Rezia Dental Care

Rezia Dental Care Dhaka

Periodontitis এর ট্রিটমেন্ট RCT হয় কিভাবে?  🦷 পেরিওডোন্টাইটিস এ বিচার বিবেচনা না করে লাফ দিয়েই রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট কর...
03/05/2026

Periodontitis এর ট্রিটমেন্ট RCT হয় কিভাবে?
🦷 পেরিওডোন্টাইটিস এ বিচার বিবেচনা না করে লাফ দিয়েই রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট করে দিচ্ছেন আপনি।

আপনি কি জানতেন না? যে, Bleeding gum, deep pocket, bone loss diagnosis পরিষ্কার: Periodontitis

তবুও আপনার treatment plan-এ ঢুকে যাচ্ছে Root Canal Treatment (RCT)! কেন?

আপনি কি ভাল হবেন না মাসুদ ভাই?? নিজের ভালো চাইলে মন দিয়ে পড়েন পুরো লেখাটা৷

👉 পরিষ্কার করে বলি
Periodontitis ≠ Pulpal disease

একটা হলো supporting tissue (gingiva, PDL, bone) এর রোগ,

আরেকটা pulp এর।

❗ যেখানে সবচেয়ে বেশি ভুল হচ্ছে
🔴 Mobility দেখেই RCT plan
🔴 Deep pocket = pulp involved ধরে নেওয়া
🔴 Vitality test ছাড়া decision
🔴 Radiograph ঠিকমতো interpret না করা

এগুলো clinical error

RCT কখন করবেন?

শুধু তখনই—
✔️ Tooth non-vital
✔️ Clear pulpal pathology
✔️ True combined perio-endo lesion

এর বাইরে গিয়ে হুট করে RCT করলেন মানে = overtreatment করলেন।

তাহলে Periodontitis এর আসল treatment কী?

✔️ Full periodontal assessment
✔️ Scaling & Root Planing (SRP) F/B Medication.
✔️ Oral hygiene reinforcement
✔️ Re-evaluation
✔️ প্রয়োজন হলে periodontal surgery
✔️ নিয়মিত maintenance (recall)

👉 Root cause (calculus) না সরালে কোনো treatment কাজ করবে না

💊 Medication হলো support, এটা কিন্তু একা একমাত্র solution না।

✔️ Pain থাকলে —
Ibuprofen / paracetamol

✔️ Chlorhexidine mouthwash

✔️ Metronidazole

⚠️ Systemic antibiotic শুধুই indication থাকলে:
Amoxicillin + Metronidazole

এর পরে আপনি ভালোভাবে ফলোয়াপ নেন। সিম্পটম অনুযায়ী আপনি প্রয়োজন হলে RCT করেন। কিন্তু সেটা যদি সেই Indication থাকে, শুধুমাত্র তখন। আমি আপনাকে না করব না৷

🚫 Hard truth
Mobility কমানোর জন্য RCT completely unscientific।

Bone loss হয়েছে periodontium এ, pulp-এ না।

সারাদিন ১০০ লেবুর শক্তি সহ ভিমবার দিয়ে বসে বসে Canal clean করলেও bone হুট করেই ফিরবে না।

কি বুঝলেন??

কমেন্টে আপনার মতামত সাদরে গ্রহণ করব।

পাল্প পলিপ (ক্রনিক হাইপারপ্লাস্টিক পাল্পাইটিস)গভীর দাঁতের ক্ষয় (ডিপ ক্যারিজ) দীর্ঘদিন চিকিৎসাবিহীন থাকলে জীবিত পাল্প টিস...
24/02/2026

পাল্প পলিপ (ক্রনিক হাইপারপ্লাস্টিক পাল্পাইটিস)

গভীর দাঁতের ক্ষয় (ডিপ ক্যারিজ) দীর্ঘদিন চিকিৎসাবিহীন থাকলে জীবিত পাল্প টিস্যু বৃদ্ধি পেয়ে লালচে মাংসল অংশের মতো বাইরে বের হয়ে আসতে পারে। এটি সাধারণত অল্পবয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে যাদের দাঁতে রক্ত সরবরাহ ভালো এবং ওপেন এপেক্স থাকে।

✔ সাধারণত ব্যথাহীন
✔ স্পর্শ করলে রক্তপাত হতে পারে
✔ অনেক সময় কোনো উপসর্গ থাকে না

🦷 প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক রোগ নির্ণয় দাঁতকে বাঁচাতে সাহায্য করে।
সময়মতো ভাইটাল পাল্প থেরাপি, রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট (RCT) অথবা (যদি দাঁত সংরক্ষণযোগ্য না হয়) এক্সট্র্যাকশন করলে জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

অতিরিক্ত ক্ষয়প্রাপ্ত দাঁত অবহেলা করবেন না — জটিলতা বাড়ার আগেই চিকিৎসা নিন।

21/02/2026

রোজার সময় দীর্ঘক্ষণ না খাওয়া ও পানি না পান করার কারণে মুখে dry mouth (xerostomia tendency) দেখা দিতে পারে। এতে plaque accumulation, bad breath (halitosis) ও caries risk বাড়ে। তাই কিছু বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।
১️। সেহরির পর অবশ্যই ব্রাশ করুন
✔ Fluoride toothpaste ব্যবহার করুন
✔ অন্তত ২ মিনিট ব্রাশ করুন
✔ জিহ্বা পরিষ্কার করুন (tongue cleaning খুব গুরুত্বপূর্ণ)
👉 রাতে saliva flow কম থাকে, তাই সেহরির পর ব্রাশ না করলে plaque দ্রুত জমে।
২️। ইফতারের পর সঠিক ওরাল হাইজিন
✔ ইফতারের ২০–৩০ মিনিট পর ব্রাশ করুন
✔ দাঁতের ফাঁকে খাবার জমলে dental floss ব্যবহার করুন
✔ মিষ্টি খাবার খেলে অতিরিক্ত সতর্ক থাকুন
৩️।রোজা অবস্থায় ব্রাশ করা যাবে?
হ্যাঁ, যাবে।
ইসলামিক স্কলারদের মতে (যেমন ইমাম আবু হানিফা এর মতানুসারে) ব্রাশ বা মিসওয়াক ব্যবহার করা বৈধ—তবে কিছু গিলে ফেলা যাবে না।
৪️। মিসওয়াক ব্যবহার
Salvadora persica (মিসওয়াক) প্রাকৃতিক antibacterial প্রভাব রাখে।
✔ রোজা অবস্থায় নিরাপদ
✔ মুখের দুর্গন্ধ কমাতে সহায়ক
৫️।মুখের দুর্গন্ধ (Halitosis) কেন হয়?
✔ লালা কমে গেলে
✔ জিহ্বায় bacteria জমলে
✔ দীর্ঘক্ষণ না খাওয়ার কারণে ketone production বাড়লে
👉 সমাধান:
সেহরিতে বেশি পানি পান
জিহ্বা পরিষ্কার
সুগার-ফ্রি মাউথওয়াশ (গিলে ফেলা যাবে না)
৬️। যাদের ডায়াবেটিস বা গাম ডিজিজ আছে
রোজায় dehydration হলে gingivitis বা periodontitis বাড়তে পারে।
✔ নিয়মিত scaling প্রয়োজন হতে পারে
✔ রক্তপাত হলে দ্রুত ডেন্টিস্ট দেখান
৭️।কি এড়িয়ে চলবেন?
❌ ইফতারে অতিরিক্ত মিষ্টি
❌ বারবার চিনি মেশানো পানীয়
❌ ব্রাশ না করে ঘুমানো

🔹 সংক্ষেপে মূল বার্তা
🌙 রোজায় খাবার কম, কিন্তু ব্যাকটেরিয়া কমে না।
🦷 তাই নিয়মিত ব্রাশ, ফ্লস ও জিহ্বা পরিষ্কারই সুস্থ দাঁতের চাবিকাঠি।

📌 পোর্সেলিন, মেটাল এবং জিরকোনিয়া ক্যাপের পার্থক্য এবং কখন কোনটা ব্যবহার করা উচিত?👉 মেটাল ক্যাপ (Metal Crown)✅ সুবিধা: এ...
02/02/2026

📌 পোর্সেলিন, মেটাল এবং জিরকোনিয়া ক্যাপের পার্থক্য এবং কখন কোনটা ব্যবহার করা উচিত?

👉 মেটাল ক্যাপ (Metal Crown)

✅ সুবিধা: এটি অত্যন্ত মজবুত এবং টেকসই। ভাঙার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে এবং এটি লাগাতে দাঁত খুব সামান্য পরিমাণে কাটতে হয়।

❌ অসুবিধা: এর রঙ ধাতব হওয়ার কারণে দেখতে একদমই প্রাকৃতিক দাঁতের মতো নয়।

🎯 কখন ব্যবহার করবেন: সাধারণত মাড়ির একদম পেছনের দাঁতে (যেগুলো বাইরে থেকে দেখা যায় না) এবং যাদের কামড়ের জোর (Biting force) খুব বেশি, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।

👉 পোর্সেলিন ক্যাপ (Porcelain Fused to Metal - PFM)

✅ সুবিধা: এর ওপরের অংশ দাঁতের রঙের সাথে মিলিয়ে তৈরি করা যায়, তাই দেখতে সুন্দর লাগে।

❌ অসুবিধা: ভেতরের ধাতব অংশের কারণে এটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ (translucent) দেখায় না। অনেক সময় মাড়ির কাছে একটি কালো বা ধূসর লাইন দেখা যেতে পারে। এছাড়া ওপরের পোর্সেলিন অংশটি শক্ত খাবার চিবোলে চিপ বা ফাটল ধরতে পারে।

🎯 কখন ব্যবহার করবেন: সামনের এবং পেছনের—উভয় দাঁতের জন্যই ব্যবহার করা যায়।

👉 জিরকোনিয়া ক্যাপ (Zirconia Crowns)

এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আধুনিক ডেন্টাল ক্যাপ। এটি এক ধরণের অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রিস্টাল বা সিরামিক দিয়ে তৈরি।

✅ সুবিধা: এটি মেটালের মতোই শক্তিশালী কিন্তু দেখতে হুবহু প্রাকৃতিক দাঁতের মতো। এতে কোনো ধাতু থাকে না, তাই মাড়িতে কালো দাগ পড়ার ভয় নেই। এটি টিস্যুর সাথে খুব ভালো মানিয়ে নেয় (Biocompatible) এবং দীর্ঘস্থায়ী।

❌ অসুবিধা: অন্যান্য ক্যাপের তুলনায় এর খরচ কিছুটা বেশি।

🎯 কখন ব্যবহার করবেন: সামনের দাঁতের সৌন্দর্যের জন্য এবং পেছনের দাঁতের শক্তির জন্য—উভয় ক্ষেত্রেই এটি সেরা। বিশেষ করে যারা খুব শক্ত খাবার পছন্দ করেন বা যাদের 'দাঁত কিড়মিড়' করার অভ্যাস আছে, তাদের জন্য এটি আদর্শ।
কানাইপুর বাজার, ফরিদপুর।

বাংলাদেশের প্রত্যেকটা বাসায় এই দৃশ্যটা খুব কমন। বাসায় মেহমান আসলো, বাচ্চার হাতে একটা চিপসের প্যাকেট বা চকলেট ধরিয়ে দিলো।...
20/12/2025

বাংলাদেশের প্রত্যেকটা বাসায় এই দৃশ্যটা খুব কমন। বাসায় মেহমান আসলো, বাচ্চার হাতে একটা চিপসের প্যাকেট বা চকলেট ধরিয়ে দিলো। অথবা আমরাই বাইরে গেলে বাচ্চার কান্নাকাটি থামাতে একটা কেক বা জুস কিনে দিলাম। আমরা ভাবি, "আহা, বাচ্চা মানুষ, একটুআধটু তো খাবেই!" কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি, এই "একটুআধটু" জিনিসগুলোই আমাদের কলিজার টুকরাটার হার্টের যে কী পরিমাণ ক্ষতি করছে, তা আমরা টেরও পাচ্ছি না!

আগে আমিও এসব নিয়ে এত মাথা ঘামাতাম না। কিন্তু খাবার নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে আমার তো চোখ কপালে! বিশেষ করে এই ৪টা জিনিস, যা আমরা আদর করে বাচ্চার হাতে রোজ তুলে দিচ্ছি:

১. দোকানের চকলেট:

ওই যে চকচকে প্যাকেটের চকলেট, যার বেশিরভাগটাই হলো চিনি আর পাম তেলের মিশ্রণ। এই বাজে ফ্যাটটাই সোজা বাচ্চার রক্তের নালিতে গিয়ে জমে, আর ছোট্ট হার্টটার উপর চাপ বাড়াতে থাকে।

২. প্যাকেট বিস্কুট:

আমরা ভাবি, বিস্কুট তো ভালোই! কিন্তু, প্যাকেটের বেশিরভাগ বিস্কুটই হলো ময়দা, চিনি আর ডালডার একটা মিশ্রণ। এটা সরাসরি বাচ্চার রক্তে খারাপ চর্বি (কোলেস্টেরল) বাড়িয়ে দেয়।

৩. রঙচঙে ক্রিম কেক:

দেখতে যা সুন্দর, খেতেও মজা। কিন্তু এই কেকের ক্রিমে যে কী পরিমাণ বনস্পতি বা বাটার অয়েল (মানে ট্রান্স-ফ্যাট) থাকে, তা জানলে আপনি আর কিনে খাওয়াবেন না। এটা হার্টের জন্য খুবই খারাপ।

৪. চিপস: এক কথায় বলতে গেলে, এগুলো হলো লবণের খনি! এই অতিরিক্ত লবণ বাচ্চার শরীরে পানি জমিয়ে ফেলে আর ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে দেয়। চিন্তা করেন, এই ছোট্ট বয়সেই যদি প্রেশার নিয়ে ভাবতে হয়, তাহলে কেমন লাগে!

এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে কি বাচ্চাকে কিছুই খাওয়াবো না? অবশ্যই খাওয়াবো! কিন্তু একটু বুদ্ধি খাটিয়ে। ওদের বায়না মেটাতে দোকান থেকে না কিনে, ঘরেই বানিয়ে দিন না স্বাস্থ্যকর কিছু।

কেকের বদলে বানান সুজির নরম কেক বা প্যানকেক।
বিস্কুটের বদলে দিন আটা দিয়ে বানানো নিমকি বা বিস্কুট।
চিপসের বদলে আলু কেটে সামান্য লবণ দিয়ে এয়ার ফ্রাই বা হালকা তেলে ভেজে দিন।
চকলেটের বদলে দিন খেজুর বা অন্য কোনো মিষ্টি ফল।

আমি জানি, দোকান থেকে কিনে আনা অনেক সহজ। কিন্তু একটু কষ্ট করে ঘরে বানালে বাচ্চার স্বাস্থ্যটাও ভালো থাকলো, আর আপনার মনের মধ্যেও একটা শান্তি কাজ করবে। আমাদের আদর যেন ওদের জন্য বোঝা না হয়ে দাঁড়ায়।

আপনারা বাচ্চার আবদার মেটাতে চটজলদি স্বাস্থ্যকর কী বানিয়ে দেন? একটু আইডিয়া শেয়ার করেন তো, সবার কাজে লাগবে।

24/11/2025

শুক্রবারের ভূমিকম্পে হঠাৎ সারা দেশ কেঁপে ওঠে। এতে হতাহত ও ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। তারপর গতকাল শনিবার আফটারশ....

মানবদেহে ফিরবে নতুন দাঁত! দাঁত গজানোর বিপ্লবী ওষুধের ট্রায়াল শুরু জাপানেছবিঃ সংগৃহীতজাপান এক অসাধারণ চিকিৎসা বিপ্লবের দ্...
24/11/2025

মানবদেহে ফিরবে নতুন দাঁত! দাঁত গজানোর বিপ্লবী ওষুধের ট্রায়াল শুরু জাপানে
ছবিঃ সংগৃহীত

জাপান এক অসাধারণ চিকিৎসা বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে—মানুষের দাঁত স্বাভাবিকভাবে পুনরায় গজাতে সক্ষম এমন একটি ওষুধের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। বিশ্বের প্রথম এ উদ্ভাবনটি তৈরি করছেন কিয়োটো ইউনিভার্সিটি ও ওসাকা ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা।

গবেষণা দল জানায়, USAG-1 নামের একটি প্রোটিন মানুষের দেহে নতুন দাঁত গজানো প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়। এই প্রোটিনকে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিলে শরীরের ভেতরে লুকানো দাঁত গজানোর ক্ষমতা আবার সক্রিয় হয়—একই ক্ষমতা এখনো দেখা যায় হাঙর ও কিছু সরীসৃপের ক্ষেত্রে।

প্রাণীর ওপর প্রাথমিক পরীক্ষায় আশার আলো মিলেছে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ইঁদুর ও ফেরেটরা পূর্ণাঙ্গ, শক্তিশালী ও স্বাভাবিক নতুন দাঁত গজিয়েছে। এসব সাফল্যের পর জাপান ইতোমধ্যে মানুষের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে।

যদি নিরাপদ প্রমাণিত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ডেন্টার, ব্রিজ বা ইমপ্ল্যান্টের প্রয়োজনই হারিয়ে যেতে পারে। বার্ধক্য, দুর্ঘটনা বা রোগে দাঁত হারানো মানুষরা স্বাভাবিকভাবেই আবার নতুন দাঁত গজাতে সক্ষম হবেন—যেমন শিশুদের দুধদাঁত গজায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সবকিছু ঠিকঠাক হলে ২০৩০ সালের মধ্যেই এই ওষুধ বাজারে আসতে পারে, যা হবে শতাব্দীর অন্যতম বড় চিকিৎসাবিজ্ঞানী অর্জন।

এটি শুধু ডেন্টাল কেয়ার নয়—মানব জীববিজ্ঞানেরই নতুন এক অধ্যায়। প্রাকৃতিকভাবে দাঁত পুনরায় গজানোর এই সক্ষমতা বিশ্বব্যাপী কোটি মানুষের স্বাস্থ্য, আত্মবিশ্বাস ও জীবনমান বদলে দিতে পারে।

https://www.dailyjanakantha.com/science-technology/news/878345?fbclid=IwdGRjcAOQxntjbGNrA5DFxGV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHpTtHrEzqOXi4BWDNQsbdBsO9q5ga58l_mxPMUOWf8EzItZ5Rr9UsEBFeUMk_aem_SoOyYS0D6lpqHGBLzCk9iQ

জাপান এক অসাধারণ চিকিৎসা বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে—মানুষের দাঁত স্বাভাবিকভাবে পুনরায় গজাতে সক্ষম এমন একটি ওষুধ.....

দাঁতের সমস্যা চিরতরে বিদায়! নতুন আবিষ্কারে মাত্র কয়েক মাসেই পুনর্গঠিত হবে নতুন দাঁতদক্ষিণ কোরিয়ার বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি...
20/11/2025

দাঁতের সমস্যা চিরতরে বিদায়! নতুন আবিষ্কারে মাত্র কয়েক মাসেই পুনর্গঠিত হবে নতুন দাঁত

দক্ষিণ কোরিয়ার বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এমন একটি মাইক্রোনিডল প্যাচ আবিষ্কার করেছেন, যা মানুষের দাঁত প্রাকৃতিকভাবে পুনর্গঠন করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি দাঁতের কৃত্রিম ইমপ্লান্ট, ডেন্টার, ড্রিলিং বা ফিলিংয়ের যুগ শেষ করতে পারে।

কীভাবে কাজ করে প্যাচটি?
প্যাচের মাধ্যমে পেইনলেস মাইক্রোনিডল সিস্টেম ব্যবহার করে একটি ওষুধ টাইডগ্লুসিব (tideglusib) এবং শক্তিশালী গ্রোথ ফ্যাক্টর সরাসরি মাড়ির গভীরে পৌঁছে, যেখানে ডরম্যান্ট (নিষ্ক্রিয়) ডেন্টাল স্টেম সেল সক্রিয় হয়।

ক্লিনিকাল পরীক্ষার ফলাফল
কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গহ্বরযুক্ত দাঁত (cavities) পুনরায় সুস্থ হয়ে গেছে।

দুই মাসে চিপড এনামেল সম্পূর্ণ পুনরায় তৈরি হয়েছে।

প্রায় এক-তৃতীয় অংশের অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রে নতুন দাঁতের বীজ (tooth buds) গঠন শুরু হয়েছে—যা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আগে অসম্ভব মনে করা হতো।

কর্মপ্রক্রিয়া ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
প্যাচটি GSK-3 প্রোটিনকে বাধা দেয়, যা সাধারণত দাঁত বৃদ্ধিকে প্রতিরোধ করে। এটি বন্ধ করার মাধ্যমে শরীর প্রাকৃতিক দাঁত গঠনের প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে $300 মূল্যের এই প্যাচ বাণিজ্যিকীকরণ করা হলে, এটি বিশ্বব্যাপী দাঁতের চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে।

ইমপ্লান্ট ও ডেন্টারসের প্রয়োজন কমবে, যা হাজার হাজার ডলারের ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাড় ও অন্যান্য কঠিন টিস্যু পুনর্গঠনও সম্ভব হবে, যা পুনর্জন্মমূলক চিকিৎসায় বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

দাঁতের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এবার অপেক্ষা কেবল কয়েক মাসেই—দাঁতের নতুন যুগ শুরু হতে চলেছে।
https://www.dailyjanakantha.com/science-technology/news/877187?fbclid=IwdGRjcAOLapNjbGNrA4tp_mV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHmJA8fQfZKBmxi1FpVsEygZk0QJyac9bAN8-ggBl7WeClAR13HO3CGx3HLuS_aem_FpR2qviE61HWjCMlOeSFfA

Address

Dhaka
02000

Telephone

+441884412300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rezia Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share