United dental and health care

Call

United dental and health care "darling dentistry "

Behind every smiles there’s teeth�
Nd dentists are those soldiers who keeps ur smiles more safer than u.

স্কেলিং কি ও কখন স্কেলিং করানো প্রয়োজন ও স্কেলিং সম্পর্কিত ভুল ধারনা।স্কেলিং সম্ভবত ডেন্টাল প্রসিডিউরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ...
17/08/2021

স্কেলিং কি ও কখন স্কেলিং করানো প্রয়োজন ও স্কেলিং সম্পর্কিত ভুল ধারনা।

স্কেলিং সম্ভবত ডেন্টাল প্রসিডিউরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম। এই পোস্টে আলোচনা করা হবে স্কেলিং কখন করা প্রয়োজন আর এ সম্পর্কিত ভুল কিছু ধারনা নিয়ে।

স্কেলিং কি?
স্বাভাবিক নিয়মেই খাবার পর কিছু খাবার দাঁত ও মাড়ির মাঝের খাঁজ, যেটাকে gingival crevice বলে,সেখানে আটকে যায়। নিয়মিত ঠিকভাবে ব্রাশ করলে সেটা চলেও যায়। কিন্তু যদি এই সামান্য খাবার এর অংশ লেগে থাকা অবস্থায় ব্রাশ না করা হয় তাহলে সেটা কিছুটা শক্ত হয়ে যায়।একে বলে প্লাক (plaque)। এই কিছুটা শক্ত হয়ে যাওয়া প্লাক এর কিছু অংশ পরবর্তীতে ব্রাশের সাথে উঠতে চায়না। আর প্রত্যেকবার এরকম একটু একটু প্লাক জমে শক্ত হয়ে তৈরি হয় ক্যালকুলাস(calculus)। সহজ বাংলায় পাথর।

এই ক্যালকুলাস যেভাবে আপনার ক্ষতি করে

দাঁত থেকে মাড়িকে আলাদা করে দেয় এবং দাঁতের সংবেদনশীল অংশ ডেন্টিন(dentine) উন্মুক্ত করে দেয়। ফলে ঠান্ডা, মিষ্টি ইত্যাদি খাবারে দাঁত শিরশির করে।
ক্যালকুলাসে থাকা ব্যাকটেরিয়া মাড়িতে প্রদাহ (inflammation) তৈরি করে। ফলে মাড়ি লালচে হয়ে যায় এবং ব্রাশ করার সময় বা শক্ত কিছুতে কামড় দিলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। মাড়ির প্রদাহ বেশি হলে কখনো কখনো এমনিতেও রক্ত আসতে পারে মুখে।
মুখে দুর্গন্ধ হয় যেটাকে Halitosis বলা হয়।
ক্যালকুলাস মাড়ির নীচের হাড়কেও ক্ষয় করে ফেলে ধীরে ধীরে। একসময় দাঁত নড়তে থাকে এবং একটা পর্যায়ে স্কেলিং এ আর তা ভালো হয় না। দাঁত ফেলে দিতে হয়।
এই ক্যালকুলাসকে পরিষ্কার করার প্রসেসের নামই হল স্কেলিং। এটি সাধারনত আল্ট্রাসনিক মেশিনে করা হয়।

স্কেলিং সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা
বছরে একবার/দুইবার স্কেলিং করতে হয়।
এটি ভুল ধারনা। স্কেলিং একমাত্র চিকিৎসক এর পরামর্শ মোতাবেক করতে হবে। অনেক ভালো ওরাল হাইজিন মেইনটেইন করেন এমন ব্যক্তির সাধারনত অনেক বছর পর (যদি কোন সমস্যা থাকে তবে) স্কেলিং করা লাগে। আর যিনি ওরাল হাইজিন এর প্রতি কেয়ারলেস তার স্কেলিং এর প্রয়োজন হবে বেশী। সহজ কথায়, চিকিৎসক যদি প্রয়োজন মনে করেন তবেই স্কেলিং এর জন্য বলেন। নিয়মিত ইন্টারভেলে স্কেলিং করানোর প্রয়োজন নেই।

স্কেলিং করলে দাঁত ফাকা হয়ে যায়
এটিও ভুল ধারনা। আসলে যখন ক্যালকুলাস সরে যায়, তখন ক্যালকুলাস এর দরুন দাঁত এর থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া মাড়ি পুনরায় স্বাভাবিক জাগায় আসতে কয়েকদিন সময় লাগে। এই সময় ঐ জায়গাগুলো জিহ্বায় ফাকা ফাকা মনে হয় এবং ঠান্ডা পানিতে দাঁত শিরশির করে। কয়েকদিন পরই যখন মাড়ি স্বাভাবিক জায়গায় চলে আসে তখন এই দাঁত ফাকা হয়ে যাবার অনুভূতি ঠিক হয়ে যায়।

স্কেলিং করলে দাঁতের ক্ষতি হয়
স্কেলার মেশিন এর মূল মেকানিজম হল আল্ট্রাসনিক ভাইব্রেশন। এবং স্কেলিং করার কিছু স্পেসিফিক নিয়ম আছে। হ্যাঁ, এসব নিয়ম না মেনে স্কেলিং করলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। তাই সবসময় দাঁত ও মুখের চিকিৎসায় বিডিএস ডিগ্রী সম্পন্ন ডাক্তার এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

স্কেলিং এ অনেক ব্যাথা পাওয়া যায়
এটা আরেকটি ভুল ধারনা। স্কেলার এর ভাইব্রেশনের জন্য স্কেলিং এর সময় শিরশির অনুভূতি হয়। তবে হ্যাঁ, ক্যালকুলাসের পরিমান যদি খুব বেশি হয় তবে স্কেলিং এর সময় বেশি শিরশির করতে পারে। তাই সময় মত স্কেলিং করানো উচিত। সমস্যা দেখা দিলেই, বা অন্তত বছরে একবার ডেন্টিস্ট এর কাছে চেক আপ করানো উচিত।

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকুন আর দাঁত ও মুখের যত্ন নিন।

21/05/2021

Fun animation showing kids the importance of proper nutrition and dental health.

🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫🔴🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪🔴🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪🔴🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢   🇵🇸🤜🤛🇧🇩            ...
21/05/2021

🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢




🇵🇸🤜🤛🇧🇩



















❤️❤️

১২ ঘন্টা ডিসুম ডিসুমের নাম চরম প্রতারনা করে যাচ্ছে Pepsodent। চরম স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছে মানুষ।এর ১২ ঘন্টা মুখকে ফ্রেস রা...
14/12/2020

১২ ঘন্টা ডিসুম ডিসুমের নাম চরম প্রতারনা করে যাচ্ছে Pepsodent। চরম স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছে মানুষ।

এর ১২ ঘন্টা মুখকে ফ্রেস রাখার জন্য যে সব রাসায়নিক ব্যবহার করে তারা তা দেখলে আপনার চোখ কপালে উঠবে।

১. সোডিয়াম লরেল সালফেট :
(সিআইআর-২০০৫)’ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সোডিয়াম লরেল সালফেট মুখে ফেনা তৈরি করে জিহ্বার স্বাদ গ্রন্থির প্রকৃতি পরিবর্তন করে, মুখ গহ্বরের ক্ষত সৃষ্টি করে থাকে।

২. টিটানিয়াম ডাইঅক্সাইড :
পেপসোডেন্ট এটা ডাই বা রং হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
কানাডিয়ান সেন্টার ফর অকুপেশনাল হেলথ এন্ড সেফটি সতর্কীকরণ করেছে যে এটা সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক।

৩. ট্রাইক্লোজান : এই রাসায়নিক উপাদানটি সাধারণত শরীরের অ্যালার্জি, চোখ ও চাঁমড়া জ্বালাপোড়া, চুলকানী, ক্ষত বৃদ্ধি, রক্ত সংবহনতন্ত্রের খিচুনি, বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি, লিভার, কিডনী ও ফুসফুসের সেলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

বিসিএসআইআর ল্যাবরেটরির গবেষণায় দেখা গেছে, এটা মূলত লন্ড্রি ডিটারজেন্ট, স্প্রে ক্লিনার এবং গৃহস্থালি সামগ্রী পরিষ্কারের কাজে ব্যবহার করা হয়।

তাই নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তায় আজ এই বর্জন করুন।
Collected

ছোট বাচ্চাদের কয়টি দুধ দাঁত হয়?ছোট বাবুদের দাঁত সাধারণত জন্মের প্রায় ৬ মাস বয়স থেকে উঠা শুরু করে। এসময়ে বাচ্চা বুকের দুধ...
08/12/2020

ছোট বাচ্চাদের কয়টি দুধ দাঁত হয়?
ছোট বাবুদের দাঁত সাধারণত জন্মের প্রায় ৬ মাস বয়স থেকে উঠা শুরু করে। এসময়ে বাচ্চা বুকের দুধ খেয়ে থাকে বলে এসময়ে ওঠা দাঁত গুলোকে সাধারণভাবে দুধ দাঁত বলা হয়ে থাকে।

এই দুধ দাঁত গুলো সাধারণত আড়াই বছরের মধ্যে বাবুর মুখে চলে আসে। উপরের ও নীচের পাটি মিলিয়ে দুধ দাঁতের মোট সংখ্যা ২০ টি।

বাচ্চার বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাচ্চার খাওয়াদাওয়া পরিবর্তিত হতে থাকে, সাথে তার চোয়ালের হাড়েরও বৃদ্ধি ও পরিবর্তন হতে থাকে। বাচ্চার বয়স প্রায় ছয় বছর বা তার কাছাকাছি হলে স্থায়ী দাঁত আসা শুরু করে । ১১-১২ বছর বয়সে সব দুধদাঁত পরে গিয়ে স্থায়ী দাঁত চলে আসে।

এছাড়াও দাঁত ও মুখের যত্নে BDS ডিগ্রিধারী দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ।
মনে রাখবেন, া_তো_ডেন্টিস্ট_না।🙂

একটা মধুর হাসি তখনই সম্পূর্ণ হবে, যখন তার সঙ্গে থাকবে হিরের মতো ঝকঝকে দাঁত। মুগ্ধ গোটা বিশ্ব। শরীরের সঙ্গে দাঁতেরও যত্ন ...
07/12/2020

একটা মধুর হাসি তখনই সম্পূর্ণ হবে, যখন তার সঙ্গে থাকবে হিরের মতো ঝকঝকে দাঁত। মুগ্ধ গোটা বিশ্ব। শরীরের সঙ্গে দাঁতেরও যত্ন নেওয়া দরকার। আমরা প্রত্যেকেই জানি রোজ ২ বার করে দাঁত মাজলে আমাদের দাঁত ভালো থাকে। এছাড়াও দাঁত আরও ভালো রাখতে আমাদের নিয়মিত চিকিত্‌সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত্‌।

এই ১০টি নিয়ম মানলে আপনার মুখের স্বাস্থ্য আরও ভালো থাকবে।

👉১) দিনে ২বার করে দাঁত মাজা উচিত্‌। অবশ্যই সকালে এবং রাতে শুতে যাওয়ার আগে।

👉২) খাওয়ার পর সবসময় ভালো করে মুখ ধোওয়া উচিত্‌।

👉৩) দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে লিকুইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।

👉৪) প্রতি ৩ মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলান।

👉৫) ডায়েট মেনে খাবার খান। বিশেষ করে ফল এবং শাকসবজি খান।

👉৬) যে সমস্ত খাবার খেলে আমাদের শরীরের প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হবে, যেমন, মাছ, মাংস, ডিম, বিন, প্রভৃতি জাতীয় খাবার খান।

👉৭) দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে মিষ্টি, অম্ল জাতীয় খাবার কম খান।

👉৮) মুখের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে চা খান।

👉৯) খাবার পর মিষ্টিহীন টুইংগাম চেবান। এতে আপনার মুখের ময়েশ্চারাইজড ভাব ঠিক থাকবে।

👉১০) ধূমপান করবেন না। কিংবা ধোঁয়াহীন তামাক খান। এতে আপনার দাঁত ভালো থাকবে।
🙂

 #দাঁতের_যত্নে_যে_খাবারগুলো_খাবেন? সৌন্দর্যের অনেকটাই নির্ভর করে সুন্দর ঝকঝকে হাসির ওপর। উজ্জ্বল দাঁত যেমন চেহারায় সুন্দ...
04/12/2020

#দাঁতের_যত্নে_যে_খাবারগুলো_খাবেন?

সৌন্দর্যের অনেকটাই নির্ভর করে সুন্দর ঝকঝকে হাসির ওপর। উজ্জ্বল দাঁত যেমন চেহারায় সুন্দর ঝলক নিয়ে আসে, তেমনই দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাড়ির ইনফেকশন, দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয় ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে। জেনে নিন কোন খাবারগুলো ডায়েটে রাখলে দাঁতের অনেক সমস্যাই দূরে থাকবে।

১. কাঁচা গাজর চিবিয়ে খেলে এর মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন দাঁত, চোখ, হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে।

২. ভিটামিন 'এ' পরিপূর্ণ পালং শাক হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে।

৩. ভিটামিন 'সি' থাকায় ক্যাপসিকাম দাঁত ও মাড়ির ইনফেকশন সারাতে পারে।

৪. দাঁতের এনামেলের ক্ষয় রুখতে সাহায্য করে ব্রকোলি।

৫. ভিটামিন 'সি' থাকায় ফুলকপি দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে।

৬. ট্যানিন ও পলিফেনল থাকায় ফ্লুওরাইডের মাত্রা বাড়িয়ে দাঁতে এনামেলের ক্ষয় রোধ করে গ্রিন টি।

৭. প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন 'সি' থাকায় আনারস দাঁত, মাড়িতে জমা ব্যাকটেরিয়া মোকাবিলায় যেমন সাহায্য করে, তেমনই ইনফেকশন দূরে রেখে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৮. কমলা লেবুর মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন 'সি'। যা দাঁত, মাড়ি সুস্থ রাখে।

৯. রসুনের অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি ভাইরাল, অ্যান্টি ফাংগাল গুণ মুখের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।

১০. মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন 'ডি' দাঁত সুস্থ রাখে।

১১. ভাল মাউথওয়াশ হিসেবে কাজ করে হলুদ। যা দাঁত সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

১২. দই ও পনিরে থাকা ভিটামিন 'ডি' দাঁত ও হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে।

১৩. দাঁত সুস্থ রাখায় দারচিনির সরাসরি ভূমিকা না থাকলেও প্রতিদিন আধ চামচ দারচিনি গুঁড়ো ডায়েটে থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যা মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা কমায়। ফলে দাঁত ভাল থাকে।
🙂

01/12/2020

সতর্কতা
সারসংক্ষেপ

মাউথওয়াশ, যাকে মুখের ধোয়াও বলা হয়, এটি তরল পণ্য যা আপনার দাঁত, মাড়ি এবং মুখ ধুয়ে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটিতে আপনার ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলি হ্রাস করার জন্য একটি এন্টিসেপটিক থাকে যা আপনার দাঁত এবং আপনার জিহ্বায় থাকতে পারে।

কিছু লোক মুখের দুর্গন্ধের বিরুদ্ধে লড়াই করতে মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন, আবার কেউ কেউ দাঁত ক্ষয় রোধ করার জন্য এটি ব্যবহার করেন।

মাউথওয়াশ আপনার দাঁত ব্রাশ করা বা মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনা করে ফ্লসিং প্রতিস্থাপন করে না এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে এটি কেবল কার্যকর।

*মাউথওয়াশ কীভাবে ব্যবহার করবেন??

1.প্রথমে দাঁত ব্রাশ করুন।

যদি আপনি ফ্লোরাইড টুথপেস্ট ব্রাশ করছেন তবে মাউথওয়াশ ব্যবহার করার আগে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। মাউথওয়াশ টুথপেস্টে ঘনীভূত ফ্লোরাইড ধুয়ে ফেলতে পারে।

2. কতটা মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে-
পণ্য বা প্লাস্টিক পরিমাপের কাপ সরবরাহিত কাপে আপনার পছন্দের মৌখিক ধুয়ে ফেলুন। পণ্যটি আপনাকে যতটা ব্যবহার করতে নির্দেশ দেয় কেবল ততটাই মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন। এটি সাধারণত 3 থেকে 5 চা চামচ এর মধ্যে থাকে।

3.গিলে ফেলবেন না, মাউথওয়াশটি খাওয়ার জন্য নয়, এবং আপনি এটি পান করলে কার্যকর হবে না।

4.30 সেকেন্ডের জন্য গার্গল করুন। আপনি একটি ঘড়ি সেট করতে বা আপনার মাথার মধ্যে 30 গুনতে চেষ্টা করতে পারেন।

*মাউথওয়াশ কখন ব্যবহার করবেন??
কিছু লোক তাদের প্রতিদিনের দাঁত পরিষ্কারের রুটিনের অংশ হিসাবে মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন। তবে দুর্গন্ধ দূর করতে আপনি মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন।
সেরা ফলাফলের জন্য, দাঁতগুলি মাউথওয়াশ ব্যবহারের আগে পরিষ্কার করা উচিত।
🙂

30/11/2020

#বাচ্চাদের_দাঁত_নিয়ে_দুকথা

বাচ্চাদের দাঁতে ‘পোকা’ ধরল (ক্যারিজ) নাকি কোনো সংক্রমণ হলো, তা নিয়ে আমরা খুব বেশি মাথা ঘামাই না। ধরে নিই, ‘দুধ-দাঁত’ তো বেশি দিন থাকে না, এমনিতেই পড়ে যায়। এরপর যে স্থায়ী দাঁত ওঠে, সেটাই আসল। কিন্তু এটা ভুল ধারণা। বাচ্চাদের দুধ-দাঁতের যত্ন না নিলে পরবর্তী জীবনে দাঁতের জন্য তাদের চরম ভোগান্তি হতে পারে। গবেষণায় সেটা দেখা গেছে। তাই সাবধান হতে হবে শুরুতেই। এ সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য জেনে নিই আসুন।

১. যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন দেখেছে, দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশুদের প্রায় এক-চতুর্থাংশেরই দাঁতে পোকা। মা-বাবাদের অবহেলার জন্য এ দুরবস্থা। হয়তো তাঁরা ভাবেন দু-চার দিন দাঁত ঘষা বাদ গেলে কী-ইবা ক্ষতি! শিশুরা সারাক্ষণ হয়তো স্ন্যাকস আর জুসের ওপর থাকে।

এগুলোই দাঁতে পোকা ধরায়। পোকায় খাওয়া দাঁত তুলে ফেললেও বিপদ। কারণ, বেশি দিন ফাঁকা পড়ে থাকলে পাশের দাঁত সে শূন্যস্থানে ঢুকে পড়ে, নতুন দাঁত ত্যাড়াবাঁকা হয়ে ওঠে। মুখের সৌন্দর্যই শুধু নষ্ট হয় না, মুখের নানা অসুখবিসুখও দেখা দেয়।

২. যেসব বাচ্চার দাঁতে পোকা হয়, বড় হয়ে তাদের দাঁতে পোকা হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় তিন গুণ। ২০০২ সালে জার্নাল অব ডেন্টাল রিসার্চে প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

৩. দিনে অন্তত দুবার ফ্লোরাইড টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত না ঘষা বা অতিরিক্ত চিনি মেশানো জুস বেশি খাওয়ার কারণেই যে এ রকম হয়, তা নয়। যেসব ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে দাঁতে ক্ষত হয়, যাকে আমরা সহজ কথায় ‘পোকা ধরা’ (ক্যারিজ) বলি, তা মুখে সংক্রমণ ঘটায় এবং নষ্ট দাঁত ফেলে দেওয়ার পরও সেই সংক্রমণ থেকে যায় ও মুখের সমস্যা সৃষ্টি করে।

৪. বাচ্চাদের দুধ-দাঁতে পোকা ধরলে দ্রুত চিকিত্সা করাতে হবে। না হলে ঘা হয়ে ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়তে পারে। মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

৫. অভিভাবক স্থানীয় কেউ বাচ্চাদের দিনে দুবার করে নিয়মিত ফ্লোরাইড টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ঘষে দেবেন। দিনে ১৫ মিনিটের বেশি মিষ্টি জুস যেন বাচ্চারা না খায়, তা দেখতে হবে।
🙂

Address

Rajshahi
Rajshahi

Telephone

+8801851373236

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when United dental and health care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share