18/09/2023
আজকে আমারা আলোচনা করবো সবচেয়ে কমন একটা বিষয় নিয়ে।সেটা হলো অ্যাপথাস আলসার বা মুখে ঘাঁ নিয়ে।
অ্যাপথাস আলসার এ ভুগেন না এমন মানুষ কম ই আছে। অ্যাপথাস আলসার হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোন কারন নেই।মুখের যেকোন যায়গায় ই হতে পারে,তবু এটা হলে কি কি করনীয় সেটা জেনে রাখা উচিত।
অ্যাপথাস আলসার সাইজ ও রকম ভেদে ৩ রকম হয়ে থাকে।
১.মাইনর অ্যাপথাস আলসার
২. মেজর অ্যাপথাস আলসার
৩.হারপেটিফর্ম অ্যাপথাস আলসার।
# মাইনর অ্যাপথাস আলসার : এগুলো সাধারণত ওভাল বা রাউন্ড শেপের হয়ে থাকে। ৫মিমি এর কম ডায়ামিটার হয়ে থাকে সাইজ এ এবং ১-২ সপ্তাহের ভেতর ভালো হয়ে যায় চিকিৎসা ছাড়াই।
#মেজর অ্যাপথাস আলসার :এগুলো মাইনর আলসার এর চেয়ে সাইজ এ বড় এবং গভীর হয়ে থাকে।ডায়ামিটার এ ১০ মিমি এর চেয়ে বড় হয় সাইজ এ এবং অনেক ব্যাথা হয়ে থাকে।
# হারপেটিফর্ম অ্যাপথাস আলসার :
এরা পিন পয়েন্ট সাইজ এর এবং অনেক গুলো একসাথে জমাটবদ্ধ ভাবে হয়ে থাকে।এদের নির্দিষ্ট কোন সাইজ থাকে না।
অ্যাপথাস আলসার এর কারন:
১. হরমোনের পরিবর্তন এর জন্য হতে পারে।
২. দাঁত ব্রাশ করার সময় এক্সিডেন্টাল ইঞ্জুরি বা ব্রাস পড়ানো থাকলে সেখান থেমে ইঞ্জুরি বা বার বার গালে শার্প দাঁতের কামড় লেগে ক্ষত হয়ে সেখান থেকে হতে পারে।
৩. ভাইরাস,ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ থেকে হতে পারে।
৪. কোন নির্দিষ্ট খাবারে এলার্জিক হলে বা অতিরিক্ত স্পাইসি খাবার থেকে হতে পারে।
৫. বিভিন্ন ভিটামিন এর সল্পতায় হতে পারে যেমন ভিটামিন বি১২,বি ৯,যিংক আ,আয়রন ইত্যাদি।
৬.ইমোশনাল স্ট্রেস।
৭.ঘুমের সল্পতা।
৮.মুখের হাইজিন মেন্টেইন না করলে।
এরকম আরো অনেক কারনেই হতে পারে।
করনীয়:
সাধারণত এটি কয়েকদিনে এমনি ভালো হয়ে যায়।কিছু নিয়ম মেনে চলা ভালো।
সবার আগে মুখগহ্বর এর যত্ন নিতে হবে।
নরম ব্রিশল যুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। ভাংগা দাঁত থাকলে ডাক্তার এর কাছ থেকে তার চিকিৎসা নিতে হবে।ধুমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমাতে হবে।
মানসিক চাপ কমাতে হবে।
রোগীর খাদ্যভাস এ পরিবর্তন আনতে হবে।৩ সপ্তাহের বেশি সময়ে না কমলে দাঁতের ডাক্তার সরনাপন্ন হতে হবে।