23/02/2026
চুইং গাম হতে পারে মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের একটি লুকানো উৎস।
২০২৫ সালে UCLA–এর গবেষকদের করা একটি পাইলট স্টাডি, যা American Chemical Society প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা গেছে—চুইং গাম চিবানোর সময় সরাসরি লালার সঙ্গে পরিমাপযোগ্য পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক বের হয়ে আসে।
🔬 গবেষণার সংক্ষিপ্ত তথ্য
* একজন স্বেচ্ছাসেবী ১০টি জনপ্রিয় গাম ব্র্যান্ড ২০ মিনিট পর্যন্ত চিবিয়েছিলেন।
* বিভিন্ন সময় লালার নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
* গড়ে প্রতি গ্রাম গাম থেকে প্রায় ১০০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা বের হয়।
* কিছু ব্র্যান্ডে এই সংখ্যা ছিল ৬০০ কণা/গ্রাম পর্যন্ত—মানে একটিমাত্র গাম স্টিক থেকে প্রায় ৩,০০০ কণা
* আশ্চর্যজনকভাবে, মোট কণার ৯৪% প্রথম ৮ মিনিটের মধ্যেই বের হয়ে আসে।
* সিন্থেটিক ও “ন্যাচারাল” গাম—দুটিতেই প্রায় একই মাত্রায় কণা ঝরে।
🧪 কী ধরনের প্লাস্টিক পাওয়া গেছে?
গামে পাওয়া গেছে সাধারণ প্লাস্টিক পলিমার যেমন **পলিওলেফিন ও পলিস্টাইরিন—যেগুলো দৈনন্দিন প্লাস্টিক পণ্যে বহুল ব্যবহৃত।
⚠️ স্বাস্থ্য ঝুঁকি কী?
এই মাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে ঢুকলে দীর্ঘমেয়াদে কী প্রভাব পড়ে—তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে গবেষণা চলমান।
🧠 বার্তা কী?
এটি আতঙ্কের বিষয় নয়, বরং সচেতনতার বিষয়।
যাঁরা নিয়মিত ও ঘন ঘন চুইং গাম খান, তাঁদের ক্ষেত্রে বছরের পর বছর ধরে মোট গ্রহণযোগ্য পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
✅ সতর্কতামূলক পরামর্শ
* অতিরিক্ত গাম চিবানো এড়িয়ে চলুন
* বারবার নতুন গাম নেওয়া কমান
* মোট গাম গ্রহণের পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকুন
মনে রাখবেন, মুখ দিয়ে প্রবেশ করা অনেক কিছুই শুধু মুখেই সীমাবদ্ধ থাকে না।
📄 সূত্র: American Chemical Society (২০২৫)