ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার -২

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার -২ Dentistry

ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
14/03/2026

ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক
ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

09/12/2025
07/12/2025

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার
আমতলী সদর রাস্তা জয়পুরহাটে আপনাকে স্বাগতম
যোগাযোগ ০১৫৫৭১০০৮৪০

আলহামদুলিল্লাহ... ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার -২  পক্ষ থেকে সকল কে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা ইঈ মোবারক
05/06/2025

আলহামদুলিল্লাহ...

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার -২ পক্ষ থেকে সকল কে অগ্রীম ঈদের শুভেচ্ছা ইঈ মোবারক

দাঁতের রুট ক্যানেল চিকিৎসা কি ? এটি কখন করা হয় ? দাঁতের একটি প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে রুট ক্যানেল । দাঁতকে সংরক্ষণ ক...
20/03/2025

দাঁতের রুট ক্যানেল চিকিৎসা কি ? এটি কখন করা হয় ?

দাঁতের একটি প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে রুট ক্যানেল । দাঁতকে সংরক্ষণ করার জন্য এই চিকিৎসা করা হয় ।

প্রশ্ন : কখন দাঁতের Root Canal ?

দাঁত কিছুটা ক্ষয় হলে বা ভেঙ্গে গেলে Filling (ফিলিং) করিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় আনা যায় কিন্তু যদি মাত্রাতিরিক্ত ভেঙ্গে যায় বা ক্ষয় হয় বিশেষ করে Pulp Chamber আক্রান্ত হয়ে স্নায়ুতেও প্রদাহ হয় তখন Root canal চিকিৎসার দরকার হয় । দাঁতের ঠিক মধ্যভাগে থাকে Pulp Chamber. এর ভিতরে থাকে দন্তমজ্জা, যেখানে রয়েছে স্নায়ু, শিরা, উপশিরা । Root Canal চিকিৎসার মাধ্যমে দাঁতের ভেতরের স্নায়ুগুলোকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করা যায় । তারপর দাঁতটির উপর একটি Crown (মুকুট) পড়িয়ে দিয়ে আবার সুস্থ ও স্বাভাবিক করা হয় । অনেক সময় মাড়ির প্রদাহের কারনে দাঁতের ভিত্তি নষ্ট হয়ে গেলেও Root Canal চিকিৎসার প্রয়োজন হয় । বিভিন্ন দূর্ঘটনা বা আঘাতের কারনে মুখের সামনের দিকের উপর বা নিচের পাটির দাঁতগুলো ভেঙ্গে যেতে পারে । Root Canal চিকিৎসার পর ঐ দাঁতটির মাপ নিয়ে Cap করে Cement দিয়ে লাগিয়ে দেওয়া হয় । এতে বহু বছর দাঁতটি টিকে যাবে । তাই দন্তমজ্জা আক্রান্ত হলে দাঁতটি না ফেলে দিয়ে Root Canal চিকিৎসায় সুস্থ করা সম্ভব।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল আসলে কি ?

উত্তর : দাঁত যে মাড়ির সঙ্গে লেগে থাকে, সেটি একটি শেকড়ের সঙ্গে লেগে থাকে । দাঁতের মাড়ির শেকড়ের একটি ক্যানেল থাকে । ওই ক্যানেলের যে সংক্রমণ বা প্রদাহ থাকে, দাঁতের ভেতরে যে পাল্প টিস্যু বা দন্ত্যমজ্জা বলি, সেটার চিকিৎসা করাকেই সাধারণত রুট ক্যানেল বলা হয় ।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেলের প্রয়োজনীয়তা কখন হয় ? কখন আপনারা এটি করতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন ?

উত্তর : সাধারণত ডেন্টাল ক্যারিজ হয়ে ওটা প্রথমে অ্যানামেলকে ক্ষয় করে । এর পর ডেনটিন ক্ষয় করে । যখন পাল্প টিস্যুতে এই ক্ষয় চলে যায়, রোগীর অসম্ভব ব্যথা হয় । এই ব্যথার কারণে যখন আমাদের কাছে রোগী আসে, তখন আমরা রুট ক্যানেল করি । এ ছাড়া অনেক সময় সড়ক দুর্ঘটনা হয়ে কোনো সমস্যা হলে বা দাঁতে যেকোন ধরনের আঘাত পেলে, তখন আমরা দাঁতের রুট ক্যানেল করি ।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল করার আগে তার পূর্ববর্তী অবস্থাটা কিভাবে মূল্যায়ন করেন ?

উত্তর : আসলে সব সময় দাঁত ব্যথা হলেই যে রুট ক্যানেল করব, বিষয়টি সেটি নয় । অনেক সময় দেখা যায়, দাঁতের কিছু ক্ষয় রোগ থাকে, দাঁতের স্পর্শকাতরতা থাকে । তখন আমরা আর রুট ক্যানেল করার পরামর্শ দেই না । রুট ক্যানেল করার জন্য কিছু বিষয় লাগে, যেমন- পাল্প টিস্যু বা নার্ভ পর্যন্ত সমস্যা চলে যেতে হবে । যখন এই পাল্প কিংবা মজ্জাতে সমস্যা ছড়িয়ে পড়ে, তখন দাঁতে অসম্ভব ব্যথা হয় । ব্যথায় রোগী ঘুম থেকে উঠে যায় । রাতে অসম্ভব ব্যথা করে । তখন আমরা রোগীকে বলি, অবশ্যই এটি রুট ক্যানেল করতে হবে ।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল করার আগে কোন এক্স-রে বা পরীক্ষা করার দরকার আছে কি ?

উত্তর : অবশ্যই রয়েছে । রুট ক্যানেল করার আগে দাঁতের কি অবস্থা, সেটি দেখি । হয়তো দাঁতের এমনই খারাপ অবস্থা যে দাঁত নড়ে গেছে, ওটা পরবর্তীকালে ঠিক করা সম্ভব নয় । তখন এক্স-রে করার পরামর্শ দিই । দাঁতের সার্বিক অবস্থা দেখে চিকিৎসা দিই ।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল করার কথা শুনলে রোগীরা ভয় পেয়ে যায় । এর পেছনে কারণ কি ?

উত্তর : আসলে দু-তিনটি কারণ রয়েছে । প্রথম এবং প্রধান কারণ হচ্ছে ব্যথা । রোগীরা ভাবেন, দাঁতে এত ব্যথা পাচ্ছেন, চিকিৎসকের কাছে গেলে হয়তো ব্যথা আরো বেড়ে যাবে । তবে এখন অনেক অ্যানেসথেশিয়া রয়েছে, যেগুলো রুট ক্যানেল করার আগে আমরা দিয়ে নেই । এতে ব্যথামুক্তভাবে রুট ক্যানেল করা যায় ।

এ ছাড়া এই চিকিৎসায় অনেক সিটিং লাগে এবং একটু ব্যয়সাপেক্ষ চিকিৎসা এটি । সবকিছু চিন্তা করে রুট ক্যানেল চিকিৎসাকে রোগীরা হয়তো ভয়ংকর ভাবেন ।

প্রশ্ন : আপনারা তখন রোগীদের কিভাবে আশ্বস্ত করেন ?

উত্তর : রুট ক্যানেল ছাড়া অন্য চিকিৎসাটি হচ্ছে দাঁত ফেলে দেওয়া । আসলে যেভাবেই হোক, দাঁতকে আমরা সংরক্ষণ করতে চাই । রোগীকে বলি, এই দাঁত ফেলে দিলে বাকি দুটো দাঁতে সমস্যা হবে । কারণ বাকি দুটো দাঁত ওই দাঁতের জায়গা নিয়ে নেবে । তারপর ওপরের দাঁত নিচে নেমে আসবে । তখন রোগী ঠিকমতো কথা বলতে পারবে না। ঠিকমতো খাবার-দাবার খেতে পারবে না ।

প্রশ্ন : এক সিটিংয়ে কি রুট ক্যানেল করা সম্ভব ?

উত্তর : এক সিটিংয়েও চিকিৎসা হয়ে যায়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে । অনেক সময় দেখা যায়, রোগী ঢাকার বাইরে । তাঁরা তখন একদিনে রুট ক্যানেল করতে চান । তখন আমরা করে দিই । আমাদের এখন অনেক অগ্রবর্তী জিনিসপত্র হয়ে গেছে । আমরা এখন খুব ভালো করে একদিনেই বিষয়টি করতে পারি ।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেলটা আপনারা কিভাবে করেন ? এটি করার পরবর্তী সময়ে আপনাদের চিকিৎসা কি থাকে ?

উত্তর : প্রথমে একটি অ্যানেসথেশিয়া দিয়ে নেই । এ সময় দাঁতের চারদিক পরিষ্কার করে নিতে হয় । এরপর পাল্প টিস্যুগুলো বের করে দেই । ইনার সাবসটেনাল ঢুকিয়ে সিল করে দিই । দাঁতটা তখন স্থবির হয়ে যায় । সে ক্ষেত্রে আমরা রোগীকে পরামর্শ দেই দাঁতে ক্রাউন পরতে । প্রাকৃতিক দাঁতের যেই যত্ন প্রয়োজন, ক্রাউনেরও সেই যত্ন প্রয়োজন । যেহেতু এটি প্রাকৃতিক নয় । তাই এর ভালোভাবে যত্ন নিতে হবেৎ। খুব শক্ত হাড় চাবানো যাবে না । তবে সে স্বাভাবিক দাঁতের মতোই কাজ করছে । স্বাভাবিক দাঁত দিয়ে আমরা যেভাবে ভাত-মাছ খাচ্ছি, সবই এটি দিয়ে সম্ভব ।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল করা না হলে কি ধরনের জটিলতা হতে পারে ?

উত্তর : রুট ক্যানেল করা না হলে দাঁতটি অবশ্যই ফেলে দিতে হবে । কারণ ক্ষতিগ্রস্ত দাঁতটি পাশের দাঁতটিরও ক্ষতি করতে পারে । পাশাপাশি যখন রোগী আসে তখন দেখা যায়, গর্ত হতে হতে গোড়ার দিকে চলে গেছে । তখন আমরা একে আর রাখতে পারি না । তখন দাঁত ফেলে দিতে হবে । এর অনেক ঝামেলা রয়েছে । এতে সমস্যা বাড়তেই থাকবে ।

প্রশ্ন : যে কারণে রুট ক্যানেল চিকিৎসাটি করার প্রয়োজন হয়, সেটি থেকে মুক্ত থাকার কি উপায় রয়েছে ?

উত্তর : আসলে সবকিছুরই তো প্রতিরোধ দরকার । প্রথমে আমরা ওরাল হাইজিন (মুখের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা) যদি মেনে চলি, নিয়মিত দুবার দাঁত ব্রাশ করি, দিনে একবার অবশ্যই ফ্লসিং করি, তাহলে দাঁত ভালো থাকবে । আমরা কিন্তু ফ্লসিং সাধারণত করি না এবং ব্রাশও করি খুবই আলসেমি করে । আমাদের দেশে যেটি প্রচলিত, সকালবেলা উঠে দাঁত ব্রাশ করা, সেটি ঠিক নয় । আসলে রাতে খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করতে হয় এবং সকালবেলা নাশতার পর দাঁত ব্রাশ করতে হয় । এ ছাড়া বছরে দুবার ডেন্টিস্ট এর কাছে যাওয়া উচিত । নিয়মিত যদি চেকআপে যাওয়া হয় তখন দেখা যায়, সমস্যা শুরু হওয়ার আগে চিকিৎসা করতে পারব । তখন আর সমস্যা হবে না । আমরা অনেক ভালো থাকতে পারব ।

ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, এই কামনায় ।।

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার
আমতলী সদর রাস্তা জয়পুরহাট
০১৫৫৭১০০৮৪০

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার -২ আমতলী সদর রাস্তা জয়পুরহাট ০১৫৫৭১০০৮৪০
30/07/2024

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার -২
আমতলী সদর রাস্তা জয়পুরহাট
০১৫৫৭১০০৮৪০

সুখবর  সুখবর সুখবর পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইউনিক ডেন্টাল কেয়ারে ( আমতলী  সদর রাস্তা জয়পুরহাট) দাঁতের চিকিৎসা শুধু মাত্র...
02/04/2022

সুখবর সুখবর সুখবর
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইউনিক ডেন্টাল কেয়ারে ( আমতলী সদর রাস্তা জয়পুরহাট)
দাঁতের চিকিৎসা শুধু মাত্র মেডিসিন খরচ নিয়ে প্রদান করা হবে

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ারে আপনাকে স্বাগতম
22/02/2022

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ারে আপনাকে স্বাগতম

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার আমতলী সদর রাস্তা জয়পুরহাট... সেবা নিন সুস্থ থাকুন...
15/11/2021

ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার আমতলী সদর রাস্তা জয়পুরহাট...
সেবা নিন সুস্থ থাকুন...

17/08/2021
মাড়ি থেকে রক্তপাত সমস্যায় করণীয়মাড়ি থেকে রক্ত পড়া খুবই কমন একটি রোগ। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ ...
17/08/2021

মাড়ি থেকে রক্তপাত সমস্যায় করণীয়

মাড়ি থেকে রক্ত পড়া খুবই কমন একটি রোগ। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে এ রোগে ভোগেন।
মাড়িতে রক্ত পড়ার কারণ হচ্ছে জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ। মাড়ি থেকে সহজেই রক্ত পড়া বা দাঁত ব্রাশের সময় রক্ত পড়ে তাহলে শুরুতেই ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসা নিলে এই রোগ খুব সহজে ভালো হয়।

রক্ত পড়ার কারণ

দাঁত ব্রাশ না করা, দাঁতের ওপর লেগে থাকা খাদ্যকণাগুলোর সাদা প্রলেপ পড়া, যাকে আমরা ডেন্টাল প্লাগ বলি। ২৪ ঘণ্টা পর এ ডেন্টাল প্লাগ শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস হয়। এ ক্যালকুলাসই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার অন্যতম কারণ।

ক্যালকুলাস দাঁত ও মাড়ির মাঝখানে অবস্থান করে এবং প্রতিনিয়ত নরম মাড়ির সঙ্গে ক্যালকুলাসের ঘর্ষণের কারণে খুব সহজেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে।

এছাড়া আরও কিছু কারণ রয়েছে তা হলো- জোরে জোরে দাঁত ব্রাশ করা, ঠিকমতো কৃত্রিম দাঁত না বসা, ঠিকমতো ফ্লসিং না করা, লিউকোমিয়া(এক ধরনের রক্তের ক্যান্সার), রক্ত পাতলাকারী ওষুধ, গর্ভাবস্থায় হরমোনের প্রভাব, স্কার্ভি, ভিটামিন সি’র ঘাটতি ও ভিটামিন কে’র ঘাটতি।

কী করবেন

প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সকালে ঘুম থেকে জেগে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দু’বার দাঁত ব্রাশ করতে হবে। ভালোমানের পেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘদিন এক টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না।

নিয়মিত ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। কুসুম গরম পানিতে লবণ দিয়ে কুলকুচি করতে হবে। ছয় মাস পরপর ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

Address

Joypur
5900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইউনিক ডেন্টাল কেয়ার -২ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share