Dr. Ismita Jahan Emu

Dr. Ismita Jahan Emu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Ismita Jahan Emu, General Dentist, Mymensingh.

ডাঃ ইসমিতা জাহান ইমু
বি.ডি.এস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), পিজিটি (কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি ও এন্ডোডন্টিকস)
সাবেক ডেন্টাল সার্জন, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা।

26/08/2025

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আমি চরম পর্যায়ে হতাশ😥😥😥😥😥😥😥

উনি নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন অথচ দাঁতের গর্ত ( tooth carries) রোগের জন্য কবিরাজের কাছে গিয়ে দাঁত থেকে দুইদিন পোকা বের করেছেন বলে সাক্ষ্য দিচ্ছেন..

যে শিক্ষা একজন কে ব্যাকটেরিয়া আর পোকার মাঝে পার্থক্য বোঝতে ব্যার্থ সে শিক্ষা বাস্তব জীবনে কি কোন কাজে লাগে?????????

শিক্ষা ব্যবস্থা আরও বাস্তবধর্মী ও জীবনবান্ধব হওয়া উচিত যেন জনগণের ন্যূনতম স্বাস্থ্য সম্পর্কে জ্ঞান থাকে।

প্রকৃত অর্থে দাঁতে পোকা হয় না বা পোকা দাঁত খেয়ে গর্ত করে না...... ব্যাকটেরিয়ার কারণে দাঁত ক্ষয় হয়ে গর্ত হয় আর এই ব্যাকটেরিয়া খালি চোখে দেখা যায় না।

27/07/2025

এই ৫ টা আমল করুন মনের ভালো, সৎ চাওয়াগুলে পূর্ণ হবে, ইনশাআল্লাহ।

★ এই পাঁচটি আমল করলে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আপনাকে সর্ব অবস্থায় সাহায্য করবেন। আপনি যত বড় বিপদে থাকুন না কেন আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করবেন ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে যদি আপনি সত্যিই বিপদে থাকেন এবং মন থেকে এই আমল গুলো করেন তাহলে আল্লাহ আপনাকে কোনদিনও খালি হাতে ফিরাবেন না ইনশাআল্লাহ।

★ এই পাঁচটি আমল হলো:

১. প্রথমে তাহাজ্জুদে আপনি মন খুলে দোয়া করুন। তাহাজ্জুদ পড়বেন শেষ রাত্রে। দুই রাকাত বা চার রাকাত সালাত আদায় করুন। নামাজের পর মন খুলে দোয়া করুন।

২. এরপর ফজরের সালাত থেকে শুরু করে সূর্য ওঠা পর্যন্ত ইস্তেগফার করুন। পুরো সময়টা ইস্তেগফারের সাথে লেগে থাকবেন। সারাদিন উঠতে বসতে চলতে ফিরতে যত পারবেন ইস্তেগফার করবেন।

৩. আর ইস্তেগফার এর মাঝে মাঝে আপনি দুরুদ শরীফ পড়বেন। মনে করেন আপনি ২০০/৩০০ ইস্তেগফার করলেন তার মাঝে ১০/২০/৩০/৫০ বার দুরুদ শরীফ পড়লেন।

৪. তারপর দোয়া ইউনূস টা বেশি বেশি পড়বেন। ইস্তেগফারের মাঝে মাঝেই দোয়া ইউনুস পড়বেন। ধরুন আপনি ৭৫% ইস্তেগফার করছেন বাকি যেটা থাকবে মানে ২০% সেটা দোয়া ইউনুস দ্বারা পূর্ণ করুন। বাকি ৫% দুরুদ শরীফ পড়বেন।

৪. ইস্তেগফার করবেন, তার মাঝে দুরুদ শরীফ পড়বেন, তার মাঝে মাঝে দোয়া ইউনুস করবেন। ইস্তেগফার করবেন ৭৫% দুরুদ শরীফ পড়বেন ৫% বাকি ২০% দোয়া ইউনুস পড়বেন
এগুলোর ফাঁকে ফাঁকে لا حول ولا قوه الا بالله পড়বেন। এটা অনেক বেশি কাজ করে। যখনই আপনার অন্তরে কুধারণা আসবে যে আমার দোয়াটা কবুল হবে না বা এটা সম্ভব না কবুল হওয়া তখনই এটা বেশি বেশি পড়বেন।

৫. এভাবে যদি আপনি তাহাজ্জুদ, ইস্তেগফার,দুরুদ শরীফ, দোয়া ইউনুস, لا حول ولا قوه الا بالله ،، এই আমল গুলো করতে পারেন তাহলে আল্লাহ আপনাকে উদ্ধার করবেন আপনি যত বড় সমস্যাতেই থাকুন না কেন ইনশাআল্লাহ।

#আপনার_পড়া শেষ হলে নিজ দায়িত্বে শেয়ার করে দিন।

★★মুখের ঘা তীব্র যন্ত্রণার কারণ ও প্রতিকার ★★  মুখের ঘা  (Primary Herpetic Stomatitis - PHS) হলো  ভাইরাস (বিশেষ করে HSV-...
19/07/2025

★★মুখের ঘা তীব্র যন্ত্রণার কারণ ও প্রতিকার ★★

মুখের ঘা (Primary Herpetic Stomatitis - PHS) হলো ভাইরাস (বিশেষ করে HSV-1) দ্বারা সৃষ্ট মুখের একটি সংক্রমণ।

এটি সাধারণত শিশুদের মধ্যে দেখা যায়, তবে প্রাপ্তবয়স্কদেরও হতে পারে।

এই রোগের প্রধান লক্ষণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. জ্বর
সাধারণত হঠাৎ করে উচ্চ মাত্রার জ্বর দিয়ে রোগের শুরু হয়(১০১°F বা এর বেশি)। জ্বর হওয়ার এক বা দুই দিন পর মুখের ভেতরে ঘা দেখা দেয়।

২. অস্বস্তি ও বিরক্তি
শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বর এবং মুখের ব্যথার কারণে তারা খুব বিরক্ত, খিটখিটে এবং অসুস্থ বোধ করতে পারে। তাদের খাওয়া বা পান করতে অনীহা দেখা দেয়।

★★৩. মুখের ভেতরে ঘা ও ফোস্কা : এটি এই রোগের প্রধান এবং সবচেয়ে কষ্টদায়ক লক্ষণ।

* প্রথমে মুখের ভেতরে ছোট ছোট ফোস্কা দেখা যায়। এগুলো দ্রুত ফেটে গিয়ে ঘা-এর সৃষ্টি করে ও ব্যাথা হয়।

* এই ঘাগুলো সাধারণত মাড়ি, জিহ্বা, ঠোঁটের ভেতরের অংশ, গালের ভেতরের অংশ এবং তালুতে দেখা যায়। মাড়ি ফুলে যেতে পারে এবং সহজেই রক্তপাত হতে পারে।

* এই ঘাগুলো এতটাই বেদনাদায়ক হয় যে, রোগী, বিশেষ করে শিশুরা, খেতে /পান করতে /কথা বলতেও কষ্ট অনুভব করে। ব্যথার কারণে লালা ঝরতে পারে এবং পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

৪.ব্যথার কারণে শিশুরা কিছু খেতে বা পান করতে চায় না, যার ফলে তাদের ক্ষুধামন্দা এবং পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো হলো: মুখ ও ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, দুর্বল লাগা।

৫.সাধারণত চোয়ালের নিচে এবং ঘাড়ে (লসিকা গ্রন্থি) ফুলে যেতে পারে এবং ফোলা স্থানে স্পর্শ করলে ব্যথা লাগতে পারে।

৬. অন্যান্য লক্ষণ
* মাথা ব্যথা
* শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা (malaise)
* দুর্বলতা

এই লক্ষণগুলো সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে কমে যায়।

★ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করুন
★ তরল খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নিন।

খুব ভালো হয় যদি লক্ষণ শুরুর প্রথমেই একজন ডেন্টাল সার্জন এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেয়া যায়।

ডা. ইসমিতা জাহান ইমু
বিডিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পি.জি.টি( ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি)
এক্স ডেন্টাল সার্জন ( সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা)

১৯ বছরের যুবক খুব অসহায় এক চেহারা নিয়ে আমাদের কাছে আসে.........সে কি তার মুখের হাসি কখনও ফিরে পাবে??আর্থিক সচ্ছলতা না থা...
15/07/2025

১৯ বছরের যুবক খুব অসহায় এক চেহারা নিয়ে আমাদের কাছে আসে.........সে কি তার মুখের হাসি কখনও ফিরে পাবে??

আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় গত তিনবছর ধরে সে এভাবেই হীনমন্যতা ও বিষন্নতাকে সঙ্গী করে জীবন কাটাচ্ছে।

অবশেষে সে ফিরে পেলো তার হারানো হাসি!!!!
ছেলের হারানো হাসি ফিরে পাওয়ায় বাবার চোখে খুশির জল আর মায়ের মুখে কৃতজ্ঞতার অমৃতবাণী।

ডাক্তারের জন্য অফুরন্ত দোয়া রেখে গেলেন, বললেন মানুষ বলে ডাক্তার নাকি কসাই আসলে স্যার, ম্যাডাম আপনাদের সম্মান আল্লাহর পরেই। সারাজীবন আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো 🥰🥰🥰

সকল রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দোয়ায় আল্লাহ যেন আমাদের চলার পথের সকল বাঁধা দূর করে দেন।

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ।

ডা. ইসমিতা জাহান ইমু
বিডিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পি.জি.টি( ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি)
এক্স ডেন্টাল সার্জন ( সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা)

★★★ যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করুন, মানসিক শান্তিতে থাকুন★★যিনি নিজের মনের কথা গুছিয়ে বলতে পারেন না বা অন্যের কথা ঠিকভাবে বু...
13/07/2025

★★★ যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করুন, মানসিক শান্তিতে থাকুন★★

যিনি নিজের মনের কথা গুছিয়ে বলতে পারেন না বা অন্যের কথা ঠিকভাবে বুঝতে পারেন না, তিনি অল্পতেই রেগে যান।

ভালো যোগাযোগ করতে পারা শুধু বলতে পারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে পারাটাও এর অংশ।

যিনি ভালো শ্রোতা নয়, তিনি অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে পারেন না এবং এতে ভুল ধারণা তৈরি হয়, এবং তিনি অল্পতেই রেগে যান

যখন একজন ব্যক্তি তার চাহিদা, আকাঙ্ক্ষা বা প্রত্যাশাগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারে না, তখন সেগুলো অপূর্ণ থেকে যায়। এই অপূর্ণতা থেকে তিনি অল্পতেই রেগে যান

দুর্বল যোগাযোগ সম্পর্কের মধ্যে আস্থার অভাব তৈরি করে। যখন আস্থা কমে যায়, তখন মানুষ বেশি সন্দেহপ্রবণ হয়ে ওঠে এবং ছোটখাটো বিষয়েও রেগে যায়।

যোগাযোগে দুর্বলতা অনেক সময় মানুষকে অসহায় বোধ করায়, কারণ তখন মানুষ মনে করে তার পরিস্থিতি বা আবেগ তার নিয়ন্ত্রণে নেই। এই অসহায়ত্বের অনুভূতি রাগে পরিণত হয়।

এ কারণে, যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করা রাগ নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

যখন মানুষ নিজের অনুভূতিগুলো কার্যকরভাবে প্রকাশ করতে পারে এবং অন্যদের কথা সঠিকভাবে বুঝতে পারে, তখন ভুল বোঝাবুঝি কম হয় এবং আবেগের বিস্ফোরণের ঝুঁকি বা রেগে যাওয়ার প্রবণতাও কমে আসে।

সম্পর্ক সুন্দর রাখার জন্য সুন্দর করে কথা বলা ও অন্যের কথা শোনা/বোঝার চেষ্টা করার বিকল্প নাই।

ডা. ইসমিতা জাহান ইমু
বিডিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পি.জি.টি( ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি)
এক্স ডেন্টাল সার্জন ( সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা)

★★★একটু জেনেই পেতে পারেন তীব্র ব্যাথায় স্বস্তি ★★★মুখের ঘা বা অ্যাপথাস আলসার (Aphthous Ulcer) যা মুখের ভেতরে, বিশেষ করে ...
12/07/2025

★★★একটু জেনেই পেতে পারেন তীব্র ব্যাথায় স্বস্তি ★★★

মুখের ঘা বা অ্যাপথাস আলসার (Aphthous Ulcer) যা মুখের ভেতরে, বিশেষ করে ঠোঁট, গাল, জিহ্বা এবং মাড়িতে হয়ে থাকে। এটি খুবই যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে এবং খেতে, পান করতে বা কথা বলতে অসুবিধা সৃষ্টি করে।

★★মুখের ঘা/অ্যাপথাস আলসারের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:

ঘা: মুখের নরম টিস্যুতে ছোট, গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির ঘা দেখা যায়।

রং: ঘাগুলোর মাঝখানে সাধারণত সাদা বা হলুদ রঙের হয় এবং এর চারপাশে লালচে রিং থাকে।

ব্যথা: ঘাগুলোতে তীব্র ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হয়, বিশেষ করে যখন খাবার বা পানীয় স্পর্শ করে। ব্যথা এতটাই বেশি হতে পারে যে খাবার গিলতে, কথা বলতে বা মুখ খুলতেও কষ্ট হয়।

কিছু ক্ষেত্রে জ্বর, লসিকাগ্রন্থি ফুলে যাওয়া বা একাধিক ঘা একসঙ্গে হতে পারে।

★★অ্যাপথাস আলসারের প্রকারভেদ:

সাধারণত তিন ধরনের অ্যাপথাস আলসার দেখা যায়:
১ মাইনর অ্যাপথাস আলসার (Minor Aphthous Ulcer):
* এগুলো আকারে ছোট (সাধারণত ৫ মিমি-এর কম)।
* একক বা গুচ্ছ আকারে হতে পারে।
* সাধারণত এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে কোনো দাগ না রেখেই সেরে যায়।
* ব্যথা হালকা থেকে মাঝারি হয়।

২. মেজর অ্যাপথাস আলসার (Major Aphthous Ulcer):
* এগুলো মাইনর আলসারের চেয়ে বড় (৫ মিমি বা তার বেশি) এবং গভীর হয়।
* বেশি বেদনাদায়ক হতে পারে।
* সারতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে এবং সেরে যাওয়ার পরেও দাগ থাকতে পারে।


৩. হারপেটিফর্ম অ্যাপথাস আলসার (Herpetiform Aphthous Ulcer):
* এগুলো হার্পিসের মতো দেখতে হলেও হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের কারণে হয় না।
* একাধিক ছোট ছোট আলসার একসঙ্গে মিশে বড়, অনিয়মিত আকারের ঘা তৈরি করে।

★★মুখের ঘা / আ্যপথাস আলসার এর সুনির্দিষ্ট কারণ সবসময় জানা যায় না, তবে কিছু বিষয় এর পেছনে দায়ী হতে পারে যেমন:

* আঘাত: অসাবধানতাবশত গালে বা ঠোঁটে কামড় লাগা, দাঁতের ধারালো অংশ, ডেনচার বা ব্রেসিসের কারণে আঘাত।

* পুষ্টির অভাব: ভিটামিন বি১২, ফলিক অ্যাসিড বা আয়রনের ঘাটতি।

* স্ট্রেস: মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা।

* হরমোনের পরিবর্তন: মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় বা গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হতে পারে।

* খাবার: কিছু খাবার যেমন - টক ফল, মসলাযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত গরম খাবার বা যে খাবারে অ্যালার্জি আছে, সেগুলো ঘা বাড়াতে পারে।

* দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে ঘা হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

* কিছু রোগ: ক্রোনস ডিজিজ, সিলিয়াক ডিজিজ, এইচআইভি বা অন্য কোনো অটোইমিউন রোগ।

* কিছু ঔষধ: কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও মুখের ঘা হতে পারে।

★★কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

যদি আপনার মুখের ঘা ঘন ঘন হয়, খুব বেশি ব্যথা হয়, আকারে বড় হয়, বা সহজে সারতে না চায়, তাহলে একজন ডেন্টাল সার্জন এর সাথে পরামর্শ করা উচিত।

★★অ্যাপথাস আলসার বা মুখের কিছু ঘায়ের ঘরোয়া সমাধান:

কিছু ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যথা কমানো এবং সারিয়ে তোলা সম্ভব। নিচে কিছু কার্যকর পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো:

১. লবণ জল দিয়ে কুলকুচি:
সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর উপায়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। এক গ্লাস উষ্ণ পানিতে ১/২ থেকে ১ চামচ লবণ মিশিয়ে দিনে কয়েকবার কুলকুচি করুন। লবণ মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া কমাতে এবং ঘা শুকাতে সাহায্য করে।

২. মধু ব্যবহার:
মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। ঘা এর উপর সরাসরি মধু লাগালে ব্যথা কমে এবং দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করে। দিনে কয়েকবার এটি ব্যবহার করতে পারেন।

৩. বেকিং সোডা পেস্ট:
বেকিং সোডা মুখের ভেতরের অ্যাসিডিক পরিবেশকে নিরপেক্ষ করে এবং ব্যথা কমায়। এক চামচ বেকিং সোডার সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি সরাসরি ঘায়ের উপর লাগিয়ে কয়েক মিনিট রেখে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে ২-৩ বার ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪. অ্যালোভেরা জেল:
অ্যালোভেরা তার প্রশান্তিদায়ক এবং নিরাময় ক্ষমতার জন্য পরিচিত। তাজা অ্যালোভেরা গাছের পাতা থেকে জেল বের করে সরাসরি ঘায়ের উপর লাগান। এটি ব্যথা কমাতে এবং ঘা শুকাতে সাহায্য করবে।

৫. বরফ সেঁক:
ঘায়ের ব্যথায় তাৎক্ষণিক আরাম পেতে একটি ছোট বরফ টুকরা সরাসরি ঘায়ের উপর ধরতে পারেন। এটি প্রদাহ এবং ব্যথা উভয়ই কমাতে সাহায্য করবে। তবে সরাসরি ত্বকে দীর্ঘক্ষণ বরফ রাখবেন না।

৬.ডায়েট পরিবর্তন:
কিছু খাবার মুখের ঘাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। টক ফল (যেমন লেবু, কমলা), মসলাযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত গরম খাবার এবং অ্যাসিডিক পানীয় এড়িয়ে চলুন। নরম এবং ঠাণ্ডা খাবার খান যা ঘা এর উপর চাপ সৃষ্টি করবে না।

৭ ভিটামিন বি এবং জিঙ্কের পরিপূরক:
যদি পুষ্টির অভাবে ঘা হয়, তাহলে ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বা জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।

★★প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা: মুখের ঘা যেনো না হয় সেজন্য নিচের নিয়মগুলো মানুন

* ভালো মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি: নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করুন এবং ফ্লস ব্যবহার করুন।
* স্ট্রেস কমানো: মানসিক চাপ কমিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন।
* সুষম খাদ্য: পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খান।

★★যদি ঘরোয়া উপায়ে ঘা না সারে বা ঘন ঘন হয়, তাহলে একজন ডেন্টাল সার্জন-এর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

অ্যাপথাস আলসার বা মুখের ঘায়ের চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ব্যবহার করা হয়, যা ঘা এর তীব্রতা এবং কারণের উপর নির্ভর করে। তবে, যেকোন ঔষধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বাংলাদেশে সাধারণত ব্যবহৃত কিছু ঔষধ নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. টপিকাল ক্রিম বা জেল (Topical Creams/Gels/Pastes):
এগুলো সরাসরি ঘা-এর উপর প্রয়োগ করা হয় এবং ব্যথা কমাতে ও ঘা শুকাতে সাহায্য করে।

* অ্যানালজেসিক জেল (Analgesic Gels): যেমন - Lidocaine (লিডোকেইন) সমৃদ্ধ জেল, যা ব্যথা কমায়।

* কর্টিকোস্টেরয়েড পেস্ট (Corticosteroid Pastes): যেমন - Triamcinolone Acetonide (ট্রায়ামসিনোলোন অ্যাসিটোনাইড) যুক্ত ওরাল পেস্ট (যেমন: Apsol Oral Paste / trialon oral paste) । এগুলো প্রদাহ কমাতে এবং ঘা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। এটি বাংলাদেশে বেশ প্রচলিত।
* অ্যান্টিসেপটিক মাউথওয়াশ বা জেল (Antiseptic Mouthwash/Gel): Chlorhexidine (ক্লোরহেক্সিডিন) যুক্ত মাউথওয়াশ বা জেল সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

২. ভিটামিন এবং মিনারেল সাপ্লিমেন্টস (Vitamin and Mineral Supplements):
যদি ভিটামিন বা মিনারেলের অভাবে ঘা হয়, তাহলে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
* ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12): এর অভাবে ঘা হতে পারে, তাই সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়।
* ফলিক অ্যাসিড (Folic Acid)
* আয়রন (Iron)
* জিঙ্ক (Zinc)

৩. ব্যথা কমানোর ঔষধ (Pain Relievers):
ঘা এর ব্যথা বেশি হলে ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) ব্যথা কমানোর ঔষধ যেমন - প্যারাসিটামল (Paracetamol) বা আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen) সেবনের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।
৪. যদি ঘা খুব বেশি হয়, বড় হয়, বারবার ফিরে আসে, বা অন্যান্য রোগের সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন চিকিৎসক মুখে খাওয়ার ঔষধ (systemic medication) দিতে পারেন। এই ঔষধগুলো সাধারণত বিশেষজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা হয়।


★★যেকোন ঔষধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
* নিজের ইচ্ছামতো ঔষধ ব্যবহার করলে ভুল চিকিৎসা বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।
* যদি ঘা ১০-১৪ দিনের মধ্যে না সারে বা আরও খারাপ হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

আপনার সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী একজন চিকিৎসকই সবচেয়ে ভালো পরামর্শ দিতে পারবেন।

★★অর্জিত জ্ঞান হলো সমস্যার সহজ সমাধান ★★

দাঁত তোলার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হতে পারে বিপদ, সচেতনতা-ই পারে বিপদ এড়াতে ★★★দাঁত তোলার পর সামান্য রক্তপাত স্বাভাবিক। ত...
10/07/2025

দাঁত তোলার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হতে পারে বিপদ, সচেতনতা-ই পারে বিপদ এড়াতে ★★★

দাঁত তোলার পর সামান্য রক্তপাত স্বাভাবিক। তবে যদি রক্তপাত দীর্ঘক্ষণ ধরে চলতে থাকে বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় বা মুখ ভরে রক্ত আসে তবে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

এক্ষেত্রে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

দাঁত তোলার পর রক্তপাত বন্ধ হওয়ার জন্য ডাক্তার কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলেন তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে যেমন

১.দাঁত তোলার পর ডাক্তার সাধারণত একটি গজ বা তুলার প্যাড দিয়ে থাকেন যা দাঁত তোলার স্থানে চাপ সৃষ্টি করে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে। সেই তুলা বা গ।জ ১ ঘন্টা কামড় দিয়ে রাখুন।

২. এক/১ ঘন্টা পর তুলা/ গজ ফেলে দিয়ে ঠান্ডা আইসক্রিম খাবেন।

৩.একদিন বা ২৪ ঘন্টা জোড়ে কুলি করা যাবেনা
(কিন্তু ২৪ ঘন্টা পর থেকে রক্তপাত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে হালকা কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে আগামী ১৪ দিন তিনবেলা কুলি করবেন)

যদি ১ ঘন্টা পর রক্তপাত বন্ধ না হয়:
★১.একটি নতুন, পরিষ্কার গজ অথবা পরিষ্কার তুলা ভাঁজ করে বা দাঁত তোলার জায়গায় আরও ১ ঘন্টা কামড় দিয়ে ধরে রাখুন। কামড়ের এই চাপ রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করবে।

★২.এই সময়ে কথা বলা বা কুলি করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে চাপ কমে যেতে পারে এবং রক্তপাত আবার শুরু হতে পারে।

★৩. ঠান্ডা সেঁক দিন
বাইরে থেকে ঠান্ডা সেঁক দিলে রক্তনালী সংকুচিত হয় এবং ফোলা ও রক্তপাত কমাতে সাহায্য করে:
* একটি পরিষ্কার কাপড়ে বরফ মুড়ে দাঁত তোলার স্থানের গালে বাইরে থেকে ১০-১৫ মিনিটের জন্য সেঁক দিন।
* এটি প্রতি ঘণ্টায় পুনরাবৃত্তি করতে পারেন।

★৪. কুলি করা থেকে বিরত থাকুন
দাঁত তোলার পর প্রথম ২৪ ঘণ্টা কুলি করা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকুন। কুলি করলে রক্ত জমাট বাঁধা ভেঙে যেতে পারে, যা রক্তপাত আবার শুরু করতে পারে।

★৫.ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করুন
ধূমপান এবং মদ্যপান রক্ত জমাট বাঁধাকে ব্যাহত করে এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ায়। দাঁত তোলার পর অন্তত ৪৮-৭২ ঘণ্টা এগুলি থেকে দূরে থাকুন।

★৬.নরম খাবার গ্রহণ করুন
দাঁত তোলার পর প্রথম কয়েক দিন নরম ও ঠাণ্ডা খাবার খান। গরম, মশলাদার, বা শক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো দাঁত তোলার স্থানে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে এবং রক্তপাত বাড়াতে পারে।

★৭.স্ট্র ব্যবহার করে পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ স্ট্র দিয়ে টানলে দাঁত তোলার স্থানে নেগেটিভ প্রেসার পড়ে এবং রক্তপাত হতে পারে।

★৬. মাথা উঁচু করে ঘুমান
ঘুমানোর সময় বালিশ ব্যবহার করে মাথা কিছুটা উঁচু করে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে রক্তচাপ কমে এবং রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

★★৭. ওষুধের ব্যাপারে সচেতন থাকুন
যদি আপনি কোনো রক্ত ​​পাতলা করার ওষুধ (যেমন অ্যাসপিরিন, ওয়ারফারিন) গ্রহণ করেন, তবে দাঁত তোলার আগে আপনার ডাক্তারকে জানান। ডাক্তার আপনাকে হয়তো সাময়িকভাবে এই ওষুধ বন্ধ করতে বা ডোজ পরিবর্তন করতে বলতে পারেন।

★★৮. অতীতে যদি কোন সময় কাটা ছেঁড়ার স্থানে রক্ত জমাট বাঁধতে সমস্যা হয়ে থাকে তবে তা দাঁত তোলার আগেই ডাক্তার কে জানাবেন....ডাক্তার দাঁত তোলার আগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

★★★অনেক ক্ষেত্রে চুয়ে চুয়ে সামান্য রক্ত আসা বা লালচে থুতু আসা স্বাভাবিক কিন্তু কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করার পরেও যদি রক্তপাত বন্ধ না হয় বা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা যায়, তবে দ্রুত ডেন্টাল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করুন:

* ২-৩ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে রক্তপাত চলতে থাকলে বা মুখ ভরে রক্ত আসলে
* তীব্র ব্যথা বা ফোলাভাব বেড়ে গেলে।
* জ্বর বা ইনফেকশনের কোনো লক্ষণ দেখা গেলে।
* শ্বাস নিতে বা গিলতে অসুবিধা হলে।
দাঁত তোলার পর সঠিক যত্ন নিলে বা নিয়মগুলো মেনে চললে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। কোনো রকম জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

★★সচেতনতাই পারে বিপদ এড়াতে ★★

ডা. ইসমিতা জাহান ইমু
বিডিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পি.জি.টি( ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি)
এক্স ডেন্টাল সার্জন ( সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা)

ম্যাডাম দাঁত তুললে কি চোখের ক্ষতি হয়????? এটি এমন এক প্রশ্ন যা প্রায় প্রতিদিন -ই আমাকে শুনতে হয়।★★★  দাঁত তুললে চোখের ক্...
09/07/2025

ম্যাডাম দাঁত তুললে কি চোখের ক্ষতি হয়?????

এটি এমন এক প্রশ্ন যা প্রায় প্রতিদিন -ই আমাকে শুনতে হয়।

★★★ দাঁত তুললে চোখের ক্ষতি হয় - এটি একটি ভুল ধারণা। বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোনো ভিত্তি নেই। বহু বছর ধরে এই ভুল ধারণা প্রচলিত , যা মূলত মানুষের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ বা অহেতুক ভয় তৈরি করে।

★★★কেন এই ভুল ধারণা প্রচলিত?

* শারীরিক নৈকট্য: দাঁত, চোখ এবং মুখের অন্যান্য স্নায়ুগুলো কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় অনেকে মনে করেন একটির সমস্যা অন্যটিকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু তা নয়।
* ব্যথা ও ফোলা: বিশেষ করে ওপরের পাটির দাঁত তোলার পর মুখের বা গালের ফোলা এবং ব্যথা অনেক সময় চোখের কাছাকাছি চলে আসে, যা দেখে অনেকে ভুল ধারণা করে থাকেন।
* পুরানো বিশ্বাস ও কুসংস্কার: আধুনিক চিকিৎসার অভাবে একসময় এই ধরনের ভুল ধারণাগুলো সমাজে প্রচলিত ছিল।

★★★আসল সত্য কী/প্রকৃত তথ্য জানুন ভয়মুক্ত থাকুন

* স্নায়ুর ভিন্নতা: দাঁত এবং চোখের স্নায়ু সরবরাহ সম্পূর্ণ ভিন্ন। চোখের দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ু (অপটিক নার্ভ) দাঁতের স্নায়ু(ট্রাইজেমিনাল নার্ভ) থেকে দূরে অবস্থিত এবং এদের মধ্যে কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। তাই দাঁত তুললে চোখের সমস্যা হয় না।

আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন (ADA) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে দাঁত তোলা এবং চোখের রোগের মধ্যে কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নেই।

* রক্তনালীর আলাদা পথ: মুখ এবং মুখের রক্তনালীগুলোর নিজস্ব আলাদা পথ আছে। দাঁত তোলার কারণে মুখে কিছুটা ফোলাভাব এলেও তা চোখের রক্ত সরবরাহে কোনো ঝুঁকি তৈরি করে না।

* সাধারণ ও নিরাপদ পদ্ধতি: দাঁত তোলা একটি খুবই সাধারণ এবং নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষের দাঁত তোলা হয় এবং তাদের কেউই চোখের কোনো সমস্যায় ভোগেন না।

★★★কিছু বিরল ব্যতিক্রম বা সাময়িক প্রভাব:

যদিও দাঁত তোলার সাথে সরাসরি চোখের ক্ষতির কোনো সম্পর্ক নেই, তবে কিছু বিরল ক্ষেত্রে বা পরোক্ষভাবে কিছু সাময়িক উপসর্গ দেখা যেতে পারে, যা দাঁত তোলার কারণে নয়, বরং অন্যান্য কারণে হয়ে থাকে:

* মানসিক চাপ ও উদ্বেগ: দাঁত তোলার সময় অনেকে মানসিক চাপ বা উদ্বেগে ভোগেন, যার ফলে সাময়িকভাবে চোখে চাপ বা ক্লান্তি অনুভব হতে পারে।

* অ্যানাস্থেশিয়ার প্রভাব: ক্ষেত্রবিশেষে, লোকাল অ্যানাস্থেশিয়ার কারণে সাময়িকভাবে চোখের পাতায় ভারী ভাব হতে পারে যা দ্রুতই ঠিক হয়ে যায়। এটি কোনো স্থায়ী ক্ষতি নয়।

★★গুরুতর সংক্রমণ : যদি অবহেলা, অজ্ঞতা ও সঠিক চিকিৎসার অভাবে দাঁতের সংক্রমণ অত্যন্ত মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং চোখের কাছাকাছি বা সাইনাস পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়, সেক্ষেত্রে তা চোখকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে এটি দাঁত তোলার কারণে নয়, বরং সংক্রমণ/ ইনফেকশনের কারণে হয়। সেক্ষেত্রে দ্রুত দাঁত তুলে সংক্রমণ দূর করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সুতরাং, দাঁত তুললে চোখের ক্ষতি হয় - এই ধারণাটি একেবারেই ভিত্তিহীন। আধুনিক দন্তচিকিৎসায় দাঁত তোলা একটি নিরাপদ প্রক্রিয়া। তবে অবশ্যই বিডিএস ডিগ্রি দেখে ডেন্টাল সার্জন নির্বাচন করুন ও ভুয়া দন্তচিকিৎসক থেকে সতর্ক থাকুন।

★★সচেতনতা-ই সুস্থতা সুনিশ্চিত করে★★

ডা. ইসমিতা জাহান ইমু
বিডিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পি.জি.টি( ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি)
এক্স ডেন্টাল সার্জন ( সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা)

আপনার ছোট ছোট অবহেলায় আপনার সন্তানের দাঁত নষ্ট হচ্ছে না তো.?? ছোটবেলা থেকেই দাঁতের সঠিক যত্ন নিলে তা ক্ষয়, ব্যথা এবং অন...
05/07/2025

আপনার ছোট ছোট অবহেলায় আপনার সন্তানের দাঁত নষ্ট হচ্ছে না তো.??

ছোটবেলা থেকেই দাঁতের সঠিক যত্ন নিলে তা ক্ষয়, ব্যথা এবং অন্যান্য সমস্যা থেকে মুক্ত থাকে।

★★কেন বাচ্চাদের দাঁতের যত্ন এত গুরুত্বপূর্ণ?

* দাঁতের সমস্যা বাচ্চাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক হতে পারে এবং গুরুতর সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

* দুধ দাঁতের যত্ন স্থায়ী দাঁতের সঠিক বিকাশের পথ তৈরি করে। দুধ দাঁতের অকাল ক্ষয় স্থায়ী দাঁতের ক্ষতি করে।

* দাঁতের সমস্যা ও ব্যথা খাবার চিবানো ও হজমে সমস্যা করে, যা বাচ্চাদের সঠিক শারীরিক বিকাশের পথে বাধা ।

*সুস্থ দাঁত স্পষ্ট উচ্চারণে কথা বলার জন্য প্রয়োজন

* আত্মবিশ্বাস: সুস্থ ও সুন্দর দাঁত বাচ্চাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে।

★★দাঁত ওঠার আগে থেকেই যত্ন শুরু করুন...যেমন
* মাড়ি পরিষ্কার: দাঁত ওঠার আগেই নরম ভেজা কাপড় বা গজ দিয়ে দিনে দুবার শিশুর মাড়ি আলতো করে মুছে দিন। এটি ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে।

★★যখন প্রথম দাঁত ওঠে
* প্রথম ব্রাশ: শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার সাথে সাথে একটি নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করা শুরু করুন। টুথপেস্টের পরিমাণ হবে চালের দানার সমান (০-৩ বছর)।

★★দিনে দুইবার ব্রাশ: সকালে নাস্তার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করুন।

* মা-বাবার ভূমিকা: প্রথম দিকে বাচ্চারা নিজেরা সঠিকভাবে ব্রাশ করতে পারে না। তাই মা-বাবাকে ব্রাশ করিয়ে দিতে হবে এবং ধীরে ধীরে শেখাতে হবে।

রাতে দুধের ফিডার নিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস পরিহার করুন। এতে দাঁতের ক্ষয় হয়।

৩-৬ বছর
* মটরের দানার সমান পরিমাণে এবং ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়।
* বাচ্চাদের নিজে নিজে ব্রাশ করতে উৎসাহিত করুন, তবে মা-বাবাকে তদারকি করতে হবে।
* ডেন্টাল সার্জন বা স্বাস্থ্যকর্মী থেকে সঠিক ব্রাশিং কৌশল শিখে নিন এবং বাচ্চাকে শেখান।

৬+ বছর (স্থায়ী দাঁত ওঠা শুরু হলে)
* নিয়মিত ব্রাশ: দিনে দুবার নিয়মিত ব্রাশ করা নিশ্চিত করুন।

★★স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
* চিনি নিয়ন্ত্রণ: মিষ্টি, চকলেট, ক্যান্ডি, সোডা ও জুস জাতীয় চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় সীমিত করুন। এগুলি দাঁতের ক্ষয়ের অন্যতম কারণ।

ফল, সবজি, দুধ, পনির, দই, বাদাম ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

* পানি পান: খাবার খাওয়ার পর পানি দিয়ে মুখ কুলকুচি করতে উৎসাহিত করুন।

★★যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলবেন
* শিশুকে দুধ বা জুসের বোতল /ফিডার মুখে নিয়ে ঘুমোতে দেবেন না।
* দাঁত দিয়ে বোতলের ছিপি খোলা বা শক্ত কিছু কামড়ানো থেকে বিরত রাখুন।
*অতিরিক্ত আঙুল চোষার অভ্যাস দাঁতের পাটি এবং মুখমণ্ডলের গঠনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

★★★ডেন্টাল সার্জনের কাছে কখন যাবেন?

* শিশুর প্রথম জন্মদিন বা প্রথম দাঁত ওঠার ছয় মাসের মধ্যে।
* প্রতি ছয় মাস অন্তর নিয়মিত চেক-আপের জন্য।
* দাঁতে ব্যথা, সংবেদনশীলতা বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে।
* দাঁতের রঙে পরিবর্তন বা গর্ত দেখা দিলে।
*দাঁতের মাড়ি ফুলে গেলে ও দাঁত থেকে পুঁজ বের হতে দেখলে

★★★বিশেষ করে যেসব বাচ্চা মা-বাবার কাছ থেকে দূরে থাকে (যেমন মাদ্রাসা বা স্কুল হোস্টেলে ) বা যাদের পরিবারের অভিভাবক সচেতন নয় তাদের দাঁতের ক্ষয় মারাত্মক আকার ধারণ করতে দেখেছি আমার অভিজ্ঞতায়।

★★★বাচ্চাদের সুস্থ দাঁত নিশ্চিত করার জন্য মা-বাবার সচেতনতা ও সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। ছোটবেলা থেকেই সঠিক অভ্যাস গড়ে তুললে তা তাদের সারা জীবন দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

মনে রাখবেন
★★ প্রতিরোধ প্রতিকারের চেয়ে উত্তম★★

ডা. ইসমিতা জাহান ইমু
বিডিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পি.জি.টি( ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি)
এক্স ডেন্টাল সার্জন ( সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা)

দাঁত তোলার আগেই প্রস্তুতি নিন, না হলে দীর্ঘস্থায়ী ভোগান্তিতে থাকবেন নিশ্চিত।দাঁত তোলা বা Tooth Extraction হলো দন্তচিকিৎস...
05/07/2025

দাঁত তোলার আগেই প্রস্তুতি নিন, না হলে দীর্ঘস্থায়ী ভোগান্তিতে থাকবেন নিশ্চিত।

দাঁত তোলা বা Tooth Extraction হলো দন্তচিকিৎসার একটি সাধারণ পদ্ধতি, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত, রোগাক্রান্ত বা অতিরিক্ত দাঁত অপসারণ করা হয়।
এটি বিভিন্ন কারণে প্রয়োজনীয় হতে পারে, যেমন গুরুতর ক্ষয়, সংক্রমণ, মাড়ির রোগ, আঘাত, অথবা অর্থোডন্টিক চিকিৎসার অংশ হিসেবে।

★★★. দাঁত তোলার কারণসমূহ :

* গুরুতর দাঁতের ক্ষয়: যখন দাঁতের ক্ষয় এতটাই গুরুতর হয় যে তা ফিলিং বা রুট ক্যানালের মাধ্যমে মেরামত করা সম্ভব নয় তখন তা তুলে ফেলা হতে পারে।

* সংক্রমণ / ইনফেকশন:যদি দাঁতের সংক্রমণ দাঁতের মজ্জা (pulp) বা হাড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং অ্যান্টিবায়োটিক বা রুট ক্যানাল চিকিৎসা কার্যকর না হয়।

* মাড়ির রোগ (Periodontal Disease): গুরুতর মাড়ির রোগ যা দাঁতকে ধরে রাখা হাড় ও টিস্যুকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলে দাঁত নড়বড়ে হয়ে যায় এবং তোলার প্রয়োজন হয়।

* আঘাত: দাঁতে গুরুতর আঘাত লাগলে বা ভেঙ্গে গেলে, যদি মেরামতের অযোগ্য হয়ে যায় সেক্ষেত্রে দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে।

* অতিরিক্ত দাঁত (Supernumerary Teeth): কিছু মানুষের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি দাঁত থাকে, যা অন্য দাঁতের বৃদ্ধিতে বাধা দিতে পারে।

* অর্থোডন্টিক চিকিৎসা: ব্রেসেস বা অন্য অর্থোডন্টিক চিকিৎসার আগে দাঁত সোজা করার জন্য স্থান তৈরি করতে কিছু দাঁত তোলার প্রয়োজন হতে পারে।

* আক্কেল দাঁত (Wisdom Teeth): অনেক সময় আক্কেল দাঁত বাঁকা হয়ে ওঠে, অন্য দাঁতে চাপ সৃষ্টি করে বা বার বার সংক্রমিত/ ইনফেকশন হয়, তখন তা তুলে ফেলার প্রয়োজন হয়।
★★★ দাঁত তোলার আগে প্রস্তুতি (Pre-Extraction Preparation)

* এক্স-রে (X-ray): দাঁতের সঠিক অবস্থান, দাঁতের গোড়ার আকার এবং আশেপাশের হাড়ের অবস্থা বোঝার জন্য এক্স-রে করা হয়।
* রোগীর যেকোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা, ঔষধ সেবনের ইতিহাস (যেমন রক্ত ​​পাতলা করার ঔষধ), এলার্জি ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।
* অ্যান্টিবায়োটিক: কিছু ক্ষেত্রে, সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে বা বিদ্যমান সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য দাঁত তোলার আগে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতে পারে।
* ব্যথা উপশমকারী: অপারেশনের আগে ব্যথা নিয়ন্ত্রণের জন্য আলোচনা।
* লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া (Local Anesthesia): দাঁত তোলার আগে দাঁত ও এর আশেপাশের এলাকা অসাড়/অবশ করার জন্য লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া হয়, যাতে রোগী ব্যথা অনুভব না করেন।

★★★ দাঁত তোলার পরবর্তী যত্ন (Post-Extraction Care)
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ সঠিক যত্নের ওপর দ্রুত আরোগ্য এবং জটিলতা এড়ানো নির্ভর করে:
* গজ/তুলা ব্যবহার: দাঁত তোলার পর একটি গজ/ তুলা প্যাড ক্ষতস্থানে কিছুক্ষণ কামড়ে ধরে রাখতে হয় রক্তপাত বন্ধ করার জন্য।
* রক্ত জমাট বাঁধা : ক্ষতস্থানে রক্ত জমাট বাঁধা আরোগ্য প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য। এই জমাটকে রক্ষা করার জন্য কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
* খাদ্য ও পানীয়: নরম ও ঠান্ডা খাবার খেতে হবে এবং গরম, শক্ত বা চিবানো কঠিন এমন খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। স্ট্র ব্যবহার করা যাবে না, কারণ এটি রক্ত জমাটকে সরিয়ে দিতে পারে ।
* মুখ পরিষ্কার রাখা: দাঁত তোলার প্রথম ২৪ ঘণ্টা কুলি করা থেকে বিরত থাকুন। ১ দিন পর থেকে হালকা কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে কুলি করতে হবে পরবর্তী ১৪দিন।
* ব্যথা ব্যবস্থাপনা: ডাক্তার যে ব্যথানাশক ঔষধ দেবেন, তা সময় অনুযায়ী সেবন করুন।
* ফোলা কমানো: ফোলা কমানোর জন্য বরফ প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
* ধূমপান ও মদ্যপান: দাঁত তোলার পর অন্তত ৪৮-৭২ ঘণ্টা ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি আরোগ্য প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে।
* বিশ্রাম: পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং ভারী কাজ থেকে বিরত থাকুন।
* জটিলতা: জ্বর, অতিরিক্ত রক্তপাত, তীব্র ব্যথা, ফোলা বৃদ্ধি বা pus দেখা দিলে অবিলম্বে ডেন্টাল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করুন।
★★*সম্ভাব্য জটিলতা
যদিও দাঁত তোলা একটি নিরাপদ প্রক্রিয়া, তবে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে:
* ড্রাই সকেট (Dry Socket): রক্ত জমাট না বাঁধা বা সরে গেলে এই অবস্থা হয়, যা তীব্র যন্ত্রণাদায়ক। দাঁত তোলার পরের নিয়মগুলো ঠিকভাবে না মানা হলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
* সংক্রমণ (Infection): যদিও বিরল, দাঁত তোলার পর সংক্রমণ হতে পারে।
* রক্তপাত (Bleeding): অস্বাভাবিক বা দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত।
* পাশের দাঁতের ক্ষতি:** অদক্ষ, ডাক্তার নয় এমন কেউ দাতঁ তোলার সময় পাশের দাঁতের ক্ষতি হতে পারে।
* নার্ভের ক্ষতি : এটি অত্যন্ত বিরল, তবে কিছু ক্ষেত্রে অস্থায়ী বা স্থায়ী অসাড়তা দেখা দিতে পারে।

অদক্ষ, ডাক্তার নয় এমন কেউ দাতঁ তোলার সময় নার্ভের ক্ষতি হতে পারে তাই অবশ্যই বিডিএস ডিগ্রি দেখে ডেন্টাল সার্জন নির্বাচন করুন

★★কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিন:
* অতিরিক্ত রক্তপাত যা গজ/ তুলার প্যাডের চাপেও বন্ধ হচ্ছে না।
* তীব্র ব্যথা যা ব্যথানাশকে কমছে না।
* ৪-৫ দিনের বেশি সময় ধরে ফোলা।
* জ্বর
* ক্ষতস্থান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হওয়া।
* শ্বাস নিতে বা গিলতে অসুবিধা।

দাঁত তোলা একটি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পদ্ধতি যা সঠিক সময়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে করা হলে গুরুতর সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব ।

★★সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন ★★

ডা. ইসমিতা জাহান ইমু
বিডিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পি.জি.টি (ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি)
এক্স ডেন্টাল সার্জন (সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকা)

Address

Mymensingh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ismita Jahan Emu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share