26/01/2026
ফার্মেসীতে গিয়ে...ঔষধ বিক্রেতার পরামর্শে সিপ্রোফ্লক্সাসিন ট্যাবলেট কিনে খেয়েছিল...ঔষধ এর রিয়্যাকশন....ব্যাস!
সারা শরীর জলসে গিয়ে এমন দশা!
এই ঘটনা প্রথম আবিস্কার করেন চিকিৎসক স্টিফেন জনসন..... তার নামেই রোগের নাম... স্টিফেন জনসন সিন্ড্রোম...!
একেবারেই ভয়ংকর দশা...চামড়া গলে চোখের পাতাও লেগে যায়! সারা শরীরে ফোসকা পড়ে।
কার যে হবে বোঝাও যায় না আগে থেকে...কিছু ঔষধ লিখতে চিকিৎসকরাও তাই ভয় পান...২ লাখে একজনের এমন হতে পারে...ঔষধগুলো ভালো...বেশ কার্যকর...কিন্তু কার যে রিয়্যাকশন করবে...তা আগে থেকে বের করা সত্যিই কষ্টকর!
একই ঔষধ দিয়ে হয়ত আপনি সহস্র মানুষকে সুস্থ করেছেন...কিন্তু একজনের এমন হলেই অভিযোগ ওঠে ভুল চিকিৎসার!
সাধারণত যেসব ওষুধে বেশি হয়—
গাউট বা গেঁটেবাতের ওষুধ: অ্যালোপিউরিনল।
খিঁচুনির ওষুধ: কার্বামাজেপিন, ফিনাইটোইন, ফেনোবারবিটাল, ল্যামোট্রিজিন
কিছু অ্যান্টিবায়োটিক: কোট্রাইমক্সাজল,সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইত্যাদি
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ওষুধ: সালফাসালাজিন
ব্যথানাশক: মেলোক্সিকাম ও পাইরোক্সিকাম
নিজে নিজে তাই ঔষধ গ্রহণ নয়...একবার এমন রিয়্যাকশন হলে...সে ঔষধ আর কখনো নয়!
আশার কথা হলো...দেখতে ভয়ংকর লাগলেও দ্রুত চিকিৎসা পেলে...এই রোগ সেরে যায়!
এই শিশুটিও এখন সুস্থতার পথে...
আল্লাহপাক...রোগী এবং চিকিৎসক..উভয়কেই এমন বিপদ থেকে রক্ষা করুক সেই দোয়া।
ছবি কার্টেসি: ডা. মাহফুজ বাধন