Dr.Ashiq Chandra Das

Dr.Ashiq Chandra Das Oral and dental surgeon
BDS(DU)BCS(HEALTH)
MPH(NIPSOM)
MADHABPUR UPAZILA HEALTH COMPLEX, HABIGANJ

 #ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন
27/06/2026

#ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন

Pregnancy Granuloma🔹 Pyogenic granuloma in pregnancy🔹 Also called pregnancy tumor / granuloma gravidarum🔹 Reactive vascu...
19/05/2026

Pregnancy Granuloma

🔹 Pyogenic granuloma in pregnancy
🔹 Also called pregnancy tumor / granuloma gravidarum
🔹 Reactive vascular lesion, not true pus/granuloma

Etiology
🔹 Local irritants + pregnancy hormones
🔹 Usually in 2nd or 3rd trimester

Clinical
🔹 Red-purple exophytic gingival mass
🔹 Smooth or lobulated
🔹 Bleeds easily = hallmark

Management
🔹 May shrink/regress after delivery
🔹 Usually delay excision until postpartum
🔹 Excise during pregnancy only if bleeding, function, or esthetics are major issues
🔹 Recurrence is higher if removed during pregnancy

High-yield pearl
🔹 Pregnant patient + red gingival mass that bleeds easily = pregnancy granuloma

।।।হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যানসারের কারণ ডেন্টাল প্লাক ও মাড়ির রোগ।।।মাড়ির ভেতরে খাদ্যকণা জমে থেকে যে আবরণ তৈরি করে, তার নাম ...
13/05/2026

।।।হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যানসারের কারণ ডেন্টাল প্লাক ও মাড়ির রোগ।।।

মাড়ির ভেতরে খাদ্যকণা জমে থেকে যে আবরণ তৈরি করে, তার নাম ডেন্টাল প্লাক। ডেন্টাল প্লাক ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে পাথরের মতো অবস্থায় যখন থাকে, তখন দেখা দেয় নানা সমস্যা। ডেন্টাল প্লাকের ভেতরে বাস করে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া যদি কোনোভাবে রক্তের সঙ্গে মিশে যায়, তাহলে সৃষ্টি হয় নানা জটিলতার। উপরন্তু একটি স্থায়ী দাঁত পড়ে যাওয়ার একমাত্র কারণ হলো ডেন্টাল প্লাক।
প্লাক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে রক্তনালির প্রদাহের সৃষ্টি হয়। ফলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসার মাধ্যমে এই প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া বা ডেন্টাল প্লাক দূর করা যায়। যেসব রোগী আগে মাড়ির রোগে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা ৬৪ শতাংশের বেশি।
গবেষকরা বলেছেন, যেসব রোগী তাদের দাঁত সঠিকভাবে স্কেলিং করান, তারা পরবর্তী সাত বছর হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের মতো রোগ থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকেন। মাড়ি অসুস্থ মানেই দাঁত থেকে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধসহ দাঁতের নানাবিধ রোগের শুরু। সুন্দর ও সুস্থ দাঁতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মাড়ির যত্ন নেওয়া। কারণ মাড়ির রোগের কারণে মুখগহ্বরে যে প্রদাহ ও ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, রক্তপ্রবাহে মিশে যায়। ফলে দাঁতের সমস্যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যাদের একই সঙ্গে মাড়ির রোগ ও দাঁতের ক্ষয় রয়েছে। ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে তার মধ্যে যেমন : অ্যাথেরোসক্লেরোসিস। রক্তে থাকা ব্যাকটেরিয়া ধমনীর দেয়ালে বিদ্যমান কোলেস্টেরলের সঙ্গে যুক্ত হয়, ফলে ধমনি সরু ও শক্ত হয়ে যায়। এতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ‘প্রদাহ বৃদ্ধি’ ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। মুখের ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রদাহজনিত প্রোটিন (সি-রিয়াকটিভপ্রোটিন) বাড়ায়, যা রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত করে ও রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়, ফলে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ ছাড়াও ‘এন্ডোকার্ডাইটিস’ যদিও কম তবুও এই ব্যাকটেরিয়া হৃদপি-ের আস্তরণে সংক্রমণ ঘটায় যা হৃদযন্ত্রের ভাল্ভ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
যখন দাঁতের চারপাশের টিস্যুগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তখনই একজন রোগী পেরিওডেন্টাল রোগে আক্রান্ত হন। দুর্ভাগ্যবশত মাড়ির ক্ষয়ই হচ্ছে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দাঁত পড়ে যাওয়ার প্রথম কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব লোকেরাই মাড়ির রোগে আক্রান্ত হন। সাধারণত ৭৫% ভাগ মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁত থেকে মাড়ি আগলা হয়ে যাওয়া বা দাঁত নড়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত। মাড়ির এ ধরনের রোগ মুখের ভেতরের হাড়ের কাঠামোকে ধ্বংস করে। কখনো কখনো হাড় প্রতিস্থাপনও করতে হয়। মাড়ির বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিতে নড়ে যাওয়া দাঁতকে সঠিকভাবে রাখা যায়। আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসকও আছে। মাড়ির চিকিৎসার সঙ্গে ক্ষয় হয়ে যাওয়া হাড়কেও আবার প্রতিস্থাপন করা সম্ভব।
মাড়ির রোগের চিকিৎসা
সার্জিক্যাল পদ্ধতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ‘পকেট রিডাকশন সার্জারি’ যা ফ্ল্যাপ সার্জারি নামেও পরিচিত। এই পদ্ধতির মাধ্যমে দাঁতের মাড়ি এবং দাঁতের মাঝখানের দূরত্ব কমে যায়। ফলে ওই অংশে ব্যাকটেরিয়ার বসতি কমে যায়। যেসব রোগীর দাঁতের মাড়ি একদমই পাতলা অথবা সম্পূর্ণভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত, তাদের ক্ষেত্রেই এই পদ্ধতিটি সবচেয়ে উপকারী। মাড়ির প্রদাহ বা ইনফেকশন দেহে রক্তের সঙ্গে মিশে গিয়ে শরীরের প্রধান প্রধান অঙ্গ যেমন : হৃৎপি-, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি, হাড় এমনকি গর্ভবর্তী নারী, শিশুকেও আক্রান্ত করতে পারে। অতএব, মাড়ির রোগ প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ডেন্টাল প্লাক অথবা দাঁতের ও মাড়ির ফাঁকে লেগে থাকা খাদ্যকণা দূর করা বা পরিষ্কার রাখা। সবচেয়ে বড় কথা, ডেন্টাল প্লাকমুক্ত থাকা মানে জীবন রক্ষা করা। প্রতি বছরে অন্তত একবার, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের দুবার মাড়ি ও দাঁতের চিকিৎসা নিতে হবে। এতে করে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি যেমন কমবে, তেমনি ভালো থাকবে মুখের স্বাস্থ্য, নিশ্চিত হবে দেহের স্বাস্থ্য।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে
☞ডেন্টাল এক্স-রে ওপিজি এবং বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে প্রদাহের মাত্রা অন্যান্য রোগের উপস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে।
☞ডেন্টাল স্কেলিংয়ের মাধ্যমে দাঁতের গোড়া থেকে পাথর দূর করে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
☞অন্যান্য পর্যায়ে যদি ডায়াবেটিস থাকে বা অন্যান্য রোগের উপস্থিতি থাকে, তবে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
☞মাড়ির স্কেলিং এবং সেই সঙ্গে ডেন্টাল প্লাক প্রতিরোধে দুবেলা সকাল এবং রাতে দাঁত ব্রাশ করা আবশ্যক এবং দু-দাঁতের ফাঁক থেকে খাবার কণা বের করার জন্য ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার এবং অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা এবং জীবচুলার (টাং ক্লিনার) মাধ্যমে প্রতিদিন জিহ্বা পরিষ্কার করা। এ ছাড়াও দাঁতের মাড়ি ম্যাসাজ ও মুখের চোয়ালের ব্যায়াম, চিনি জাতীয় খাবার কম খাওয়া এবং পান, সিগারেট ও জর্দা, সাদাপাতা, গুল, খৈনি ইত্যাদি তামাকজাত দ্রব্য বর্জন করা অপরিহার্য।
☞কার্টেসী:
অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী
ভিজিটিং প্রফেসর, ডেন্টাল সার্জারি বিভাগ
বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা।

19/04/2026

আজ ১৯ এপ্রিল, বিশ্ব লিভার দিবস 🌿
এবারের প্রতিপাদ্য-
"Solid Habits, Strong liver"

আমাদের শরীরের নীরব পরিশ্রমী অঙ্গ—লিভার। প্রতিদিন অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে, অথচ আমরা প্রায়ই তার যত্ন নিতে ভুলে যাই।

সুস্থ লিভারের জন্য কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুলি—
✔️ সুষম খাদ্য গ্রহণ
✔️ অ্যালকোহল ও ক্ষতিকর ওষুধ থেকে বিরত থাকা
✔️ নিয়মিত ব্যায়াম
✔️ হেপাটাইটিস সম্পর্কে সচেতনতা ও টিকা গ্রহণ

মনে রাখুন, সুস্থ লিভার মানেই সুস্থ জীবন।নিজে সচেতন হই, অন্যকেও সচেতন করি।

05/04/2026

  ০ থেকে ২ বছর বয়সী শিশুদের দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দুধ দাঁত পরবর্তী স্থায়ী দাঁত ওঠার পথ তৈরি কর...
03/04/2026



০ থেকে ২ বছর বয়সী শিশুদের দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দুধ দাঁত পরবর্তী স্থায়ী দাঁত ওঠার পথ তৈরি করে দেয়।

​দাঁত ওঠার আগের যত্ন (০-৬ মাস)::
🦷🦷
​দাঁত ওঠার আগেই মাড়ি পরিষ্কার রাখা জরুরি:

​মাড়ি পরিষ্কার:

প্রতিদিন অন্তত দুবার (বিশেষ করে রাতে খাওয়ানোর পর) একটি নরম, পরিষ্কার ও ভেজা সুতি কাপড় বা গজ কাপড় আঙুলে জড়িয়ে শিশুর মাড়ি আলতো করে মুছে দিন। এতে দুধের অবশিষ্টাংশ ও ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার হয়।

​প্রথম দাঁত ওঠার পর (৬ মাস - ২ বছর)::

​সাধারণত ৬ মাস বয়স থেকে দাঁত ওঠা শুরু হয়। এসময় করণীয়:

​ব্রাশ করা:🪥
দাঁত ওঠার সাথে সাথেই ব্রাশ করানো শুরু করুন। শিশুদের জন্য তৈরি অত্যন্ত নরম ব্রিসলযুক্ত (Extra Soft) ছোট ব্রাশ ব্যবহার করুন।

​টুথপেস্টের পরিমাণ:
২ বছর পর্যন্ত শিশুদের জন্য চালের দানার সমান (Rice-sized) ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখবেন শিশু যেন পেস্ট গিলে না ফেলে।
​নিয়মিত সময়: দিনে দুবার—সকালে নাস্তার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করানোর অভ্যাস করুন।

​খাদ্যাভ্যাস ও সতর্কতা::⚠️⚠️⚠️

​বটল ফিডিং বা ফিডার: 👩‍🍼
শিশুকে ফিডার মুখে দিয়ে ঘুম পাড়াবেন না। এতে "নার্সিং বটল ক্যারিজ" বা দাঁতে দ্রুত ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ঘুমানোর আগে ফিডার দিলে তাতে শুধু পানি রাখার চেষ্টা করুন।

​মিষ্টিজাতীয় খাবার:
চিনিযুক্ত পানীয়, ক্যান্ডি বা স্টিকি খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করে।

​পানি পান:
শিশুকে খাওয়ার পর পানি পানের অভ্যাস করান, যা মুখ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

​ডেন্টিস্টের পরামর্শ:::💯💯

​প্রথম ভিজিট:
শিশুর প্রথম জন্মদিন বা প্রথম দাঁত ওঠার ৬ মাসের মধ্যে একবার দন্ত চিকিৎসক বা পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্টকে দেখানো উচিত।

​দাঁতের দাগ:
😵😵দাঁতে কোনো কালো বা সাদা দাগ দেখলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

​সঠিক সময়ে যত্ন শুরু করলে আপনার শিশুর স্থায়ী দাঁতগুলোও সুস্থ ও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।😊😊

👨‍⚕️প্রতিদিন অন্তত দুইবার (সকালে এবং রাতে) দাঁত ব্রাশ করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। 👨‍⚕️ #​কেন দিনে দুইবার ব্রাশ করবেন?🪥🪥...
02/04/2026

👨‍⚕️প্রতিদিন অন্তত দুইবার (সকালে এবং রাতে) দাঁত ব্রাশ করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
👨‍⚕️
#​কেন দিনে দুইবার ব্রাশ করবেন?🪥🪥🦷🦷

​১. ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ:
আমাদের মুখে সারাক্ষণই কিছু না কিছু জীবাণু থাকে। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর সময় মুখে লালা তৈরি কম হয়, যার ফলে ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি দ্রুত ঘটে। তাই রাতে ব্রাশ করা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

২. প্লাক বা ডেন্টাল ক্যাভিটি প্রতিরোধ:
খাবারের কণা ও লালার মিশ্রণে দাঁতের ওপর যে আঠালো আস্তরণ (প্লাক) জমে, তা পরিষ্কার না করলে দাঁতে গর্ত বা ক্যাভিটি তৈরি হয়।

৩. নিশ্বাসের সতেজতা:
২৪ ঘণ্টা খাবারের কণা জমতে থাকলে তা পচে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। দুইবার ব্রাশ করলে নিশ্বাস সতেজ থাকে।

#​ব্রাশ করার উপকারিতা🦷
🪥
​মাড়ির রোগ প্রতিরোধ:

দাঁতের গোড়ায় জমে থাকা প্লাক মাড়িতে প্রদাহ বা ইনফেকশন (জিঞ্জিভাইটিস) তৈরি করতে পারে। ব্রাশ করলে মাড়ি সুস্থ ও মজবুত থাকে।

​টার্টার বা পাথর জমা রোধ:
প্লাক দীর্ঘক্ষণ পরিষ্কার না করলে তা শক্ত হয়ে 'টার্টার' বা পাথরে পরিণত হয়, যা সাধারণ ব্রাশে দূর হয় না। নিয়মিত ব্রাশ করলে এই পাথর জমার সুযোগ কমে।

​দাঁতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি:
চা, কফি বা খাবারের কারণে দাঁতে যে হালকা দাগ পড়ে, নিয়মিত ব্রাশ তা সরিয়ে দাঁতকে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল রাখে।

​সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষা:
গবেষণায় দেখা গেছে, মুখের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা বা মাড়ির ইনফেকশন হার্টের রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো জটিলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই ব্রাশ করা পুরো শরীরের জন্যই ভালো।

#​ছোট কিছু টিপস:🖐️🖐️

​রাতের ব্রাশ সবচেয়ে জরুরি:
রাতের খাবারের পর এবং ঘুমানোর আগে ব্রাশ করাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।

​সময়:
অন্তত ২ মিনিট সময় নিয়ে দাঁতের ভেতরের ও বাইরের সব দিক ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।

​ব্রাশ পরিবর্তন:
প্রতি ৩ মাস পর পর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত।

​সুন্দর হাসি ও সুস্থ দাঁতের জন্য এই সহজ অভ্যাসটি বজায় রাখা খুবই জরুরি।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনার শিশুকে সুরক্ষি...
02/04/2026

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।

হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনার শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে অনুগ্রহ করে নিচের আচরণগুলো মেনে চলুন। পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এই তথ্যগুলো শেয়ার করুন এবং তাদেরও এসব আচরণ মেনে চলতে উৎসাহিত করুন। 👇

মুখের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস (Halitosis) অত্যন্ত বিব্রতকর একটি সমস্যা। ​মুখের দুর্গন্ধের প্রধান কারণসমূহ:​মুখের দুর্গন্...
01/04/2026

মুখের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস (Halitosis) অত্যন্ত বিব্রতকর একটি সমস্যা।

​মুখের দুর্গন্ধের প্রধান কারণসমূহ:

​মুখের দুর্গন্ধকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:

Intraoral( মুখের ভিতরের সমস্যা) এবং Extraoral(শরীরের অন্য কোনো সমস্যার কারণে)।

১. মুখের ভেতরের কারণ (Intra-oral Causes)

​প্রায় ৮০-৯০% ক্ষেত্রে দুর্গন্ধের উৎস মুখগহ্বর।

​ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার:
জিভের পেছনের অংশে এবং দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা অবায়বীয় (Anaerobic) ব্যাকটেরিয়া খাদ্যকণা পচিয়ে 'ভোলাটাইল সালফার কম্পাউন্ড' (VSC) তৈরি করে।

​দাঁত ও মাড়ির রোগ:
পিরিওডন্টাইটিস (Periodontitis) বা মাড়ির প্রদাহ এবং ডেন্টাল ক্যারিস (দাঁত ক্ষয়)।
​শুষ্ক মুখ (Xerostomia): লালা মুখ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। লালা নিঃসরণ কমে গেলে মুখ শুষ্ক হয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়।

​জিহ্বায় ময়লা জমা:
জিহ্বার উপরিভাগে সাদা আস্তরণ বা 'টাং কোটিং'।

​২. মুখের বাইরের কারণ (Extra-oral Causes)

​নাক ও গলার সমস্যা:
সাইনাস ইনফেকশন (Sinusitis), টনসিল পাথর (Tonsilloliths), বা নাকের পলিপ।

​পাকস্থলীর সমস্যা: গ্যাস্ট্রোইসোফিজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) বা আলসার।

​পদ্ধতিগত রোগ (Systemic Diseases):
ডায়াবেটিস (কিটোঅ্যাসিডোসিসের কারণে ফলের মতো গন্ধ), লিভার বা কিডনির জটিলতা।

​খাদ্যাভ্যাস: পেঁয়াজ, রসুন বা তামাকজাত দ্রব্য সেবন।

প্রতিরোধের উপায়
​১. দিনে অন্তত দুবার ব্রাশ করা এবং ফ্লসিং করা।
২. টাং স্ক্র্যাপার দিয়ে প্রতিদিন জিহ্বা পরিষ্কার করা।
৩. পর্যাপ্ত পানি পান করা যাতে মুখ শুষ্ক না হয়।
৪. নিয়মিত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া।

Address

Tongi
Gazipur
1710

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Ashiq Chandra Das posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share