Shifa Binte Hadi

Shifa Binte Hadi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shifa Binte Hadi, General Dentist, Shaheed Suhrawardy Medical College, Dhaka.

Would be dentist...

Bachelor of Dental Surgery
(Appearing Final Professional Exams)
Shaheed Suhrawardy Medical College
Sher-E-Bangla Nagar, Dhaka-1207

reach me: [email protected]

দুটি ভ্রূণ ট্রান্সফার করা হয়েছিল।ভাবা হয়েছিল — হয়তো একটি, হয়তো দুটি শিশু।কিন্তু প্রকৃতির ছিল অন্য পরিকল্পনা। 💫দুটিই আবার...
15/02/2026

দুটি ভ্রূণ ট্রান্সফার করা হয়েছিল।
ভাবা হয়েছিল — হয়তো একটি, হয়তো দুটি শিশু।
কিন্তু প্রকৃতির ছিল অন্য পরিকল্পনা। 💫

দুটিই আবার ভাগ হয়ে গেল।
শেষ পর্যন্ত এক প্লাসেন্টায় চারটি ছোট্ট হার্টবিট।

আইভিএফ আমাদের অনেক সম্ভাবনা দেয়, কিন্তু সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা দেয় না। ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপন হওয়ার পর থেকে প্রকৃতি নিজের মতো করে কাজ শুরু করে।

এ ধরনের গর্ভাবস্থা খুবই বিরল এবং ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।
জীবন সত্যিই অবাক করে দিতে জানে। 🤍

#আইভিএফ #বিরলগর্ভাবস্থা #চারশিশু #মিরাকল

২২বছরের বিবাহিত জীবনে ৪টি জীবনকে তিনি দুনিয়ায় আসতে দেন নি। আমার কাছে এসেছিলেন মাসিক বন্ধ কেন সেটার চিকিৎসা নিতে।হিস্ট্রি...
27/01/2026

২২বছরের বিবাহিত জীবনে ৪টি জীবনকে তিনি দুনিয়ায় আসতে দেন নি। আমার কাছে এসেছিলেন মাসিক বন্ধ কেন সেটার চিকিৎসা নিতে।

হিস্ট্রি নেয়ার সময় বার বার জানালেন প্রেগন্যান্ট নন! রিপোর্ট আসলো রোগী প্রেগন্যান্ট❗রোগী এবার স্বাভাবিক গলায় বললো ৫ম বাচ্চাটিও ন*ষ্ট করার মেডিসিন দিতে!

বললাম, আফসোস এবার আপনি ভুল ডাক্তারের কাছে চলে এসেছেন! রোগী হতাশ হয়ে বের হয়ে গেল। 🙂

Dr.Nakiba Rahman Orthi

এক ব্যক্তি স্বপ্নে খলিফা হারুনুর রশিদের স্ত্রী রাণী জুবাইদা (রহ.)-কে অত্যন্ত চমৎকার ও মর্যাদাপূর্ণ একটি সিংহাসনে উপবিষ্ট...
24/01/2026

এক ব্যক্তি স্বপ্নে খলিফা হারুনুর রশিদের স্ত্রী রাণী জুবাইদা (রহ.)-কে অত্যন্ত চমৎকার ও মর্যাদাপূর্ণ একটি সিংহাসনে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখলেন।

সেই ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, "আল্লাহ তা’আলা আপনাকে এই সুউচ্চ মাকাম ও মর্যাদা কিসের বিনিময়ে দান করেছেন?"

রাণী জুবাইদা উত্তর দিলেন, "একদিন আমি আমার সখী এবং প্রতিবেশী নারীদের সঙ্গে বসে গল্পগুজব করছিলাম। এমন সময় আমি মুয়াজ্জিনের আযানের আওয়াজ শুনতে পেলাম। মুয়াজ্জিন যখনই 'আল্লাহু আকবার' ধ্বনি দিলেন, আমি মহান আল্লাহর নামের প্রতি সম্মানের খাতিরে উপস্থিত সকল নারীকে চুপ করিয়ে দিলাম। মুয়াজ্জিন আজান শেষ না করা পর্যন্ত আমরা সবাই নীরবতা পালন করলাম। আমার এই আমলটিই আল্লাহ তাআলা কবুল করে নিয়েছেন এবং এর বিনিময়েই তিনি আমাকে আজ এই সুউচ্চ মর্যাদা ও নেয়ামত দান করেছেন যা তুমি দেখতে পাচ্ছ।"

(সূত্র: আল-ইশারাত ফি ইলমিল ইবারাত)

কোনো নেক কাজকেই ছোট মনে করা উচিত নয়। একটি ছোট আমলও পরকালে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম হতে পারে। আযানের সময় কথাবার্তা বন্ধ রাখা এবং আযানের উত্তর দেওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। দুনিয়াবি গুরুত্বপূর্ণ কাজের চেয়েও আল্লাহর নিদর্শনাবলির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাই ঈমানদারের আসল পরিচয়।

24/01/2026

১ম জমজ সন্তান: ছেলে-মেয়ে
২য় জমজ সন্তান: মেয়ে-মেয়ে
আবারও জমজ সন্তান!

এবং সবগুলো বাচ্চা ভালো আছে আলহামদুলিল্লাহ।
“তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন। আর যাকে ইচ্ছা তিনি বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বক্ষমতাবান।”

— পবিত্র কুরআন, সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৪৯–৫০

শিশুর খাবারের তালিকায় কলা একটি সহজলভ্য, নিরাপদ ও পুষ্টিকর ফল। ঠিক বয়সে ও সঠিকভাবে দিলে কলা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে...
24/01/2026

শিশুর খাবারের তালিকায় কলা একটি সহজলভ্য, নিরাপদ ও পুষ্টিকর ফল। ঠিক বয়সে ও সঠিকভাবে দিলে কলা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে দারুণ উপকার করে।

কলা সহজপাচ্য হওয়ায় ৬ মাসের পর থেকে পরিমাণ বুঝে দিলে শিশুর পেটে চাপ পড়ে না। এতে থাকা প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেট শিশুকে দ্রুত শক্তি জোগায়, ফলে সে বেশি সক্রিয় ও চনমনে থাকে। অসুস্থতা বা দুর্বলতার পর কলা শিশুর শক্তি ফিরিয়ে আনতেও সাহায্য করে।

কলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকে, যা শিশুর হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখতে এবং পেশি ও স্নায়ুর সঠিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এতে থাকা ভিটামিন B6 শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় কলা শিশুর হজম শক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে কার্যকর। যেসব শিশুর পায়খানা শক্ত হয়, তাদের জন্য কলা বেশ উপকারী। আবার ডায়রিয়ার পর কলা শরীরের প্রয়োজনীয় মিনারেল ঘাটতি পূরণ করতেও সাহায্য করে।

কলায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন C শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত ফল হিসেবে কলা খেলে শিশুর শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি পায়।

সবচেয়ে ভালো দিক হলো—কলা নরম, মিষ্টি ও স্বাভাবিকভাবে সুস্বাদু, তাই বেশিরভাগ শিশুই সহজে খেতে চায়। আলাদা রান্না বা মসলা ছাড়াই ম্যাশ করে খাওয়ানো যায়, যা মায়েদের জন্যও ঝামেলামুক্ত।

তবে মনে রাখতে হবে, এক বছরের কম বয়সী শিশুকে বেশি কলা দিলে গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তাই বয়স ও পরিমাণ বুঝে খাওয়ানোই সবচেয়ে নিরাপদ।

#শিশুর_খাবার #কলা_খাওয়ার_উপকারিতা #শিশু_পুষ্টি

🛑 শিশুর ক্রমাগত বমি: অবহেলা নয়, হতে পারে বড় কোনো সংকেত​শিশুদের বমি হওয়াকে আমরা অনেক সময় সাধারণ পেটের সমস্যা বা বদহজম ভেব...
24/01/2026

🛑 শিশুর ক্রমাগত বমি: অবহেলা নয়, হতে পারে বড় কোনো সংকেত

​শিশুদের বমি হওয়াকে আমরা অনেক সময় সাধারণ পেটের সমস্যা বা বদহজম ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু এই বমি যদি ক্রমাগত বা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা হতে পারে একটি সতর্কবার্তা।

​চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, শিশুর ক্রমাগত বমি হওয়া জন্মগত টিউমারের (বিশেষ করে মস্তিষ্ক বা পেটের) একটি অন্যতম প্রধান লক্ষণ হতে পারে।

​💡 কেন এটি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত?
— ​মস্তিষ্কের টিউমার: এটি সরাসরি মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে চাপ বৃদ্ধি করে, যার ফলে ভোরে বা ক্রমাগত বমি হতে পারে।
— ​পেটের টিউমার: পরিপাকতন্ত্রে বাধা সৃষ্টি করার কারণে শিশু খাবার ধরে রাখতে পারে না এবং বমি করে দেয়।

​🔍 মা-বাবার জন্য কিছু জরুরি পরামর্শ:
​১. শিশুর বমির ধরণ লক্ষ্য করুন। এটি কি প্রতিদিন হচ্ছে?
২. বমির সাথে কি মাথা ব্যথা, ভারসাম্যহীনতা বা পেট ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ আছে?
৩. যদি সাধারণ ওষুধে বমি না কমে, তবে দেরি না করে একজন বিশেষজ্ঞ শিশু চিকিৎসকের (Pediatrician) পরামর্শ নিন।

​মনে রাখবেন: সঠিক সময়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং সঠিক চিকিৎসা শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে। সচেতন হোন, আপনার শিশুকে নিরাপদ রাখুন।

​ #শিশুরস্বাস্থ্য #সচেতনতা #স্বাস্থ্যটিপস

24/01/2026
চীনের জিয়াংসু প্রদেশে ৫৯ বছর বয়সে এক নারী সন্তানের জন্ম দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।জানুয়ারি ৯ তারিখে ঝাংজি...
24/01/2026

চীনের জিয়াংসু প্রদেশে ৫৯ বছর বয়সে এক নারী সন্তানের জন্ম দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।

জানুয়ারি ৯ তারিখে ঝাংজিয়াগাং নং–১ পিপলস হসপিটালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেয় তার ছেলে সন্তান। শিশুটির ওজন ছিল ২.২ কেজি। এই বয়সে গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দেওয়ায় তিনি শহরের সবচেয়ে বয়স্ক প্রসূতি হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন।

সন্তান জন্মের পর আবেগাপ্লুত হয়ে ওই নারী বলেন, শিশুর কান্না শুনে তার স্বপ্ন সত্যি হওয়ার অনুভূতি হয়েছে। তার আগে থেকেই তার একটি প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে রয়েছে, যিনি বিদেশে থাকেন। মেয়ের অনুপস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী–স্ত্রী দুজনেই একাকিত্বে ভুগছিলেন। সেই একাকিত্ব থেকেই প্রায় দুই বছর আগে আবার সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

উচ্চ বয়সের কারণে গর্ভধারণ ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF) পদ্ধতিতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। পুরো গর্ভকালজুড়ে চিকিৎসকেরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন। রক্তচাপ ওঠানামা, কিডনি সমস্যা, অ্যালবুমিন ও ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া এবং পায়ে তীব্র ফোলা—সব মিলিয়ে চ্যালেঞ্জ ছিল প্রচুর। শেষ পর্যন্ত ৩৩ সপ্তাহ ৫ দিনে চিকিৎসকেরা সিজারিয়ান করার সিদ্ধান্ত নেন।

চিকিৎসকদের মতে, এই বয়সে গর্ভধারণ মানেই জটিলতার ঝুঁকি অনেক বেশি। তবু সাহসিকতার সঙ্গে এই কঠিন পথ বেছে নেওয়ায় তাকে “ব্রেভ মা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিজেও মজা করে বলেছেন, তিনি যেন ডাক্তারদের কাছে একটি ‘পান্ডা’, এত যত্নে রাখা হয়েছে তাকে।

এই ঘটনা চীনের সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কেউ বলছেন, বয়সের কারণে এটি শিশুর জন্য নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত। আবার কেউ মনে করছেন, অবসরপ্রাপ্ত মানুষদেরই সন্তান নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত—কারণ তাদের সময় ও পেনশন দুটোই আছে।

এই গল্প শুধু মাতৃত্বের সাহস নয়, বরং একাকিত্ব, সামাজিক বাস্তবতা ও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক জটিল মিলন।

#বিলম্বিত_মাতৃত্ব #সাহসী_মা াতৃত্ব #চীন #সামাজিক_আলোচনা

বাবার শরীরে জমে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক শুধু তার নিজের স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, সন্তানের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের জন্যও নীরব ঝুঁকি...
23/01/2026

বাবার শরীরে জমে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক শুধু তার নিজের স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, সন্তানের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের জন্যও নীরব ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে মাইক্রোপ্লাস্টিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং শুক্রাণুর গুণগত মানের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এই পরিবর্তনগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে সন্তানের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেটজাত খাবার, গরম খাবারে প্লাস্টিক ব্যবহার—এসবের মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিক আমাদের শরীরে ঢুকে পড়ছে অজান্তেই। বাবা হিসেবে নিজের জীবনযাপন ও অভ্যাস শুধু নিজের জন্য নয়, সন্তানের জিনগত ও হরমোনজনিত স্বাস্থ্যের সাথেও জড়িত। তাই প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন হওয়া, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা আর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার দিকে নজর দেওয়া আজ খুবই জরুরি। আজকের ছোট সতর্কতাই আগামীর প্রজন্মকে বড় রোগের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে পারে।

#সচেতনবাবা #মাইক্রোপ্লাস্টিকঝুঁকি #প্লাস্টিকমুক্তজীবন #ডায়াবেটিসসচেতনতা #সন্তানেরস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যকরভবিষ্যৎ #পরিবেশওস্বাস্থ্য

পা ফেটে যাচ্ছে? ব্যথা, রক্ত, অস্বস্তি—কিন্তু এখনই ডাক্তার দেখানো সম্ভব না?ভয় নেই। হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পা ফাটার ক্ষ...
23/01/2026

পা ফেটে যাচ্ছে? ব্যথা, রক্ত, অস্বস্তি—কিন্তু এখনই ডাক্তার দেখানো সম্ভব না?
ভয় নেই। হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার পা ফাটার ক্ষেত্রে ঘরেই কিছু যত্ন নিলে অনেকটাই উপকার পাওয়া যায়।

🌿 পা ফাটার ঘরোয়া সমাধান (Home Remedies):

🛁 ১. গরম পানিতে পা ভিজিয়ে রাখুন
দিনে ১ বার ১০–১৫ মিনিট
➡️ চাইলে লবণ বা সামান্য ভিনেগার দিতে পারেন
➡️ মৃত চামড়া নরম হবে

🧽 ২. হালকা স্ক্রাব করুন
পিউমিক স্টোন বা নরম ব্রাশ দিয়ে
⚠️ বেশি জোরে নয়—নাহলে ফাটল বাড়তে পারে

🥥 ৩. নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল
রাতে ঘুমানোর আগে
➡️ ভালোভাবে ম্যাসাজ করে
➡️ কটন মোজা পরে নিন
👉 নিয়মিত করলে চামড়া নরম হয়

🍯 ৪. মধু ব্যবহার করুন
মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল
➡️ পায়ে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন

🧴 ৫. ভ্যাসলিন + মোজা ট্রিক
সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর
➡️ রাতে পুরু করে ভ্যাসলিন
➡️ কটন মোজা
➡️ সকালে পার্থক্য বুঝবেন

⚠️ যা একদম করবেন না:
❌ ব্লেড বা কাঁচি দিয়ে চামড়া কাটবেন না
❌ খুব শক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না
❌ খোলা পায়ে রুক্ষ মেঝেতে হাঁটবেন না

🚨 কখন অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন?
🔴 গভীর ফাটল থেকে রক্ত বের হলে
🔴 ব্যথা বা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে
🔴 ডায়াবেটিস থাকলে (অবশ্যই)

#পা_ফাটা #ঘরোয়া_উপায়




#আপনার_অভিজ্ঞতা



#স্বাস্থ্য_বাংলাদেশ

"আমাদের ডাক্তারবাবু খুব ভালো। ফোনেই ওষুধ বলে দেন—আলাদা করে আর দেখাতে যেতে হয় না।”এমন কথা আমরা অনেকেই কখনো না কখনো বলেছি ...
23/01/2026

"আমাদের ডাক্তারবাবু খুব ভালো। ফোনেই ওষুধ বলে দেন—আলাদা করে আর দেখাতে যেতে হয় না।”

এমন কথা আমরা অনেকেই কখনো না কখনো বলেছি বা শুনেছি। আধুনিক জীবনে সময়ের অভাব, যাতায়াতের ঝামেলা—সব মিলিয়ে টেলিফোন বা অনলাইনে চিকিৎসা নেওয়াটা অনেক সময় সহজ ও আরামদায়ক মনে হয়। কিন্তু এখানেই ধীরে ধীরে তৈরি হয় এক ধরনের ভুল ধারণা।

হয়তো সেই খবরের অ্যাডভোকেট ভদ্রলোকও এমনটাই ভেবেছিলেন। কিন্তু ওষুধ কাজ না করলে, যে ডাক্তার এতক্ষণ “খুব ভালো” ছিলেন, তিনিই হঠাৎ সব দোষের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যান। সন্তান হারানোর যন্ত্রণা যে কত গভীর, তা যেকোনো বাবা-মাই বুঝতে পারেন। এই লেখার উদ্দেশ্য মামলা বা ক্ষতিপূরণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নয়—বরং আমাদের চিকিৎসা নেওয়ার অভ্যাস নিয়ে একটু ভেবে দেখা।

আমার কাছেও অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়া বা হোয়াটসঅ্যাপে রিপোর্ট পাঠিয়ে পরামর্শ চান। অনেক সময় প্রকাশ্য প্ল্যাটফর্মে রোগীর নাম-ধামসহ রিপোর্ট পোস্ট করা হয়। আমি সাধারণত বিনয়ের সঙ্গেই বলি—রোগীকে না দেখে নির্দিষ্ট চিকিৎসা বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এতে কেউ কেউ অসন্তুষ্ট হন, সেটাও বুঝি। কিন্তু আমার বিশ্বাস, চিকিৎসার সঙ্গে একটা মানবিক স্পর্শ জড়িয়ে থাকে—যা ফোন বা মেসেজে পুরোপুরি ধরা পড়ে না।

আজকের দিনে ডাক্তারকে ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া সত্যিই সহজ। রিপোর্টের ছবি পাঠানো যায়, দু-এক লাইনে সমস্যা লেখা যায়। কিন্তু এখান থেকেই কিছু বাস্তব সমস্যা শুরু হয়।

প্রথমত, রোগীকে না দেখে চিকিৎসা।
চিকিৎসা শুধু রিপোর্ট দেখেই হয় না। রোগীর মুখের রং, হাঁটার ভঙ্গি, শ্বাস-প্রশ্বাস, কথা বলার শক্তি—এই ছোট ছোট বিষয়গুলো মিলিয়েই একজন ডাক্তার সিদ্ধান্তে পৌঁছান। ফোনে এসব সূক্ষ্ম লক্ষণ অনেক সময় ধরা পড়ে না, ফলে ভুলের ঝুঁকি থেকেই যায়।

দ্বিতীয়ত, অসম্পূর্ণ তথ্য।
অনেক সময় রোগী বা পরিবারের সদস্যরা না বুঝেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ দিয়ে দেন—কবে থেকে উপসর্গ, আগে কী ওষুধ খাওয়া হয়েছে, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে কি না। সামনাসামনি বসে কথা না বললে এই ফাঁকগুলো থেকে যায়।

তৃতীয়ত, গোপনীয়তার প্রশ্ন।
পাবলিক প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট শেয়ার করা রোগীর ব্যক্তিগত অধিকারের সঙ্গে যায় না। চিকিৎসা মানেই বিশ্বাস, আর বিশ্বাসের একটি বড় অংশ হলো গোপনীয়তা।

চতুর্থত, দোষারোপের মানসিকতা।
ফোনে দেওয়া পরামর্শ কাজে না এলে, অনেক সময় সম্পর্কটা দ্রুতই ভেঙে পড়ে। তখন কেউ আর মনে রাখে না যে রোগীকে সরাসরি দেখে চিকিৎসা করা হয়নি। এতে ডাক্তার ও রোগী—দু’পক্ষই মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

তাহলে কি অনলাইন কনসালটেশনের কোনো জায়গাই নেই?
অবশ্যই আছে।

ফলো-আপ, রিপোর্ট বোঝানো, ওষুধের ডোজ সামান্য পরিবর্তন, বা জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক দিকনির্দেশ—এই সব ক্ষেত্রে অনলাইন পরামর্শ খুবই কার্যকর। কিন্তু নতুন রোগ নির্ণয় বা জটিল চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এর সীমাবদ্ধতা মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের।

সবশেষে শুধু এটুকুই বলা—চিকিৎসা কোনো একতরফা প্রক্রিয়া নয়। এটা ডাক্তার বনাম রোগী নয়, বরং দু’জনের যৌথ পথচলা।

ডাক্তার দেন তাঁর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আর সততা।
রোগী ও পরিবার দেন বিশ্বাস, ধৈর্য আর সহযোগিতা।

যে সমাজে ডাক্তার সবসময় আতঙ্কে থাকেন—ভুল হলেই মামলা, অপমান বা হুমকির ভয়—সেখানে ভালো চিকিৎসা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে।
আবার যেখানে মনে করা হয় “ফোনেই সব হয়ে যাবে”, সেখানেও চিকিৎসা তার গভীরতা হারায়।

দু’দিকেই ক্ষতি আমাদের সবার।

চলুন, আমরা একটু থামি।
চিকিৎসাকে তার প্রাপ্য সম্মান দিই।
ডাক্তারের কথা মন দিয়ে শুনি, প্রশ্ন করি, বোঝার চেষ্টা করি।
আর ডাক্তাররাও যেন সময় নিয়ে রোগীর কথা শোনেন—এই প্রত্যাশাটাও রাখি।

অনলাইন কনসালটেশন হোক সহায়ক একটি হাতিয়ার, পূর্ণ বিকল্প নয়।
টেলিফোন হোক যোগাযোগের সেতু, চিকিৎসার ভিত্তি নয়।

সবচেয়ে বড় কথা—আমরা সবাই একই দলে।
ডাক্তার, রোগী, পরিবার—কেউ আলাদা নই।

বিশ্বাস, মানবিকতা আর পারস্পরিক সম্মান থাকলেই চিকিৎসা সত্যিই সার্থক হয়। এই বিশ্বাসটা যদি আমরা একসঙ্গে ধরে রাখতে পারি, তাহলে চিকিৎসা শুধু রোগ সারাবে না—মানুষকেও সুস্থ রাখবে।

#চিকিৎসা_সচেতনতা

#বাংলাদেশ

কুকুর বা বিড়ালের মলের মাধ্যমে ছড়ানো এক ধরণের কৃমির লার্ভা আপনার ত্বকের নিচে ঢুকে এই ভয়ারহ অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। চিকি...
21/01/2026

কুকুর বা বিড়ালের মলের মাধ্যমে ছড়ানো এক ধরণের কৃমির লার্ভা আপনার ত্বকের নিচে ঢুকে এই ভয়ারহ অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় 'কিউটেনিয়াস লার্ভা মাইগ্রেন্স' (Cutaneous Larva Migrans)।

​🔍 এটি আসলে কী?
​এটি মূলত কুকুর বা বিড়ালের অন্ত্রে বসবাসকারী হুকওয়ার্মের লার্ভা। যখন কোনো মানুষ খালি পায়ে লার্ভা মিশ্রিত মাটি বা বালুর ওপর দিয়ে হাঁটে, তখন এই লার্ভাগুলো নিঃশব্দে মানুষের ত্বকের নিচে ঢুকে পড়ে।

​⚠️ প্রধান লক্ষণসমূহ:
১। ​ত্বকের নিচে লালচে, উঁচু এবং আঁকাবাঁকা সাপের মতো রেখা।
২। ​প্রচণ্ড চুলকানি হওয়া (বিশেষ করে রাতে বাড়ে)।
৩। ​দাগটি প্রতিদিন কয়েক মিলিমিটার করে সামনে এগোতে দেখা যায়।

​🚫 এটি কেন হয়?
​কুকুর বা বিড়ালের মলত্যাগের মাধ্যমে মাটিতে এই কৃমির ডিম পড়ে। উপযুক্ত পরিবেশে সেই ডিম ফুটে লার্ভা বের হয়। মানুষ যখন খালি পায়ে সেই মাটি বা বালুর সংস্পর্শে আসে, লার্ভাগুলো সরাসরি ত্বক ভেদ করে ভেতরে ঢুকে পড়ে। যেহেতু মানুষ এদের প্রকৃত পোষক (Host) নয়, তাই এরা শরীরের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না, কেবল ত্বকের নিচেই ঘুরে বেড়ায়।

​✅ প্রতিরোধের উপায়:
​১. খালি পায়ে হাঁটবেন না: বাইরে, বিশেষ করে সমুদ্র সৈকতে বা যেখানে কুকুর-বিড়ালের আনাগোনা বেশি সেখানে জুতো বা স্যান্ডেল পরুন।
২. পোষা প্রাণীর যত্ন: আপনার প্রিয় কুকুর বা বিড়ালকে নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ান।
৩. পরিচ্ছন্নতা: মাটিতে বা বালুতে বসার আগে মাদুর বা তোয়ালে ব্যবহার করুন।
৪. সচেতনতা: লার্ভা আক্রান্ত স্থানে কোনো ধরণের মলম বা হাত দিয়ে চুলকাবেন না, এতে সংক্রমণ বাড়তে পারে।

​🩺 পরামর্শ:
যদি আপনার ত্বকে এমন কোনো দাগ বা প্রচণ্ড চুলকানি দেখেন, তবে দেরি না করে দ্রুত একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের (Dermatologist) পরামর্শ নিন। সঠিক চিকিৎসায় এটি দ্রুত সেরে যায়।
​আপনার একটি শেয়ার হয়তো অনেককে এই বিরল ও যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা থেকে রক্ষা করতে পারে। সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। ❤️

Address

Shaheed Suhrawardy Medical College
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 10:00 - 23:56
Tuesday 09:00 - 23:56
Wednesday 09:00 - 23:55
Thursday 09:00 - 23:55
Sunday 09:00 - 23:56

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shifa Binte Hadi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share