকটেরিয়া ভেজা আবহাওয়া পছন্দ করে'।
-
৩) টুথ ব্রাশের কাভার ব্যাবহার না করাই উত্তম, এতে ব্রাশটি ভেজা থাকে এবং ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধি করতে সহজ হয়।
কিম্বা ব্রাশের পর কিছু সময় পানি ঝরিয়ে শুষ্ক করে তার পর কভার পরান।
-
৪) নিজের ব্রাশ নিজের কাছেই রাখুন।
আপনার সাথে আপনার ভাই, বোন, নিকটাত্মীয় বা রুম মেট যত ঘনিষ্ঠই হোক না কেন, কখনই অন্যকারো ব্রাশ ব্যাবহার করবেন না।
-
৫) এক জারে পাশাপাশি অন্য কারো ব্রাশ এমন ভাবে রাখবেন না যাতে, একটি ব্রাশ আর একটি ব্রাশের সংস্পর্শে থাকে।
-
৬) প্রতি ৩ মাস অন্তর অন্তর ব্রাশ পরিবর্তন করুন। কারন, দেখতে ঠিকঠাক থাকলেও আসলে ব্রেসলস এর কার্য ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।

মাড়ি থেকে রক্ত পড়া আর মুখের দুর্গন্ধকে অবহেলা করবেন না! 😷❌সকালে ব্রাশ করার সময় বা আপেল-পেয়ারার মতো শক্ত কোনো ফল কামড় দিল...
05/07/2026

মাড়ি থেকে রক্ত পড়া আর মুখের দুর্গন্ধকে অবহেলা করবেন না! 😷❌

সকালে ব্রাশ করার সময় বা আপেল-পেয়ারার মতো শক্ত কোনো ফল কামড় দিলে কি মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে? কিংবা নিয়মিত ব্রাশ করার পরও কি মুখে দুর্গন্ধ থেকে যায়?

অনেকেই একে সাধারণ ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এটি মাড়ির রোগ বা জিংজিভাইটিস (Gingivitis)-এর স্পষ্ট লক্ষণ। দাঁতের গোড়ায় জমে থাকা শক্ত পাথর বা প্লাকের (Calculus) কারণে মাড়িতে ইনফেকশন হয়, যা অবহেলা করলে পরবর্তীতে দাঁতের চারপাশের হাড় ক্ষয়ে যায় এবং সুস্থ দাঁতও নড়বড়ে হয়ে পড়ে।

আধুনিক আল্ট্রাসনিক স্কেলিং (Scaling & Polishing) চিকিৎসার মাধ্যমে কোনো প্রকার ক্ষতি ছাড়াই এই সমস্যার শতভাগ স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে মাড়ির গভীর থেকে পাথর ও ইনফেকশন পরিষ্কার করা হয়, যা আপনার মুখের ফ্রেশনেস এবং মাড়ির সুস্থতা ফিরিয়ে আনে।

লুকিয়ে রাখা নয়, সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে প্রাণখুলে হাসুন সবার মাঝে!

আপনার হাসি অমূল্য, অবহেলায় তা হারাবেন না। দাঁতের ছোট সমস্যাই পরে বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 🦷👉 বিশেষ করে এই ৩টি ক্ষেত্র...
05/07/2026

আপনার হাসি অমূল্য, অবহেলায় তা হারাবেন না। দাঁতের ছোট সমস্যাই পরে বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 🦷

👉 বিশেষ করে এই ৩টি ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা জরুরি:
✅ ​গভীর ক্ষয়: যা ফিলিং-এর পর্যায় পার করে ফেলেছে।
✅ ​ইনফেকশন হলে: যা আপনার মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য নষ্ট করছে।
✅ ​আক্কেল দাঁতের সমস্যা: যা অন্য দাঁতকে বাঁকা বা নষ্ট করে দিচ্ছে।

💡পরামর্শ: ব্যথা হওয়ার জন্য বসে থাকবেন না। নিয়মিত চেকআপ করুন, সুস্থ থাকুন।

Address

Kalaiya Bazar, Patuakhali
Bauphal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Farjana Akhtar Fariya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Farjana Akhtar Fariya:

Shortcuts

Share