Naim Dental Care

Call

Naim Dental Care Brush teeth thoroughly twice a day and floss daily between the teeth to remove dental Dishes.

দাঁত থেকে রক্ত পড়ার প্রধান কারণ হলো মাড়ির প্রদাহ বা জিনজিভাইটিস (Gingivitis)। সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ না করা, ভিটামিন সি ব...
15/07/2026

দাঁত থেকে রক্ত পড়ার প্রধান কারণ হলো মাড়ির প্রদাহ বা জিনজিভাইটিস (Gingivitis)। সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ না করা, ভিটামিন সি বা কে এর অভাব, শক্ত ব্রাশ ব্যবহার, গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন এবং রক্ত জমাট বাঁধার কোনো সমস্যা বা রক্তের ক্যান্সারের মতো রোগের কারণেও মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে।দাঁত দিয়ে রক্ত পড়ার বিস্তারিত কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:দাঁতের অযত্ন: নিয়মিত ও সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ এবং ফ্লস না করার কারণে দাঁতের গোড়ায় প্লাক (খাদ্যকণা ও ব্যাকটেরিয়ার আবরণ) জমা হয়। এই প্লাক শক্ত হয়ে টারটারে পরিণত হলে মাড়ি ফুলে যায় এবং রক্তপাত হয়।মাড়ির রোগ: জিনজিভাইটিসের চিকিৎসা না করালে তা আরও মারাত্মক রূপ নিয়ে পেরিওডনটাইটিস (Periodontitis) হতে পারে, যার ফলে দাঁত ও মাড়ির সংযোগ দুর্বল হয়ে যায়।ভিটামিনের অভাব: শরীরে ভিটামিন সি (স্কার্ভি রোগ) এবং ভিটামিন কে-এর অভাবে মাড়ি দুর্বল হয়ে সহজেই রক্তপাত হতে পারে।ভুল ব্রাশ বা ফ্লস: খুব শক্ত ব্রাশ দিয়ে জোরে দাঁত মাজা বা অসাবধানতার সাথে ফ্লস করার ফলে মাড়িতে আঘাত লেগে রক্ত পড়তে পারে।ওষুধের প্রভাব: অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য রক্ত পাতলা করার ওষুধ (Blood thinners) দীর্ঘদিন সেবন করলে রক্তপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।অন্যান্য শারীরিক সমস্যা: রক্তের ক্যান্সার (লিউকেমিয়া), ডেঙ্গু বা অন্য কোনো কারণে রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়া, লিভারের সমস্যা, অথবা গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও মাড়ি থেকে রক্তপাত হতে পারে।মাড়ি থেকে রক্ত পড়া শুরু হলে এটিকে অবহেলা না করে দ্রুত কোনো ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি-এর ওয়েবসাইটে গিয়ে বা আপনার নিকটস্থ ডেন্টাল ক্লিনিকে যোগাযোগ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন

13/07/2026
দাঁত তোলার পর প্রথম ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় দাঁতের জায়গায় জমা রক্ত (ক্লট) যাতে সরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রা...
13/07/2026

দাঁত তোলার পর প্রথম ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় দাঁতের জায়গায় জমা রক্ত (ক্লট) যাতে সরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে。ডাক্তারের দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চললে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব—করণীয়:তুলা চেপে রাখুন: দাঁত তোলার পর অন্তত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ডেন্টিস্টের দেওয়া গজ বা তুলা শক্ত করে কামড়ে ধরে রাখুন。ঠান্ডা সেঁক: ফোলা কমাতে মুখের বাইরে গালের নির্দিষ্ট অংশে বরফের প্যাক (আইস প্যাক) ধরতে পারেন。নরম ও ঠান্ডা খাবার: প্রথম ২৪ ঘণ্টা দই, আইসক্রিম, স্যুপ, ঠান্ডা দুধ বা ফলের রস—এমন নরম ও ঠান্ডা খাবার খান。ওষুধ গ্রহণ: ব্যথা বা ইনফেকশন এড়াতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে ব্যথানাশক ও অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খান。পর্যাপ্ত বিশ্রাম: প্রথম ২৪ ঘণ্টা ভারী কাজ বা ব্যায়াম থেকে বিরত থাকুন এবং কিছুটা উঁচু বালিশে মাথা রেখে ঘুমান。বর্জনীয়:কুলি করা বা থুতু ফেলা: প্রথম ২৪ ঘণ্টা কোনো অবস্থাতেই জোরে কুলকুচি করবেন না বা বারবার থুতু ফেলবেন না。স্ট্র ব্যবহার: পানীয় পানের সময় স্ট্র ব্যবহার করবেন না, এতে মুখের ভেতর নেগেটিভ প্রেশার তৈরি হয়ে রক্তপাত হতে পারে。ধূমপান ও অ্যালকোহল: অন্তত ৪৮ ঘণ্টা ধূমপান ও অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকুন (এগুলো ক্ষত শুকাতে দেরি করায়)।গরম বা শক্ত খাবার: ২৪ ঘণ্টা গরম, শক্ত ও ঝাল খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন。হাত বা জিভ দেওয়া: ক্ষতস্থানে বারবার আঙুল বা জিভ দিয়ে খোঁচাখুঁচি করবেন না。পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে আলতোভাবে কুলকুচি করতে পারবেন。 রক্তপাত বন্ধ না হলে বা প্রচণ্ড ব্যথা হলে দ্রুত আপনার ডেন্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন。

দাঁত নড়ার প্রধান কারণ হলো পেরিওডন্টাল বা মাড়ির রোগ, যা সঠিক নিয়মে দাঁত পরিষ্কার না করার ফলে সৃষ্ট ইনফেকশন থেকে হয়। প্রাপ...
11/07/2026

দাঁত নড়ার প্রধান কারণ হলো পেরিওডন্টাল বা মাড়ির রোগ, যা সঠিক নিয়মে দাঁত পরিষ্কার না করার ফলে সৃষ্ট ইনফেকশন থেকে হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের দাঁত স্থায়ী হাড় ও টিস্যুর মাধ্যমে শক্তভাবে আটকে থাকে, তবে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অভ্যাসের কারণে এই বাঁধন আলগা হয়ে যেতে পারে।নিচে দাঁত নড়ার প্রধান কারণগুলো চিকিৎসাগত ও বাহ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করে দেখানো হলো:মাড়ি ও হাড়ের সমস্যাপেরিওডন্টাল ডিজিজ: দাঁতে প্লাক বা পাথর জমে মাড়িতে দীর্ঘমেয়াদী ইনফেকশন হলে দাঁতের চারপাশের টিস্যু নষ্ট হয়ে যায়।চোয়ালের হাড় ক্ষয়: ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি-এর অভাবে অস্টিওপোরোসিস রোগ হলে চোয়ালের হাড়ের ঘনত্ব কমে দাঁত আলগা হয়ে যায়।দাঁতের গোড়ায় গভীর ইনফেকশন: দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটি অবহেলা করলে গোড়ায় পুঁজ বা অ্যাবসেস হয়ে দাঁত নড়তে পারে।মুখের ভেতরের অতিরিক্ত চাপ ও অভ্যাসব্রুকসিজম বা দাঁত ঘষা: ঘুমানোর সময় বা অতিরিক্ত মানসিক চাপে অবচেতনভাবে দাঁতে দাঁত ঘষার অভ্যাসের কারণে গোড়ায় চাপ পড়ে।অসম কামড় (Misalignment): দাঁত এলোমেলো, উঁচু-নিচু বা বাঁকা থাকলে চিবানোর সময় নির্দিষ্ট কিছু দাঁতের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।আঘাত পাওয়া: কোনো দুর্ঘটনা, খেলাধুলার সময় মুখে আঘাত লাগা বা হঠাৎ খুব শক্ত খাবারে জোরে কামড় দেওয়ার কারণে।শারীরিক অন্যান্য রোগ ও হরমোনের প্রভাবঅনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস: রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যা মাড়ির ইনফেকশনকে ৩-৫ গুণ দ্রুত বাড়িয়ে তোলে।হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভাবস্থায় বা মেনোপোজের সময় প্রোজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা পরিবর্তনের কারণে মাড়ি নরম হয়ে দাঁত আলগা হতে পারে।ধূমপান ও জর্দা ব্যবহার: তামাক ব্যবহারের ফলে মাড়িতে রক্ত সরবরাহ কমে যায় এবং দাঁতের চারপাশের টিস্যু দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।পরামর্শ: দাঁত সামান্য নড়াচড়া করলেই অবহেলা না করে দ্রুত একজন রেজিস্টার্ড ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসার মাধ্যমে নড়বড়ে দাঁত আবার মজবুত করা সম্ভব

দাঁত শক্ত ও মজবুত রাখতে নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন:১. পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুনদাঁতের মজবুতির জন্য ক্...
17/01/2025

দাঁত শক্ত ও মজবুত রাখতে নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

১. পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন

দাঁতের মজবুতির জন্য ক্যালসিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাবারে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যেমন:

দুধ, দই, পনির

ছোট মাছ (কাঁটাসহ)

পালংশাক, ব্রোকোলি

২. ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন

ফ্লোরাইড দাঁতের এনামেল মজবুত করে দাঁত ক্ষয়ের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন দুইবার ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন।

৩. সঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার করুন

সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করুন।

ব্রাশ করার সময় নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন এবং ধীরে ধীরে ব্রাশ করুন।

ফ্লস ব্যবহার করে দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করুন।

৪. সুগার এবং অ্যাসিডযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন

মিষ্টি এবং সোডা পানীয় দাঁতের এনামেল দুর্বল করতে পারে। এসব খাবার খাওয়ার পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৫. পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করুন

ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। পাশাপাশি ডিমের কুসুম এবং চর্বিযুক্ত মাছ (যেমন স্যামন) খান।

৬. পর্যাপ্ত জল পান করুন

খাওয়ার পর পানি পান করলে মুখের এসিডিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ব্যাকটেরিয়া কমে।

৭. দাঁতের নিয়মিত চেকআপ করান

ছয় মাসে একবার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে দাঁত পরীক্ষা করুন।

এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে দাঁত দীর্ঘমেয়াদে মজবুত ও সুস্থ থাকবে।

dental scaling কী?দাঁত স্কেলিং (Teeth Scaling) হলো একটি ডেন্টাল প্রক্রিয়া যা দাঁতের পৃষ্ঠে জমে থাকা প্লাক, টার্টার (ক্য...
03/01/2025

dental scaling কী?

দাঁত স্কেলিং (Teeth Scaling) হলো একটি ডেন্টাল প্রক্রিয়া যা দাঁতের পৃষ্ঠে জমে থাকা প্লাক, টার্টার (ক্যালকুলাস), এবং দাঁতের গোড়ায় থাকা ময়লা বা ব্যাকটেরিয়াল বায়োফিল্ম পরিষ্কার করার জন্য করা হয়। এটি সাধারণত ডেন্টাল হাইজিন বা গাম ডিজিজ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন হয়।

স্কেলিং কখন প্রয়োজন?

1. দাঁতের গায়ে হলুদ বা বাদামি দাগ জমে গেলে।

2. মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বা মাড়ি ফুলে গেলে।

3. মুখে দুর্গন্ধ (Bad Breath) হলে।

4. পিরিওডন্টাল রোগের লক্ষণ দেখা দিলে।

5. রেগুলার ডেন্টাল চেকআপে স্কেলিং পরামর্শ দেওয়া হলে।

স্কেলিং-এর উপকারিতা

1. দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

2. গাম ডিজিজ বা পিরিওডন্টাইটিস প্রতিরোধ হয়।

3. মুখে দুর্গন্ধ কমে যায়।

4. দাঁতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বজায় থাকে।

স্কেলিং-এর সময় কিছু প্রশ্ন

1. ব্যথা হবে কি?
সাধারণত স্কেলিং খুব বেশি ব্যথা দেয় না, তবে সংবেদনশীল দাঁতে হালকা অস্বস্তি হতে পারে।

2. এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী?
স্কেলিংয়ের পরে দাঁত কিছুটা সংবেদনশীল হতে পারে, যা কয়েকদিন পর স্বাভাবিক হয়ে যায়।

আপনার যদি স্কেলিং করতে হয়, তাহলে একজন ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন এবং তাদের নির্দেশনা মেনে চলুন।

হঠাৎ দাঁতে ব্যাথা শুরু হয়ে গেলে করণীয় কি? হঠাৎ দাঁতে ব্যথা শুরু হলে তা অত্যন্ত অস্বস্তিকর হতে পারে। ব্যথা কমানোর জন্য ...
02/01/2025

হঠাৎ দাঁতে ব্যাথা শুরু হয়ে গেলে করণীয় কি?
হঠাৎ দাঁতে ব্যথা শুরু হলে তা অত্যন্ত অস্বস্তিকর হতে পারে। ব্যথা কমানোর জন্য প্রাথমিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাথমিক করণীয়:

1. কুলকুচি করুন:

হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এটি ব্যথা কমাতে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

2. ঠাণ্ডা বা গরম সেঁক:

দাঁতের বাইরে গালে ঠাণ্ডা পানির ব্যাগ বা বরফ প্যাক রাখুন। এটি প্রদাহ কমাতে এবং ব্যথা উপশমে সাহায্য করবে।

3. ওভার-দ্য-কাউন্টার ব্যথানাশক:

পারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করতে পারেন। তবে ডাক্তার না দেখিয়ে অতিরিক্ত ডোজ গ্রহণ করবেন না।

4. লবঙ্গ তেল ব্যবহার করুন:

একটি তুলোতে লবঙ্গ তেল (Clove Oil) লাগিয়ে ব্যথার স্থানে আলতো করে লাগান। এটি প্রাকৃতিক উপায়ে ব্যথা কমায়।

5. খাবারের প্রতি সতর্কতা:

খুব ঠাণ্ডা, গরম, বা শক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। এটি ব্যথা আরও বাড়াতে পারে।

6. মুখ পরিষ্কার রাখুন:

নরম ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন এবং খাবারের কণা সরিয়ে ফেলুন।

দ্রুত ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া জরুরি যদি:

ব্যথা কয়েক দিনের বেশি স্থায়ী হয়।

ফোলাভাব বা মাড়ি থেকে পুঁজ বের হয়।

জ্বর বা মাথাব্যথা অনুভব করেন।

চোয়াল পর্যন্ত ব্যথা ছড়ায়।

ভবিষ্যতে প্রতিরোধের উপায়:

নিয়মিত দাঁত ব্রাশ এবং ফ্লস করুন।

নিয়মিত দাঁতের ডাক্তার দেখান।

মিষ্টি বা অ্যাসিডিক খাবার কম খান।

দাঁতের ব্যথা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসা করানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Address

Rajshahi
6240

Opening Hours

Monday 10:00 - 13:30
16:00 - 20:00
Friday 15:30 - 20:00

Telephone

+8801966807862

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naim Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share