Dr.Muhib DentoZone

Dr.Muhib DentoZone Dr. Muhibbur Rahman Bhuiyan is a
Dental Surgeon.Apart from being a full-time health professional.

ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন বি'দ্ধস্ত গা'জার সামনে। সে আর কেউ না।আমাদের দেশের এক নাগরিক । মানে আমাদের বাংলাদেশের ডাক্তার। য...
08/04/2025

ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন বি'দ্ধস্ত গা'জার সামনে। সে আর কেউ না।আমাদের দেশের এক নাগরিক । মানে আমাদের বাংলাদেশের ডাক্তার। যে মৃ'ত্যু কে বাজি রেখে গত ১ মাস গা'জাবাসী কে সম্পূর্ন ভলেন্টিয়ার হিসেবে চিকিৎসা দিয়ে গেছেন।
নিজেকে ওনার জায়গায় একবার চিন্তা করে দেখুন। আপনার আমার ঈ'মানের শক্তি আর তার ঈ'মানের শক্তির মধ্যে কতো সহস্র পার্থক্য।
এই বীর যো'দ্ধার নাম ডা.মো. মইনুল হোসেন খান।
আল্লাহ তাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন।

#ডাঃসওগাত_এহসান

বাংলাদেশে আজকে একটি অসাধারণ ঘটনা ঘটেছে। একজন সরকারি চিকিৎসক তার হাসপাতালের ৫০০ রোগীর জন্য নিজ হাতে ডেগে ফিরনি রান্না করে...
25/02/2025

বাংলাদেশে আজকে একটি অসাধারণ ঘটনা ঘটেছে। একজন সরকারি চিকিৎসক তার হাসপাতালের ৫০০ রোগীর জন্য নিজ হাতে ডেগে ফিরনি রান্না করেছেন এবং সবাইকে খাইয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, তিনি মেহমানদারি করেছেন। আজ এই ঘটনাটি ঘটেছে পাবনা মানসিক হাসপাতালে। যেখানে কঠিন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি থাকেন। রোগীরা মজা করে এই খাবার খেয়েছেন।

এই চিকিৎসকের নাম ডা. মোঃ রাজিবুর রহমান। তিনি একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ। পদবীতে সহকারী অধ্যাপক।
শুধু আবর্জনার স্তূপ ঘাঁটতে না থেকে কতো মণি-মুক্তা এদিকে সেদিকে ছড়িয়ে আছে সেগুলোও কুড়ান। মনকে প্রশস্ত করুন, দেখবেন কতো কী অবিশ্বাস্য অনিন্দ্যসুন্দর উপাখ্যান চোখে পড়বে।

- ডাঃ মারুফ রায়হান খান

04/11/2024
গরমের বিপদ হিট স্ট্রোক: ঝুঁকি এড়াতে করণীয়লেখা: ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহসারা দেশে প্রচণ্ড দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে...
24/04/2024

গরমের বিপদ হিট স্ট্রোক: ঝুঁকি এড়াতে করণীয়
লেখা: ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ

সারা দেশে প্রচণ্ড দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। সারা দেশেই গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, আর গরমের উৎপাতে দিশেহারা মানুষ এবং প্রাণীকুল। এছাড়া নানা রকম অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকেই। তবে কয়েক দিনে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

হিট স্ট্রোক কী?

গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম হিট স্ট্রোক। চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে ঘাম বন্ধ হয়ে যায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে, তাকে হিট স্ট্রোক বলে। স্বাভাবিক অবস্থায় রক্ত দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কোনো কারণে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ত্বকের রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং অতিরিক্ত তাপ পরিবেশে ছড়িয়ে দেয়। প্রয়োজনে ঘামের মাধ্যমেও শরীরের তাপ কমে যায়। কিন্তু প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্র পরিবেশে বেশি সময় অবস্থান বা পরিশ্রম করলে তাপ নিয়ন্ত্রণ আর সম্ভব হয় না। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায় এবং হিট স্ট্রোক দেখা দেয়।

হিট স্ট্রোক কাদের বেশি হয়?

প্রচণ্ড গরমে ও আর্দ্রতায় যে কারও হিট স্ট্রোক হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যেমন—

(১) শিশু ও বৃদ্ধদের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকায় হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তিরা যেহেতু প্রায়ই বিভিন্ন রোগে ভোগেন যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার বা হার্টের রোগী, স্ট্রোক বা ক্যান্সারজনিত রোগে যারা ভোগেন, এমনকি যেকোনো কারণে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম কিংবা নানা ওষুধ সেবন করেন, যা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

(২) যাঁরা দিনের বেলায় প্রচণ্ড রোদে কায়িক পরিশ্রম করেন, তাঁদের হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। যেমন কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক।

(৩) শরীরে পানিস্বল্পতা হলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

(৪) কিছু কিছু ওষুধ হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় বিশেষ করে প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ, বিষণ্নতার ওষুধ, মানসিক রোগের ওষুধ ইত্যাদি।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কী?

তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহে নানা রকম প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। প্রাথমিকভাবে হিট স্ট্রোকের আগে অপেক্ষাকৃত কম মারাত্মক হিট ক্র্যাম্প অথবা হিট এক্সহসশন হতে পারে। হিট ক্র্যাম্পে শরীরের মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, শরীর দুর্বল লাগে এবং প্রচণ্ড পিপাসা পায়। এর পরের ধাপে হিট এক্সহসশনে দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব, অসংলগ্ন আচরণ ইত্যাদি দেখা দেয়। এই দুই ক্ষেত্রেই শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ঠিক থাকে এবং শরীর অত্যন্ত ঘামতে থাকে। এ অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে হিট স্ট্রোক হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো—

(১) শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রিº ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়।

(২) ঘাম বন্ধ হয়ে যায়।

(৩) ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়।

(৪) নিশ্বাস দ্রুত হয়।

(৫) নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়।

(৬) রক্তচাপ কমে যায়।

(৭) খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক আচরণ, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্নতা ইত্যাদি।

(৮) প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।

(৯) রোগী শকেও চলে যায়। এমনকি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

প্রতিরোধের উপায় কী?

গরমের দিনে কিছু সতর্কতা মেনে চললে হিট স্ট্রোকের বিপদ থেকে বেঁচে থাকা যায়। এগুলো হলো—

(১) হালকা, ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। কাপড় সাদা বা হালকা রঙের হতে হবে। সুতি কাপড় হলে ভালো।

(২) যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন।

(৩) বাইরে যেতে হলে মাথার জন্য চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন।

(৪) বাইরে যাঁরা কাজকর্মে নিয়োজিত থাকেন, তাঁরা মাথায় ছাতা বা মাথা ঢাকার জন্য কাপড়জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে পারেন।

(৫) প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল পান করুন। মনে রাখবেন, গরমে ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ দুই-ই বের হয়ে যায়। তাই পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয় যেমন-খাবার স্যালাইন, ফলের রস, লাচ্ছি ইত্যাদিও পান করতে হবে। পানি অবশ্যই বিশুদ্ধ হতে হবে।

(৬) তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয় যেমন-চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।

(৭) রোদের মধ্যে শ্রমসাধ্য কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। এসব কাজ সম্ভব হলে রাতে বা খুব সকালে করুন। যদি দিনে করতেই হয়, তবে কিছুক্ষণ পরপর রোদ থেকে সরে গিয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর লবণযুক্ত পানি ও স্যালাইন পান করতে হবে।

আক্রান্ত হলে কী করণীয়?

প্রাথমিকভাবে হিট স্ট্রোকের আগে যখন হিট ক্র্যাম্প বা হিট এক্সহসশন দেখা দেয়, তখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজেই যা করতে পারেন তা হলো—

(১) দ্রুত শীতল কোনো স্থানে চলে যান। যদি সম্ভব হয়, ফ্যান বা এসি ছেড়ে দিন।

(২) ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে ফেলুন। সম্ভব হলে গোসল করুন।

(৩) প্রচুর পানি ও খাবার স্যালাইন পান করুন। চা বা কফি পান করবেন না।

কিন্তু যদি হিট স্ট্রোক হয়েই যায়, তবে রোগীকে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে, ঘরে চিকিৎসা করার কোনো সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে রোগীর আশপাশে যাঁরা থাকবেন তাঁদের করণীয় হলো—

(৪) রোগীকে দ্রুত শীতল স্থানে নিয়ে যান।

(৫) তাঁর কাপড় খুলে দিন।

(৬) শরীর পানিতে ভিজিয়ে দিয়ে বাতাস করুন। এভাবে তাপমাত্রা কমাতে থাকুন।

(৭) সম্ভব হলে কাঁধে, বগলে ও কুচকিতে বরফ দিন।

(৮) রোগীর জ্ঞান থাকলে তাঁকে খাবার স্যালাইন দিন।

(৯) দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

(১০) সব সময় খেয়াল রাখবেন হিট স্ট্রোকে অজ্ঞান রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস এবং নাড়ি চলছে কি না। প্রয়োজন হলে কৃত্রিমভাবে নিশ্বাস ও নাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করতে হতে পারে। হিট স্ট্রোকে জীবন বিপদাপন্ন হতে পারে। এমনকি রোগী মারাও যেতে পারেন। গরমের এই সময়টায় সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে। দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও হাসপাতালে ভর্তি করে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া গেলে বেশির ভাগ রোগীই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে।

(১১) গরমে শিশুদের জন্য ঝুঁকিটা বেশি। বাচ্চাদের বেশি বেশি পানি খাওয়াতে হবে। তারা যেন রোদের মধ্যে অনেক বেশি দৌড়ঝাঁপ না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সবাইকে মনে রাখতে হবে এই গরমে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করে এর থেকে বেঁচে থাকা উচিত।

লেখক: ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক।
দেশজুড়ে ৭২ ঘণ্টার হিট অ্যালার্ট জারি করা হ‌য়ে‌ছে।
©

হাতুড়ে/কোয়াক/ভূয়া ডেন্টিস্ট বলতে সাধারণত এমন কারও কথা মনে হবে যিনি রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে দাঁতের সকল চিকিৎসা গ্যারান্ট...
19/03/2024

হাতুড়ে/কোয়াক/ভূয়া ডেন্টিস্ট বলতে সাধারণত এমন কারও কথা মনে হবে যিনি রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে দাঁতের সকল চিকিৎসা গ্যারান্টি সহকারে করে থাকেন! কিন্তু না, দিনবদলের হাওয়ায় তারা আজ নিজেদের প্রতারণার কৌশল বদলিয়েছে। এখন আর শুধু নিরীহ সহজ-সরল মানুষদের বোকা বানিয়ে দাঁতের পোকা বের করার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয় না; বরঞ্চ এখন তাদের অভিনব প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছেন শিক্ষিত মানুষজনরাও!
এসব ভূয়া ডেন্টিস্টরা যেভাবে ডেন্টাল চেয়ার, আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ সুসজ্জিত দোকান খুলে বসেছে, হঠাৎ করে সন্দেহ করার বিষয় মাথায়ই আসবে না। এদের সাইনবোর্ড,প্রেসক্রিপশন প্যাড আর ভিজিটিং কার্ডে থাকে বাহারি কাল্পনিক ডিগ্রীর সমাহার। আর যেভাবে গায়ে এপ্রোন আর গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলিয়ে পুরোদস্তুর ডাক্তার সেজে বসে থাকে, সচেতন মানুষ জনও বুঝতে না পেরে প্রতারিত হচ্ছেন হরহামেশাই। চোর পালালে যেমন বুদ্ধি বাড়ে, ঠিক তেমনি অপচিকিৎসার স্বীকার হলে তখন খোঁজ নিয়ে জানা যায়- ইনি আসলে ডেন্টিস্টই নন!
বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BM&DC) এক্ট ২০১০ এর ধারা ২২(১,২) অনুযায়ী শুধুমাত্র MBBS এবং BDS ডিগ্রীধারীরা "ডাক্তার" হিসেবে মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতে পারবে। তারমধ্যে দাঁত এবং মুখগহ্বরের যেকোনো রোগের চিকিৎসা করতে পারবেন শুধুমাত্র BDS ডিগ্রীধারী ডেন্টাল সার্জন গণ। এক কথায় বলতে গেলে BDS ডিগ্রীধারী ব্যাতীত কেউ দাঁতের চিকিৎসক নন।
MBBS এবং BDS ডিগ্রীধারী ব্যাতীত কেউ নামের পূর্বে ডাক্তার লিখতে পারবেন না,নিজেকে ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতে পারবেন না, ডাক্তার সেজে কোনো চিকিৎসা প্রদান করতে পারবেন না; এসব আইনত দণ্ডনীয়। তাই এসব ভূয়া স্বঘোষিত ডেন্টিস্টরা নামের পূর্বে "ডেন্টিস্ট", " দন্ত প্রযুক্তিবিদ", "ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট", " দন্ত বিশেষজ্ঞ" - ইত্যাদি উপাধি জুড়ে দেন। শুধু তাই নয়, BM&DC যেমন চিকিৎসকদের রেজিষ্ট্রেশন নম্বর দেয়; সেটার অনুকরণে অনেকে অস্তিত্বহীন লাইসেন্স নম্বরও ব্যাবহার করেন! যারা বিএসসি ইন ডেন্টাল টেকনলোজি কিংবা ডিপ্লোমা ইন ডেন্টাল টেকনলোজি নিয়ে পড়াশোনা করেন, তারা চতুরতার সাথে নিজেদের ডিগ্রী থেকে "ডেন্টাল টেকনলোজি" অংশ টুকু মুছে ফেলে "ডেন্টিস্ট্রি" লাগিয়ে দেন। তাদের কার্যপরিধি ডেন্টাল ল্যাবে ক্রাউন-ব্রীজ-ডেনচার তৈরী, ডেন্টাল চেয়ার এবং অন্যান্য ইন্সট্রুমেন্টস সেটআপ-রক্ষণাবেক্ষণ, ডেন্টাল সার্জনের সহযোগী হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকলেও তারা তাদের কাজ বাদ দিয়ে ডেন্টিস্ট সেজে রোগী দেখা শুরু করে!!
যে কেউ উদ্যোক্তা হিসেবে ডেন্টাল চেম্বার দিতে পারে, তবে চিকিৎসা করার জন্যে অবশ্যই বিডিএস ডিগ্রীধারী ডেন্টাল সার্জন প্রয়োজন। এতদিন যার কাছে চিকিৎসা করেছেন কিংবা নতুন কোনো ডেন্টাল চেম্বারে গেলে ডেন্টিস্ট বিডিএস ডিগ্রীধারী কিনা, সেটা অবশ্যই যাচাই করে নিবেন। চেম্বারের সাইনবোর্ডে বিডিএস ডিগ্রীধারী ডেন্টিস্টের কথা উল্লেখ থাকলেও যাচাই করতে হবে যে আসলেই উনি চিকিৎসা দিচ্ছেন, নাকি উনার পরিচয় ব্যাবহার করে কোনো হাতুড়ে ডেন্টিস্ট প্রতারণা করছে!
https://verify.bmdc.org.bd/ ওয়েবসাইটে গিয়ে বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন নম্বর দিলে ডেন্টাল সার্জনের নাম, ছবি, পিতার নাম, মাতার নাম চলে আসবে।

ভূয়া ডেন্টিস্টদের নিকট "কম টাকায় চিকিৎসা" করাতে যাবেন না, তাহলে যে ক্ষতি হবে পরবর্তীতে অনেক বেশী টাকা খরচ করেও হয়তো তার সমাধান করাতে পারবেন না। ভূয়া হাতুড়ে ডেন্টিস্ট দ্বারা যেভাবে প্রতারিত হতে পারেন-
🦷 নিম্নমানের পুডিং/ফিলিং/ঢালাই করে দিবে; কিন্তু সঠিকভাবে রেস্টোরেশন করতে পারবে না। ফলশ্রুতিতে অতিদ্রুত দাঁতে পাল্পাইটিস হতে পারে।
🦷 রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট করতে গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এরা ক্যানেলই খুঁজে পায় না। যে দাঁত সঠিকভাবে চিকিৎসা করে সংরক্ষণ করা সম্ভব ছিলো, সে দাঁতে ড্রিল করে কৃত্রিম ফুটা করে নষ্ট করে দিতে পারে। আবার ক্যানেল খুঁজে পেলেও সঠিকভাবে সীল করতে পারে না। পরবর্তীতে বিডিএস ডিগ্রীধারী ডেন্টিস্টের নিকট গিয়ে বেশী টাকা খরচ করে পুনরায় রূট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট করতে হবে, কিংবা সংরক্ষণের অযোগ্য হলে ফেলে দিতে হতে পারে।
🦷 যে দাঁতে ক্রাউন করার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই, আপনাকে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে ক্রাউন-ব্রীজ করতে পারে। বিশেষ করে যেখানে অর্থোডন্টিক চিকিৎসা প্রয়োজন, রেফার না করে ভালো দাঁত কেটেকুটে ক্রাউন পড়িয়ে দেয়! পরবর্তীতে পেশেন্ট যখন ভূল বুঝতে পারে, তখন ভোগান্তির সীমা থাকে না।
🦷 সঠিকভাবে দাঁত তুলতে পারে না; বিশেষ করে আক্কেল দাঁত তুলতে গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীর বারোটা বাজিয়ে দেয়। কখনও অর্ধেক তুলে বাকি অর্ধেক রেখে দেয়, আবার কখনও নার্ভ ক্ষতিগ্রস্থ করে ফেলে।
🦷 অপ্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ওষুধ দেয়া, সঠিক ডোজে না দেয়া- এসবের ফলে দেহে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরী হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে এন্টিবায়োটিক আর শরীরে ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না।

তাই সামর্থবান হলে দাঁত ও মুখগহ্বর এর যেকোনো সমস্যায় নিকটস্থ বিডিএস ডিগ্রীধারী ডেন্টিস্টের শরনাপন্ন হউন; আর সামর্থ না থাকলে সরকারি ডেন্টাল কলেজ কিংবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটে যেতে পারেন। খরচ কমাতে গিয়ে আপনার মূল্যবান টাকা প্রতারকের হাতে তুলে দিয়ে অপচিকিৎসার স্বীকার হবেন না।

সব সম্ভবের দেশে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়, প্রশাসনকে "ম্যানেজ" করে এরা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে; কিন্তু সবাই সচেতন হলে তখন ঠিকই তারা এই পথ ছেড়ে উপার্জনের জন্য অন্য পথ খুঁজে নিবে। তাই, আসুন সবাই সচেতন হই।

মনে রাখবেন- "বিডিএস নয় তো - ডেন্টিস্ট নয়"

Credit : Dr- Rifat

এখন থেকে Dr.Muhib DentoZone এ নিয়মিত রোগী দেখতেছেন Dr.Rubaiya Islam.
27/02/2024

এখন থেকে Dr.Muhib DentoZone এ নিয়মিত রোগী দেখতেছেন Dr.Rubaiya Islam.

 #ডেঙ্গু_সতর্কতা_কি_করবেন_কি_করবেন_না।ডেঙ্গুর বর্তমান অবস্থার কথা আমরা সকলেই জানি।ডেঙ্গু থেকে বাঁচার উপায় কমবেশি সকলেই জ...
26/07/2023

#ডেঙ্গু_সতর্কতা_কি_করবেন_কি_করবেন_না।

ডেঙ্গুর বর্তমান অবস্থার কথা আমরা সকলেই জানি।
ডেঙ্গু থেকে বাঁচার উপায় কমবেশি সকলেই জানি, কিন্তু ডেঙ্গু হয়ে গেলে আমাদের এপ্রোচ কি হবে সেটা নিয়ে আজকের এই আলোচনা।

মনে করুন আপনার জ্বর হলো। এখন কি করবেন?
* এটা নর্মাল, সিজনাল, এই কথা চিন্তা করা বন্ধ।
* দেখি ১-২দিন, দেখাদেখি বন্ধ।
* আমার তো সর্দি কাশি আছে,তাহলে এটা ডেঙ্গু না, ভাবা বন্ধ করুন।
কারন?
ডেঙ্গু জ্বরের প্যাটার্ন পাল্টেছে। একসময় চিকিৎসকরা সর্দি কাশি থাকলে আর ডেঙ্গু ভাবতো না। এখন আর সেটা নেই। গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে একটা আউটব্রেকের সময় যে কোন ফিভারেই শুরুতেই ভাবতে হবে আমি আউটব্রেকের কবলে পড়েছি। এটাই হচ্ছে নির্দেশিত। একটা সময় র‍্যাশ হতো, এখন র‍্যাশ দেখাই যায়না খুব একটা। এবছর জ্বরের তীব্রতাতেও পরিবর্তন এসেছে, অনেকেরি ১০০-১০১ এ ডেঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শরীর ব্যথার কারণে এটাকে ব্রেক বোন ফিভার বলতো আগে, এবছর সেই প্যাটার্নেও পরিবর্তন এসেছে, আগে ৫-৬দিনের দিন রোগীর কন্ডিশন খারাপ হতো, এখন ৩দিনের মাথাতেই ইভেন জ্বরের ১-২দিনেও কেউ কেউ ক্রিটিকাল কন্ডিশনে চলে যাচ্ছে।

ডেঙ্গুর ক্লাসিক্যাল সিম্পটম:
তীব্র জ্বর, প্রচন্ড শরীর ব্যথা, বিশে করে কোমর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, মাথা ব্যথা। তবে বর্তমান ডেঙ্গুতে এমনটা নাও থাকতে পারে।

করণী-১:
প্রথম দিনেই হসপিটাল গিয়ে তিনটি টেস্ট করে ফেলা।
১)CBC
2)Dengue NS1
3) SGOT
করার পর কি করবেন? কারণ NS1 positive means আপনার ডেঙ্গু নিশ্চিত। কিন্তু ধরুন কোন কারণে আপনার রিপোর্ট সব নর্মাল আসলো। প্রথম দিনে এটা হতেই পারে। তবে সব নর্মাল আসার সম্ভাবনা কম।
প্রথমেই CBC report এর HCT/PCV নামে একটা টার্ম আছে, হেমাটোক্রিট বা প্যাকড সেল ভলিউম, এটা কত পার্সেন্ট আছে মার্ক করে ফেলবেন বা লিখে ফেলবেন। কারণ এটাই আপনাকে পরবর্তীতে অনেক কিছু গাইড করবে। ধরুন আপনার আসলো ৩৬%, আপনার হিমোগ্লোবিন ১২%, তাহলে নর্মাল এবং প্রথম দিন এটা নর্মাল আসবে। আর নর্মাল রেঞ্জ আপনার কত সেটি জানা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমাদের দেশে ডেমোগ্রাফিক্যালি হেমাটোক্রিট ক্লাসিফাই করা নেই। তাই নিজের বেজ লাইন জেনে রাখবেন। হেমাটোক্রিট আপনার হিমোগ্লোবিনের ৩গুন সাধারণ অবস্থায়।
যদি দেখেন আপনার SGOT সাধারণ মাত্রার চাইতে ১-২গুন বেশি, তাহলে ওকে, এটাকে সাধারণ অবস্থা ভেবে নেয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি SGOT ৪-৫গুন হয়ে যায়, তবে এই রোগী সামনের দিকে খারাপ হওয়ার চান্স অনেক বেশি। তাই সতর্ক হয়ে যেতে হবে আগেই।

করণীয়-২:
প্রথম দিনেই ডাক্তার দেখাবেন। প্যারাসিটামল ছাড়া কোন ব্যথার মেডিসিন খেয়েছেন তো বিপদ আছে। এরপর ডাক্তারের পরামর্শ শুনবেন ও মেনে চলবেন।

করণীয়-৩:
প্রতিদিন CBC টেস্ট করতেই হবে মাস্ট। সিবিসি করে কি চেক করবেন? Platelet? না। HCT বা হেমাটোক্রিট। বিলিভ মি, যত প্যাশেন্ট মারা যাচ্ছেন, সব ডেঙ্গু শক সিন্ড্রমে, কেউ প্লাটিলেট বা ব্লিডিং হয়ে মারা যাচ্ছেন না। হেমোরেজিক ডেঙ্গুর চাইতে এখন আমাদের দেশে ডেঙ্গু শক হচ্ছে বেশি। আর এই হেমাটোক্রিট আপনাকে ইন্ডিকেশন দিবে এই শক সম্পর্কে। CBC থেকে আপনি কিভাবে কি বুঝবেন এবং দ্রুত হসপিটাল যাবেন?
যদি দেখেন আপনা HCT/PCV প্রথম দিনের নর্মাল রেঞ্জের চাউতে অনেক বেড়ে গেছে, ধরুন ছিলো ৩৫%, এখন ৪০%-৪৫%, তাহলে আপনার প্লাজমা লিকেজ হচ্ছে, শক।
যদি দেখেন হিমোগ্লোবিন এবং HCT দুটোই প্রথম দিনের চাইতে অনেক কমে গেছে, তবে আপনার শরীরে কোথাও ব্লিডিং হচ্ছে, সাথে কালো পায়খানা, লাল প্রশ্রাব, দাঁতের মাড়ি থেকে, নাক থেকে রক্ত পড়ছে। দ্রুত হসপিটাল ভর্তি হবেন। এক মুহুর্ত দেরি করা যাবেনা।
আর কী কী বুঝা যাবে CBC থেকে? যদি আপনার WBC count বা হোয়াইট ব্লাড কাউন্ট ৫হাজারের নিচে নেমে যায়, লিউকোপিনিয়া, এবং মনে রাখবেন, WBC count না কমার আগে আপনার প্লাটিলেট কমবে না। WBC count কমার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার Platelet count কমতে শুরু করবে। Platelet count যখন ১লাখের নিচে নেমে যাবে, তার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্লাজমা লিকেইজ শুরু হবে, এবং আপনি শকের দিকে ধাবিত হবেন। তাহলে CBC কতটা গুরুত্বপূর্ণ আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। মনে রাখবেন, প্রতিদিন CBC করতে হবে। প্লাটিলেট কমে গেলে মরবেন না, তাই প্লাটিলেট নিয়ে হাহুতাশ করবেন না। প্লাটিলেট ২০হাজারের নিচে না নামলে অন্য কোন প্রব্লেম না থাকলে ব্লিডিং হয়না, কারোর ১০হাজারেও কিছু হয়না। এটা আমাদের দেশে একটা অকারণ আতঙ্ক। পেপে পাতাও খাওয়া লাগবেনা, প্লাটিলেট যখন বাড়বে, একদিনেই কয়েক লাখ বেড়ে যাবে।

ক্রিটিকাল ফেইজ:
--------------------------
মনে রাখবেন, জ্বর থাকা অবস্থায় ডেঙ্গু রোগী মারা যায়না, বরং বিপদ শুরু হয় মূলত জ্বর কমার পর এবং সাধারণত আগে ৫-৬দিনের মাথায় ক্রিটিকাল ফেইজ শুরু হতো, কিন্তু এখন ৩দিনের শুরুতেই রোগীরা শকে চলে যাচ্ছে। ইভেন অনেকে জ্বর থাকা অবস্থাতেই ক্রিটিকাল হয়ে যাচ্ছে। তাই ফিভার কমে গেলে আরও সতর্ক হতে হবে। এই ফেজে আপনার প্লাটিলেট দ্রুত কমে যাবে। কিন্তু আগেই বলেছি, আপনাকে দেখতে হবে হেমাটোক্রিট।
এই ফেজে আর কী কী করলে বুঝতে পারবেন আপনার রোগী খারাপ হচ্ছে কিনা?
#ব্লাড_প্রেশার মাপবেন। দিনে ৪-৫বার মিনিমাম। বরং প্রথম দিন থেকেই মাপবেন।
এক্ষেত্রে ধরেন অনেকেরি আগে থেকে বিশেষ করে মেয়েদের ব্লাড প্রেশার লো থাকে, সো মাপার সময় আগে কত থাকতো জেনে নিবেন। বাসায় একটা ব্লাড প্রেশার মেশিন রাখবেন, ডিজিটাল মেশিন হলে পর পর দুইবার মাপবেন, আর ম্যানুয়াল হলে একবার মাপবেন।
এতে কি বুঝা যাবে? যদি ব্লাড প্রেশার সিস্টোলিক আইমিন উপরেরটা ১০০ এর নিচে নেমে যায় এবং ডায়স্টলিক মানে নিচেরটা ৬০ এর নিচে নেমে যায়, তবে এলার্ট হয়ে যান।
কিন্তু ধরেন উপরের প্রেশার ১০০-১১০ আর নিচেরটা ৯০। আপনি ভাবলেন নর্মাল। বা ৯০/৭০ বা ১২০/১০০। না, এটা নর্মাল না। দুটোর বিয়োগফল কত আসে? অনেক কাছাকাছি না? এটাকে বলে ন্যারো পালস প্রেশার এবং এই পালস প্রেশার যদি ২০ এর কম হয়, অর্থাৎ দুটোর পার্থক্য যদি ২০ এর কম হউ, ইউ আর ইন শক ওর আপনি শকে যাচ্ছেন।
দ্রুত হসপিটাল।
এই ক্রিটিকাল ফেজে আর কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ?
তীব্র পেটে ব্যথা হচ্ছে কিনা? এটা শকের লক্ষন।
লো প্রেশারের সাথে আপনার রোগীর হাত ও পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে কিনা, এটা শকের লক্ষন।
আপনার রোগী অস্থিরতা দেখাচ্ছে কিনা, একদম নেতিয়ে দূর্বল ফ্যাকাশে হয়ে গেলো কিনা, বিপদ চিহ্ন।
খুব ভালোকরে প্রশ্রাবের দিকে খেয়াল করবেন। কয়বার প্রশ্রাব করছে, কতটুকু প্রশ্রাব হচ্ছে প্রতিবার। যদি প্রশ্রাব কমে যায়, অল্প প্রশ্রাব হয়, হসপিটাল সোজা ভর্তি হয়ে যাবেন।
রোগীর কি শ্বাসকষ্ট হচ্ছে? পেট ফুলে যাচ্ছে? হঠাৎ করে গা ঝাকুনি দিয়ে খিচুনি হচ্ছে? দ্রুত হসপিটাল নিয়ে যান।

আর কি করতে পারেন? হাতের আঙুলের নখে জোরে চাপ দিয়ে ধরুন কিছুক্ষণ, নখ সাদা হয়ে গেলে এবার ছাড়ুন, এবার ভালোভাবে খেয়াল করুন নখের রঙ ফিরে আসতে কত সময় লাগছে, যদি বেশি সময় লাগে, বেশি বলতে কত? ২ সেকেন্ডের বেশি লাগলে আপনার রোগী শকে আছে। এটাকে বলে ক্যাপিলারি রিফিল টাইম।
আর কি করতে পারেন?
ব্লাড প্রেশার মেশিন নিন, এবার হাতের কব্জি মাঝে রেখে যেভাবে ব্লাড প্রেশার মাপবেন সেভাবে বাতাস দিয়ে টাইট করুন, টাইট অবস্থায় ৪-৫মিনিট দিয়ে রাখুন, এবার বাতাস ছাড়ুন, এবং খেয়াল করুন বাহুতে লাল লাল কতগুলো দাগ পড়েছে ছোট ছোট, ছোট্ট একটা বক্স কল্পনা করে যদি মনে হয় অনেক বেশি লাল লাল স্পট, দ্রুত হসপিটাল চলে যান। এটাকে বলে টর্নিকেট টেস্ট। সব রিপোর্ট নর্মাল আসলেও যদি আপনার টর্নিকেট টেস্ট পজিটিভ আসে, নিশ্চিত থাকুন আপনার ডেঙ্গু। এটা একদম প্রথম দিন থেকে প্রতিদিন করবেন।

বমি ও পাতলা পায়খানা:
-----------------------------------
দিনে ৩বারের বেশি বমি করলে, ৩বারের বেশি পাতলা পায়খানা হলে সোজা হসপিটাল চলে যাবেন। একমুহূর্ত দেরি করা যাবেনা।

বাসায় কি করবেন?
---------------------------
প্রচুর পরিমানে তরল খাওয়াবেন। ২-৩লিটার, ডাবের পানি, আধা লিটার পানিতে গোলানো স্যালাইনের পানি, স্যুপ,শরবত লবন চিনি দেয়া খাওয়াবেন। যতক্ষণ মুখে খেতে পারবে খাওয়াবেন, যখন আর পারবেনা, বমি হবে অনেক, পাতলা পায়খানা, হসপিটাল নিয়ে যাবেন।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকবেন।
বেশিরভাগ রোগী মারা যায় শুরুতেই ডাক্তারের পরামর্শ না নেয়াতে, বিপদ চিহ্ন না জানাতে, বাসায় থেকে রোগী খারাপ করে ফেলে।

******ডায়বেটিস, হার্ট ডিজিজ, স্ট্রোক, কিডনি, লিভার, ক্যান্সার, SLE প্যাশেন্ট হলে প্রথম দিনেই হসপিটাল ভর্তি করে দিবেন।

********আপনার বাড়ির কাছের হসপিটালে আগে যাবেন।
সব সরকারি হসপিটালের ম্যানেজমেন্ট ভালো, বারান্দায় শুয়ে থাকলেও, কারণ সরকারি হসপিটাল এবং মেডিকেল কলেজ গুলোতে ন্যাশনাল গাউড লাইন মেনে চিকিৎসা দেয়া হয়।

*******বাসায় পালস অক্সিমিটার থাকলে অক্সিজেন স্যাচুরেশন চেক করবেন।

********কোন কোন রোগীর ক্ষেত্রে হার্ট ইনভলভ হয়ে যাবে, দেরি করলে অর্গান ফেইলিউর হয়ে যায়। ভাইরাল মায়োকার্ডাইটিস কিংবা একিউট কিডনি ইঞ্জুরির রোগীর জন্য আইসিউ লাগবেই। এসব রোগী বাইরে ম্যানেজ করা যায়না। রোগী খারাপ দেখলে সকল প্রস্তুতি রাখুন। যে কোন ইসিজি চেঞ্জেস, বিশেষ করে ট্যাকিকার্ডিয়া, শ্বাস দ্রুত হওয়া মানে ট্যাকিপেনিয়া বিপদ চিহ্ন। খারাপ হওয়ার আশংকা বেশি। কারো কারো ক্ষেত্রে প্লুরাল ইফিউশন অর্থাৎ লাংসে পানি চলে আসতে পারে।

*******মনে রাখবেন, প্রতিদিন সিবিসি টেস্ট, ডাক্তারের পরামর্শ, হসপিটাল এডমিশনের প্রস্তুতি, প্রচুর তরল খাওয়ানো, ব্লাড প্রেশার মাপা, বিপদ চিহ্ন খেয়াল করা, দেরি না করে হসপিটাল নেয়া, জ্বর কমে গেলে আরও সতর্ক হওয়া, প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন মেডিসিন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া না খাওয়ানো।

*******ডেঙু এখন আর শুধু ঢাকাতে সীমাবদ্ধ না, সারা বাংলাদেশে ছড়িয়েছে।

*******দিনে রাতে যে কোন সময় ডেঙ্গু মশা কামড়ায়।
*******পরিষ্কার নোংরা সব পানিতেই ডেঙ্গু হচ্ছে।
*******Dengue NS1 test জ্বর শুরু হওয়ার ৩দিন পর করলে লাভ নেই। সেক্ষেত্রে CBC, SGOT, Dengue Antibody (IgG+IgM) করতে হবে।
*******যারা রক্ত তরল করার মেডিসিন খান, ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেটি বন্ধ রাখবেন কিংবা খাবেন। কোন অবস্থাতেই নিজে নিজে বন্ধ বা খাওয়া যাবেনা।

সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি সুরক্ষা চাইবেন। চারপাশ পরিষ্কার রাখবেন।
সতর্ক থাকবেন।

তথ্যসূত্র:
------------
Dengue National Guideline
CDC

জ্বরের সাথে নীচের ৭ টির যে কোন ২ টি থাকলেই ডেঙ্গু সন্দেহ করবেন এবং ডাক্তারের দ্রুত পরামর্শ নিবেন।১. তীব্র মাথাব্যাথা২. চ...
14/07/2023

জ্বরের সাথে নীচের ৭ টির যে কোন ২ টি থাকলেই ডেঙ্গু সন্দেহ করবেন এবং ডাক্তারের দ্রুত পরামর্শ নিবেন।

১. তীব্র মাথাব্যাথা
২. চোখে ব্যাথা (বিশেষ করে পিছনের দিকে)
৩. হাড় বা মাংসে ব্যাথা
৪. বমি বমি ভাব
৫. বমি
৬. চামড়ায় ফুসকূড়ি (rash)
৭. গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া
৮. নীচের যে কোনো ওয়ার্নিং সাইন

মারাত্মক ডেঙ্গুর সতর্ক সংকেত (Warning signs)
=====
ডেঙ্গু জ্বরের প্রথম লক্ষন দেখা দেবার ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে কেউ কেউ মারাত্মক ডেঙ্গুর সংকটাপন্ন অবস্থায় চলে যেতে পারেন।

জ্বর কমে যাওয়া মানে এই নয় যে রোগ শেষ। বরং এটা হতে পারে শেষের শুরু। জ্বর ভাল হয়ে যাবার ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা পরই বরং ব্লাড প্রেসার কমতে কমতে রোগী শকে চলে যেতে পারে বা লিভার, কিডনী, ফুসফুস, ব্রেন damage এর লক্ষন শুরু হতে পারে। এটা রক্ত ক্ষরনেরও কাল। এ সময়ে তাই নিয়মিত বিরতিতে ব্লাডপ্রেসার চেক করতেই হবে।

সতর্ক সংকেত বা Warning sign গুলি নিম্নরূপঃ

১. তীব্র পেট ব্যাথা।
২. ক্রমাগত বমি (দিনে তিনবার বা তার চেয়ে বেশি)
৩. দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত
৪. রক্তবমি
৫. শ্বাসকষ্ট, দ্রুত শ্বাস
৬. অত্যধিক দূর্বলতা, অবসাদ বা অস্থিরতা।
৭. ল্যবরেটরী টেষ্টে একই সঙ্গে PCV (hematocrit) বেড়ে যাওয়া ও Platelet দ্রুত কমতে থাকা।
৮. ব্লাড প্রেসার ডেঙ্গু পূর্ববর্তী অবস্থা থেকে কমে যাওয়া।

এ সতর্ক সংকেতগুলি নজরে রাখতে হবে এবং এর এক বা একাধিক দেখা দিলেই আপনাকে জরুরী বিভাগ/হাসপাতাল/চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

(তথ্যসূত্রঃ WHO, CDC)

গতকালের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ইনজুরি টাইমে নিজ দলের গোলকিপার মোহাম্মদ আল ওয়াইসের হাঁটুর আঘাতে সৌদি আরবের ডিফেন্ডার...
23/11/2022

গতকালের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ইনজুরি টাইমে নিজ দলের গোলকিপার মোহাম্মদ আল ওয়াইসের হাঁটুর আঘাতে সৌদি আরবের ডিফেন্ডার ইয়াসির আল সাহরানীর প্যান ফেসিয়াল ফ্র‍্যাকচার হয়।

তার নিচের চোয়ালের মাঝ বরাবর ম্যান্ডিবুলার সিমফাইসিস ফ্র‍্যাকচার, উপরের চোয়ালে লিফোর্ট ফ্র‍্যাকচার, ডান পাশে জাইগোম্যাটিক কমপ্লেক্স ফ্র‍্যাকচার, ম্যাক্সিলা ও ম্যান্ডিবলে ডেন্টো এলভিওলার ফ্র‍্যাকচার সহ কয়েকটা দাঁত পড়ে যায়। এই ফ্র‍্যাকচারগুলোর ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত জটিল এবং অপারেশন পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে।

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স সাহরানীকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত প্রাইভেট জেটে করে জার্মানির একটা ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি সেন্টারে পাঠিয়ে দেন।

এরকম চোয়ালের ফ্র‍্যাকচার সাধারণত স্পোর্টস ইঞ্জুরি, রোড ট্রাফিক এক্সিডেন্ট, উঁচু জায়গা থেকে পড়ে যাওয়া বা মারামারি জনিত কারণে হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এ ধরনের ফ্র‍্যাকচার সবচেয়ে বেশি হয় মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় বিশেষ করে হেলমেট পরা না থাকলে।

এরকম কোনো দূর্ঘটনা ঘটলে বা মুখ ও চোয়াল এলাকায় কোনো আঘাত পেলে, কেটে ছিঁড়ে গেলে দ্রুত একজন ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।একটা কথা মনে রাখবেন বিডিএস নয় তো দাঁতের ডাক্তার নয়।
সংগ্রহিত।

Address

Ramarbug, Microfiber 1 No Gate
Narayanganj

Telephone

+8801788555995

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Muhib DentoZone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Muhib DentoZone:

Share