Hasib Dental Care

Hasib Dental Care এখানে জীবাণুমুক্ত যন্ত্রপাতির সাহায্যে মুখ ও দাঁতের সু - চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

আসসালামু আলাইকুম। হাসিব ডেন্টাল কেয়ার,মোহাম্মদপুর ৪০ ফিট রোডের স্বপ্ন দ্বারা হাউজিং এ অবস্থিত আমার ডেন্টাল অফিসে অতিথি ...
15/12/2024

আসসালামু আলাইকুম।
হাসিব ডেন্টাল কেয়ার,
মোহাম্মদপুর ৪০ ফিট রোডের স্বপ্ন দ্বারা হাউজিং এ অবস্থিত আমার ডেন্টাল অফিসে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন আমার প্রিয় বন্ধুর ছোট বোন। বোনটির দাঁতে অনেক ব্যথা ছিল। প্রিয় বোনটিকে রোড কেনাল চিকিৎসা এবং ক্যাপ পড়ানোর জন্য পরামর্শ দিলাম। আল্লাহ সহায় থাকলে ভালো হবে ইনশাল্লাহ।
নিশ্চয়ই আল্লাহ চিকিৎসকদের বড় চিকিৎসা। আমরা ওসিলা মাত্র।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা বোনটিকে আমার উপর আস্থা রাখার জন্য।
তাহলে চলে আসুন আমার ডেন্টাল অফিসে :-
৪০ ফিট, প্রধান সড়ক, স্বপ্নধারা হাউজিং মোহাম্মদপুর ঢাকা।

শিশুদের দাঁতে যেসব সমস্যা দেখা দেয়, কী করবেন?  শিশুরা মুখোরোচক খাবার খেতে পছন্দ করে।  চকোলেট, আইসক্রিম বেশি খেয়ে অনেক শি...
31/08/2024

শিশুদের দাঁতে যেসব সমস্যা দেখা দেয়, কী করবেন?

শিশুরা মুখোরোচক খাবার খেতে পছন্দ করে। চকোলেট, আইসক্রিম বেশি খেয়ে অনেক শিশু দাঁতের বারোটা বাজিয়ে ফেলে। দাঁত ব্যথা করে, কখনও আবার দাঁত বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে।

এসব যন্ত্রণা এড়াতে শিশুদের দাঁত ও মাড়ির যত্নে করণীয় নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী। তিনি বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ।

শিশুর ছয় মাস বয়সে যে দুধ দাঁত গজায়, তারও প্রয়োজন হয় বিশেষ যত্ন। তাই রাতে দুধ খাওয়ানো শেষ হলে পাতলা ফ্লানেলের কাপড় অথবা তুলা দিয়ে ছোট্ট শিশুর দাঁতের ওপর থেকে দুধের আবরণ পরিষ্কার করে দিতে হয়।

শিশুদের বেশিরভাগ দাঁতব্যথার কারণ মাড়ির প্রদাহ ও ডেন্টাল ক্যারিজ। দাঁতে পোকা বলতে কিছু নেই। শিশুকে নিয়মিত দুই বেলা দাঁত পরিষ্কার করা, আঠালো চিনিযুক্ত যে কোনো খাবার (যেমন ক্যান্ডি, চকোলেট, চুইংগাম) খাওয়ার পর দাঁত পরিষ্কার করা শেখাতে হবে।

শিশুদের জন্য প্রয়োজন তাদের বয়স উপযোগী ব্রাশ ও টুথপেস্ট। ৬ মাস থেকে ৪ বছর বয়সি শিশুর দুধ দাঁতের যত্নে ফ্লুওরাইডবিহীন টুথপেস্ট প্রয়োজন। লক্ষ্য রাখতে হবে এ সময় দাঁতগুলো সঠিক জায়গায় আছে কিনা, তা না হলে দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মা ও পরিবারের সবার উচিত শিশুর সামনেই দাঁত ব্রাশ করা। শিশুরা অনুকরণপ্রিয় এবং শিশুরা যত দিন পর্যন্ত নিজেরা ব্রাশ করতে না শিখে, তাদের হাতে ধরে ব্রাশ করিয়ে দিতে হবে।

৫-১২ বছর বয়সি শিশুদের জন্য বাজারে আছে ব্যালেন্সড ফ্লুওরাইড টুথপেস্ট। টুথপেস্ট কেনার সময় ব্যালেন্সড ফ্লুওরাইড আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। বয়সভেদে বাজারে রয়েছে তিন ধরনের টুথপেস্ট। যেখানে ০ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রয়োজন জিরো ফ্লুওরাইড, ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের দাঁতের জন্য প্রয়োজন ব্যালেন্সড ফ্লুওরাইড (৫০০ থেকে ৬০০ পিপিএম) এবং বড়দের জন্য ফ্লুওরাইড প্রয়োজন ১০০০ পিপিএম।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

সহজ ৩টি ঘরোয়া উপায়ে দাঁতের ক্ষয় রোধ করুন। দাঁত ব্যথার অন্যতম কারণ হল ক্যারিজ বা দন্তক্ষয়। অনেকের কাছে এই রোগটি দাঁতের পো...
30/08/2024

সহজ ৩টি ঘরোয়া উপায়ে দাঁতের ক্ষয় রোধ করুন।

দাঁত ব্যথার অন্যতম কারণ হল ক্যারিজ বা দন্তক্ষয়। অনেকের কাছে এই রোগটি দাঁতের পোকা নামে পরিচিত। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর কোনো ভিত্তি নেই। দাঁতের সব রোগের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি হয়। বর্তমানে দাঁতের ক্ষয় ও দাঁতে ছিদ্র হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।দাঁতের সব রোগের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি হয়। সাধারণত শিশু, টিনএজার ও বয়স্কদের এই সমস্যাটি বেশি হতে দেখা যায়।

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলেই দাঁত ক্ষয় হয়ে থাকে। ঘন ঘন স্ন্যাক্স ও ড্রিঙ্কস খাওয়া, অনেকক্ষণ যাবত দাঁতের মধ্যে খাবার লেগে থাকা, ফ্লোরাইড এর অপর্যাপ্ততা, মুখ ড্রাই থাকা, মুখের স্বাস্থ্যবিধি না মানা, পুষ্টির ঘাটতি এবং ক্ষুধামন্দার সমস্যা থাকা ইত্যাদি কারণে দাঁতে ছিদ্র ও দাঁত ক্ষয় রোগ হয়ে থাকে। লক্ষণ সমূহ:

দাঁতে প্রচণ্ড ব্যাথা হয় : কোন কিছু খাওয়া বা পান করার সময় হালকা থেকে তীব্র ব্যাথা হয়। আক্রান্ত দাঁতে গর্ত দেখা যায় এবং দাঁতের উপরে সাদা, কালো বা বাদামী দাগ দেখা যায়। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করা না হয় তাহলে ইনফেকশন বৃদ্ধি পেয়ে ব্যাথা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে এবং দাঁতটি হারানোর সম্ভাবনা ও দেখা দিতে পারে। ক্যাভিটির চিকিৎসায় দাঁতে ফিলিং করা হয় ও ক্যাপ পরানো হয় এবং দাঁতের অবস্থা খুব খারাপ হলে রুট ক্যানেল করা হয়। এই সব চিকিৎসা খুব ব্যায় বহুল এবং কষ্টদায়ক।

ঘরোয়া কিছু উপায়ে দাঁতের ব্যাথা কমানো যায়। জেনে নিন সেই উপায় গুলো সম্পর্কেঃ

১। হলুদ গুঁড়ো : দাঁতের ছিদ্রের সমস্যায় হলুদ গুঁড়ো ব্যাবহার খুবই উপকারি। হলুদে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান আছে যা দাঁতের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন কে ধ্বংস করতে পারে এবং এর প্রদাহ রোধী উপাদান দাঁতের ব্যাথা উপশম করতে পারে। হলুদ গুঁড়া ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আস্তে আস্তে ব্যাথার দাঁতে লাগান,ব্যাথা কমে যাবে।

২। পেঁয়াজ : পেঁয়াজের একটি স্লাইস আক্রান্ত দাঁতের উপরে চেপে রাখুন দাঁতের ব্যাথা কমে যাবে। নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে দাঁত ক্ষয় এর সমস্যা কমায়। নিয়মিত পেঁয়াজ দেয়া খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

৩। লবণ : লবনে অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত করে প্রদাহ কমাতে ও ব্যাথাকে সহনীয় করতে সক্ষম। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন এবং আক্রান্ত দাঁতের প্রতি মনোযোগ দিন।

এভাবে দিনে ৩ বার করে করুন ব্যাথা কমে যায়। এছাড়াও ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সাথে অথবা লেবুর রসের সাথে মিসিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে দিনে ২ বার করে কয়েকদিন করুন, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।

এছাড়াও বেকিং সোডা, অ্যালোভেরা, লবঙ্গ, রসুন, পুদিনা, আপেল সিডার ভিনেগার ইত্যাদি ব্যবহার করেও ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও দাঁতের ব্যাথা কমানো যায়। সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করুন। দাঁত পরিষ্কার করতে ফ্লস ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন জিহ্বা পরিষ্কার করুন।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

৩০ বছর বয়সের পর দাঁতের সমস্যা থেকে বাঁচতে যা করবেন। দাঁত নিয়ে ভোগেননি এমন মানুষ খুব কমই আছেন। অনেকের ছোটবেলায় দাঁতের সমস...
29/08/2024

৩০ বছর বয়সের পর দাঁতের সমস্যা থেকে বাঁচতে যা করবেন।

দাঁত নিয়ে ভোগেননি এমন মানুষ খুব কমই আছেন। অনেকের ছোটবেলায় দাঁতের সমস্যা থাকে না। তার মানে এই নয় যে, পরিণত বয়সে সমস্যা হবে না। দাঁতের অধিকাংশ সমস্যাই স্থায়ী। একবার সমস্যা দেখা দিলে তা থেকে দাঁত বাঁচানো কঠিন। তাই বয়স ৩০ পেরোলে দাঁতের সমস্যা কোনো মতেই অবহেলা করা চলবে না। ব্যবস্থা নিতে হবে তৎক্ষণাৎ।

দাঁতের পোকা
দাঁতে পোকা বলে কিছু হয় না। দাঁতের ক্যাভিটির দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসা না হলে দাঁতের ব্যথা শুরু হয়। চলতি কথায় একেই দাঁতের পোকা বলে। ক্যাভিটি হলো দাঁতের ছিদ্র। দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার না করলে এই সমস্যা বেড়ে যায়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরো বাড়ে সমস্যা। দাঁতের গোড়া পর্যন্ত চলে গেলে ব্যথা হয়। ক্যাভিটির মধ্যে খাবারের কুচি ঢুকে যায় অনেক সময়ে। সেই খাবার পচে গিয়ে দাঁতের ক্ষতি হয়। তাই দিনে দু’বার অবশ্যই দাঁত মাজতে হবে।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

দাঁত কেন আঁকাবাঁকা হয়? সোজা করার উপায় জানুন। আঁকা-বাঁকা দাঁতের সমস্যা মানুষের দাঁতের সমস্যাগুলোর মধ্যে খুবই পরিচিত এবং স...
28/08/2024

দাঁত কেন আঁকাবাঁকা হয়? সোজা করার উপায় জানুন।

আঁকা-বাঁকা দাঁতের সমস্যা মানুষের দাঁতের সমস্যাগুলোর মধ্যে খুবই পরিচিত এবং সাধারণ একটি সমস্যা। আঁকা-বাঁকা দাঁতের কারণে একজন মানুষকে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যাদেরই দাঁত আঁকাবাঁকা তারা যতই ব্রাশ করুক, যে দাঁতটা ভেতরে থাকে সেটা পরিষ্কার করা যায় না। ফলে দাঁত কালো হয়ে যায়। সেখানে স্টেইন পড়ে, পরবর্তীকালে পাথর হয়। তখন জিনজিভাইটিস হয়, গ্রামের ভাষায় বলে পায়োরিয়া। মুখে থেকে দুর্গন্ধ আসা, রক্ত পড়া , পুঁজ আসে। এটা আঁকাবাঁকা দাঁতের একটা বড় সমস্যা।

আবার যাঁদের একটা দাঁত উঁচু থাকে, তাঁদের ওই দাঁতের গোড়া ধীরে ধীরে করাতের মতো ক্ষয় হয়ে যায়। এতে দাঁত শিরশির করে, দাঁতে রুট ক্যানেল করারও প্রয়োজন পড়ে। এ ছাড়া আঁকাবাঁকা দাঁত নিয়ে একজন মানুষ প্রতিনিয়ত হীনম্মন্যতায় ভোগেন। হাসতে বা কথা বলতে গিয়ে আত্মবিশ্বাস হারাতে শুরু করেন, যা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

কেন আঁকাবাঁকা হয় দাঁত
শিশুদের মুখে সাধারণত ২০টি দুধদাঁত আসে। এই দুধদাঁত পড়ে গিয়ে যথাসময়ে স্থায়ী দাঁত গজায়। কোনো কারণে যদি দুধদাঁত সময়মতো না পড়ে বা আগেই পড়ে যায়, তাহলে নিচের দাঁতটা ঠিকমতো উঠতে পারে না। তখনই হয়ত সেই দাঁতটা মাঝামাঝি জায়গায় ওঠে, কখনো বাইরে চলে যায়, কখনো ভেতরে চলে যায়। আবার কখনও যেখানে জায়গা পায়, সেখানেই বেড়ে উঠতে শুরু করে। দেখা দেয় আঁকাবাঁকা দাঁত। মা-বাবার এই সমস্যা থাকলেও সন্তানদের দাঁত আঁকাবাঁকা হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আরও কিছু কারণেও দাঁত অবিন্যস্ত ও এলোমেলো হতে পারে। যেমন—

১. জন্মগত।
২. দাঁত ও চোয়াল, অর্থাৎ ম্যাক্সিলা ও ম্যান্ডবলের হাড়ের অসামঞ্জস্য।
৩. নানা রকম রোগ, যেমন সিস্ট, টিউমার।
৪. অভ্যাসজনিত কারণ যেমন– ছোটবেলা থেকে আঙুল চোষা। এতে ওপরের মাড়ির দাঁত সম্মুখে চলে আসে। অর্থাৎ ওপরের দাঁত উঁচু হয়ে যায়।
৫. জন্মগত ত্রুটি, যেমন ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা সমস্যা।
৬. দুর্ঘটনাজনিত কারণ, যেমন সড়ক দুর্ঘটনায় ওপর ও নিচের চোয়ালের দাঁত ভেঙে অবিন্যস্ত হয়ে পড়তে পারে।
৭. ওপরের চোয়ালের দুই দাঁতের মাঝের ফাঁকা।
৮. অনেক সময় নির্দিষ্টসংখ্যক দাঁতের চেয়ে অতিরিক্ত দাঁত (সুপারনিউমারারি টিথ) ওঠার কারণে দাঁত অবিন্যস্ত হয়।
৯. অনেক সময় ওপরের চোয়াল নিচের চোয়ালের চেয়ে বড় হয়। আবার নিচের চোয়াল অতিমাত্রায় বড় হয়ে যায়। যার কারণে দুই চোয়ালের দাঁতের অসামঞ্জস্য তৈরি হয়।

আঁকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসা
প্রথমত, রোগীর ওপিজি এক্স–রে, সেফালোমেট্রি করে কারণ নির্ণয় করা প্রয়োজন। ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ এই চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিশেষজ্ঞ দন্তচিকিৎসক বা অর্থোডেন্টিস্ট। এই চিকিৎসা রিমুভাল অ্যাপলায়েন্স ও ফিক্সড অ্যাপলায়েন্স—এই দুভাবে করা যায়।

অনেক সময় ওপরের চোয়ালের দুই পাশের ফার্স্ট প্রি-মোলার ওঠানোর প্রয়োজন হতে পারে। প্রথমে রোগী ও রোগীর অভিভাবককে পুরো বিষয়টি ভালো করে বুঝাতে হবে। ১২-১৫ বছরের মধ্যে চিকিৎসা আরম্ভ করতে পারলে ভালো। রিমুভাল অ্যাপলায়েন্স পদ্ধতিতে প্রথমে রোগীর দাঁতসহ চোয়ালের মাপ নেওয়া হয়। পরে ডেন্টাল ল্যাবরেটরিতে রিমুভাল অ্যাপলায়েন্স তৈরি করে রোগীকে পরানো হয়। এরপর সময়–সময় রিমুভাল অ্যাপলায়েন্স সক্রিয় করে রোগীর চিকিৎসা করা হয়।

আরেকটি পদ্ধতিতে রোগীর মুখে দাঁতের ফিক্সড অ্যাপলায়েন্স বসিয়ে চিকিৎসা করা হয়। পরে সময় নিয়ে ফিক্সড অ্যাপলায়েন্স সক্রিয় করে দাঁতগুলো সুন্দর করে পরিপাটি করে সাজানো হয়।

প্রতিরোধ
শিশুকালেই যদি ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তাহলে আঁকাবাঁকা দাঁত হওয়াটা প্রতিরোধ করা সম্ভব। শিশুর আঁকা-বাঁকা দাঁত বেড়ে উঠতে দেখলে দেরি না করে অতি দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা উচিত। অল্প বয়সে চিকিৎসা শুরু করলে দ্রুত ও স্থায়ী ফল পাওয়া যায়। এই চিকিৎসার জন্য অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ আঁকাবাঁকা দন্ত বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

কখন দাঁতে রুট ক্যানেল করা প্রয়জোন। নানা কারণে দাঁতে গর্ত বা ক্ষয় দেখা দেয়। যদি সেই গর্ত দাঁতের অ্যানামেল, ডেন্টিনকে ভেদ ...
27/08/2024

কখন দাঁতে রুট ক্যানেল করা প্রয়জোন।

নানা কারণে দাঁতে গর্ত বা ক্ষয় দেখা দেয়। যদি সেই গর্ত দাঁতের অ্যানামেল, ডেন্টিনকে ভেদ করে দাঁতের মজ্জাকে আক্রান্ত করে, তখন যে চিকিৎসা দেওয়া হয়, সেটি সাধারণত রুট ক্যানেল নামে পরিচিত।

প্রশ্ন আসতে পারে, দাঁতে গর্ত হলে ফিলিং করালেই তো হয়, কেন রুট ক্যানেল চিকিৎসা নিতে হবে? আসলে যদি দাঁতের গর্ত মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায়, তখন ফিলিং করালে চলে না। তখন রুট ক্যানেল দরকার।

কখন রুট ক্যানেল চিকিৎসার প্রয়োজন

১. দাঁতের গর্ত তৈরি হয়েছে এবং সে জায়গায় ঠান্ডা বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে প্রচণ্ড শিরশির করে, ব্যথা হয় এবং সে ব্যথা ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের পরও কমে না। তখন বুঝতে হবে ওই দাঁতে রুট ক্যানেল করতে হবে।

২. দাঁতে যদি কোনো গর্ত থাকে, আর সেই গর্ত যদি বড় আকারের হয়ে যায় এবং সেখান থেকে ব্যথা কান, মাথা ও চোখে ছড়িয়ে যায়, তখন বুঝতে হবে আক্রান্ত দাঁতে শুধু ফিলিং করলে চলবে না, রুট ক্যানেল করাতে হবে।

৩. দাঁতে গর্ত থাকার কারণে সারা দিন অল্প অল্প ব্যথা থাকলেও ঘুমানোর সময় ব্যথা যদি প্রচণ্ড মাত্রায় বেড়ে যায় বা ব্যথার কারণে যদি গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যায়, তখন বুঝতে হবে দাঁতে রুট ক্যানেল চিকিৎসা লাগবে।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

আক্কেল দাঁত তুলে ফেলবেন নাকি রাখবেন?আপনার ডাক্তার আপনাকে বলল আক্কেল দাঁত তুলে ফেলতে হবে। কিন্তু যদি এটা আপনার কোনো ক্ষতি...
26/08/2024

আক্কেল দাঁত তুলে ফেলবেন নাকি রাখবেন?

আপনার ডাক্তার আপনাকে বলল আক্কেল দাঁত তুলে ফেলতে হবে। কিন্তু যদি এটা আপনার কোনো ক্ষতি না করে তবে তুলে ফেলবেন কেন? বর্তমানে দেখা যায় আক্কেল দাঁত ওঠামাত্রই অনেকে দাঁত তুলে ফেলতে চান। অল্প বয়সীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। যদিও দাঁত তুলে ফেলাটা সব সময় জরুরি নয়।

কখন দাঁত তুলে ফেলা প্রয়োজন?

আক্কেল দাঁত বেরিয়ে আসতে অনেক সময় অসুবিধা হয়। এর অর্থ হলো, মাড়ির ভেতর থেকে বের হয়ে আসতে পারছে না। এর কারণ হতে পারে আক্কেল দাঁতের জন্য জায়গা কম, বাঁকা হয়ে বের হচ্ছে বা পাশের দাঁতের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ডাক্তার এই বিষয়গুলো বিবেচনা করে দাঁত তুলে ফেলার পরামর্শ দিতে পারেন।

কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে মাড়ি শক্ত হয়ে যায়। তখন তুলে ফেলতে গেলে নানা অসুবিধার সৃষ্টি হতে পারে। যেমন রক্তপাত।
যখন আক্কেল দাঁত অসুবিধার সৃষ্টি করে তখন দাঁতের একটি এক্স-রে করানো হয়।

তখন এই অসুবিধাগুলোর একটিও যদি ধরা পরে তাহলে আক্কেল দাঁত তুলে ফেলতে হতে পারে।

১. পাশের দাঁতের ক্ষতি হলে। আক্কেল দাঁত জায়গা না পেয়ে পাশে থাকা দাঁতের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। ফলে প্রচণ্ড ব্যথা হয় বা খাবার খেতে অসুবিধা হয়।

২. নতুন দাঁতের চারপাশে সিস্ট হতে পারে।
এর চিকিৎসা না করলে মাড়ির ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এর ফলে নার্ভেরও ক্ষতি হতে পারে। তাই দাঁত তুলে ফেলা ভালো।

৩. সাইনাসের সমস্যা হলে। আক্কেল দাঁতে সমস্যা হলে সাইনাসের ব্যথা, চাপ অনুভূত হওয়া অথবা নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৪. দাঁতের চারপাশের টিস্যুগুলো ফুলে যেতে পারে। তখন পরিষ্কার করা কষ্ট হয়ে পড়তে পারে।

৫. আক্কেল দাঁত উঠলে অনেক সময় মাড়ি ফুলে যায়। ফুলে ওঠা মাড়ির দুই দাঁতের মাঝে পকেট তৈরি করে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দিতে পারে। ফলে দাঁতে ক্যাভিটি হয়। এই ক্ষেত্রে দাঁত তুলে ফেলা ভালো।

৬. অন্যান্য দাঁতের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করলে তুলে ফেলতে হবে। যদি ব্যথা হয় বা পেছনের দাঁতের কাছে ফোলা বা দুর্গন্ধ বের হয় তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

৫ উপায়ে দূর করুন দাঁতের হলদে ভাব। লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঝকঝকে সাদা দাঁত কে না চায়। কিন্তু অনেকসময় যত্নের অভাবে আমাদের দাঁত ...
25/08/2024

৫ উপায়ে দূর করুন দাঁতের হলদে ভাব।

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঝকঝকে সাদা দাঁত কে না চায়। কিন্তু অনেকসময় যত্নের অভাবে আমাদের দাঁত হলুদ হয়ে যায়। আবার বয়সের কারণে, ধূমপান বা চা-কফি বেশি খাওয়ার কারণে দাঁত হলুদ হয়ে যায়। অবাক হলেও সত্যি যে, ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া বাদেও আপনি ঘরে বসে দাঁত ঝকঝকে সাদা করতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার : আপনার চুল এবং স্বাস্থ্যের মতো দাঁত সাদা করতেও কার্যযকর অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। সিচুয়ান ইউনিভার্সিটির জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যাপেল সিডার ভিনেগার গরুর দাঁতে সাদা প্রভাব ফেলে। আপনি প্রায় ২০০ মিলিলিটার পানিতে ২ চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে একটি মাউথওয়াশ তৈরি করুন। ৩০ সেকেন্ড এই মাউথওয়াশ দিয়ে আপনার পুরো মুখ ধুয়ে ফেলুন।

যেহেতু আপনার দাঁতের উপর একটি ব্লিচিং প্রভাব ফেলে, তাই আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি এটি ব্যবহার করার আগে খুব পাতলা করে ফেলেছেন এবং এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য আপনার মুখে রাখবেন না।

ফলের খোসা : লেবু, কমলা এবং কলার মতো কিছু ফলের খোসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ডি-লিমোনিন নামক যৌগ থাকে। এই দুটি উপাদান প্রাকৃতিকভাবে আপনার দাঁত সাদা করার জন্য ব্যবহার করা যাবে। তাছাড়া, আমেরিকান জার্নাল অফ ডেন্টিস্ট্রিতে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে দাঁতের দাগ দূর করতে ৫ শতাংশ ডি-লিমোনিনযুক্ত টুথপেস্ট কার্যযকর।

জার্নাল অফ ফিজিক্সে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় দাঁতের উপর সাইট্রিক অ্যাসিডের নির্যাসের সাদা করার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কমলার খোসা সবচেয়ে বেশি কার্যযকর। তবে খোসার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে কারণ সেগুলো অ্যাসিডিক প্রকৃতির এবং এনামেল ক্ষয় করতে পারে, যা আপনার দাঁতকে আরও সংবেদনশীল এবং ক্ষতিগ্রস্ত করে।

তেল ব্যবহার : তেল ব্যবহার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আপনাকে মাউথওয়াশ হিসাবে নারকেল তেল ব্যবহার করতে হবে। ২০১৫ সালের একটি গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে তেল দিয়ে মাউথওয়াশ দাঁতের প্লাক অপসারণ করতে সাহায্য করে।

বেকিং সোডা : এটি আপনার দাঁতের হলুদ দাগ দূর করার অন্যতম কার্যকরী উপায়। আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় বেকিং সোডাকে দাঁত সাদা করার একটি নিরাপদ উপায় বলে মনে করা হয়েছে। এছাড়া এটি ব্যাকটেরিয়া দূর করে এবং প্লাকের পরিমাণ কমায়।

স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন : দাঁত ভালো রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করুন এবং ফ্লস ব্যবহার করুন। এতে করে দাঁতের এনামেল রক্ষা পাবে এবং দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

যেসব খাবার দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখবে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গের মতো দাঁত ও মাড়ির যত্ন নেয়া প্রয়োজন। কারণ দাঁত ব্যথা খুবই যন্ত্...
24/08/2024

যেসব খাবার দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখবে।

শরীরের প্রতিটি অঙ্গের মতো দাঁত ও মাড়ির যত্ন নেয়া প্রয়োজন। কারণ দাঁত ব্যথা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। দাঁতের চিকিৎসাও ব্যয়বহুল।
তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

দাঁত পরিষ্কার রাখা, ফ্লসিং ও কুলকুচি ছাড়াও কিছু খাবার রয়েছে যা দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে দাঁত ও মাড়ি সুস্থ কীভাবে সুস্থ রাখবেন ও কী খাবার খাবেন যে সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য জানা গেছে।

আসুন জেনে নেই যা খেলে দাঁত ও মাড়ি সুস্থ থাকবে-

১. দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে। এসব খাবার ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। দুধে আছে ক্যাসেইন যা মুখগহ্বরের ক্ষরীয়ভাব নিষ্ক্রিয় করে। পনির দুধ-জাতীয় আরেকটি উন্নত খাবার যা মুখে লালার নিঃসরণ বাড়ায় এবং মুখ ও দাঁত পরিষ্কার রাখে। দইয়ের প্রোবায়োটিক মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখে।

২. কপি-জাতীয় সবজি ও ফল খেতে হবে। এসব খাবার উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ তাই ভালো মতো চিবিয়ে খেতে হয়। এটা দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে। এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পাওয়া যায় যা সার্বিকভাবে শরীর ভালো রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৩. কাঁচাপেঁয়াজ দাঁত ও মাড়ি ভালো রাখে। কাঁচাপেঁয়াজের গন্ধ অনেকেই পছন্দ করেন না। কাঁচাপেঁয়াজ নিয়মিত খেলে মুখের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ দূর হয়। দাঁত এবং মাড়ি ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৪. খাবার খাওয়ার পর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। খাবার কণা দাঁতের কোণায় আটকে থাকতে পারে ও ব্যাক্টেরিয়ায় সৃষ্টি হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে এসব আটকে থাকা খাবারের কণা দূর হয়ে যায় ও সংক্রমণের সৃষ্টি হয় না।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

24/08/2024

দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
এ জন্য নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করতে হবে। দাঁত ও মাড়ি ভালো রাখার আদি এবং অকৃত্রিম পন্থা হলো ঘুম থেকে উঠে এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা। খাওয়ার পর খাবারের ছোট ছোট অংশ থেকে যায় দাঁতের খাঁজে। সেগুলো সারা দিন, সারা রাত মুখের মধ্যে থেকে পঁচে গেলে দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি করতে পারে।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

দাঁতের গর্তে ফিলিং না রুট ক্যানেল? দাঁতের ক্ষয়, গর্ত বা ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা নিতে এলে রোগীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আক্রান্ত দ...
23/08/2024

দাঁতের গর্তে ফিলিং না রুট ক্যানেল? দাঁতের ক্ষয়, গর্ত বা ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা নিতে এলে রোগীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আক্রান্ত দাঁত রক্ষায় দুটি চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন। একটি ফিলিং, অন্যটি রুট ক্যানেল চিকিৎসা। যেহেতু ফিলিংয়ের চেয়ে রুট ক্যানেল চিকিৎসা পদ্ধতি জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুলÑ তাই অনেকেই জানতে চান দাঁতের গর্তে ফিলিং না করে কেন রুট ক্যানেল করতে হবে। এমন যুক্তিসংগত প্রশ্নের উত্তর শুধু রোগীদের নয়, সাধারণ মানুষেরও জানা জরুরি।
বিষয়টি স্পষ্ট হতে দাঁতের গঠন সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান থাকতে হবে। গঠনগত দিক থেকে দাঁতের যে অংশটি আমরা দেখতে পাই, সেটি শরীরের সবচেয়ে শক্ত সাদা বর্ণের এনামেল নামক স্তর দিয়ে আবৃত। এর পরের হলুদাভাব স্তরটি ডেন্টিন আর সবচেয়ে ভেতরের স্তরটি দাঁতের প্রাণ বা মজ্জা। মাড়ির ও চোয়ালের হাড়ের মধ্যকার দাঁতের শিকড়ের বাইরের স্তরটি সিমেন্টাম নামক পদার্থ দ্বারা আবৃত থাকে। ভেতরের বাকি দুটি স্তর একই।
ফিলিং কখন করতে হয়

দাঁতের ক্ষয় যখন প্রথম দুটি স্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তখন ফিলিংয়ের মাধ্যমেই দাঁতকে স্বাভাবিক রাখা যায়। এনামেল ক্ষয় হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে দাঁতে তেমন কোনো অস্বাভাবিকতা অনুভব হয় না। ডেন্টিন ছুঁয়ে গেলে দাঁত শিনশিন করতে পারে । এ অবস্থায় অনুমোদিত ডেন্টাল চিকিৎসক দাঁত ক্ষয়ের গভীরতা বুঝে খুব অল্প সময়ের মধ্যে দাঁতের রঙের সঙ্গে রং মিলিয়ে ফিলিং পদার্থ দিয়ে দাঁতের গর্ত পূরণ করে সহজেই দাঁতকে সুস্থ করে তোলে। ফিলিংয়ের রং ও আকৃতি এতটাই নিখুঁত হয়, দাঁতে ফিলিংয়ের উপস্থিতি অনুভব করা যায় না।

রুট ক্যানেল চিকিৎসা কখন করতে হয়

আমাদের অবহেলা বা উদাসীনতার কারণে দাঁতের গর্তের গভীরতা যখন মধ্যকার মজ্জা বা প্রাণে চলে যায়, তখন দাঁত রক্ষার এই একটি পদ্ধতি রয়েছে। স্বভাবগত কারণেই গর্তের শুরুতে আমরা চিকিৎসা নিতে যাই না, যতক্ষণ না ব্যথা অনুভব হয়। মজ্জা খুব সংবেদনশীল। কারণ দাঁতের স্তরের মধ্যে শুধু এখানেই প্রচুর স্নায়ু ও রক্তের সঞ্চালন রয়েছে। এই ব্যথা নিয়ে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে ওষুধ নিয়ে ব্যথা কমিয়ে রাখেন, যা পরে সঠিক চিকিৎসাব্যবস্থাকে জটিল করতে পারে।

রুট ক্যানেল চিকিৎসা নিয়ে আমাদের অনেকের নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। এটা হতে পারে রোগীর নিজের বা পরিচিত কারোর পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে। যেমন : কেউ হয়তো চিকিৎসাটা যথানিয়মে শেষ না করে বা অনুমোদনহীন ডাক্তারের কাছে অপচিকিৎসার শিকার হয়ে চিকিৎসাটি সফল না হওয়া থেকে।

আমাদের দেশ এখন রুট ক্যানেল চিকিৎসা উন্নত বিশে^র মতো। সঠিক স্থান থেকে চিকিৎসা পেলে এর সফলতা ৯৮ ভাগের বেশি। সুতরাং, এই চিকিৎসা নিয়ে সংশয়ের কোনো সুযোগ নেই। রুট ক্যানেল শেষে দাঁতটির ওপর কৃত্রিম মুকুট বা ক্যাপ করে নেওয়া জরুরি। কারণ এই চিকিৎসা শেষে দাঁতের ইলাস্টিসিটি কমে যাওয়াতে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সুতরাং দাঁতের গর্তে বা ব্যথায় দাঁতকে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে রক্ষা করতে হবে। সংখ্যাতে বেশি হলেও প্রতিটি দাঁতের আলাদা প্রয়োজনীয়তা আছে আর সারা বিশ্ব বলে ছয় মাস অন্তর কোনো অনুমোদিত ডেন্টাল চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে মুখের যেকোনো রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হয়। তখন তার চিকিৎসা পদ্ধতিও সহজ হয়। মুখ আমাদের শরীরের প্রবেশদ্বার, তাকে সঠিক নিয়মে নিয়মিত যতেœর কোনো বিকল্প নেই।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

22/08/2024

সুন্দর দাঁত কার না ভালো লাগে? তবে দাঁতকে সুন্দর রাখতে হলে প্রয়োজন দাঁতের যত্ন। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে দাঁতের যত্ন নিয়ে কিছু পরামর্শ।

১. এসিডিক ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের খাবারগুলো দাঁতের ক্ষয় করে।

২. প্রচুর পানি পান করে মুখকে আর্দ্র রাখুন। শুষ্ক মুখ দাঁতের ক্ষয় বাড়িয়ে দেয়।

৩. দাঁত ব্রাশের জন্য সঠিক টুথব্রাশ ব্যবহার করা উচিত। তাই নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করুন। শক্ত টুথব্রাশ ব্যবহারে দাঁতের ক্ষতি হয়।

৪. ফ্লোরাইড বেজ মাউথওয়াশ দিয়ে নিয়মিত মুখ কুলি করুন।

৫. দাঁত ভালো রাখার জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার খান।

৬. দাঁতে সমস্যা থাকলে তো চিকিৎসকের কাছে যাবেনই, তবে নিয়মিত চেকআপের মধ্যে থাকার জন্য বছরে অন্তত দুবার দন্ত্যচিকিৎসকের কাছে যান।

৭. প্রতিদিন মাড়ি ম্যাসাজ করুন। মাড়িতে ম্যাসাজ করা রক্ত সঞ্চালনকে বাড়িয়ে দেয়।

যোগাযোগঃ 01305534939
whatsApp : 016889445916
লোকেশন : 40 ফিট মেইন রোড, বসিলা, মোহাম্মদপুর , ঢাকা

Address

40 Fit Road, Muhammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasib Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share